প্রয়াত ইলিয়াশ পাশার পরিবারকে ১১ লক্ষ টাকা ইস্টবেঙ্গলের

প্রয়াত ইলিয়াস পাশাকে শেষ শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। একইসঙ্গে তাঁর পরিবারের হাতে ১১ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়ার কথাও শনিবার ঘোষণা করা হল ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের তরফে। ৬ ফেব্রুয়ারি সেই টাকা উঠবে তাঁর পরিবারের হাতে। একইসঙ্গে ইলিয়াস পাশার উদ্দেশ্যে আগামী ৬ ফেব্রয়ারি অ্যালভিটো, ভাইচুং, ব্যারেটোদের মতো প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে হবে একটি বেনিফিট ম্যাচ। তাদের উপস্থিতিতেই উদ্বোধন হবে ইস্টবেঙ্গলের নতুন অ্যাস্ট্রোটার্ফেরও। সাংবাদিকদের সামনে ক্লাবের প্রাক্তন ফুটবলার ভাস্কর গাঙ্গুলি, বিকাশ পাঁজি, আ্যলভিটো ডি কুনহা প্রমুখের গলায় পাশা ছিলেন একজন ‘ভালো মানুষ’ ফুটবলার।একই বক্তব্য শোনা গেল ক্লাব সভাপতি মুরারি লাল লোহিয়া, সচিব রূপক সাহা, এফপিএ জেনারেল ম্যানেজার সাইরাসের কাছ থেকে। ইলিয়াস পাশার হঠাৎ চলে যাওয়াটা যে কেউই মেনে নিতে পারছেন না সেটাই যেন বারবার ফুটে উঠল এদিনের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে। সেদিন প্রথম ম্যাচ ইস্টবেঙ্গল স্টার্স বনাম ইস্টবেঙ্গল লেজেন্ডস। দু দলকে নেতৃত্ব দেবেন যথাক্রমে তুষার রক্ষিত এবং বিকাশ পাঁজি। দ্বিতীয় ম্যাচ ইস্টবেঙ্গল বনাম এফপিআই। নেতৃত্বের আর্মব্যান্ড থাকবে যথাক্রমে বাইচুং ভুটিয়া এবং হোসে রামিরেজ ব্যারেটো। ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারের কথায়, স্মৃতিচারণের চেয়ে প্রয়াত ফুটবলারের পরিবারের পাশে থাকাটাই মুখ্য কাজ। চিরবিদায়ের একদিন আগে পাশা তাঁকে ফোন করে বলেছিলেন, তিনি ভালো নেই। এটার আগেই উদ্যোগী হয়েছিলেন দেবব্রত সরকার। কিন্তু ভাবতে পারেননি সেটাই শেষ বাক্যালাপ।
“সন্তোষ ট্রফির আয়োজন ক্ষেপের থেকেও খারাপ” – অনির্বাণ দত্ত

সন্তোষ ট্রফিতে(Santosh Trophy) ফেডারেশনের(AIFF) চূড়ান্ত অব্যবস্থা। আর তা নিয়েই এবার ক্ষোভ উগরে দিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত(Anirban Dutta)। শেষ ম্যাচে বাংলা অসমের সঙ্গে ড্র করেছিল। কিন্তু সেই ম্যাচ খেলে মাঠ থেকে হোটেল ফিরতে পেরেছিল শনিবার ভোর পাঁচটার সময়। আর এতেই এবার ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বঙ্গ ফুটবল সংস্থা(IFA)। ফেডারেশনের অন্যতম প্রধান প্রতিযোগিতা নিয়ে কেন এমন অব্যবস্থা তা নিয়েই প্রশ্ন তুলে সরাসরি ফেডারেশনকে কড়া ভাষায় চিঠি দিলেন আইএফএ(IFA) সচিব। অনির্বাণ দত্ত জানান, “শুক্রবার যেটা হয়েছে সেটা সহ্যসীমার বাইরে চলে গিয়েছে। সকাল ৯ টায় দল বেড়িয়েছে। কিন্তু পৌঁছেছে ২.১০-এ। ম্যাচে নেমেছে ২.