ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে ফের আলোচনা, যুবভারতীতেই ম্যাচ চাইছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা!

কিশোর ভারতীর বদলে আবারও কী যুবভারতী স্টেডিয়ামে ফিরবে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)! সবকিছু ঠিকঠাক হলে গেলেও, হঠাৎই ইমামি ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু ক্লাব কর্তাদের। কিশোরভারতী(Kishore Bharati Stadium) নয়, তাদের ম্যাচ যুবভারতীতেই(YBK Stadium) ফেরানো হোক। এই নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে ফের কথাবার্তা শুরু হয়ে হয়েছে। শোনাযাচ্ছে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) সঙ্গে নাকি মহমেডানেরও হোম গ্রাউন্ড কিশোরভাতী। প্রথমে অবশ্য মহমেডানের হোমগ্রাউন্ড ছিল জামশেদপুর। আর সেটা জানার পরই হঠাৎ করে ক্লাব কর্তারা তাদের ভেন্যু যুবভারতীতে ফেরানোর ওপরই জোর দিতে শুরু করা হয়েছে। যদিও যুক্তি হিসাবে তারা টিকিট, সমর্থকদের উপস্থিতি, ছোট মাঠের নানান কথাই বলছে। কিন্তু কারণটা আদৌ সেটা। প্রথমে খানিকটা আপত্তি থাকলেও পরবর্তীতে ইমামি ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে আলোচনায় কিশোরভারতী স্টেডিয়ামে(Kishore Bharati Stadium) খেলার ব্যপারটা মেনে নিয়েছিলেন ক্লাব কর্তারা। কিন্তু এরপরই প্রকাশ্যে আসে যে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) সঙ্গে মহমেডানেরও(Mohammedan Sc) নাকি হোম গ্রাউন্ড এই কিশোর ভারতী। আর সেটাই কী মেনে নিতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা? এমনটা হলেও হতে পারে। যদিও মুখে বলা হচ্ছে অন্য কথা। ছোট মাঠে খেলার অসুবিধা। সেইসঙ্গে টিকিট নিয়েও সমস্যা হওয়ার কথা ফের একবার ইমামি ম্যানেজমেন্টকে জানানো হয়েছে। শুরু হয়েছে নচুন করে আলোচনা। আবার যুবভারতী স্টেডিয়ামে ম্যাচ ফেরানোর কথা বলছেন ক্লাব কর্তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে এটা শুধুই এই কারণগুলোর জন্য। একে তো মোহনবাগানের হোমগ্রাউন্ড যুবভারতী। সেখানে ইস্টবেঙ্গলের কিশোরভারতীতে চলে যাওয়াটা যে দুই ক্লাবের প্রতিদ্বন্দ্বীতায় ইস্টবেঙ্গল কে পিছিয়ে দিচ্ছে। সেইসঙ্গে কিশোরভারতী স্টেডিয়াম মহমেডানের সঙ্গে ভাগ করতেও হয়ত তারা রাজি নয়। এই জন্যই ফের একবার স্টেডিয়াম নিয়ে ডামাডোল শুরু ইস্টবেঙ্গলের। ইমামি ম্যানেজমেন্ট খরচের কথা চিন্তা করেই কিশোরভারতীতে ম্যাচ সরানোর কথা ঠিক করেছিল। কিন্তু ক্লাব কর্তাদের যুক্তি আবার অন্য।
যুবভারতীর বদলে ইস্টবেঙ্গল খেলবে এবার কিশোরভারতীতে

