নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারির(Suvendu Adhikari) কাছে হার বিধানসভা স্পিকার কথা তৃণমূল নেতা বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Biman Banerjee)। হাই কোর্টের রায়ে জয়ী হলেন শুভেন্দু অধিকারি(Suvendu Adhikari) ও অম্বিকা রায়(Ambika Roy)। নির্বাচনের আগে এই জয় যে শুভেন্দুকে বাড়তি অক্সিজেন যোগাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বৃহস্পতিবারই দল বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে বিধায়ক পদ খোয়ালেন মুকুল রায়(Mukul Roy)। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে এই প্রথমবার কেউ দল বিরোধী কাজের জন্য বিধায়ক পদ খোয়ালেন।
মুকুল রায়(Mukul Roy) ২০২১ সালের জুন মাসে বিজেপি(BJP) থেকে তৃণমূলে(TMC) ফিরে গিয়েছিলেন। এরপরই তাঁকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্য হিসাবে নির্বাচিত করেছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর সেই কমিটির চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন মুকুল রায়। সেই সময়ই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ছিলেন বিরোধী দল নেতা শুভেন্দু অধিকারি(Suvendu Adhikari) এবং বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায়।
মুকুল রায়ের(Mukul Roy) বিরুদ্ধে দল বিরোধী কাজের অভিযোগ এনে তাঁর বিধায়ক পদ খারিজেরই আবেদন করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারি। দীর্ঘদিন ধরেই এই মামলাটির শুনানি হচ্ছিল হাই কোর্টে। বর্তমানে মামলাটি যায় বিচারপতি দেবাংশু বসাক(Debangshu Basak) এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির(MD Shabbar Rashidi) ডিভিশন বেঞ্চে।
বৃহস্পতিবার তারাই মুকুল রায়ের বিধায়র পদ খারিজের রায় দিয়েছেন। আর এই ঘটনাকে অনেকেই নির্বাচনের আগে বিজেপির নৈতিক জয় হিসাবেও দেখছেন। শুধুমাত্র তাই নয় শুভেন্দু অধিকারির নেতৃত্বাধীন বিজেপি যে নির্বাচনের আগে নতুন অস্ত্রও পেয়ে গেল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এদিন মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের পাশাপাশি, তাঁকে যে পিএসি কমিটির চেয়ারম্যান করার সিদ্ধান্তও ত্রুটিযুক্ত, তাও এদিনে খারিজ করে দিয়েছে দেবাংশু বসাক ও শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চ।







