গোটা শহর আক্রান্ত ছিল মেসি(Lionel Messi) জ্বরে। সেইসঙ্গে এক মঞ্চে আবার মেসি ও কিং খান(Shahrukh Khan)। সেই বিরল মুহূর্তের স্বাক্ষী হতে চেয়েছিলেন সকলে। শাহরুখ খান(Shahrukh Khan) এলেনও, কিন্তু মাঠে ঢুকলেন না। বলা যেতে পারে মাঠে ঢুকতে পারলেন না। কী করে নামবেন তিনি, তখন যে যুবভারতী স্টেডিয়াম(YBK Stadium) কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। তাঁর সাদা মার্সিডিজ বেঞ্চ প্রায় আধ ঘন্টা বাইরেই দাঁড়িয়ে রইল। গাড়ির ভেতর শাহরুখ খান এবং তাঁর ছেলে আব্রাহাম। কিন্তু মাঠে প্রবেশ আর হল না। কারণ ততক্ষণে তো মেসিও মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছেন।
শাহরুখ(Shahrukh Khan), মেসির(Lionel Messi) যুগলবন্দী দেখার অপেক্ষায় ছিল সকলে। কিন্তু শাহরুখ যখন ঢুকলেন, সেই সময় দেখাযাচ্ছে তারই সামনে দ্য গোট ট্যুরের ব্যানার ছিঁড়ছেন উত্তেজিত সমর্থকরা। সঙ্গে শেম শেম স্লোগানও চলছে। মুহূর্তের মধ্যে শাহরুখের গাড়ি ঘিরে ফেলেন বাউন্সার ও নিরাপত্তা রক্ষীরা। এরপরই তাঁর সহায়ক ছুটে যান স্টেডিয়ামের ভিতর।
সেই সময় গাড়িতে ছিলেন স্বয়ং কিং খান এবং তাঁর ছোট ছেলে আব্রাহাম। কিন্তু ভেতর থেকে পরিস্থিতি জেনে আসার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এই অবস্থায় কোনওরকম ভাবেই নামবেন না শাহরুখ খান। কারণ ততক্ষণে তাদের কাছেও তো খবর পৌঁছে গিয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রীও মাঝরাস্তা থেকে ফিরে গিয়েছেন। তবে কেমনভাবে বাংলার প্রাক্তন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরকে সেখানে নামানোর সাহস দেখানো হয়।
তবুও দাঁড়িয়েছিল তাঁর গাড়ি। শেষপর্যন্ত গাড়ির মুখ ঘুরিয়ে ফিরেই যেতে হল শাহরুখকে। এদিন অবশ্য মেসির সঙ্গে হোটেলে শাহরুখের সাক্ষাত হয়েছিল। কিন্তু সেন্টার অব অ্যাট্রাকশন ছিল যুবভারতীতে মেসি ও শাহরুখের যুগলবন্দী। কিন্তু তা হল না।
কিন্তু কেন এমনটা হল। সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এই ঘটনার পর প্রথমে আটক এবং তারপর বিমান বন্দর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। কিন্তু দোষ কী শুধুই তাঁর একার। কারণ এদিন মেসি যখন মাঠে প্রবেশ করেন সেই সময় তাঁর সঙ্গে কার্যত মৌমাছির ঝাঁকের মতো একদল লোকও ছিলেন। কার্যত তদের ভিড়ের জন্যই তো মেসিকে দেখা থেকে বঞ্চিত ছিলেন মেসির পাগল ভক্তরা।
সেই ভিড়ে ছিলেন যেমন সেলিব্রিটিরা, তেমনই ছিলেন হেভিওয়েট থেকে রাজ্যের নেতা মন্ত্রীরাও। একইসঙ্গে ছিল সাংবাদিকদেরও একটা অংশের বিরাট ভিড়। প্রশসনের কী খানিকটা গাফিলতি ছিল না? টেনি দুনিয়ারও কয়েকজন অভিনেতা এমন পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত হতাশ।







