বিরাটের মুকুটে নতুন পালক, শূন্য রানে ফিরলেন রোহিত

দেশের জার্সির পর বিজয় হাজারে ট্রফিতেও(Vijay Hazare Trophy) সাফল্যের ধারা অব্যহত বিরাট কোহলির(Virat Kohli)। বিজয় হাজারের দ্বিতীয় ম্যাচেও বিরাটের ব্যাটে বড় রান। ভেঙে দিলেন এবার মাইকেল বিভানের(Michael Bevan) রেকর্ডও। সেঞ্চুরি হয়ত করতে পারেননি। কিন্তু এই মুহূর্তে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে সর্বোচ্চ গড়ের রেকর্ড গড়লেন তিনি। এতদিন এই তালিকায় শীর্ষে ছিলেন অজি তারকা মাইকেন বিভান। এদিন ৭৭ রানের ইনিংস খেলার পর সেই রেকর্ডটাই ভেঙে দিলেন তিনি। সেইসঙ্গে ম্যচের সেরার পুরস্কারও বিরাট কোহলির(Virat Kohli) ঝুলিতেই। গুজরাতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে নেমেছিল টিম দিল্লি। এই ম্যাচেই আবার বিরাট কোহলির(Virat Kohli) সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়েছিলেন ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। দর্শকহীন গ্যালারীতে খেলা হলেও, বিরাচট কোহলি ছিলেন নিজের চেনা মেজাজেই। প্রথম ম্যাচে ১৩১ রানের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি ইনিংস। দ্বিতীয় ম্যাচেও সেই ধারা বজায় রাখলেন। তবে সেঞ্চুরিটা হাতছাড়া হয়েছিল। ৬১ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফিরেছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু ততক্ষণে নতুন রেকর্ড গড়ে ফেলেছিলেন তিনি। বিরাট ৭০ রানের গন্ডী টপকাতেই প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে সর্বোচ্চ গড়ের রেকর্ড গড়ে ফেলেছিলেন। ম্যাচে শুধু ব্যাট হাতে রানই নয়, ফিল্ডিংয়ের সময়ও জোড়া ক্যাচ নিয়েছেন বিরাট কোহলি। আর তাতেই আপ্লুত সকলে। বিরাটের সাফল্যের ধারা অব্যহত চললও, রোহিত শর্মার কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচেই ছন্দপতন। দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র শূন্য রানেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছিল ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ককে।
বিজয় হাজারেতে নেমেই সচিনের রেকর্ড ছুঁলেন বিরাট

দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পর বিজয় হাজারে ট্রফিতেও(Vijay Hazare Trophy) দুরন্ত ছন্দে বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সেঞ্চুরি ইনিংসের সৌজন্যে এবার ছুঁলেন সচিন তেন্ডুলকরের(Sachin Tendulkar) রেকর্ডও। প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে এবার ১৬ হাজার রানের মাইলস্টোন ছুঁলেন এই তারকা ক্রিকেটার। বেঙ্গালুরুতে সেন্টার অব এক্সিলেন্সের মাঠে নেমেছিলেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। সেখানেও স্বমেজাজে তিনি। ১৬ হাজার রনের মাইলস্টোন যেমন ছুঁলেন, তেমনই আবার খেললেন সেঞ্চুরি ইনিংসও। দর্শকহীন গ্যালারীতে খেলতে নেমেছেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। বিজয় হাজারে ট্রুফির প্রথম দিন থেকেই বিধ্বংসী মেজাজে তিনি। সেখানেই সেঞ্চুরি ইনিংস খেলার পাশাপাশি সচিনের রেকর্ডটাও ছুঁয়ে ফেললেন বিরাট(Virat Kohli)। তাঁর আগে প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেটে এই রেকর্ড এখনও পর্যন্ত মাত্র ৯ জনেরই রয়েছে। সেখানেই রয়েছেন গ্রাহাম গুচ, সচিন তেন্ডুলকর, গর্ডন গ্রীনজ, সনথ জয়সূর্যদের মতো তারকা ক্রিকেটাররা। সেই আসনেই এবার বিরাট কোহলিও বসলেন। অন্ধ্রপ্রদেশে বিরুদ্ধে ১০১ বলে ১৩১ রানের বিরাট ইনিংস খেলেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সেইসঙ্গেই ৩৪৩ ম্যাচ খেলে করলেন ১৬ হাজার