সৌভিক মহন্ত বদলে গেল ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) হোম গ্রাউন্ড। আইএসএল(ISL) শুরু হতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি রয়েছে। তার আগেই হঠাৎ বদলে গেল লাল-হলুদের হোম গ্রাউন্ড। যুবভারতী স্টেডিয়ামের(Ybk stadium) বদলে ইস্টবেঙ্গল এবারের আইএসএলের প্রতিটি হোম ম্যাচ খেলবে কিশোরভারতী স্টেডিয়ামেই(Kishore Bharati Stadium)। তবে ম্যাচ কিশোরভারতীতে খেললেও, প্রস্তুতি অবশ্য তারা যুবভারতীতেই সারবে। প্রথমে যুবভারতীতে(YBK Stadium) খেলার পরিকল্পনা থাকলেও, পরবর্তীতে আর্থিক খরচের কথা মাথায় রেখে কিশোরভারতীকেই বেছেছিল লাল-হলুদ(Eastbengal) ম্যানেজমেন্ট। তবে এটা নিয়েই ক্লাব কর্তার সঙ্গে খানিকটা মতোবিরোধ দেখা দিয়েছিল। দুই তরফই আলোচনা চালাচ্ছিল। শোনাযাচ্ছে শেষপর্যন্ত নাকি দুই তরফই কিশোর ভারতীতে ম্যাচ হওয়া নিয়ে একই সিদ্ধান্তে এসেছে। এরপরই ইমামি ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের তরফে সরকারের সঙ্গে কথাবার্তা শুরু হয়ে গিয়েছে স্টেডয়াম পাওয়া নিয়ে। অর্থাৎ মোহনবাগানকে যুবভারতীতে খেলতে দেখা গেলেও, ইস্টবেঙ্গল এবার কিশোরভারতীতেই। এবার প্রতিটি ক্লাবের মতো ইস্টবেঙ্গলও কস্ট কাটিংয়ের পথে হাঁটছে। সেই কারণে হামিদ, হিরোশির মতো ফুটবলারদের ছেড়ে দিয়েছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। শুধু তাই নয় তারা নাকি এবার ছয় বিদেশি নয়, পাঁচ বিদেশিতেই মাঠে নামবে। এমন পরিস্থিতিতে প্রথমে যুবভারতীর কথা মাথায় রাখা হলেও, পরবর্তীতে খরচ বাঁচাতেই সেই সিদ্ধান্তও বদলে ফেলা হয়েছে ইমামি ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের তরফে। যুবভারতীতে ম্যাচ আয়োজনের যে খরচ পড়বে, কিশোরভারতীতে তার থেকে অনেকটাই কম খরচে ম্যাচ করতে পারবে ইস্টবেঙ্গল। সেই কারণেই এমন ভাবনা ছিল ইমামি ম্যানেজমেন্টের। ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরই শেষপর্যন্ত কিশোরভারতীতে ম্যাচ সরানোর সিদ্ধান্ত পাকা হয়ে গিয়েছে। ক্লাবের থেকে শেষপর্যন্ত গ্রীন সংকেত পাওয়ার পর ইতিমধ্যেই নাকি সরকারের সঙ্গেও মাঠ পাওয়া নিয়ে কথাবার্তা শুরু হয়ে গিয়েছে। এখন শুধুই আইএসএলের চূড়ান্ত সূচী প্রকাশ হওয়ার অপেক্ষায় সকলে।
গাড়ি বন্দী শাহরুখ, আধঘন্টা অপেক্ষা করেও ফিরে গেলেন

