

Shareতৃণমূল কংগ্রেসে(TMC) কী এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই(Mamata Banerjee) অতীত হতে চললেন। গোটা বুধবার ধরে যে নাটক চলল এবং বিকেলে বিরোধী শিবিরের নেতা হিসাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Ritabrata Banerjee) আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হওয়াতে তেমনটাই যেন মনে করতে শুরু করেছেন অনেকে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার এক মাস হওয়ার আগেই যেন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস। অবশ্য নতুন বিরোধী নেতা হওয়ার পরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে(Mamata Banerjee) পরামর্শদাতা হিসাবে থাকার কথাও বললেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সকাল থেকেই ছিল আসল ও নকল তৃণমূল নিয়ে জোর তরজা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ক্ষোভ প্রদর্শন করেই ঋতব্রত, সন্দীপনের সঙ্গে ৫৮ জন বিধায়ক আলাদা হয়ে যান। এমনকী তারাই যে তৃণমূল কংগ্রেস সেই কথাই বলতে থাকেন। আর তাতেই যেন তৃণমূলের ভাঙনটা সকলের সামনে চলে আসে। তারপরই আবার তৃণমূলের তরফ থেকে এক্স হ্যান্ডেলে আবার সমস্ত পদ ভেঙে দেওয়ার ঘোষণাও করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তারা দলনেত্রী মানলেও বিরোধী নেতা হিসাবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত অভিষেক কিংবা মমতার কোনওরকম রকম প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তারা পরামর্শদাতা হিসাবে থাকার আবেদন করছেন। মমতা থাকবেন কিনা সেটা তো সময়ই বলবে। তবে নির্বাচন মিটতেই তৃণমূল যে পর্যুদস্ত হয়ে পড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Shareমেসি(Lionel Messi) কান্ড নিয়ে এবার আরও বিপাকে রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস(Arup Biswas)। শতদ্রূ দত্তের(Shatadru Dutta) এফআইআরের ভিত্তিতে এবার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অরূপ বিশ্বাসকে(Arup Biswas)। আগামী ৫ জুন তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। পুলিশের এই নির্দেশে অরূপ বিশ্বাস যে বেশ বেকায়দায় পড়ে গিয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। রাজ্যে পালা বদলের পরই অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে থানায় এফআইআর দায়ের করেছিলেন গোট ট্যুরের আয়োজক শতদ্রু দত্ত। স্টেডিয়ামে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল এবং মেসির(Lionel Messi) অনুষ্ঠান না করে বেড়িয়ে যাওয়ার জন্য কার্যত তত্কালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের অভিযোগ করেই এফআইআর দায়ের করেছিলেন শতদ্রু দত্ত। তার ভিত্তিতেই এবার থানায় তলব অরূপ বিশ্বাসকে। গতবছরের শেষে মেসির কলকাতা ট্যুর ঘিরে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল। টিকিট কেটেও মেসিকে মাঠে দেখতে পাননি অসংখ্য লিও ভক্তরা। শুধুমাত্র তাই নয় অনুমতি না থাকলেও মেসিকে ঘিরে কার্যক অসংখ্য মানুষ ঢুকে পড়েছিলেন মাঠের ভিতরে। সেখানেই মেসির সঙ্গে বারবার দেখা গিয়ে্ছিল তত্কালীন ক্রীড়ামন্ত্রী এবং তাঁর পরিজনদেরও। শতদ্রুর দাবি, ২২ হাজার ‘কমপ্লিমেন্টারি’ টিকিট নিয়েছিলেন অরূপ। পরে সেগুলো কালোবাজারিতে বিক্রি করা হয়। পুরো অনুষ্ঠানে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী এমন ভাবে মেসিকে আগলে রেখেছিলেন, যার কারণে দর্শকরা তাঁকে দেখতে পাননি বলেও তাঁর। মাঠে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অধিকাংশ অরূপের ঘনিষ্ঠ বলেও পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিলেন শতদ্রু। যদিও সেই ঘটনার পর আয়োজক শতদ্রু দত্তকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছিল। প্রায় ৩৭ দিন থানায় থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন শতদ্রু দত্ত। এরপরই রাজ্যে পালা বদল। অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করতে আর খুব একটা দেরী

Shareআগামী ১ জুন থেকে শুরু হয়ে যাবে অন্নপূর্ণা ভান্ডার(Annapurna Yojna)। কিন্তু সেই যোজনার আওতায় কারা পড়বেন। কারাই বা পাবেন এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার এবং কেমনভাবে পাওয়া যাবে। তা নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন ছিল সকলের মধ্যেই। এবার সেই সংশয়ই দূর করলেন খোদ রাজ্যের নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল(Agnimitra Paul)। একইসঙ্গে কেন নানান তথ্য অন্নপূর্ণা ভান্ডারের(Annapurna Yojna) ফর্মে পূরণের জন্য চাওয়া হচ্ছে তা নিয়েও মুখ খুলেছেন অগ্নিমিত্রা পাল। অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম অফলাইনে বিডি অফিস ও, ডিএম অফিস, পুরসভা, ওয়ার্ড অফিস থেকে পাওয়া যাবে। পুরসভার কর্মীরাও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পৌঁছে দেবেন। ফর্ম ফিলাপ করে কাছাকাছি সরকারি অফিসে জমা দেওয়া যাবে। সকলকে পূর্ণ তথ্য দিয়ে ফর্ম ফিল আপ কার পরামর্শ দেন অগ্নিমিত্রা(Agnimitra Paul)৷ এদিন এই প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, “যা যা তথ্য চাওয়া হয়েছে সেগুলি আপনারা দিয়ে দিন কারণ গত ১৫ বছরে পুরুষরাও লক্ষীর ভান্ডার পেয়েছে। ওই প্রকল্প তো পুরুষদের জন্য ছিল না। এতদিন ইচ্ছে করেই সেগুলি দেখা হয়নি। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকা থেকেই এই প্রকল্প চলে। আমরা চাই যার পাওয়া উচিত তিনি প্রকল্পের সুবিধা পান। এটাই আমরা চাই”।

Shareনতুন সরকার গঠনের পর থেকেই জিরো টলারেন্সের কথা শোনা গিয়েছে বিজেপি সরকারের তরফ থেকে। সেই মতোই একের পর এক বেআইনি নির্মাণে চলছে বুলডোজার। এবার বুলডোজারে(Bulldozer) গুড়িয়ে দেওয়া হল বেআইনি ভাবে SAIL – এর জমিতে তৃণমূলের কার্যালয় তৈরি হওয়ার অভিযোগে ভেঙে দেওয়া বল দলীয় কার্যালয়। রবিবার নোটিস এবং সোমবার চলল বুলডোজার(Bulldozer)। অভিযোগ আসানসোলের নিউ টাউন এনালাকায় সেলের নিজস্ব জমিতে হঠাতই তৈরি হয়েছিল তাদের তৃণমূলের দলীয় কার্যা্লয়। সোমবার সেটাকেই ভেঙে ফেলার কাজ হয়ে গেল। বেআইনিভাবে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের কার্যালয় তৈরি করার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই উঠছিল। এমনকী সূত্রের খবর নোটিস দেওয়ার পরও নাকি ততকালীন সরকারের তরফে কোনওরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবশেষে রাজ্যে পালা বদলের পরই বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হল সেই কার্যালয়। কাউন্সিলার কাঞ্চন মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘রবিবার বিকেলে SAIL কর্তৃপক্ষ নোটিস দেন। এ দিন ভাঙা হয়েছে। ’