রান। সম্প্রতি দেশের জার্সিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে নেমেছিলেন বিরাট কোহলি। সেখানে সিরিজে সর্বোচ্চ রানের মালিক ছিলেন তিনি। ১৩৫, ১০২ এবং ৬৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিন ম্যাচের সিরিজে। সেই ধারা ঘরোয়া ক্রিকেটেও বজায় রেখেছেন বিরাট। ২০০৬ সালে রঞ্জি ট্রফি ও এই ফর্ম্যাটের ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল বিরাট কোহলি। তবে সেই ম্যাচে বিজয় হাজারেতে ফিরোজ শাহ কোটলায় ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি তিনি। কিন্তু এরপর থেকে ওডআই ফর্ম্যাটে কখনই খুব একটা খালি হাতে ফেরেননি তিনি। দীর্ঘদিন পর ফের বিজয় হাজারেতেও সেই চিত্রটা বদলালো না। এই মুহূর্তে ওডিআইতে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় সচিন তেন্ডুলকরের ঠিক পিছনেই রয়েছেন বিরাট। ৩০৮টি ওডিআই ম্যাচে বিরাট কোহলির রান রয়েছে ১৪,৫৫৭। সচিনের রেকর্ড বিজয় হাজারেতে নেমেই ছুঁয়ে ফেলেছেন। এবার সচিনের রেকর্ড বিরাট ভাঙতে পারেন কিনা সেটাই দেখার।
দর্শকহীন স্টেডিয়ামে বিজয় হাজারে-তে খেলবেন বিরাট!

দর্শকহীন স্টেডিয়ামে খেলবেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)! বিজয় হাজারে ট্রফিতে(Vijay Hazare Trophy) চিন্নাস্বামীতে নামবে দিল্লি। সেখানেই প্রথম দুই ম্যাচে দল্লির হয়ে মাঠে নামবেন বিরাট কোহলি। কিন্তু মাঠে বসে কোনও সমর্থকই হয়ত দেখতে পাবেন না বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli)। শোনাযাচ্ছে ক্লোজড ডোর ম্যাচ করারই ভাবনা রয়েছে। কর্ণাটক সরকারের কথাতেই নাকি কার্যত ফাঁকা গ্যালারীতে বিজয় হাজারের ম্যাচ খেলতে হবে বিরাট কোহলিদের। বিরাট কোহলি, সেইসঙ্গে আবার রয়েছেন ঋষভ পন্থ(Rishabh Pant)। এই সময়টা আবার ছুটির মরসুম। ২৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু বিজয় হাজারে। পরের দিন ২৫ ডিসেম্বর আবার ছুটি। এমন দুজন হেভিওয়েট তারকা মাঠে থাকা মানে যে সমর্থকদের ভিড় থাকবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেইসঙ্গে উৎসবের সময়। সেখানেই নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এবার ক্লোজড ডোর ম্যাচ করার ভাবনা। সেই কথা নাকি ইতিমধ্যে কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে(KSCA) জানিয়েও দিয়েছে কর্ণাটক সরকার। দীর্ঘদিন পর ফের ঘরোয়া ক্রিকেটের ওডিআই ম্যাচের আসরে নামছেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। কয়েকদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। বিরাটকে নিয়ে এই মুহূর্তে যে উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁকে দেখতেও যে ভিড় উপচে পড়তে পারে সেই সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়। এই সমস্ত কিছু ভেবেই দর্শকশূন্য গ্যালারীতে ম্যাচ করার ভাবনা। যদিও কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এই ম্যাচের জন্য দুটো স্ট্যান্ড খোলার পরিকল্পনা করেছিল। দুই থেকে তিন হাজার মানুষ যাত খেলা দেখতে পারেন সেরকম একটা ভাবনা ছিল। কিন্তু সরকারের নির্দেশে কার্যত সেটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বিজয় হাজারেতে এবার বিরাট কোহলিকে দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন সকলে। সামনেই রয়েছে ওডিআই বিশ্বকাপ। এই প্রতিযোগিতা গুলো যে বিরাটের কাছে নিজেকে প্রস্তুত করার অন্যতম প্রধান বিষয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধুমাত্র বিরাট কোহলি নয়, সেইসঙ্গে খেলবেন ঋষভ পন্থও। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
