সৌভিক মহন্ত
হরিয়ানার বিরুদ্ধে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১ উইকেট। ম্যাচের সেরার পুরস্কারও শাহবাজ আহমেদের(Shahbaz Ahmed) হাতে। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে এই ম্যাচ জেতাই পাখির চোখ ছিল বঙ্গ ব্রিগেডের(Bengal Cricket Team)। সেখানেই বাংলার হয়ে ফের একবার দুরন্ত পারফরম্যান্স শাহবাজ আহমেদের(Shahbaz Ahmed)। এই জয় যেমন তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে, তেমনই এমন পারফরম্যান্সের জন্য কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লার(Laxmiratan Shukla) কাছেও কৃতজ্ঞ শাহবাজ আহমেদ। কোচের যোগানো মোটিভেশনই তাঁকে নাকি পৌঁছে দিয়েছে এই জায়গায়।
শাহবাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “এমন পারফরম্যান্স করার পর সকলেই খুশি। তবে বিশেষভাবে আমি ধন্যবাদ দেব কোচ লক্ষ্মীরতম শুক্লাকে। তিনিই ক্রমাগত আমাদের সকলকে মোটিভেট করে গিয়েছেন। কখনই আমাদের শৃঙ্খলাভঙ্গ করতে দেয়নি। তাঁর কারণেই তো এই পারফরম্যান্সটাও দেখাতে পেরেছি”।
হরিয়ানার বিরুদ্ধে স্পিনিং ট্র্যাক দেখেই চার স্পিনারে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলা। আর সেখানে যে শাহবাজের ওপর দায়িত্ব বেশি পড়বে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি নিজেও জানতেন সেটা। সেইভাবেই তো নিজেকে তৈরি করেছিলেন। পিচ যে প্রথম থেকেই স্পিন সহায়ক তা বুঝেই নিজের নীলনক্সা তৈরি করে ফেলেছিলেন। আর তাঁর পাতা ফাঁদেই এরেপ পর এক হরিয়ানার ব্যাটাররা শেষ হয়। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সেই সময় থেকেই ঠিক করে ফেলেছিলেন দ্বিতীয় ইনিংসে কী করবেন।
এই প্রসঙ্গে শাহবাজ জানান, “আমি প্রথম থেকেই পরিকল্পনা ঠিক করে ফেলেছিলাম। প্রথম ইনিংসেই দেখে নিয়েছিলাম ইন্টু দ্যা স্টাম্প বল অনেক বেশি ঘুরছে। সেখানেই বারবার বল করা শুরু করি। বুঝে গিয়েছিলাম এমনভাবে বোলিং করলেই উইকেট বেশি আসবে। আর সেটাই করেছিলাম তাতেই সাফল্য”।
কোয়ার্টার ফাইনালের আগে এই ম্যাচ তাঁর যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে, তেমনই গোটা দলেরও যে আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে তা বলতে দ্বিধা করলেন না শাহবাজ। তিনি জানালেন, “আমাদের সেট টিম। কয়েকজন ব্যাটসম্যানরা রান পাচ্ছিলেন না। কিন্তু এই ইনিংসে অভিমন্যু, সুদীপ ঘরামিরা রানে ফিরেছেন, তাও আবার এমন ভয়ঙ্কর পিচে। বড় ম্যাচের আগে সবকিছু ঠিক হয়ে গেলে আত্মবিশ্বাস বাড়বেই। আর আমার ক্ষেত্রেও একই। পারফরম্যান্স করে নক আউটে গেলে আত্মবিশ্বাস তো বাড়বেই”।







