আবার বিদেশি ছাড়ছে ইস্টবেঙ্গল

আবার বিদেশি ছাড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। তবে কী এবার ছাটাই হতে চলেছেন হিরোশি ইবুসুকি(Hiroshi Ibusuki)। সেক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকারের দায়িত্বে কী থাকবেন শুধুই ডেভিড! অন্তত এখনও পর্যন্ত হিসাব তো সেটাই বলছে। আইএসএল(ISL) শুরু হওয়ার তারিখ ঘোষণা হয়ে গেলেও, বেশীরভাগ দলই এখন দল কাটছাটের রাস্তায় হাঁটছে। অন্যথা নয় ইস্টবেঙ্গলও(Eastbengal)। কস্ট কাটিংয়ের জন্যই বিদেশি ফুটবলার ছেড়ে দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গলও। ইতিমধ্যেই হামিদ চলে গিয়েছে। এবার আরও এক বিদেশিকে ছাড়তে চলেছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। হামিদ(Hamid Ahadad) নিজেই যেতে চেয়েছিল। এবার কী হিরোশিকেই ছেড়ে দিচ্ছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। কারণ তাঁর খেলায় যে ম্যানেজমেন্ট খুশি নয় তা বলাই বাহুল্য। ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলার ছাড়ার যে তালিকা তৈরি হয়েছিল সেখানে সবার ওপরেই যে রয়েছে হিরোশির নাম। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন উঠছে তবে ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকার হিসাবে এখন কী শুধুই থাকবেন ডেভিড। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার থেকেই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে যোগ দিলেন মিগুয়েল। বেশ খোশ মেজাজেই প্রথম দিন দেখা গেল তাঁকে। অন্যদিকে পুরোপুরি ফিট না হওয়ার জন্য এদিন অনুশীলনে এলেন না আনোয়ার আলি।
মোলিনার বাতিল ঘোড়া দিমিত্রিই লোবেরার প্রধান অস্ত্র

মোলিনা জামানায় ব্রাত্য দিমিত্রি পেত্রাতস(Dimitri Petratos) এখন লোবেরার আক্রমণের প্রধান অস্ত্র। অন্তত বৃহস্পতিবারের প্রস্তুতির ছবি দেখে তেমনটাই তো মনে হচ্ছে। এদিন হঠাৎই দলের ফর্মেশন বদলে দিয়েছিলেন লোবেরা(Sergio Lobera)। সেখানেই দেখা গেল তাঁর আক্রমণের প্রধান কাণ্ডারী হঠাৎ করে দিমিত্রি পেত্রাতোস(Dimitri Petratos)। তাঁকে রেখেই বেশ কিছু ফুটবলারের পজিশনও বদলে দিলেন সের্জিও লোবেরা। এছাড়া বেশ কিছু নতুন ছকেও খেললেন তিনি। হোসে মোলিনার(Jose Molina) সময় প্রথম একাদশে দিমিত্রি পেত্রাতোসের থাকাটাই ছিল কার্যত অসম্ভব। তাঁর সঙ্গে ঝামেলার কথাও ড্রেসিংরুমের বাইরে চলে এসেছিল। এরপর অবশ্য সুপার কাপ শেষে মোলিনার সঙ্গেই সম্পর্ক ভেঙে দিয়েছে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। সেই জায়গায় এখন কোচ সের্জিও লোবেরা। আর সেই লোবেরা আসার পরই যেন নিজের জায়গা ফের ফিরে পেয়েছেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। লোবেরা জামানায় ফের মোহনবাগানের প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠতে চলেছেন তিনি। এদিন সেই কারণে তাঁকে নিয়েই বেশিক্ষণ সময় দিলেন সের্জিও লোবেরা। একইসঙ্গে দিমিত্রির সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ নানান আলোচনাও করতে দেখা গেল এই সের্জিও লোবেরাকে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার।
মমতার অভিযোগের জবাব দিয়ে আদালতে ইডি

কলকাতায় আইপ্যাকের সল্টলেক দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে কয়লা পাচার মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি(ED) অভিযান চালায়। এর ফলে সারা শহরে তুমুল উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ইডি-এর অভিযান শুরু হওয়ার পরপরই, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছান এবং কিছু নথি নিয়ে বেরিয়ে যান। পরে, তিনি আইপ্যাকের(I Pac) দপ্তরেও যান এবং সেখান থেকেও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন। মমতার দাবি, ওই নথিগুলি তাঁর দলের দলীয় নথি, এবং তিনি সেগুলি নিয়ে যাচ্ছেন। তবে ইডি(ED) এই ঘটনাকে তদন্তে বাধা দেওয়ার শামিল হিসেবে দেখছে এবং তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। এ ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টে ইডি মামলা দায়ের করেছে। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের কাছে তারা মামলা দায়েরের অনুমতি পেয়েছে এবং শুক্রবার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। দিল্লির ইডি(ED) দপ্তর থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ২০২০ সালে দায়ের হওয়া কয়লা পাচার মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের ছয়টি স্থানে অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক নেই এবং কোনো রাজনৈতিক কার্যালয়ে অভিযান করা হয়নি।
আইপ্যাকের অফিসে ইডির হানার সময়ই হাজির মমতা, তথ্য লোপাটের অভিযোগ তুলে এফআইআরের কথা