বিজয় হাজারের প্রাথমিক দলে বিরাট কোহলি

খেলার কথা আগেই জানিয়েছিলেন। সেভাবেই বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli) সম্ভাব্য দলে রেখেই বিজয় হাজারে ট্রফির জন্য দল ঘোষণা দিল্লি। মুল্তাক আলির পরই বিজয় হাজারে ট্রফি(Vijay Hazare Trophy) শুরু হবে। তবে সেই প্রতিযোগিতা নিয়ে এবার হঠাৎ করেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। কারণ দীরেঘদিন বাদে সেখানেই দেখা যেতে চলেছে বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli)। দিল্লি অ্যান্ড ডিস্ট্রিক্ট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন(DDCA) সেই কথাই বৃহস্পতিবার সরকারীভাবে জানিয়ে দিয়েছে। শুধুমাত্র বিরাট কোহলিই(Virat Kohli) নন, তাঁর সঙ্গে দিল্লির হয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলতে দেখা যেতে পারে ঋষভ পন্থকেও। তাঁকে রাখা হয়েছে দিল্লির সম্ভব্য দলে। দীর্ঘদিন পর ফের বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli) ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখার অপেক্ষায় এখন সকলে। শেষবার ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে খেলতে দেখা গিয়েছিল বিরাট কোহলিকে। টি টোয়েন্টি এবং টেস্ট থেকে অবসর নেওয়ার পর এখন শুধুমাত্র ওডিআই ফর্ম্যাটেই খেলছেন বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মা। ২০২৭ সালে রয়েছে ওডিআই বিশ্বকাপ। সেখানে খেলার জন্য নিজেকে ফিট রাখার অন্যতম জায়গা হিসাবে এই বিজয় হাজারে ট্রফিকেই বেছে নিয়েছেন বিরাট কোহলি। বিশেষ করে সামনে ভারতীয় দলের ওডিআই সিরিজ খুব একটা নেই। অর্থাৎ গে টাইমও বেশি পাওয়া যাবে না। এই সমস্ত দিক বিচার করেই এবার বিজয় হাজারে ট্রফিতে নামছেন বিরাট কোহলি। গত ২ ডিসেম্বরই বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলার কথা ডিডিসিএ-কে জানিয়েছিলেন বিরাট। এবার তাঁকে রেখেই প্রাথমিক দলও ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সেই দলে আবার রয়েছেন ঋষভ পন্থও। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে তিনি দলে থাকলেও তিনটি ম্যাচের মধ্যে একটিতেও খেলানো হয়নি পন্থকে। এবার বিজয় হাজারেতে নামতে চলেছেন তিনিও।
বিজয় হাজারে খেলতে রোহিত-বিরাটকে জোর করবে না বোর্ড

রোহিত শর্মা(Rohit Sharma) যে এবার বিজয় হাজরে ট্রফিতে(Vijay Hazare Trophy) খেলবেন সেই কথা কয়েকদিন আগেই জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এরপর থেকেই শোনাযাচ্ছে যে বিজয় হাজারে-তে(Vijay Hazare Trophy) খেলতে নামবেন বিরাট কোহলিও। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই একটা বড় বার্তা বোর্ডের তরফে। বিরাট(Virat Kohli) এবং রোহিতকে(Rohit Sharma) নাকি কোনওরকম জোর করেনি বিসিসিআই(BCCI)। বিজয় হাজারে ট্রফি খেলা নাকি একেবারেই এই দুই ক্রিকেটারের নিজস্ব ইচ্ছা। বোর্ডের(BCCI) এমন কথা বলার পর থেকেই বাড়তে শুরু করেছে জল্পনা। যেখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না থাকলে বোর্ডই ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার নির্দেশ দিয়েছিল। সেখানেই এবার বোর্ড বলছে বিরাট(Virat Kohli) এবং রোহিতকে(Rohit Sharma) বিজয় হাজারে খেলার জন্য নাকি কোনওরকম বিশেষ নির্দেশই দেয়নি বিসিসিআই। হঠাৎ বিসিসিআই এমন কথা কেন বলছেন তা নিয়েই ক্রিকেট মহলে জল্পনা এখন তুঙ্গে। রোহিত শর্মাতো অবশ্য সৈয়দ মুস্তাক আলির নক আউট পর্বে খেলার কথাও নাকি তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে বলেছিলেন। কিন্তু