১৫ বছর পর রাজ্যে শুরু জাতীয় যুব জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ

দীর্ঘ ১৫ বছর পর রাজ্যে আয়োজিত হল জাতীয় যুব জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ(National Junior Judo Championship)। শনিবারই ডুমুরজোলা ইন্ডোর স্টেডিয়ামে উদ্বোধন হয়ে গেল প্রতিযোগিতার। এই প্রতিযোগিতাতেই এবার অংশগ্রহন করেছেন দেশের ৩১টি রাজ্য থেকে প্রায় ৮০০ জন জুডোকা। আগামী রবিবারই হবে বিভিন্ন বিভাগের ফাইনাল। পুরুষদের ৫৫ কেজি, ৬০ কেজি, ৬৬ কেজি এবং ৭৩ কেজি বিভাগে নেমেছে প্রতিযোগিরা। সেখানেই মহিলাদের বিভাগে ৪৪, ৪৮, ৫২ এবং ৫৭ কেজি বিভাগে নেমেছেন অংশগ্রহন কারীরা। জাতীয় যুব জুডো চ্যাম্পিয়নশিপের(National Junior Judo Championship) উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন প্রথমভ ভারতীয় মহিলা যুব জুডো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিন্থোই চানামবাম (Linthoi Chanambam। উদ্বোধনের মঞ্চ থেকেই নিজের ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ যেমন জানালেন, তেমনই অংশগ্রহনকারীদেরও যোগালেন বাড়তি আত্মবিশ্বাস। লিন্থোই চানামবাম বলেন, “আমি আগামীর কথা ভাবি। কখনোই দীর্ঘমেয়াদি কোনও কিছু নিয়ে ভাবিনা। আমার সবসময়ই লক্ষ্য হল বর্তমানে যে জায়গায় রয়েছি আগামী দিনে যেন তার থেকেও বড় জায়গায় পৌঁছতে পারি।” ফাইনালের দিন একটি প্রদর্শনী ম্যাচে নামবেন ভরতের এই সোনার মেয়ে লিন্থোই। সেইসঙ্গে আসন্ন ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমস এবং সিনিয়র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপই যে তাঁর পাখির চোখ এখন তাও জানাতে দ্বিধা করলেন না এই জুডোকা তরুণী। এদিন উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা রাজ্য জুডো অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুজিত বোস(Sujit Boze)। উদ্বোধনী মঞ্চ থেকেই প্রয়াত তপন বক্সির নামে জীবনকৃতি পুরস্কার বাবদ ১ লক্ষ টাকার পুরস্কারের ঘোষণাও করেন সুজিত বোস।
পরপর জিতলেও, দল প্রস্তুতিতে আরও প্রস্তুতি ম্যাচ চাইছেন লোবেরা

তৃতীয় প্র্যাকটিস ম্যাচেও দাপট বজায় রাখল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টস(MBSG)। শনিবার প্রতিপক্ষকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াল সবুজ-মেরুন শিবির(MBSG)। সাহল আবদুল সামাদ ও কামিন্স দু’টি করে গোল করেন। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল মোহনবাগান। প্রথমার্ধের শুরুতেই জেমি ম্যাকলারেন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। এরপরেই পর পর দু’টি গোল করেন সাহল। সাহলের দ্বিতীয় গোলের নেপথ্যে ছিল রবসন এর নিখুঁত অ্যাসিস্ট। যদিও প্রথমার্ধে গোলের খাতা খুলতে পারেননি রবসন, একাধিক সুযোগ তৈরি করে প্রতিপক্ষ ইয়ং ইউনাইটেডের রক্ষণে বারবার চাপ বাড়ান তিনি। রবসনের শট বারে লেগে লিস্টনের পায়ে পড়লে সেখান থেকেই চতুর্থ গোল তুলে নেয় মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মাঠে নামেন কামিন্স ও দিমিত্রিওস পেট্রাতোস। নেমেই দিমির অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেন রবসন। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই নিজেই বাঁকানো শটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান দিমি। মানভীর সিংয়ের পাস থেকে কামিন্স গোল করেন সপ্তম গোলটি। ম্যাচের শেষ লগ্নে আরও এক বার জাল খুঁজে নিয়ে নিজের দ্বিতীয় ও দলের অষ্টম গোল নিশ্চিত করেন কামিন্স। একের পর এক ম্যাচে জয় পেলেও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন মোহনবাগান কোচ সের্জিও লোবেরা(Sergio Lobera)। বরং আরও ম্যাচ খেলার প্রয়োজনীয়তার কথাই স্পষ্ট করে দিলেন তিনি। তবে এদিন প্রস্তুতি ম্যাচে নামেননি অনুর্ধ থাপা ও আশিস রাই। তারা এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি। এই প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে দল গুছিয়ে নিলেও, তাদের নিয়ে একেবারেই ঝুঁকি নিতে চাননি লোবেরা।
মহমেডানের বিরুদ্ধে গোলের ঝড় ইস্টবেঙ্গলের

