এসআইআর নিয়ে রীতিমতো সরগরম লোকসভা ও রাজ্যসভার বাদল অধিবেশন। প্রায় প্রতিদিনই নিয়ম করে সংসদের ঘরে-বাইরে এই এসআইআর-এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের শরিকরা। আর এই স্পেশাল ইনটেন্সিভ রিভিশন নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দপ্তর ঘেরাওয়ের সিদ্ধান্ত নিল ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলো। রাজনৈতিক মহলের মতে কার্যত তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখিয়ে দেওয়া পথেই এই এসআইআর-এর বিরুদ্ধে নিজেদের আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করছে কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোটের বড় শরিক দলগুলো।
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এসআইআর প্রত্যাহারের দাবিতে আগামী বৃহস্পতিবার ইন্ডিয়া জোট, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দপ্তর ঘেরাও করবে। সূত্রের খবর লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে ইন্ডিয়া জোটের সংসদীয় দলের নেতাদের বৈঠকে এই নির্বাচন কমিশনের ঘেরাওয়ের প্রস্তাব প্রথম তৃণমূলের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়। আর তাতেই মান্যতা দেয় রাহুল গান্ধী সহ শরদ পাওয়ার, এমকে স্টালিন সহ ইন্ডিয়া জোটের বাকি শরিকরা। সিদ্ধান্ত হয়েছে সেই মোতাবেক আগামী বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ ৭ আগস্ট নির্বাচন কমিশন দফতর ঘেরাও করবে ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। প্রসঙ্গত, কলকাতায় ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতা হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বাংলায় এসআইআর-এ বৈধ ভোটারদের নাম বাদ গেলে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর ঘেরাও করা হবে। সেই মোতাবেক বৃহস্পতিবার এই প্রস্তাব পেশ করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন। প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নেতারা। এই কর্মসূচিতে কী পোস্টার হবে তাও কার্যত ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেই খবর। বৃহস্পতিবার তৃণমূল সাংসদদের হাতে ‘ভোট চোরি বন্ধ করো’ লেখা পোস্টারও দেখা গিয়েছে। তৃণমূল সূত্রের খবর, একই ধাঁচে লেখা পোস্টারই নির্বাচন কমিশনের দপ্তর ঘেরাও অভিযানে ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি সংসদের ভিতরে ও বাইরে এসআইআর নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচী যেমন চলছে তা চলবে।