গোটা শহর আক্রান্ত ছিল মেসি(Lionel Messi) জ্বরে। সেইসঙ্গে এক মঞ্চে আবার মেসি ও কিং খান(Shahrukh Khan)। সেই বিরল মুহূর্তের স্বাক্ষী হতে চেয়েছিলেন সকলে। শাহরুখ খান(Shahrukh Khan) এলেনও, কিন্তু মাঠে ঢুকলেন না। বলা যেতে পারে মাঠে ঢুকতে পারলেন না। কী করে নামবেন তিনি, তখন যে যুবভারতী স্টেডিয়াম(YBK Stadium) কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। তাঁর সাদা মার্সিডিজ বেঞ্চ প্রায় আধ ঘন্টা বাইরেই দাঁড়িয়ে রইল। গাড়ির ভেতর শাহরুখ খান এবং তাঁর ছেলে আব্রাহাম। কিন্তু মাঠে প্রবেশ আর হল না। কারণ ততক্ষণে তো মেসিও মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছেন। শাহরুখ(Shahrukh Khan), মেসির(Lionel Messi) যুগলবন্দী দেখার অপেক্ষায় ছিল সকলে। কিন্তু শাহরুখ যখন ঢুকলেন, সেই সময় দেখাযাচ্ছে তারই সামনে দ্য গোট ট্যুরের ব্যানার ছিঁড়ছেন উত্তেজিত সমর্থকরা। সঙ্গে শেম শেম স্লোগানও চলছে। মুহূর্তের মধ্যে শাহরুখের গাড়ি ঘিরে ফেলেন বাউন্সার ও নিরাপত্তা রক্ষীরা। এরপরই তাঁর সহায়ক ছুটে যান স্টেডিয়ামের ভিতর। সেই সময় গাড়িতে ছিলেন স্বয়ং কিং খান এবং তাঁর ছোট ছেলে আব্রাহাম। কিন্তু ভেতর থেকে পরিস্থিতি জেনে আসার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। এই অবস্থায় কোনওরকম ভাবেই নামবেন না শাহরুখ খান। কারণ ততক্ষণে তাদের কাছেও তো খবর পৌঁছে গিয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রীও মাঝরাস্তা থেকে ফিরে গিয়েছেন। তবে কেমনভাবে বাংলার প্রাক্তন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডরকে সেখানে নামানোর সাহস দেখানো হয়। তবুও দাঁড়িয়েছিল তাঁর গাড়ি। শেষপর্যন্ত গাড়ির মুখ ঘুরিয়ে ফিরেই যেতে হল শাহরুখকে। এদিন অবশ্য মেসির সঙ্গে হোটেলে শাহরুখের সাক্ষাত হয়েছিল। কিন্তু সেন্টার অব অ্যাট্রাকশন ছিল যুবভারতীতে মেসি ও শাহরুখের যুগলবন্দী। কিন্তু তা হল না। কিন্তু কেন এমনটা হল। সেই নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। এই ঘটনার পর প্রথমে আটক এবং তারপর বিমান বন্দর থেকে গ্রেফতার হয়েছেন উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। কিন্তু দোষ কী শুধুই তাঁর একার। কারণ এদিন মেসি যখন মাঠে প্রবেশ করেন সেই সময় তাঁর সঙ্গে কার্যত মৌমাছির ঝাঁকের মতো একদল লোকও ছিলেন। কার্যত তদের ভিড়ের জন্যই তো মেসিকে দেখা থেকে বঞ্চিত ছিলেন মেসির পাগল ভক্তরা। সেই ভিড়ে ছিলেন যেমন সেলিব্রিটিরা, তেমনই ছিলেন হেভিওয়েট থেকে রাজ্যের নেতা মন্ত্রীরাও। একইসঙ্গে ছিল সাংবাদিকদেরও একটা অংশের বিরাট ভিড়। প্রশসনের কী খানিকটা গাফিলতি ছিল না? টেনি দুনিয়ারও কয়েকজন অভিনেতা এমন পরিস্থিতি নিয়ে অত্যন্ত হতাশ।
মেসি স্টেডিয়াম ছাড়তেই ধুন্ধুমার যুবভারতীতে, দায় কার!