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যে কার্যত তুলকালাম পরিস্থিতি। এবার সরাসরি মমতা বনাম কেন্দ্রীয় এজেন্সির সংঘাত। আর তাতেই উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। সকাল থেকেই আইপ্যাকের কর্ণধারের বাড়ি এবং আইপ্যাকের অফিসে হানা দিয়েছিল ইডি। সেখানেই হাজির খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ ইডির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকী ল্যাপটপ, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা চুরি করার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের সুপ্রিমো। বৃহস্পতিবার সকালে আইপ্যাকের এই মুহূর্তে কর্ণধারের বাড়িতে ইডি হানা হয়। তিনি আবার তৃণমূল কংগ্রেসের আইটি ইনচার্জের পদেও রয়েছেন। সেই খবর পায়ার পরই হানা চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই একটি ফাইল ও হার্ড ড্রাইভ বাইরে নিয়ে এসেই সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেন মমতা। সেখান থেকেই মমতা বলেন, “এই অভিযান দুর্ভাগ্যজনক। আমার আইটি দপ্তরে অভিযান চালিয়েছে। দলের সব গোপন নথি এবং প্রার্থী তালিকা চুরি করতে ইডিকে দিয়ে হামলা করেছেন ন্যাস্টি হোম মিনিস্টার। নটি হোম মিনিস্টার।” এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে যান আইপ্যাকের আইটি অফিসে। সেখানেও সকাল থেকেই হানা চালিয়েছিল ইডি। সেইসঙ্গে তাদের সঙ্গে ছিল ফরেনসিক দলও। সেখানেই হানা চলাকালীন মমতা ছুটে যান সেই জায়গায়। এরপরই আর নিজের মেজাজ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। মমতা সরাসরি নথি চুরির অভিযোগ তোলেন এবং এফআইআর করারও হুঙ্কার দেন সেই জায়গা থেকেই। এমনকি প্রতীক জৈন সেই অফিসে ফেরা না পর্যন্ত, তাঁর সঙ্গে আলোচনা না করা পর্যন্ত স্থান ছাড়বে না বলেই জানিয়ে দেন মমতা। কার্যত সকাল থেকে মমতা বনাম ইডি সংঘাত এখন তুঙ্গে। এমনকি ফরেনসিক ব্যবহার করে দলের সমস্ত নথি লোপাট করার অভিযোগ তুলেছেন মমতা। একইসঙ্গে তাদের রণকৌশল চুরি করা হয়েছে বলেও হুঁশিয়ারি শানিয়েছেন তিনি। মমতা বলেন, ”ফরেনসিককে ব্যবহার করে ল্যাপটপ থেকে দলের নথি, রণকৌশল চুরি করা হয়েছে। এটা ক্রাইম।” মমতা আরও বলেন, ”অপারেশনটা শুরু হয়েছে ভোর ৬টা থেকে। যখন অফিসে কেউ ছিল না। সেই সময় আমাদের পার্টির সমস্ত ডেটা, ল্যাপটপ, মোবাইল, নির্বাচনের রণকৌশল, এমনকী এসআইআর সংক্রান্ত নথি ফরেনসিক টিম নিয়ে এসে ট্রান্সফার করা হয়েছে। এটা ক্রাইম।”
সফল অস্ত্রোপচার, টি-২০ বিশ্বকাপে রয়েছেন তিলক বর্মা

অবশেষে স্বস্তি। প্রথমে তিলক বর্মার(Tilak Verma) টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা ঘিরে একটা অনিশ্চয়তা দেখা দিলেও, তেমনটা হবে না বলেই এবার শোনাযাচ্ছে। খুব বেশি হলে নিউ জিল্যান্ডের(New Zealand) বিরুদ্ধে প্রথম দুটো টি টোয়েন্টি সিরিজে তাঁকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। এরপরই ভারতীয় দলের জার্সিতে প্রস্তুতিতে নেমে পড়বেন এই তরুণ তারকা ক্রিকেটার। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। তিলক বর্মা(Tilak Verma) ছিটকে গেলে যে ভারতের কাছে এটা বড়সড় একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিলক বর্মার টেস্টিকিউলার টরশন(Testicular Torsion) অস্ত্রপচার হওয়ার পর থেকেই তাঁর টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা ঘিরে একটা অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছিল। শোনাযাচ্ছিল নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ থেকেও নাকি ছিটকে যেতে পারেন তিলক বর্মা। আর সেটাই বেশ চিন্তায় ফেলে দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের। পরে অবশ্য জানা গিয়েছে তেমন চিন্তার কিছু নেই। বিজয় হাজারে ট্রফি চলাকালীনই টেস্টিকিউলারে যন্ত্রনার অনুভব করেন তিলক বর্মা(Tilak Verma)। এরপরই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। সেখানেই যতটা দ্রুত সম্ভব তাঁক অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সফলভাবে অস্ত্রোপচারও হয়ে গিয়েছে তিলক বর্মার। এরপরই আশার বাণী শোনাযাচ্ছে। প্রথমে শোনাযাচ্ছিল যে তিনি নাকি টি টোয়েন্টি সিরিজ তো বটেই, এমনকি নাকি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেও ছিটকে গিয়েছেন। যদিও শেষপর্যন্ত সেই নিয়ে আশার বাণীই এসেছিল। অস্ত্রোপচারের পর পরিস্থিতি তেমন গুরুতর নয় বলেই জানানো হয়েছে। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দুটো ম্যাচে খেলতে না পারলেও, পরের তিনটি ম্যাচে রয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে খেলবেন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপও।