ইলিয়াস পাশার পরিবারের হাতে ১১ লক্ষ ইস্টবেঙ্গলের, একসঙ্গে মাঠে ব্যারেটো, ভাইচুং

ঘোষণাটা আগেই হয়েছিল। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে ইলিয়াশ পাশার স্ত্রী ও কন্যার হাতে তুলে দেওয়া হল ১১ লক্ষ্য টাকা। এই ক্লাবের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ক্লাবের হয়ে যেমন খেলেছেন বহু ম্যাচ, তেমনই বহু সাফল্যেরও স্বাক্ষী ইলিয়াস পাশা। সেই প্রাক্তন ফুটবলারেরই অকাল প্রয়ান। শোকের ছায়া নেমে এসেছিল গোটা ময়দানে। প্রাক্তন ফুটবলারের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তখনই সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। শুক্রবার এক বিরাট অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই ইলিয়াস পাশার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল ১১ লক্ষ টাকা। এই দিনটিকেই ইস্টবেঙ্গল তাদের নব নির্মিত অস্ট্রোটার্ফের মাঠ উদ্বোধনের দিন হিসাবে বেছে নিয়েছিল। প্রাক্তন এই ফুটবলারের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সেই মাঠেই খেলতে নামলেন বাইচুং ভূটিয়া, ব্যারেটো, চন্দন দাসরা। সেইসঙ্গে এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাস। ইলিয়াস পাশা এবং নতুন মাঠ উদ্বোধন উপলক্ষে এদিন ইস্টবেঙ্গল মাঠে বসেছিল চাঁদের হাট। সেখানেই আবার স্মৃতি বিজরিত ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ফুটবলার বাইচুং ভূটিয়া। এই মাঠ দেখে যেমন তিনি খুশি হয়েছেন, তেমনই ইলিয়াস পাশার মৃত্যুটাও মেনে নিতে পারছেন না বাইচুং। একসঙ্গে বহু ম্যাচ খেলেছেন। রুমও শেয়ার করেছেন তারা। সেই রুমমেটই এখন নেই। স্মৃতির স্মরণী বেয়ে ফিরে গেলেন সেই অতীতে। টার্ফের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এদিন জোড়া ম্যাচ আয়োজিত হয়েছিল। সেখানেই ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গল লেজেন্ডস বনাম ইস্টবেঙ্গল অল স্টার। আরেকটি ম্যাচ খেলেছে ইস্টবেঙ্গল বনাম এএফপিআই।
লোবেরার নতুন সিস্টেম, সবুজ-মেরুনে এলেন অময়