৪০। কোনও সময়ই পায়নি তারা। খেলার পর বাসে পেয়েছে একটা আপেল। হোটেলে ফিরেছে ভোর পাঁচটার সময়। এটা কোনও মানবিক ব্যপার। একদিন পর একদিন ম্যাচ। সেখানেই আবার প্রতিদিন পাঁচ ঘন্টার জার্নি। ছেলেদের শরীরে কিছু থাকবে না। ভালো প্রতিযোগিতা করতে গেলে দলের সঙ্গে খেলোয়াড়রা কেমনভাবে ভালো থাকবে সেটা সবার আগে দেখতে হবে। যখন সেখানে আগে থেকেই ঠিক করা র্যালি রয়েছে। সেইসঙ্গে ইউথ ফেস্টিভ্যাল রয়েছে। সেটা দেখেই তো তারিখ ঠিক করা উচিৎ ছিল। ফেডারেশনের কোনও কর্মকর্তা নেই। সস্তায় হবে বলে চলে যাব কোনও পরিকাঠামো না দেখে। কোনও ভালো খেলোয়াড় কেন খেলতে যাবে এমন একটা প্রতিযোগিতা। এর থেকে ক্ষেপের প্রতিযোগিতাও অনেক ভালো”। শুধুমাত্র তাই নয়, বাংলা দলকে নাকি হোটেল ছাড়ার কথা বলা হয়েছে সেই হোটেলের তরফ থেকে। তিন তারিখের পরই নাকি তাদের হোটেলও ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। আর তাতেও আরও বেশি ক্ষুব্ধ আইএফএ। অনির্বাণ দত্ত আরও জানান, “আমার ম্যানেজার জানানো হোটেল থেকে বলা হয়েছে তিন তারিখ নাকি হোটল ছেড়ে দিতে হবে। সেই সময় অবশ্য আমাদের তরফে বলা হয়েছে যে যারা আয়োজক তাদের সঙ্গে কথা বলুন। আমরা এই ব্যপারে কী বলতে পারি। আমরা তো বুকিং করিনি। একটা চ্যাম্পিয়নশিপের দলকে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলে অন্য হোটেলে যেতে হবে। সন্তো। ট্রফি যেন ছেলেখেলা হয়ে গিয়েছে। এটা চূড়ান্ত অব্যবস্থা”।
চেনা ছন্দে দিমিত্রি পেত্রাতস, লোবেরাদের হাতে ছৌ-য়ের মুখোশ

শনিবার মরসুমের প্রথম অনুশীলন ম্যাচে দাপটের সঙ্গে শুরু করল মোহনবাগান(MBSG)। পুরুলিয়ার বিবেকানন্দ ফুটবল একাডেমির বিরুদ্ধে ৬–০ গোলে জিতে নিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। ম্যাচে জোড়া গোল করে নজর কাড়লেন দিমিত্রি পেত্রাতোস(Dimitri Petratos)। প্রত্যাশামতোই ‘ডিমি-গড’ মেজাজে ধরা দিলেন অজি ফরোয়ার্ড। কোচ লোবেরা(Sergio Lobera) এদিন শক্তিশালী প্রথম একাদশ নামান। গোলরক্ষকের দায়িত্বে ছিলেন বিশাল কাইথ। রক্ষণভাগে খেলেন মেহতাব সিং ও আলবার্তো রদ্রিগেজ। দুই প্রান্তে ফুলব্যাক হিসেবে দেখা যায় শুভাশীষ বোস ও অভিষেক সিংকে। মাঝমাঠে আপুইয়ার সঙ্গে ছিলেন শাহাল আব্দুল সামাদ। আক্রমণভাগে বাঁ দিকে রবসন রবিনহো, ডান দিকে লিস্টন কোলাসো, সামনে জুটি হিসেবে খেলেন জেমি ম্যাকলারেন ও দিমিত্রি পেত্রাতোস(Dimitri Petratos)। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মোহনবাগান(MBSG)। প্রথম গোলটি করেন জেমি ম্যাকলারেন(Jamie Maclaren)। তার পরেই নিজের জাত চেনান পেত্রাতোস(Dimitri Petratos)—পরপর দু’টি গোল করে ব্যবধান বাড়ান তিনি। সেট-পিস থেকে হেডে গোল করেন মেহতাব সিং। প্রথমার্ধে আরও একটি গোল যোগ করেন শাহাল। দ্বিতীয়ার্ধে রবসন রবিনহোর গোলে ৬–০ ব্যবধানে ম্যাচ শেষ করে মোহনবাগান। ম্যাচ শেষে সৌহার্দ্যের ছবি ধরা পড়ে মাঠে। পুরুলিয়ার পক্ষ থেকে মোহনবাগানের কোচ লোবেরা ও অধিনায়ক শুভাশীষ বোসের হাতে তুলে দেওয়া হয় ঐতিহ্যবাহী ‘চৌ’-এর মুখোশ, উপহার হিসেবে। অনুশীলন ম্যাচ হলেও মাঠে ও মাঠের বাইরে ইতিবাচক বার্তাই দিল মোহনবাগানের এই জয়।
বিশ্বকাপের আগেই ছিটকে গেলেন প্যাট কামিন্স

