না ফেরার দেশে চলে গেলেন আইলিগ জয়ী সুখেন

বড়দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ময়দানে শোকের ছায়া। মাত্র ৩৫ বঠরেই থেমে গেল প্রাক্তন ফুটবলার সুখেন দে-র(Sukhen Dey) জীবনের দৌড়। হঠাত্ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত মোহনবাগানের আইলিগ(I league) জয়ী ডিফেন্ডারের। কর্মরত অবস্থাতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন সুখেন দে। তাঁর এমন অকাল প্রয়ানে শোকস্তব্ধ বাংলার ময়দান সহ বাংলার ক্রীড়া মহল। শুক্রবার কর্মরত অবস্থাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। হাতপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মোহনবাগানের হয়ে আইলিগ জিতলেও, ফুটবলের ময়দানে সুখেন দে-র(Sukhen Dey) উত্থান ইউনাইটেড স্পোর্টসের হাত ধরে। ইউনাইটেড স্পোর্টসের হয়েই প্রথম আইলিগ খেলেছিলেন সুখেন দে। এরপর খেলেছেন মোহনবাগানের(Mohunbagan) হয়ে। তাঁর ছোট খাটো চেহারা নিয়েই র্যান্টি মার্টিন্স, ওডাফা ওকোলিদের মতো তারকা ফুটবলারদের আটকে দিয়েছিলেন এই ডিফেন্ডার। ২০১৪-১৫ মরসুমে মোহনবাগানের আইলিগ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন সুখেন দে(Sukhen Dey)। ইউনাইটেড স্পোর্টসের পাশাপাশি সঞ্জয় সেনের কোচিংয়ে খেলেছিলেন মোহনবাগানের জার্সিতে। খেলা ছাড়ার পর ভারতীয় রেলে কর্মরত ছিলেন এই প্রাক্তন ফুটবলার। আগামী ১ জানুয়ারি ৩৬ বছরে পা দিতেন সুখেন। কিন্তু জন্মদিনের ৫ পাঁচ দিন আগেই সব শেষ। মাত্র ৩৫-এই না ফেরার দেশে চলে গেলেন সুখেন দে।
ফেডারেশনের কমিটির দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তাব পেশ, ক্লাবজোটের জবাব ২৮ ডিসেম্বর

