শনিবার থেকে শুরু হল এসআইআরের(SIR) শুনানি। আর সেদিনই কমিশনের উদ্দেশ্যে একাধিক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূলের(TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। ভুয়ো এবং ভুতূরে ভোটার বাদ দেওয়ার জন্যই নাকি বাংলায় এবার নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছিল এসআইআর। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Abhishek Banerjee) সাফ বার্তা, বাংলাতেই নাকি সবচেয়ে কম নাম বাদ পড়েছে। সেইসঙ্গেই কতজন বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গার নাম বাদ গেল, সেটা নিয়েই প্রশ্ন ছুঁড়লেন অভিষেক।
অভিষেকের (Abhishek Banerjee) মতে বাংলাতেই সবচেয়ে কম নাম বাদ পড়েছে। শনিবার রীতিমত হিসাব করে অভিষেক বলেন, “তৃণমূল একমাত্র দল যারা এর প্রতিবাদ করেছে। তামিলনাড়ুতে ৭,৭৫ কোটি জনগণের মধ্যে ৫৭.৩০ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। শতকরা হিসাবে ১২.৫ শতাংশ। গুজরাটে ৯.৯৫ শতাংশ হিসাবে ৬০.৪১ কোটি মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। ছত্তিশগড়ে ৩.১২ লক্ষ। শতকরা হিসাবে ৮.৭৬ শতাংশ। সিপিএমের কেরলে ৩.৬২ কোটির মধ্যে ২৪.৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। ৬.৬৫ শতাংশ হারে নাম বাদ গিয়েছে। বাংলায় ১০.৫ কোটির মধ্যে ৫.৭৯ শতাংশ হারে ৫৮.২০ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। সুতরাং অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় বাংলা সব থেকে কম।” অভিষেক আরও বলেন, “এটা রাজ্য সরকারের নয়, তৃণমূলের তথ্য নয়। নির্বাচন কমিশনের। তারপরেও জোর করে এসআইআর করতে হয়েছে বিজেপিকে। কারণ ১ কোটি রোহিঙ্গা এখানে থাকে। বিজেপি নেতারা তো বলেছিল দেড় কোটি লোকের নাম বাদ যাবে। সেই তালিকা মেলাচ্ছেন? আপনি ভারতের ইলেকশন কমিশনার। বিজেপির নয়।”
এদিন সব মিলিয়ে প্রায় নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্যে ছটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এদিন সেবাশ্রয়ের ধাঁচেই নন্দীগ্রামেও সেবাকেন্দ্র গড়ে তোলার বার্তা দিলেন তৃমমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নন্দীগ্রামে গতবার খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) হেরে গিয়েছিলেন, এবার সেখানেই শুরু হতে চলেছেন অভিষেকের নতুন অভিযান।
শনিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলতে গিয়ে একথা জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি জানান, আগামী ১৫ জানুয়ারি নন্দীগ্রাম ১ ও নন্দীগ্রাম ২-তে দুটি মডেল ক্যাম্প হবে।