মোহনবাগান সুপারজায়ান্টে(MBSG) সের্জিও লোবেরা(Sergio Lobera) জমানায় এবার নতুন সিস্টেম। হোসে মোলিনার(Jose Molina) পদ্ধতি ফেলে দিয়ে এবারের আইএসএলে তিন ব্যাক সিস্টেমে খেলতে চলেছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। মোলিনার ছকের থেকে যা একেবারেই আলাদা। হোসে মোলিনার সময় মোহনবাগানকে বারবারই চার ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে খেলতে দেখা গিয়েছিল। এবার সেটাই সম্পূর্ণ বদলে দিচ্ছেন সের্জিও লোবেরা(Sergio Lobera)। তিন রক্ষণে খেলা মানে, স্প্যানিশ কোচ যে আক্রমণাত্মক পরিকল্পনাই এখন থেকে সাজিয়ে ফেলেছেন তাও বেশ স্পষ্ট। সেইভাবেই চলছে প্রস্তুতিও। আর তাতেই কিন্তু আরও ফুটবলারের ভবিষ্যৎ নিয়েও শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা। তিনি টম অলড্রেড। কানাভুসো শুরু হয়ে গিয়েছে তবে কী বিদায় ঘন্টা বেজেই গেল টম অলড্রেডেরও(Tom Aldred)। এই মরসুমেই মোহনবাগানের সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ। সেইসঙ্গে লোবেরার(Sergio Lobera) পরিকল্পনাতেও তিনি তেমনভাবে নেই বলেই শোনা যাচ্ছে। কারণ মোহনবাগান কোচ এবার তিন ব্যাক সিস্টেমে দলকে খেলাতে চলেছেন। সেখানেই টম অলড্রেড নেই বলেই শোনাযাচ্ছে। সূত্রের খবর বেশিরভাগ ম্যাচেই প্রথম একাদশে নাকি জায়গাই পাবেন না টম অলড্রেড। যদি একান্তই কোনও ম্যাচে প্রয়োজন পড়ে চার ডিফেন্সে খেলার, সেই সময় তাঁর কথা ভাবা যেতে পারে বলেই শোনাযাচ্ছে। আসন্ন কেরালা ব্লাস্টার্স ম্যাচ থেকেই হয়ত সেই ছবি দেখা যেতে চলেছে। অন্যদিকে আশিস রাই ছিটকে গিয়েছেন। সেই জায়গাতেই নতুন ফুটবলার নিতে খুব একটা বেশি দেরী করল না মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। কেরালা ব্লাস্টার্স থেকে লোনে অময় রানাওয়েকে(Amey Ranawade) দলে তুবে নিল মোহনবাগান। এর আগেও আই লিগের সময় মোহনবাগানে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে অময় রায়াওয়ের। সেইসঙ্গে কেরালাতেও সাফল্য পেয়েছেন। আশিস রাইয়ের জায়গায় তাঁকেই এবার পছন্দ সের্জিও লোবেরার।
লাল-হলুদ জার্সিতে গোলের অপেক্ষায় ইউসুফ

আইএসএলে(ISL) লাল-হলুদ জার্সিতে গোল করতে চান ইউসুফ(Yussef Ezzejjari)। শুক্রবার তাঁকে সই করানোর খবর সরকারীভাবে ঘোষণা করেছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এই দিনই আবার শহরে পৌঁছচ্ছেন ইস্টবেঙ্গলের নতুন বিদেশি ইউসুফ এজেজ্জারি(Yussef Ezzejjari)। তার আগেই লাল-হলুদ ভক্তদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিলেন এই স্প্যানিশ স্ট্রাইকার। প্রতি ম্যাচ গোল করেই দলকে সামনের দিকে এগিয়ে দেওয়াই ইউসুফের এবার প্রধান লক্ষ্য। ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র বিদেশি স্ট্রাইকার হিসাবে খেলবেন তিনি। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি মহমেডান এসসির বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলতে পারেন ইউসুফ এজেজ্জারি। এখন শুধুই তাঁর লাল-হলুদ জার্সি গায়ে তোলার অপেক্ষা। ইউসুফ শহরে আসার আগেই জানিয়েছেন, “ইস্টবেঙ্গলের লেগাসি, সমর্থকদের কথা শুনেই এখানে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলে নিজের নামের পাশে গোল দেখতে চাই। দলকে সবরকমভাবে সাহায্য করতে প্রস্তুত আমি”। বেশ কয়েকদিন আগে সই হয়ে গেলেও, ইউসুফের আসা নিয়ে কিন্তু একটা জল্পনা রয়েই গিয়েছিল। বিশেষ করে তাঁর ভিসা দেরী হওয়া নিয়ে ক্রমশই উৎকন্ঠা বাড়তে শুরু করেছিল। অবশেষে গত বৃহস্পতিবারই ভারতে আসার ভিসা পেয়ে গিয়েছেন ইউসুফ। এই শুক্রবারই কলকাতায় পা রাখবেন তিনি।
কর্তারা নারাজ হলেও, ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ কিশোরভারতীতেই

ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ক্লাব কর্তারা যখন কিশোরভারতীতে(Kishorebharati Stadium) না খেলা নিয়ে হুমকি দিচ্ছেন, সেই সময়ই ফেডারেশনের(AIFF) কাছে কিশোরভারতী স্টেডিয়ামেই খেলার কথা জানিয়ে দেওয়া হল আবার ইমামি ম্যানেজমেন্টের(Emami Management) তরফে। ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে ইমামি ম্যানেজমেন্টের দ্বন্দ্বটা যে এবার আরও প্রকাশ্যে তা কার্যত স্পষ্ট। ক্লাব যুবভারতীর কথা বললেও, ইমামি কিন্তু এবার ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) খেলার আয়োজন কিশোরভারতী স্টেডিয়ামেই করছে। আর তাতেই ফের সরগরম কলকাতা ময়দান। যদিও কিশোরভারতীতে খেলা হলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা মাঠে না যাওয়ার হুমকি আগেই দিয়েছেন। তবে কী ইস্টবেঙ্গল কর্তারা এবার নিজেদের দলের খেলা শুধুমাত্র ফ্যানকোডেই দেখবেন। আইএসএলের আগে এই দ্বন্দ্ব দলের খেলায় আবার প্রভাব ফেলবে না তো। গত বৃহস্পতিবারই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন দেবব্রত সরকার। একইসঙ্গে তিনি আবার ইমামির ম্যাচ যুবভারতীতে করা নিয়ে আশাবাদী থাকার কথাও বলেছিলেন। কিন্তু তেমনটা হল না। আশাহতই হলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাব কর্তারা। খরচ বাঁচানোর জন্য এবার কিশোরভারতীতে ম্যাচ করার কথা আগেই ঠিক করে ফেলেছিল ইমামি। সেই নিয়ে ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে চলছিল চাপানউতোর। এরপরই ক্লাব কর্তারা কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে ম্যাচ দেখতে না যাওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। তাদের সাফ বার্তা ছিল সভ্য, সমর্থকরা সেখানে ম্যাচ দেখতে পাবেন না। তাই কিশোরভারতী নয়। কিন্তু ইমামি ম্যানেজমেন্ট সেই কথা মানল না। দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব যে এবার আরও প্রবল হয়েছে তা কিন্তু স্পষ্ট।
বোলারদের দাপটে ফ্রন্টফুটে বাংলা

বোলারদের দাপটে দ্বিতীয় দিনের শেষে ঘরের মাঠে খানিকটা ফ্রন্টফুটে বাংলা। বিশেষ করে মুকেশ, আকাশদীপদের হাত ধরে অন্দ্রপ্রদেশের ব্যাটিংকে প্রথম দিনই সমস্যায় ফেলে দিয়েছে বঙ্গ ব্রিগেড। এদিন অবশ্য এক উইকেটই তুলতে পেরেছিলেন মহম্মদ সামি। দিনের শেষে অন্ধ্রপ্রদেশের রান ৬ উইকেটে ২৬০। সেখানেই তিন উইকেট মুকেশ কুমারের এবং দুই উইকেট শিকার আকাশদীপের। কল্যানীর পিচে শেষ ম্যাচেও পেসাররা বাড়তি সুবিধা পেয়েছিল। অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধেও তাই চার পেসার দিয়েই দল সাজিয়েছিলেন বঙ্গ কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা। আর তাতেই বাজিমাত। শুরু থেকেই এদিন দুরন্ত ফর্মে ছিলেন মুকেশ কুমার, আকাশদীপ। সামি উইকেট না পেলেও, রান দিয়েছেন খুবই কম। আর তাতেই চাপে পড়ে উইকেট হারিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ। এদিন অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন নীতিশ কুমার রেড্ডি। তাঁকেই ৩৩ রানের সাজঘরে ফিরিয়ে দেন মুকেশ কমার। রিকি ভুই বড় রান না করলে অন্ধ্রপ্রদেশ আরও চাপে পড়ে যেতেই পারত। যদিও তা হয়নি। রিকি ভুইকে ৮৩ রানে সাজঘরের উদ্দেশে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন আকাশদীপ। শেষপর্যন্ত দিনের শেষে অন্ধ্রপ্রদেশের রান ২৬০। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটা যে বাংলার কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুন ইতিহাস বৈভবের