ফেডারেশনের অনুর্ধ্ব-১৬ জুনিয়র লিগে দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। এদিন জুনিয়র পর্যায়ে মিনি ডার্বিতে মহমেডানের বিরুদ্ধে নেমেছিল অনুর্ধ্ব-১৬ ইস্টবেঙ্গল। সেখানে প্রতিপক্ষকে মাথা তুলে দাঁড়াতেই দিল না লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৯-০ গোলে মহমেডানকে উড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল অনুর্ধ্ব-১৬ দল। এদিন ম্যাচে একাই ৪ গোল করে ম্যাচের সেরা অর্ণাভ ছেত্রী। এছাড়াও হ্যাটট্রিক করেছেন শিশির সরকার। মহমেডানের বিরুদ্ধে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলেছিল ইস্টবেঙ্গল। সেখানেই প্রতিপক্ষ শিবির একবারও বাধা দিতে পারেনি। বরং বারবারই নিজেদের ঘর সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে মহমেডান রক্ষণের ফুটবলারদের। শুরু থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন শিশির সরকার এবং অর্ণাভ ছেত্রী। অর্ণাভ ছেত্রী তো এদিন একাই দিয়েছেন চারটি গোল। খুব একটা পিছিয়ে নেই শিশির সরকারও। তিনিও ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন। এছাড়াও ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একটি করে গোল করেন প্রীতম অধিকারি এবং জাভেদ খারিকার। এত বড় ব্যবধানে জয়ের পর স্বাভাবিকভাবেই খোশ মেজাজে ইস্টবেঙ্গল কোচ থেকে ফুটবলাররা। এই জয় যে তাদের আগামী ম্যাচ গুলোর আগে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আইপিএলের প্রস্তুতি শুরু ধোনির!

আসন্ন আইপিএলের প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। হঠাৎ করেই শুরু হয়ে গিয়েছে সেই নিয়ে জোর জল্পনা। কারণ তাঁর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে হঠাৎ করেই। সেখানেই দেখাযাচ্ছে যে নেট প্র্যাক্টিস শুরু করে দিয়েছেন ভারতীয় দলেরল প্রাক্তন অধিনায়ক। এবারও তাঁকে আইপিএলের মঞ্চে দেখা যাবে। দীর্ঘদিন পর ফের বাইশগজে নামবেন তিনি। হয়ত তারই প্রস্তুতিতে এবার জোর দিচ্ছেন ধোনিও। শোনাযাচ্ছে এই মরসুমটাই নাকি আইপিএল কেরিয়ারের সেষ ম্যাচ হতে চলেছে মহেন্দ্র সিং ধোনির। তাই হয়ত শেষ মরসুমে নিজের ছাপ রেখে যেতে চাইছেন খোদ ক্যাপ্টেন কুল। এবার রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বেই মাঠে নামবেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। আইপিএল শুরু হতে এখনও বেশ কয়েক মাস বাকি রয়ছে। তার আগেই নিজেকে আরও পুরোপুরি তৈরি করে নিতে চাইছেন এই তারকা ক্রিকেটার। গত দুটো মরসুম খুব একটা ভালোভাবে যায়নি ধোনির। এই মরসুমে যাতে কোনওরকম সমস্যা নায় হয় সেদিকেই বাড়তি নজর রয়েছে ক্যাপ্টেন কুলের তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায় সকলে।
তিন দেশীয় উইঙ্গারের সঙ্গে কথা ইস্টবেঙ্গলের