যে যুবভারতী(YBK Stadium) মেসির বন্দনায় মুখরিত হওয়ার কথা ছিল, সেউ যুবভারতীই এদিন উত্তাল। প্রিয় তারকাকে দেখতে এদিন কানায় কানায় ভরে গিয়েছিল যুবভারতীয় স্টেডিয়াম(Ybk Stadium) গোটা গ্যালারী জুড়ে ছিল শুধুই মেসি মেসি(Lionel Messi) গর্জন। কিন্তু সেই যুবভারতীই হঠাৎ কীভাবে বদলে গেল। মেসি মাঠ ছাড়েতেই স্টেডিয়ামে শুর ধন্ধুমার। গ্যালারী ভাঙচুর থেকে মাঠে চেয়ার, জলের বোতল ছুড়ে মারা। বছর শেষের যুবভারতীর ছবিটা বাংলার সকলকে ব্যথাই দেবে। কিন্তু কেন এমনটা হল। প্রশ্ন ওঠাটাই তো স্বাভাবিক। উঠছেও তাই। নাচ এবং গানের অনুষ্ঠান দিয়ে মেসির(Lionel Messi) কলকাতা সফর শুরু। সময় যত এগোচ্ছিল ততই যেন উত্তেজনার পারদ চড়ছিল মেসি ভক্তদের মধ্যে। অবশেষে ভক্তের ভগবান মাঠে এলেন। গাড়ি থেকে নেমে হেঁটেই ঢুকলেন মাঠে। কিন্তু তাঁকে দেখা গেল কোথায়। মেসি(Lionel Messi) মাঠে প্রবেশ করার সময় তাঁকে ঘিরে যেন মৌমাছির ঝাঁকের মতো অসংখ্য মানুষ তখন মাঠের ভিতরে। আর যারা হাজার হাজার টাকা দিয়ে মেসিকে(Lionel Messi) শুধু একটিবার দেখার জন্য স্টেডিয়ামে এসেছিলেন, তারাই দেখতে পেলেন না তাঁকে। একটু আধটু জায়ান্ট স্কৃণে যা দেখা গেল। মেসিও থাকলেন না বেশিক্ষণ। শিডিউল টাইমের আগেই হঠাৎ মাঠ ছেড়ে বেড়িয়ে যান তিনি। এরপরই যুবভারতীতে শুরু গন্ডোগোল। কারণ একটাই মেসিকে(Lionel Messi) ঠিকভাবে দেখতেই পেলেন না তারা। সেখান থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। মাঠে তবে কেমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। কেমন করেই বা এতজন সাংবাদিকরা সেখানে পৌঁছে গেলেন। মাঠে মেসি। তাঁকে দেখবেন অসংখ্য দর্শকরা। কিন্তু সেই মেসিকেই যেন ঢেকে দিল মাঠে থাকা নানান ব্যক্তিরা। নিরাপত্তা থেকে উদ্যোক্তার মিস ম্যানেজমেন্ট যেমন প্রশ্নের মুখে। তেমনই কিন্তু প্রশাসনের দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। শোনাযাচ্ছে মেসির নাকি মাঠে ঢুকে হুট খোলা গাড়িতে ঘোরার কথা ছিল। তেমনটা হলে হয়ত সকলেই গ্যালারী দেখতে পেতেন তাঁর প্রিয় ফুটবলারকে। কিন্তু মেসিকে দেখা যায় হেঁটেই ঢুকছেন তিনি। সেইসঙ্গে নিরাপত্তারক্ষীদের পাশাপাশি ছিল বহু লোক। সেখানে সাংবাদিক থেকে ছিলেন নানান ব্যক্তিরা। প্রশ্ন উঠতেই পারে এত লোক কিভাবে মেসির আশেপাশে চলে গেল নিরাপত্তার প্রহরা পেড়িয়ে। কারণ মেসি মাঠ ছাড়তেই কার্যত বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল গোটা যুবভারতী স্টেডিয়াম জুড়ে। তা আয়ত্তে আনতেও বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগে প্রশাসনের। শোনাযায় এদিন নিরাপত্তার দায়িত্বে নাকি প্রায় চার হাজার পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানেই প্রশ্ন ওঠে এত পুলিশই যখন ছিল, তবে এতবড় ঘটনাই বা ঘটল কী করে।