আগামী ২ জানুয়ারি মালদার চাঁচলের কলম বাগানে সভা করার কথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। কিন্তু স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে আবেদন করেও এই সভার অনুমতি আদায় করতে পারেনি মালদা জেলা বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। তাই তাঁরা বাধ্য হয়েই আদালতের দ্বারস্থ হন। অবশেষে মালদার চাঁচলে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সভা করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court)।
সভা করার অনুমতি চেয়ে বিজেপি জেলা নেতৃত্বের তরফে কলকাতা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করা হয়। বিচারপতি বিশ্বরূপ চৌধুরীর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত সভা করার অনুমতি দিলেও বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছে।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ২রা জানুয়ারি দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত মোট দুই ঘণ্টা সভা করা যাবে। সভায় ৯ হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। এছাড়াও ৭০টির বেশি লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। সভাস্থলে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশ প্রশাসনকেই নিতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্টের এই নির্দেশে স্বস্তি ফিরেছে বিজেপি জেলা নেতৃত্বের। ইতিমধ্যে মালদার চাঁচলের কলম বাগানে মঞ্চ তৈরি প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে জোর কদমে। শুভেন্দু অধিকারীকে সভা করতে না দেওয়ার ষড়যন্ত্র করেছিল তৃণমূল। তৃণমূলের গালে থাপ্পড় পড়েছে বলে এদিন কটাক্ষ করেন বিজেপির মালদা জেলা সভাপতি রতন দাস।
অন্যদিকে বিজেপির পাল্টা মালদা তৃণমূল জেলা সম্পাদক রফিকুল হোসেনের দাবি, “শান্ত এলাকা অশান্ত করতে আসছে শুভেন্দু, বিভাজনের রাজনীতি করতে।” কিন্তু বাঙালিরা শুভেন্দুর ফাঁদে পা দেবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারীর সভাকে কেন্দ্র করে চাঁচল ও সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ইতিমধ্যেই আসরে নেমে পড়েছে পুলিশ প্রশাসন।