ভারতীয় ক্রিকেটের ওয়ান্ডার কিড বৈভব সূর্যবংশীর(Vaibhav Suryavanshi) মুকুটে নয়া পালক। অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে(U-19 World Cup) দ্রুততম সেঞ্চুরি করার নতুন রেকর্ড গড়লেন বৈভব সূর্যবংশী। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের ফাইনালে ৫৫ বলে শতরান করেছেন বৈভব(Vaibhav Suryavanshi)। এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপের মঞ্চে এটাই ফাইনালে দ্রুততম। গোটা বিশ্বকাপ জুড়েই নানান রেকর্ড গড়ে চলেছেন তিনি। সেখানেই ফাইনালেও তার অন্যথা হল না। এদিন ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষপর্যন্ত ৮০ বলে ১৭৫ রানের ইনিংস খেলেন এই এই ১৪ বর্ষীয় এই কিশোর ক্রিকেটার। সেখানেই তাঁর ইনিংস সাজানো ১৫টি ছয় ও ১৫টি চার দিয়ে। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। সেখানে শুরু থেকেই এদিনও বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন বৈভব। তিনি যে ফর্মে এদিন খেলছিলেন তাতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ভেঙে দিলেও তা হয়ত অবাক করার মতো হত না। যদিও শেষপর্যন্ত তাঁকে থামতে হয়েছিল ১৭৫ রানেই। কিন্তু যতক্ষণ তিনি ক্রিজে ছিলেন ব্রিটিশ বোলারদের কার্যত বিধ্বস্ত করেছিলেন এই কিশোর ব্যাটার। সেইসঙ্গেই একের পর এক বিধ্বংসী শট ছিল তাঁর ব্যাট থেকেই সবকিছু হিসাব করলে দেখা যাচ্ছে তাঁক ১৭৫ রানের মধ্যে ১৫০ রানই এসেছে বাউন্ডারি ও ওভার বউন্ডারি দিয়ে। এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেটের নতুন সেনসেশনের নাম যদি বৈভব বলা হয়, তবে যে খুব একটা তা ভুল হবে না তা বলাই যায়।
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন হর্ষিত, চিন্তায় ভারত

আশঙ্কা ছিল, হলও তাই। এখনও পর্যন্ত সরকারী ঘোষণা না হলেও, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগের দিনই বড়সড় ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে। চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন হর্ষিত রানা। আর এটা যে ভারতীয় দলের কাছে একটা বিরাট ধাক্কা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জসপ্রীত বুমরার পাশে এবা অর্শদীপকেই হয় বেছে নেবেন ভারতীয় দলের কোচ গৌতম গম্ভীর। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সময়ই হাঁটুতে অসুবিধা অনুভব করেছিলেন হর্ষিত। পুরো ওভার বোলিং করলেও, এরপরই মাঠ ছাড়তে হয়েছিল হর্ষিত রানা। কারণ তাঁর হাঁটুতে অসুবিধার জন্য ফিজিওর সঙ্গে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল হর্ষিতকে। আর সেটাই কিন্তু বেশ চিন্তা বাড়াচ্ছিল সকলের। শেষপর্যন্ত সেই আশঙ্কাটাই এবার সত্যি হল। শোনাযাচ্ছে চিকিৎসকরা তাঁর পরীক্ষা নীরিক্ষা করার পর খুব একটা ভালো খবর শোনাননি। সূত্রের খবর অনুযায়ী তাঁর হাঁটুর জয়েন্ট টেনডেন্টে সমস্যা হয়েছে। আর তাতেই নাকি খেলার মতো জায়গায় আর নেই হর্ষিত রানা। এমনকি তাঁকে সুস্থ করে তুলতে নাকি অস্ত্রোপচারও করতে হবে। সরাসরি না বললেও, এই নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন ভারতীয় দলের কোচ সূর্যকুমার যাদবও। হর্ষিতের ছিটকে যাওয়াটা যে ভারতীয় দলের কাছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বিরাট ধাক্কা তা বলতে দ্বিধা করেননি সূর্যও।