কবে হবে এই মরসুমের আইএসএল(ISL)। এতদিন ধরে ঘোর অনিশ্চয়তা চললেও, এবার বোধহয় একটা হাল্কা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। ফেডারেশনের(AIFF) দেওয়া শর্ট টার্মের পাশাপাশি লং টার্মের চুক্তি মেনে নিলেই এবারের মতো ফের বল পায়ে আইএসএলের(ISL) মঞ্চে দেখা যাবে ফুটবলারদের। তবে সবটাই নির্ভর করছে আগামী ২৯ ডিসেম্বরের বৈঠকের ওপর। সেদিনি কার্যত সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যেতে পারে। শুক্রবারই ক্লাবগুলোর(ISL Clubs) সঙ্গে বৈঠকে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার প্রস্তাবটা দিল ফেডারেশনের(AIFF) তৈরি করে দেওয়া তিন সদস্যের কমিটি। কয়েকদিন আগেই ফেডারেশনের(AIFF) তৈরি করে দেওয়া তিন সদস্যের কমিটি ক্লাবজোটকে(ISL Clubs) শর্ট টার্ম ফর্ম্যাটের প্রস্তাবটা পেশ করেছিল। যদিও সই সময় ক্লাবজোটের(ISL Clubs) সদস্যরা দীর্ঘমেয়াদী ফর্ম্যাটের ভাবনা এই কমিটির কাছে জানতে চেয়েছিল। সেই দাবী মতোই শুক্রবারের বৈঠকে ক্লাবজোটকে দীর্ঘমেয়াদী ফর্ম্যাটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ফেডারেশনের তৈরি করে দেওয়া তিন সদস্যের কমিটির তরফে। সেখানেই জানানো হয়েছে আগামী ২০ বছরের জন্য ৭০ কোটি টাকা করে খরচ হবে। সেইসঙ্গে পার্টিসিপেশন ফি হিসাবে ক্লাব গুলোকে দিতে হবে ১ কোটি টাকা করে। এছাড়াও যে যেমনভাবে টাকা দেবে, তেমনই লভ্যাংশ পাবে। আবার লোকসান হলে সেটাও সকলে সমানই পাবে। এদিন অবশ্য ক্লাবজোট কোনওরকম উত্তর দেয়নি। আগামী ২৮ ডিসেম্বর ফেডারেশনের কমিটিকে নিজেদের জবাব জানিয়ে দেবে ক্লাবজোট। এরপরই ২৯ ডিসেম্বরের বৈঠক। আপাতত তারা কয়েকদিন নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নেবে। আগামী ২৯ ডিসেম্বর ফের ফেডারেশনের তৈরি করে দেওয়া এই কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবে ক্লাবজোট। সেখানে যদি এই প্রস্তাব মেনে তারা সায় দিয়ে দেয়, তবে ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু হয়ে যেতে পারে আইএসএল। তবে দুই পক্ষের মধ্যে যদি সামাধান সূত্র শেষপর্যন্ত না বেড়িয়ে আসে তবে আইএসএল নিয়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছে না।
জনসংযোগে বিশেষ বার্তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আগামী বছর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু তার প্রচার এখন থেকেই শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। সেই কারণেই দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। সেখান থেকেউ সকলের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা দিলেন অভিষেক। জনসংযোগ বাড়াতে কর্মীদের কার্যত বিশেষ নির্দেশ দিলেন। সেইসঙ্গেই সকলের সঙ্গে কথাবার্তার সময় ঔদ্ধত্যের প্রকাশও যাতে না পায় সেই বার্তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। অবিষেক ভার্চুয়ালি বৈঠকে জানিয়েছেন, ”মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় কোনও ঔদ্ধত্য নয়। মানুষের ব্যবহারই মানুষের পরিচয়। আপনার ব্যবহারে যেন মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংগ্রামকে দেখতে পায়।” এবার জিততে পারলে চতুর্থবারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। কিন্তু সেখানেই যাতে কোনওরকম সমস্যা না হয় তার জন্য জন সংযোগেই বাড়তি জোর দিচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জোরকদমে যে নির্বাচন প্রস্তুতি শুরু করে গিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিনের বৈঠক থেকে আবার জোড়া কর্মসূচীও ঘোষণা করেন অভিষেক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা করা উন্নয়নের পাঁচালীর সঙ্গেই চলবে অভিষেকের উন্নয়নের সংলাপ। শুক্রবারের বৈঠকে সেই কথা ঘোষণাও করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ”যাঁদের কাছে যাবেন, তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে যান। কেন্দ্রের কাছে আমাদের দু’লক্ষ কোটি টাকা পাওনা। রাজ্যের হাতে সেই টাকা থাকলে বাড়তি আমরা অনেক কিছুই করতে পারতাম। এই বোঝা থাকার পরেও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, রাস্তা, আবাসের বাড়ি দিয়েছি। অগ্রগতির গতি, বিজয় রথ অব্যাহত আছে। বিজেপি এই গতিকে বাধাপ্রাপ্ত করতে পারেনি।” ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকেই শুরু হচ্ছে অভিষেকের এই নতুন কর্মসূচী।
বিরাটের মুকুটে নতুন পালক, শূন্য রানে ফিরলেন রোহিত

দেশের জার্সির পর বিজয় হাজারে ট্রফিতেও(Vijay Hazare Trophy) সাফল্যের ধারা অব্যহত বিরাট কোহলির(Virat Kohli)। বিজয় হাজারের দ্বিতীয় ম্যাচেও বিরাটের ব্যাটে বড় রান। ভেঙে দিলেন এবার মাইকেল বিভানের(Michael Bevan) রেকর্ডও। সেঞ্চুরি হয়ত করতে পারেননি। কিন্তু এই মুহূর্তে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে সর্বোচ্চ গড়ের রেকর্ড গড়লেন তিনি। এতদিন এই তালিকায় শীর্ষে ছিলেন অজি তারকা মাইকেন বিভান। এদিন ৭৭ রানের ইনিংস খেলার পর সেই রেকর্ডটাই ভেঙে দিলেন তিনি। সেইসঙ্গে ম্যচের সেরার পুরস্কারও বিরাট কোহলির(Virat Kohli) ঝুলিতেই। গুজরাতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে নেমেছিল টিম দিল্লি। এই ম্যাচেই আবার বিরাট কোহলির(Virat Kohli) সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়েছিলেন ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। দর্শকহীন গ্যালারীতে খেলা হলেও, বিরাচট কোহলি ছিলেন নিজের চেনা মেজাজেই। প্রথম ম্যাচে ১৩১ রানের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি ইনিংস। দ্বিতীয় ম্যাচেও সেই ধারা বজায় রাখলেন। তবে সেঞ্চুরিটা হাতছাড়া হয়েছিল। ৬১ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরেছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু ততক্ষণে নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলেছিলেন তিনি। বিরাট ৭০ রানের গন্ডী টপকাতেই প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে সর্বোচ্চ গড়ের রেকর্ড গড়ে ফেলেছিলেন। ম্যাচে শুধু ব্যাট হাতে রানই নয়, ফিল্ডিংয়ের সময়ও জোড়া ক্যাচ নিয়েছেন বিরাট কোহলি। আর তাতেই আপ্লুত সকলে। বিরাটের সাফল্যের ধারা অব্যহত চললও, রোহিত শর্মার কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই ছন্দপতন। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র শূন্য রানেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছিল ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ককে।
রাষ্ট্রপতির হাত থেকে বিশেষ পুরস্কার পেলেন সূর্যবংশী

