টি টোয়েন্টি ম্যাচের ভারতীয় দলে নতুন অতিথি

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে নামার আগে হঠাৎই ভারতীয় দলের অতিথি বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার যুবরাজ সিং(Yuvraj Singh)। নিউ চন্ডীগড়ের স্টেডিয়ামে এদিন উদ্বোধন হল যুবরাজ সিংয়ের(Yuvraj Singh) নামে স্ট্যান্ড। সেই অনুষ্ঠানে যো দেওয়ার পরই ভারতীয় দলের সঙ্গে একেবারে হাডলে নেমে পড়লেন যুবি। আর তাঁকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত দলের প্রত্যেক তারাকারাও। যুবরাজের ছাত্র শুভমন গিল(Shubman Gill) ও অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। তারা যেমন যুবরাজের আগমনে আপ্লুত। তেমনই উচ্ছ্বাসের ছবি দেখা গেল প্রতিটি ক্রিকেটারের চোখে মুখে। সেখানেই ক্রিকেটারদের সঙ্গে কাটালেন বেশ কিছুক্ষণ সময়। ক্রিকেটারদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ সময়ও কাটিয়েছেন তিনি। সেখানেই শুভমন গিল, অভিষেক শর্মা অন্যান্য ক্রিকেটারদের নানান টিপসও দেন যুবরাজ সিং। একইসঙ্গে এদিন গোতম গম্ভীরের সঙ্গেও বেশ খোশ মেজাজেই দেখা গেল যুবরাজ সিংকে। হয়ত বিশ্বকাপ জয়ের সেই নানান মুহূর্তের স্মৃতিই উঠে এল তাদের কথাবার্তায়।
বিজয় হাজারের প্রাথমিক দলে বিরাট কোহলি

খেলার কথা আগেই জানিয়েছিলেন। সেভাবেই বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli) সম্ভাব্য দলে রেখেই বিজয় হাজারে ট্রফির জন্য দল ঘোষণা দিল্লি। মুল্তাক আলির পরই বিজয় হাজারে ট্রফি(Vijay Hazare Trophy) শুরু হবে। তবে সেই প্রতিযোগিতা নিয়ে এবার হঠাৎ করেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। কারণ দীরেঘদিন বাদে সেখানেই দেখা যেতে চলেছে বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli)। দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন(DDCA) সেই কথাই বৃহস্পতিবার সরকারীভাবে জানিয়ে দিয়েছে। শুধুমাত্র বিরাট কোহলিই(Virat Kohli) নন, তাঁর সঙ্গে দিল্লির হয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলতে দেখা যেতে পারে ঋষভ পন্থকেও। তাঁকে রাখা হয়েছে দিল্লির সম্ভব্য দলে। দীর্ঘদিন পর ফের বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli) ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখার অপেক্ষায় এখন সকলে। শেষবার ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে খেলতে দেখা গিয়েছিল বিরাট কোহলিকে। টি টোয়েন্টি এবং টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার পর এখন শুধুমাত্র ওডিআই ফর্ম্যাটেই খেলছেন বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। ২০২৭ সালে রয়েছে ওডিআই বিশ্বকাপ। সেখানে খেলার জন্য নিজেকে ফিট রাখার অন্যতম জায়গা হিসাবে এই বিজয় হাজারে ট্রফিকেই বেছে নিয়েছেন বিরাট কোহলি। বিশেষ করে সামনে ভারতীয় দলের ওডিআই সিরিজ খুব একটা নেই। অর্থাৎ গে টাইমও বেশি পাওয়া যাবে না। এই সমস্ত দিক বিচার করেই এবার বিজয় হাজারে ট্রফিতে নামছেন বিরাট কোহলি। গত ২ ডিসেম্বরই বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলার কথা ডিডিসিএ-কে জানিয়েছিলেন বিরাট। এবার তাঁকে রেখেই প্রাথমিক দলও ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সেই দলে আবার রয়েছেন ঋষভ পন্থও। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে তিনি দলে থাকলেও তিনটি ম্যাচের মধ্যে একটিতেও খেলানো হয়নি পন্থকে। এবার বিজয় হাজারেতে নামতে চলেছেন তিনিও।
ব্রিগেডে প্যাটিস বিক্রেতাকে হেনস্থায় ক্ষুব্ধ মমতা