বিদেশি স্ট্রাইকার নেওযা হয়ে গিয়েছে। এবার দেশিয় উইঙ্গারের খোঁজে রয়েছে ইস্টবেঙ্গল। শোনাযাচ্ছে সেখানেও নাকি তিন দেশীয় উইঙ্গার ইতিমধ্যেই বেছে নিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের হেড অব ফুটবল থংবোই সিংটো। কথাবার্তা শুরু হয়ে গিয়েছে আইজ্যাক, ইসাক এবং জেরির সঙ্গে। তবে শোনাযাচ্ছে লাল-হলুদ জার্সি পরার দৌড়ে নাকি খানিকটা এগিয়ে রয়েছেন আইজ্যাকই। ওড়িশার এফসির সঙ্গে তাঁকে নেওয়া নিয়ে কথাবার্তাও শুরু করে দিয়েছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। পাঁচ বিদেশিতেই এবার খেলার পথে এগোচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই কারণেই দলের উইং শক্তিশালী করতে এই তিন উইঙ্গারের সঙ্গে কথাবার্তা আরম্ভ হয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে আইজ্যাকের সঙ্গে নাকি কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। সেখানেই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। ওড়িশার হয়ে উইঙ্গার হিসাবে দুরন্ত পারফরম্যান্ত প্রদর্শন করেছিলেন আইজ্যাক। এবার তাঁকেই কার্যত নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল।
বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডই খেলছে, কয়িকদিনের মধ্যেই ঘোষণা

সরকারীভাবে ঘোষণা হওয়াটা এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। বংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপের খেলানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। আর তা নাকি ইতিমধ্যে জানিয়েও দেওয়া হয়েছে স্কটল্যান্ড এবং বাংলাদেশকে। কয়েকদিনের মধ্যেই সরকারীভাবে ঘোষণাটাও করে দেবে বিশ্ব ক্রিকেটে সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। শুক্রবারের বৈঠকের পরই স্কটল্যান্ডকে সরকারীভাবে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আইসিসির তরফে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের শেষ আবেদনটুকুও নাকোচ করে তাদের বিশ্বকাপে না থাকার কথাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। মুস্তাফিজুরকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর থেকেই ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার দাবী জানিয়ে সরব হয়েছিল। এমনকি বিশ্বকাপ বয়কটের ডাকও দিয়েছিল তারা। এরপরই সমস্যা ক্রমশই জটিল হয়ে শুরু করেছিল। যদিও আইসিসিও তাদের কথা মেনে ভেন্যু পরিবর্তন করতে একেবারেই নারাজ ছিল। সেইসঙ্গে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কাতে ভেন্যু বদলের দাবীও নস্যাৎ করেছিল আইসিসি। বাংলাদেশ নিরাপত্তার দাবী তুলেছিল। সেটাও যে একেবারেই সঠিক দাবী নয়, তাও আইসিসির তরফ থেকে স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতেই শেষপর্যন্ত বাংলাদেশকে নিজেদের চূড়ান্ত জবাবের জন্য সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতেই বয়কটের সিদ্ধান্ত বদল করনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এরপরই আইসিসি স্কটল্যান্ডকে খেলানোর কথা পাকা করে দিয়েছে। এমনকি বিসিবি আইসসির ডিসপুট কমিটিতে এই ব্যপারটা নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিল। সেই আবেদন নাকোচ করে এবার সরাসরি বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে খেলানোর কথা স্পষ্ট করে দিয়েছে আইসিসি।