বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যে কার্যত তুলকালাম পরিস্থিতি। এবার সরাসরি মমতা বনাম কেন্দ্রীয় এজেন্সির সংঘাত। আর তাতেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সকাল থেকেই আইপ্যাকের কর্ণধারের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিসে হানা দিয়েছিল ইডি। সেখানেই হাজির খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ ইডির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী ল্যাপটপ, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা চুরি করার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের সুপ্রিমো।
বৃহস্পতিবার সকালে আইপ্যাকের এই মুহূর্তে কর্ণধারের বাড়িতে ইডি হানা হয়। তিনি আবার তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি ইনচার্জের পদেও রয়েছেন। সেই খবর পায়ার পরই হানা চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই একটি ফাইল ও হার্ড ড্রাইভ বাইরে নিয়ে এসেই সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন মমতা।
সেখান থেকেই মমতা বলেন, “এই অভিযান দুর্ভাগ্যজনক। আমার আইটি দপ্তরে অভিযান চালিয়েছে। দলের সব গোপন নথি এবং প্রার্থী তালিকা চুরি করতে ইডিকে দিয়ে হামলা করেছেন ন্যাস্টি হোম মিনিস্টার। নটি হোম মিনিস্টার।”
এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে যান আইপ্যাকের আইটি অফিসে। সেখানেও সকাল থেকেই হানা চালিয়েছিল ইডি। সেইসঙ্গে তাদের সঙ্গে ছিল ফরেনসিক দলও। সেখানেই হানা চলাকালীন মমতা ছুটে যান সেই জায়গায়। এরপরই আর নিজের মেজাজ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। মমতা সরাসরি নথি চুরির অভিযোগ তোলেন এবং এফআইআর করারও হুঙ্কার দেন সেই জায়গা থেকেই। এমনকি প্রতীক জৈন সেই অফিসে ফেরা না পর্যন্ত, তাঁর সঙ্গে আলোচনা না করা পর্যন্ত স্থান ছাড়বে না বলেই জানিয়ে দেন মমতা। কার্যত সকাল থেকে মমতা বনাম ইডি সংঘাত এখন তুঙ্গে।
এমনকি ফরেনসিক ব্যবহার করে দলের সমস্ত নথি লোপাট করার অভিযোগ তুলেছেন মমতা। একইসঙ্গে তাদের রণকৌশল চুরি করা হয়েছে বলেও হুঁশিয়ারি শানিয়েছেন তিনি। মমতা বলেন, ”ফরেনসিককে ব্যবহার করে ল্যাপটপ থেকে দলের নথি, রণকৌশল চুরি করা হয়েছে। এটা ক্রাইম।”
মমতা আরও বলেন, ”অপারেশনটা শুরু হয়েছে ভোর ৬টা থেকে। যখন অফিসে কেউ ছিল না। সেই সময় আমাদের পার্টির সমস্ত ডেটা, ল্যাপটপ, মোবাইল, নির্বাচনের রণকৌশল, এমনকী এসআইআর সংক্রান্ত নথি ফরেনসিক টিম নিয়ে এসে ট্রান্সফার করা হয়েছে। এটা ক্রাইম।”