ব্রিগেডে পাঁচ লক্ষ কন্ঠে গীতা পাঠ। সেখানেই প্যাটিস বিক্রেতাকে হেনস্থার ছবি ভাইরাল। সেই ঘটনাতেই তীব্র ক্ষুব্ধ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। কৃষ্ণনগরের সভা থেকেই ফে একবার মমতার মুখে সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের কথা। একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে দিলেন যারা এমন আচরণ করেছেন তাদের সকলকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এমন ঘটনা যে রাজ্যে বরদাস্ত নয় তা ফের একবার স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী(Mamata Banerjee)। কৃষ্ণনগরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সবকটাকে গ্রেপ্তার করেছি। এটা বাংলা। উত্তরপ্রদেশ নয়।” একইসঙ্গে মমতা আরও বলেন, “গীতাপাঠ তো আমরা সকলেই বাড়িতে করি। পাবলিক মিটিং করার কী দরকার? দুর্গাপুজো যখন হয়, তখন মিলেমিশে করি। আপনারা কে? যে ভেদাভেদ করছেন। আমি সবধর্মকে নিয়ে চলতে চাই। নতুন ধর্ম আমদানি করেছেন।” গত ৭ ডিসেম্বর ব্রিগেডে ছিল লক্ষ কন্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন। সনাতন সংস্কৃতি সংসদের উদ্যোগেই আয়োজিত হয়েছিল সেই সভা। সেখানেই উপস্থিত হয়েছিলেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের ধর্মগুরুরা। ব্রিগেডের(Brigade) সেই মাঠেই প্যাটিস বিক্রি করতে গিয়েছিলেন দুই বিক্রেতা। অভিযোগ সেই সময়ই নাকি অনুষ্ঠানে সামিল হওয়া কয়েকজন যুবক নাকি তাদের হেনস্থা করেন। শুধু তাই নয় প্যাটিসের বাক্সও উল্টে দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তাদের মারধর ও উঠবোস করানোরও অভিযোগ উঠেছে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হতেও খুব একটা বেশি সময় নেয়নি। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জায়গায় চিকেন প্যাটিস বিক্রি কেন, এই প্রশ্ন তুলেই বিক্রেতাকে হেনস্থা করা হয়। এই ঘটনা সামনে আসার পর আগেই ফুঁসে উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। এবার কৃষ্ণনগরের মঞ্চ ক্ষোভ প্রকাশ খোদ মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
ক্রিসমাসের ছুটি কাটাতে দেশে ফিরলেন হিরোশি সহ বাকিরা

ক্রিসমাসের(Christmas) ছুটি কাটাতে দেশে ফিরে গেলেন হিরোশি ইবুসুকি(Hiroshi Ibusuki)। পরিবার নিয়ে ইতিমধ্যে জাপান পৌঁছেও গিয়েছেন তিনি। তবে শুধু হিরোশি(Hiroshi Ibusuki) নন, ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) অন্যান্য বিদেশিরাও ক্রিসমাস কাটাতে ফিরে গিয়েছেন তাদের দেশে। শুধুমাত্র রয়ে গিয়েছেন একজনই। লাল-হলুদের তারকা ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল(Miguel Fereira) অবশ্য রয়ে গিয়েছেন শহরে। তিনি ফেরেননি। কারণ একটাই। ব্রাজিলে ফিরতে এই সময় অনেক খরচ। একইসঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও রয়েছে এখানেই। তাদের নিয়ে কলকাতাতেই এবার ক্রিসমাসটা কাটাতে চান মিগুয়েল ফেরেরা(Miguel Feriera)। সুপার শেষের পরই দেশে ফিরে গিয়েছিলেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzo)। আপাতত আইএসএল হওয়া নিয়ে কোনওরকম নিশ্চয়তা নেই। সেইজন্য লাল-হলুদেও(Eastbengal) আপাতত লম্বা বিরতি। অনির্দিষ্ট কালের জন্য ইস্টবেঙ্গলেও বাতিল হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। সেই সময়টা নিজের দেশেই ক্রিসমাস কাটাতে চলে গিয়েছেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। একইসঙ্গে ফিরে গিয়েছিলেন আরেক তারকা স্প্যানিশ ফুটবলার সওল ক্রেসপোও(Saul Crespo)। যদিও রসিদ, হামিদ, হিরোশি এবং মিগুয়েলরা অবশ্য দলের সঙ্গে শহরেই ফিরে এসেছিলেন। তবে মিগুয়েল(Miguel Feriera) বাদে এবার বাকিরাও ফিরে গেলেন যে যার দেশে। আপাতত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেখানেই নিজেদের মতো ক্রিসমাসের সেলিব্রেশনে মাততে চান লাল-হলুদের বিদেশি ফুটবলাররা। আইএসএল কবে হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত ধোঁয়াশায় খোদ ইস্টবেঙ্গলও(Eastbengal)। বুধবারের বৈঠকে তারা যোগ দিলেও, সেখানে মত প্রকাশ নয়, বরং কে কী বলছেন সেদিকেই বিশেষ মনোযাগী ছিলেন তারা। আপাতত আইএসএলের নতুন যে মডেল নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে, তা নিয়ে খানিকটা ধীরে চলো নীতিই নিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। শেষপর্যন্ত কী হয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে সকলে।
মাঠে যেতে না পারলেও, ঘরে বসেই দেখা যাবে কলকাতায় মেসি শো

