একাধিক জেলা জুড়ে লাগাতার বৃষ্টি এবং বন্যার ফলে শাকসবজির ব্যাপক হারে ক্ষতি হয়েছে, এর ফলে মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে। এমনটাই দাবি কলকাতার সবথেকে বড় পাইকারি বাজার কোলে মার্কেটের সবজি বিক্রেতাদের।
ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে শহরজুড়ে খুচরো ও পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রনে টাস্ক ফোর্সের অভিযান লাগাতার চলছে। শুক্রবার এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশ সহ একাধিক বিভাগকে নিয়ে কোলে মার্কেটে অভিযান চালায়। কমল দে এবং রবীন্দ্রনাথ কোলের নেতৃত্বে কোলে মার্কেটে অভিযান চালিয়ে পাইকারি ও সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।
বাজার ঘুরে ঘুরে শাকসবজি, থেকে নিয়ে আলু- পিঁয়াজ, আদা -রসুনের পাশাপাশি বাজারের পাইকারি ও খুচরা মূল্য নিয়ে নজরদারি চালানোর হয়। গোটা বাজার পরিদর্শন করার পর টাস্ক ফোর্সের সদস্য কমল দে বলেন, “তুলনামূলক হত সপ্তাহে থেকে এই সপ্তাহে বাজারের মূল্য অনেক টা কম, তবে বাজারের যোগান কম থাকায় বাজারে শাক-সবজির মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে।” একই ভাবে টাস্ক ফোর্সের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন সদস্য রবীন্দ্রনাথ কোলে দাবি যে তাদের লাগাতার নজরদারির ফলে বাজারে মূল্যবৃদ্ধি অনেকটা রোধ এবং নিয়ন্ত্রণ করার সম্ভব হয়েছে। এবার একনজরে দেখে নেওয়া যাক গত সপ্তাহে বাজার মূল্যের সঙ্গে বর্তমানের শাকসবজির দাম: গত সপ্তাহ আলু পাইকারি দাম প্রতি কিলো ছিল ১৫ টাকা বর্তমানে সেটা রয়েছে ১৩ টাকা।
পিঁয়াজের দাম গত সপ্তাহে ছিল ২০ টাকা, এখন ১৮ টাকা। একই ভাবে যদি সবজির দামের উপরে নজর রাখলে দেখা যাচ্ছে যে গতসপ্তাহে পটলের দাম ছিল ২২০ টাকা পলরা এখন ২০০ টাকা। বেগুন ছিল ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, এখন ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা পাইকারী বিক্রি। চিচিঙ্গে ছিল ৩০০ থেকে ৩২০ এখন বর্তমানে মূল্য ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। ভিন্দী ছিল ২২০ থেকে ২৫০ এখন ২০০ থেকে ২২০ প্রতি ৫ কেজি। করোলা ছিল ২৩০ থেকে ২৪০ এখন ২০০ থেকে ২২০। লাউ ছিল ৩০ থেকে ৪০ এখন রয়েছে একই দাম ৩০ থেকে ৪০ প্রতি পিস। একই ভাবে রসুন ছিল ৪৫০ এখন ৪০০। আদা ছিল ৫৫০ থেকে এখন ৫০০। ফলে একটা তুলনামূলক ভাবে গত সপ্তাহের বাজার দর অনুযায়ী এই সপ্তাহে বাজারের মূল্য তুলনামূলক কম হলেও। তার প্রতিফলন খোজরা বাজারে কেন দেখা যাচ্ছে না। সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। তবে ব্যবসায়ী দের এক অংশের দাবি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা রয়েছেন যারা শাকসবজির দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ উঠছে।







