বোলারদের দাপটে দ্বিতীয় দিনের শেষে ঘরের মাঠে খানিকটা ফ্রন্টফুটে বাংলা। বিশেষ করে মুকেশ, আকাশদীপদের হাত ধরে অন্দ্রপ্রদেশের ব্যাটিংকে প্রথম দিনই সমস্যায় ফেলে দিয়েছে বঙ্গ ব্রিগেড। এদিন অবশ্য এক উইকেটই তুলতে পেরেছিলেন মহম্মদ সামি। দিনের শেষে অন্ধ্রপ্রদেশের রান ৬ উইকেটে ২৬০। সেখানেই তিন উইকেট মুকেশ কুমারের এবং দুই উইকেট শিকার আকাশদীপের।
কল্যানীর পিচে শেষ ম্যাচেও পেসাররা বাড়তি সুবিধা পেয়েছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধেও তাই চার পেসার দিয়েই দল সাজিয়েছিলেন বঙ্গ কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। আর তাতেই বাজিমাত। শুরু থেকেই এদিন দুরন্ত ফর্মে ছিলেন মুকেশ কুমার, আকাশদীপ। সামি উইকেট না পেলেও, রান দিয়েছেন খুবই কম। আর তাতেই চাপে পড়ে উইকেট হারিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ।
এদিন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন নীতিশ কুমার রেড্ডি। তাঁকেই ৩৩ রানের সাজঘরে ফিরিয়ে দেন মুকেশ কমার। রিকি ভুই বড় রান না করলে অন্ধ্রপ্রদেশ আরও চাপে পড়ে যেতেই পারত। যদিও তা হয়নি। রিকি ভুইকে ৮৩ রানে সাজঘরের উদ্দেশে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন আকাশদীপ। শেষপর্যন্ত দিনের শেষে অন্ধ্রপ্রদেশের রান ২৬০। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা যে বাংলার কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।