ডিসেম্বরের ঠান্ডা গোটা ভারতে যখন জাঁকিয়ে পড়া শুরু করেছে। সেই সময় কলকতায়(Kolkata) যেন বাড়ছে উষ্ণতার পারদ। হবে নাই বা কেন শহরে যে মেসি(Lionel Messi) আসছেন। আগামী ১৩ ডিসেম্বর গোটা শহর মেসিময় থাকতে চলেছে। টিকিট প্রায় শেষের পথে। কিন্তু মেসিকে(Lionel Messi) দেখার চাহিদা তো আকাশ ছোঁয়া থাকবেই। সেদিন যুবভারতীয় ভরতে চলেছে কানায় কানায়। কিন্তু যারা টিকিট পাননি বা পকেটে টান থাকায় টিকিট কাটতে যেতেই পারেননি। তারা কি খেলা দেখবেন না! সেই অসুবিধাও এবার কেটে গেল। মেসিকে(Lionel Messi) দেখার টিকিট না পাওয়া গেলেও, মেসিকে দেখার সুযোগ রয়েছে সবার কাছে। যুবভারতীতে(Yuvabharati Stadium) দ্যা গোট টুরের(GOAT Tour) প্রতিটা মুহূর্তই সকলে দেখতে পাবেন সোনি লিভের(Sony Liv) পর্দায়। আর এই খবরটা যে মেসি ভক্তদের কাছে বিরাট স্বস্তি দিচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই মেসিকে(Lionel Messi) যুবভারতীতে দেখার টিকিট দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। এখন তা একেবারে শেষের পথে। কিন্তু সময় যত এগোচ্ছে, ততই যেন উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। যুবভারতীতে মেসিকে ঘিরে রয়েছে বহু পরিকল্পনা। সেই মেসিকে নিয়েই চলছে নানান হিসাব নিকাশও। সোনি লিভে বসেই প্রিয় তারকাকে দেখতে পাবেন মেসি ভক্তরা। ২০১১ সালে প্রথমবার ভারতের মাটিতে পা রেখেছিলেন এলএম টেন। সেবারই আর্জেন্তিনার অধিনায়ক হয়েছিলেন তিনি। মাঝে কেটে গিয়েছে ১৪টা বছর। ফের একবার শহরে লিওনেল মেসি। এবার তিনি বিশ্বকাপ জয়ী। ১৩ ডিসেম্বরের শীতকে উপেক্ষা করে যে মেসি ভক্তরা মাততে চলেছেন লিওকে নিয়ে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
সল্ট লেকের ঐকতান এখন মেসি-ময় হয়ে ছোট ইন্টার-মায়ামি!