বিসিসিআইয়ের এমন আচরণ অনেকের মনের মধ্যেই নানান প্রশ্ন তুলছেন। বিশেষ করে যে প্রশ্ন উঠছে তা হল, নির্বাচকরা সত্যিই চাইছেন না তারা ওডিআই বিশ্বকাপ খেলুক। এই নিয়েই এখন নানান জল্পনা চলছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। তবে এই দুই ক্রিকেটার দেশের জার্সিতে ফিরেই নিজেদের সেরা পারফরম্যান্সটা দেখিয়ে দিয়েছেন। বিরাট কোহলি সর্বোচ্চ রান করে সিরিজের সেরা হয়েছেন। ব্যাটে বড় রান এসেছে খোদ রোহিত শর্মারও। এবার তারাই বলছেন খেলবেন বিজয় হাজারে ট্রফি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
বিরাটদের শতরানের দিনে বিশ্রী বোলিংয়েই হার ভারতের

বিশ্রী বোলিং। বড় রান করেও ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জিততে পারল না ভারত। রায়পুরে ৪ উইকেটে হারল টিম ইন্ডিয়া। এমন হারের পর গম্ভীরের দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক। বারবার দাবী উঠলেও হর্ষিত রানার সুযোগ থেকে প্রসিধ কৃষ্ণাকে খেলিয়ে যাওয়া। সবকিছুতেই গম্ভীরের ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠতেই পারে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিরাট(Virat Kohli), রুতুরাজরা(Ruturaj Gaekwad) দুরন্ত ইনিংস খেললেও, বোলারদের ব্যর্থতাতে সব শেষ। টস জিতে ভারতকে এদিন প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিয়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা। রোহিত ফেরেন ১৪ রানে। যশস্বীও করেন ২২রান। কিন্তু এদিনও গত ম্যাচের মতো দুরন্ত ফর্মে ছিলেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সঙ্গে যোগ্য সঙ্গত রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের(Ruturaj Gaekwad)। কার্যত তাদের হাত ধরেই এদিন প্রোটিয় বোলারদের বিরুদ্ধে সময় যত এগোয় ততই যেন চাপ বাড়াতে শুরু করে ভারতীয় দল। বিরাট কোহলি(Virat Kohli) এবং রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের ১৮৮ রানের পার্টনারশিপ। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন বিরাট কোহলি। সঙ্গে রুতুরাজের ব্যাট থেকেও ছিল বড় শটের ঝলক। ৮৩ বলে ১০৫ রানের ইনিংস খেলে থামেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফের সেঞ্চুরি করেন বিরাট কোহলি। অবশ্য তিনি ফেরেন ৯৩ বলে ১০২ রানে। বিরাট কোহলি যখন ফেরেন সেই সময় ভারতের রান ৪ উইকেটে ২৮৪। বাকিটা কেএল রাহুল এবং রবীন্দ্র জাদেজার হাত ধরে ভারত পৌঁছয় ৩৫৮ রানে। জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকাও শুরুটা বেশ ভালোভাবেই করেছিল। মার্করামের(Aiden Markram) ক্যাচ মিসটাই বোধহয় ম্যাচের ভবিষ্য বদলে দিয়েছিল। সেইসঙ্গে ভারতীয় বোলারদের খারাপ বোলিং। ১০ ওভারে হর্ষিত রানা(Harshit Rana) দিয়েছেন একাই ৭০ রান। উইকেট তুলতে পেরেছেন মাত্র একটা। তার থেকেও খারাপ বোলিং প্রসিধ কৃষ্ণার(Prasidh Krishna)। তিনি ২টো উইকেট তুলেছেন ঠিকই, কিন্তু রান দিয়েছেন ৮.২ ওভারে ৮৫। আর এডেন মার্করাম এদিন যেন ভারতীয় বোলারদের সামনে ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। ১১০ রানের ইনিংস খেলে রানার বলে মার্করাম যখন ফেরেন সেই সময় দক্ষিণ আফ্রিকার রান ১৯৭। সুযোগ ছিল ভারতীয় বোলারদের সামনে। কিন্তু বিশ্রী বোলিং পারফরম্যান্সে কোনওরকম চাপই তারা তৈরি করতে পারেননি। কুলদীপও ১০ ওভারে ৭০ রান দিয়েছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ৬ উইকেট তারা তুলতে পেরেছিল ঠিকই, কিন্তু ততক্ষণে ভারতের হাত থেকে ম্যাচ বেড়িয়ে গিয়েছিল।
বিরাট সেঞ্চুরিতে সচিনের আরও কাছে পৌঁছলেন কোহলি