মাত্র ১৪ বছর বয়সেই ক্রিকেটের বাইশগজে একের পর এক রেকর্ড গড়ছেন বৈভব সূর্যবংশী(Vaibhav Suryavanshi)। তারই পুরস্কার পেলেন এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মু্র্মুর(Draupadi Murmu) হাত থেকে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার(PMRBP) পেলেন বিহারের বৈভব সূর্যবংশী(Vaibhav Suryavanshi)। শুক্রবারই তাঁর হাতে সেই পুরস্কার দিলেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর(Narendra Modi) সঙ্গে দেখাও করলেন ভারতের এই কিশোর ক্রিকেটার। এই পুরস্কারের কারণেই মণিপুরের হয়ে খেলেননি বৈভব সূর্যবংশী। ৫ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরদের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার হল এই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার(PMRBP)। সেখানেই বিভিন্ন ক্ষেত্রের কিশোরদের হাতে উঠেছে বহু পুরস্কার। সেখানেই এবার সম্মান পেলেন ভারতীয় দলের কিশোর সেনসেশন বৈভব সূর্যবংশী(Vaibhav Suryavanshi)। তাঁকে নিয়েই এখন হৈচৈ ভারতীয় ক্রিকেট মহলে। তাঁর সাফল্যে আপ্লুত সকলে। সিনিয়র ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই নিজের সেরা পারফর্ম্যান্স প্রদর্শন করেছেন বৈভব সূর্যবংশী। শুরুটা হয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতে আইপিএল দিয়ে। কয়েকদিন আগেই বিজয় হাজারে ট্রফিতেও তৈরি করেছিলেন ইতিহাস। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে দ্রুততম ১৫০ রান করা রেকর্ডে পিছনে ফেলে দিয়েছেন এবি ডেভিলিয়র্সক। সেই ম্যাচে ৮৪ বলে ১৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। এছাড়া ভারতের অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটের মঞ্চেও একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন তিনি ইংল্যান্ড থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। এবার সেই বৈভব সূর্যবংশীর হাতেউ উঠল দেশের কিশোরদের জন্য সর্বোচ্চ পুরস্কার। এমন একটা সম্মান যে বৈভবকে আগামী দিনের জন্য আরও বেশি উদ্বুদ্ধ করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে অঙ্গকৃশ রঘুবংশী

বিজয় হাজারে ট্রফির(Vijay Hazare Trophy) মাঝেই আতঙ্ক মুম্বই শিবিরে। গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে মুম্বইয়ের ওপেনার অঙ্গকৃশ রঘুবংশী(Angkrish Raghuvanshi)। কঠিন ক্যাচ নিয়ে নিতে গিয়ে মাথা এবং ঘাঁড়ে চোট পান এই তরুণ ক্রিকেটার। এরপরই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন রয়েছেন এই তরুণ ক্রিকেটার। চিকিৎসা শুরু হলেও এই মুহূর্তে কেমন রয়েছেন তা অবশ্য জানা যায়নি। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স(KKR) শিবিরে রয়েছেন তিনি। জয়পুরে উত্তরাখন্ডের বিরুদ্ধে নেমেছিল মুম্বই(Mumbai)। সেখানেই মুম্বিয়ের ফিল্ডিং করার সময় ঘটে এই অঘটন। ম্যাচের ৩০ নম্বর ওভারে প্রতিপক্ষ ব্যাটারের একটি কঠিন ক্যাচ ওঠে। সেই ক্যাচ নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়েই খারাপ ভাবে ঝাপ দিয়ে মাথায় এবং কাঁধে গুরুতর চোট পেয়েছিলেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী(Angkrish Raghuvanshi)। এরপর মাঠেই পড়ে গিয়েছিলেন এই তরুণ ক্রিকেটার। সেই সময়ই তাঁকে তাড়াহুড়ো করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আর তাতেই যে মুম্বই শিবিরে সকলে বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিন রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। যদিও সেখানে অবশ্য খুব একটা ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। ২০ বলে মাত্র ১১ রান করতে পেরেছিলেন অঙ্গকৃশ রঘুবংশী। এরপর ফিল্ডিং করতে নেমে এমন একটা অঘটন। অঙ্গকৃশ রঘুবংশীর(Angkrish Raghuvanshi) সঙ্গে ঘটা এই ঘটনা যে ভারতীয় ক্রিকেট মহলেও বেশ আতঙ্ক ছড়িয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।