সপ্তাহ পেড়োলেই টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তার আগেই অস্ট্রেলিয়া শিবিরে বিরাট ধাক্কা। চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া শিবির থেকে ছিটকে গেলেন তাদের অন্যতম প্রধান ভরসা প্যাট কামিন্সPat Cummins)। গতবারের অস্ট্রেলিয়ার চ্যাম্পিয়ন দলের অন্যতম সদস্য তিনি। তাঁর না থাকাটা যে অজি বাহিনীর বোলিং লাইনআপে বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ালো তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁর পিঠের চোটের কারণেই শেষপর্যন্ত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যেতে হল অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা পেসার প্যাট কামিন্সকে(Pat Cummins)। অ্যাশেজের সময়ও কামিন্সের(Pat Cummins) পিঠের এই সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেই সময় অবশ্য খেলা চালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরও অবশ্য মনে করা হয়েছিল যে তাঁকে হয়ত বিশ্বকাপেও পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তেমনটা হল না। অন্যদিকে শনিবারই বিশ্বকাপের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করা হল। সেখানেই আবার সুযোগ পেলেন না স্টিভ স্মিথ। একইসঙ্গে জায়গা হল না ম্যাট শর্টেরও। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার মতে ব্যাটিং এবং বোলিংয়ে সামঞ্জস্য রেখেই তারা এবার বিশ্বকাপের দল বেছে নিয়েছে। শেষপর্যন্ত ভারতের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ফের সাফল্য পায় কিনা সেটাই এখন দেখার।
ম্যাচের সেরা হয়েই কৃতিত্ব কোচকে শাহবাজের, পরের লক্ষ্যও স্থির

সৌভিক মহন্ত হরিয়ানার বিরুদ্ধে দুই ইনিংস মিলিয়ে ১১ উইকেট। ম্যাচের সেরার পুরস্কারও শাহবাজ আহমেদের(Shahbaz Ahmed) হাতে। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে এই ম্যাচ জেতাই পাখির চোখ ছিল বঙ্গ ব্রিগেডের(Bengal Cricket Team)। সেখানেই বাংলার হয়ে ফের একবার দুরন্ত পারফরম্যান্স শাহবাজ আহমেদের(Shahbaz Ahmed)। এই জয় যেমন তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে, তেমনই এমন পারফরম্যান্সের জন্য কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লার(Laxmiratan Shukla) কাছেও কৃতজ্ঞ শাহবাজ আহমেদ। কোচের যোগানো মোটিভেশনই তাঁকে নাকি পৌঁছে দিয়েছে এই জায়গায়। শাহবাজের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “এমন পারফরম্যান্স করার পর সকলেই খুশি। তবে বিশেষভাবে আমি ধন্যবাদ দেব কোচ লক্ষ্মীরতম শুক্লাকে। তিনিই ক্রমাগত আমাদের সকলকে মোটিভেট করে গিয়েছেন। কখনই আমাদের শৃঙ্খলাভঙ্গ করতে দেয়নি। তাঁর কারণেই তো এই পারফরম্যান্সটাও দেখাতে পেরেছি”। হরিয়ানার বিরুদ্ধে স্পিনিং ট্র্যাক দেখেই চার স্পিনারে খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলা। আর সেখানে যে শাহবাজের ওপর দায়িত্ব বেশি পড়বে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি নিজেও জানতেন সেটা। সেইভাবেই তো নিজেকে তৈরি করেছিলেন। পিচ যে প্রথম থেকেই স্পিন সহায়ক তা বুঝেই নিজের নীলনক্সা তৈরি করে ফেলেছিলেন। আর তাঁর পাতা ফাঁদেই এরেপ পর এক হরিয়ানার ব্যাটাররা শেষ হয়। প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন। সেই সময় থেকেই ঠিক করে ফেলেছিলেন দ্বিতীয় ইনিংসে কী করবেন। এই প্রসঙ্গে শাহবাজ জানান, “আমি প্রথম থেকেই পরিকল্পনা ঠিক করে ফেলেছিলাম। প্রথম ইনিংসেই দেখে নিয়েছিলাম ইন্টু দ্যা স্টাম্প বল অনেক বেশি ঘুরছে। সেখানেই বারবার বল করা শুরু করি। বুঝে গিয়েছিলাম এমনভাবে বোলিং করলেই উইকেট বেশি আসবে। আর সেটাই করেছিলাম তাতেই সাফল্য”। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে এই ম্যাচ তাঁর যেমন আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে, তেমনই গোটা দলেরও যে আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে তা বলতে দ্বিধা করলেন না শাহবাজ। তিনি জানালেন, “আমাদের সেট টিম। কয়েকজন ব্যাটসম্যানরা রান পাচ্ছিলেন না। কিন্তু এই ইনিংসে অভিমন্যু, সুদীপ ঘরামিরা রানে ফিরেছেন, তাও আবার এমন ভয়ঙ্কর পিচে। বড় ম্যাচের আগে সবকিছু ঠিক হয়ে গেলে আত্মবিশ্বাস বাড়বেই। আর আমার ক্ষেত্রেও একই। পারফরম্যান্স করে নক আউটে গেলে আত্মবিশ্বাস তো বাড়বেই”।
দুর্ধর্ষ শাহবাজ, বাংলার কাছে বিধ্বস্ত হরিয়ানা

দুই ইনিংস মিলিয়ে একাই ১১ উইকেট শাহবাজের(Shahbaz Ahmed)। হরিয়ানার(Hariyana) বিরুদ্ধে তিন দিনেই ম্যাচ জয় বাংলার (Bengal Cricket Team)। ১৮৮ রানে বিরাট জয় পেল বাংলা। কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেও হরিয়ানার বিরুদ্ধে জিতেই সেই কোয়ার্টার ফাইনালে নামতে চেয়েছিল লক্ষ্মীরতন শুক্লার(Laxmiratan Shukla) বাংলা ব্রিগেড। সেটাই হল। আর সেই সাফল্যেই বাংলার নায়ক শাহবাজ আহমেদ। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও বল হাতে একাই ধসিয়ে দিয়েছেন হরিয়ানা শিবিরকে। এই ইনিংসেও ৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন শাহবাজ আহমেদ। প্রথম ইনিংসে বাংলার ১৯৩ রানের জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে এই শাহবাজ আহমেদের(Shahbaz Ahmed) দুর্ধর্ষ স্পিনের সামনে বিধ্বস্ত হয় হরিয়ানার ব্যাটিং লাইনআপ। সেখানে আকাশদীপের(Akashdeep) পাশে একাই তুলে নিয়েছিলেন পাঁচ উইকেট। ব্যাটিংয়ে রান করতে না পারলেও, বোলিংয়ে কার্যত ভারতীয় দলের নেপথ্য কারিগড় ছিলেন শাহবাজ আহমেদই। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলার হয়ে বড় রান করেছিলেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। সেখানে হরিয়ানার সামনে লক্ষ্য ছিল ২৯৪ রান। ঘরের মাঠে হাতে দেড় দিন। কিন্তু নিজেদের তৈরি স্পিনিং ট্র্যাকে নিজেরাই কার্যত ফাঁদে পড়লেন হরিয়ানার ব্যাটাররা। এদিনও বল হাতে একাই তাদের শেষ করে দিলেন শাহবাজ আহমেদ(Shahbaz Ahmed)। তাঁর দুর্ধর্ষ স্পিনের সামনে সেভাবে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেননি কোনও হরিয়ানার ব্যাটাররা। ৮ ওভারে মাত্র ৩৮ রান দিয়ে তিনি একাই তুলে নিয়েছিলেন ছটি উইকেট। আর তাতেই শেষ হরিয়ানা। ১০৫ রানে গুটিয়ে যায় হরিয়ানা। কোয়ার্টার ফাইনালের আগে বাংলার এই পারফরম্যান্স যে তাদের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়াল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।