আজ অর্থাৎ শুক্রবার বঙ্গ সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই সঙ্গে প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে মোদীর এই ঝটিকা সফর। আজ বিকেলেই তিনি পা রাখবেন কলকাতায়। বিমানবন্দর থেকে নেমে প্রথমে যশোর রোড মেট্রো স্টেশনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই নোয়াপাড়া থেকে জয় হিন্দ বিমানবন্দর পর্যন্ত নতুন মেট্রো লাইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন তিনি। সেখানে বঙ্গ বিজেপির তরফ থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সহ বিজেপির একাধিক রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিত থাকার কথা। এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমন্ত্রণ থাকলেও, তাঁর না যাওয়ার সম্ভাবনাই প্রবল। যশোর রোড মেট্রো স্টেশন থেকেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে শিয়ালদহ থেকে এসপ্ল্যানেড, বেলেঘাটা থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবার উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রীর।
শুক্রবার যশোর রোড স্টেশন থেকে মেট্রো চড়ে তিনি জয় হিন্দ বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত যাবেন। আবার ওই পথেই মেট্রো ধরে ফিরবেন যশোর রোড স্টেশনে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করারও পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ২৬শে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গ বিজেপির পালে হাওয়া তুলতে প্রশাসনিক কর্মসূচির পাশাপাশি দমদমে রাজনৈতিক সভাও করবেন করবেন। মেট্রোর উদ্বোধন পর্ব সেরে দমদম সেন্ট্রাল জেলের মাঠে প্রথমে প্রশাসনিক সভা এবং তারপর দলীয় জনসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই সভা থেকে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকে চাঙ্গা করতে কী বার্তা দেন তিনি, তা নিয়ে সকলের মধ্যেই কৌতূহল রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে এয়ারপোর্ট থেকে গোটা দমদম চত্বর। দুপুরের পর থেকে শহরের একাধিক জায়গায় যানচলাচলও নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে।
যদিও এদিকে বাংলায় ঘূর্ণাবর্ত এবং মৌসুমী অক্ষরেখার অতিসক্রিয়তার প্রভাবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আগাম পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। এমনকী শুক্রবারও কোনও কোনও জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও রয়েছে। তবে শুধু বৃষ্টি নয়, বৃষ্টির পাশাপাশি কোনও কোনও জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার দাপটও দেখা যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি আজ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলাতেও রয়েছে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বঙ্গ সফরের দিন মোদীর রাজনৈতিক সভা ঘিরে দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড় বাড়ানোটাও বিজেপির রাজ্য নেতাদের কাছে নিঃসন্দেহেই বড় চ্যালেঞ্জ।