সল্টলেক স্টেডিয়ামের কাছে ঐকতান। বছরের বাকি সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঠিকানা। কিন্তু ৯ থেকে ১৩ ডিসেম্বর এই ঐকতান হয়ে উঠেছে মেসি-ময়! মনে হচ্ছে কলকাতার সল্টলেকে স্থানান্তরিত হয়েছে মায়ামি, বিশেষভাবে বললে ইন্টার মায়ামি! আর্জেন্তিনা ফুটবল ফ্যানস ক্লাব অফ কলকাতা গোটা কমপ্লেক্সকে সাজিয়ে তুলছে ‘হোলা মেসি’ ফ্যান জোনে। দেয়াল থেকে ছাদ—আর্জেন্টিনার নীল-সাদা ছাপ। আর সবকিছুর কেন্দ্রে একজন। তিনি লিওনেল মেসি। এই বিপুল আয়োজনের নেপথ্যের জুটি এক বাবা ও তার ছেলে। উত্তম সাহা ও প্রজ্ঞান সাহা। বহু বছরের ভালোবাসা এবার অপরূপ প্রদর্শনীর চেহারা নিয়েছে। প্রদর্শনীতে ধরা পড়েছে মেসির মায়ামির বাড়ির প্রতিরূপ। তার সঙ্গে রয়েছে ট্রফির রেপ্লিকা, আর কিংবদন্তি ফুটবলারের গৌরবময় স্মৃতির আর্কাইভ। ২০ বছরের প্রজ্ঞান। মেসির অন্ধ অনুরাগী। ভারত-সফরের কথা শুনেই উদ্যমী কিশোরের নানা ভাবনা। সেই ভাবনার প্রতিফলনে তৈরি হয়েছে প্রদর্শনী। যেখানে কাঠামোর বাইরের অংশ হবে মেসির মায়ামির বাড়ির মতো, ভেতরটা স্মৃতি-সংগ্রহশালা। একদিকে লা লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, কোপা আমেরিকা, বিশ্বকাপের ট্রফির রেপ্লিকা; অন্যদিকে ব্যালন ডি’ওর আর গোল্ডেন বুট। ছাদে ঝুলবে ৮৯৬টি ফুটবল—মেসির বর্ণময় কেরিয়ারের প্রতিটি গোলের প্রতীক! মঞ্চের মাঝখানে বিশাল এলইডি স্ক্রিন—অবিরাম সম্প্রচারিত হবে আর্জেন্তিনীয় তারকার ফুটবল-জীবনের সেরা মুহূর্ত। আর ঠিক সামনে স্পেশ্যাল ‘মেসি থ্রোন’। ফ্যান জোন খোলা সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা। ফ্যান জোনে নানারকমের অনুষ্ঠান। বিতর্ক, কুইজ, স্মৃতিচারণ। প্রবেশমূল্য মাত্র দশ টাকা।
মেসি ম্যাচে মোহনবাগান একাদশের হয়ে নামছেন ব্যারেটো

শুক্রবার রাত দেড়টা নাগাদ দমদম বিমানবন্দরে পা রাখছেন লিওনেল মেসি। পরের দিন, মানে শনিবার সকালে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মেসি ম্যাচ। সকাল সাড়ে দশটায় কিক অফ। মেসি বলে পা দেবেন না। তবে তাঁর উপস্থিতিতে খেলবে মোহনবাগান অলস্টার এবং ডায়মন্ড হারবার এফসি অলস্টার। উল্লেখযোগ্য বিষয়, প্রায় ১৩ বছর পর আবার সবুজ-মেরুণ জার্সি পরে সেদিন যুবভারতীতে নামবেন ব্যারেটো। পেশাদার ফুটবলার হিসেবে অবসর নেওয়ার আগে মোহনবাগানের জার্সিতে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার শেষ খেলেছিলেন ২০১২-তে। ১৪ জনকে নিয়ে গড়া মোহনবাগান অলস্টার দলে ব্যারেটো ছাড়াও থাকবেন সংগ্রাম মুখার্জি, শিল্টন পাল, দুলাল বিশ্বাস, কিংশুক দেবনাথ, রহিম নবি, লালকমল ভৌমিক, হাবিবুর রহমান, অসীম বিশ্বাস, দীপেন্দু বিশ্বাস, ডেনসন দেবদাস, বসুদেব মণ্ডল, দীপক মণ্ডল, গৌতম ঘোষ এবং অমিত দাস। দলের কোচ মানস ভট্টাচার্য। ১৫ মিনিট করে দুটো অর্ধ হবে। ৫ মিনিটের বিরতি। উল্টোদিকে ডায়মন্ড হারবার এফসি। মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়স তাদের। ক্লাবের এক শীর্ষকর্তা জানালেন, তারাও তাদের রিজার্ভ দলের ফুটবলারদের নিয়েই মূলত একাদশ নামাবেন শনিবার। প্রীতি ম্যাচের বল গড়ানোর আগে ফুটবলের রাজপুত্র লিওনেল মেসির হাতে মোহনবাগানের তরফ থেকে তুলে দেওয়া হবে ঐতিহাসিক শিল্ড জয়ের বিশেষ জার্সি। প্রাক্তন ফুটবলাররা উপস্থিত থাকবেন অনুষ্ঠানে। বিশ্ববন্দিত আর্জেন্টাইনের হাতে এই উপহার তুলে দেবেন মোহনবাগানের সচিব সৃঞ্জয় বোস এবং সভাপতি দেবাশিস দত্ত। ঐতিহাসিক ১৯১১-র সবুজ মেরুন জার্সির আদলে তৈরি হচ্ছে বিশেষ জার্সি। সেই উপহারই তুলে দেওয়া হবে মেসির হাতে।