রাঁচির পর এবার রায়পুর। বিরাট কোহলির(Virat Kohli) দুরন্ত পারফরম্যান্সের ধারা অব্যহত। সেইসঙ্গেই গড়লেন এক নতুন রেকর্ড। কেরিয়ারের ৮৪তম সেঞ্চুরি করার পাশাপাশি, ১১ তমবার পরপর দু ম্যাচে সেঞ্চুরি করার রেকর্ডটাও গড়ে ফেললেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওডিআই ম্যাচে ১০২ রানের দুর্ধর্ষ সেঞ্চুরি ইনিংস খেললেন বিরাট কোহলি। সেখানেই বিরাটের(Virat Kohli) গোটা ইনিংসটি সাজানো রয়েছে ৭টি চার এবং ২টো ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। ২০১৬-১৮ সালের পরপর ম্যাচে সেঞ্চুরি করাটা বিরাটের কাছে ছিল অভ্যাসের মতো। মাঝে অবশ্য খানিকটা খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু চলতি বছরে ফের ফর্মে বিরাট কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৯৩ বলে ১০২ রানের ইনিংস খেললেন তিনি। প্রায় একমাস পর ভারতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নেমেছে। সেইসঙ্গে অনেকেই বলেছিলেন যে আগামী ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পেতে এই সিরিজটা নাকি বিরাট কোহলিদের(Virat Kohli) কাছে বড় পরীক্ষা। সেইসঙ্গে গৌতম গম্ভীরকে(Gautam Gambhir) জবাব দেওয়ার মঞ্চও এটা ছিল। সেখানেই কার্যত ফুল মার্কস পেয়ে পাশ করে গেলেন বিরাট কোহলি। তাঁর সেঞ্চুরি ইনিংসের সামনে ফের একবার মাথা নত করতে বাধ্য হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বোলাররা। বিরাট কোহলি(Virat Kohli) যে সময় মাঠে আসেন ভারতীয় দলে বেশ চাপে ছিল। এরপরই যশস্বী(Yashasvi Jaiswal) ফিরে যাওয়ায় দুই উইকেট হারিয়ে ভারতীয় দল বেশ চিন্তাতেই পড়ে গিয়েছিল। সেখান থেকেই ফের ভারতীয় দলের হাল ধরেন বিরাট কোহলি। সঙ্গে রিতিরাজ গায়কোয়াড় অবশ্যই ছিলেন। তবে বিরাট কোহলি(Virat Kohli) এদিনও ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। সচিন তেন্ডুলকরের(Sachin Tendulkar) সেঞ্চুরির রেকর্ড ভাঙার থেকে এই মুহূর্তে খুব একটা দূরে নেই বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সেখানেই এদিন যেন আরও একধাপ এগোলেন ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। কেরিয়ারের ৮৪ তম সেঞ্চুরিটা করে ফেললেন। সচিনের রেকর্ড ছুঁতে এখন আর মাত্র ১৬টি সেঞ্চুরি দূরে রয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সর্বোচ্চ ভেন্যুতে ৩৪টি সেঞ্চুরিও করার রেকর্ড গড়েছেন বিরাট। সেখানেও সচিনের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেললেন তিনি।
ওডিআই ব্যাটারদের তালিকায় গিলকে টপকে গেলেন কোহলি

রাঁচির পর এবার রায়পুর। সেখানেও দুরন্ত ফর্মে বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সেইসঙ্গেই টপকে গেলেন শুভমন গিলকেও(Shubman Gill)। আইসিসি ওডিআই ব্যাটারদের তালিকায় শুভমন গিলকে(Shubman Gill) সরিয়ে চার নম্বর পজিশনে উঠে এলেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। রায়পুরে ওডিআই(ODI) চলাকালীনই বিরাট কোহলির র্যাঙ্কিংয়ে এই উন্নতি। যদিও রোহিত শর্মার থেকে এখনও বেশ খানিকটা পিছিয়েই রয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক। তবে গিলকে সরিয়ে সেই জায়গাটা দখল করে নিলেন তিনি। প্রায় এক মাস পর রাঁচিতেই ভারতীয় দলের জার্সিতে ফিরেছেন বিরাট কোহলি। প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি ইনিংস খেলা হয়ে গিয়েছে তাঁর। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচেও বিরাটের ব্যাট থেকে সেই একই ধারা অব্যহত। আর তাতেই বিরাট কোহলির(Virat Kohli) হাতে নতুন পুরস্কার। আইসিসির ওডিআই ব্যাটারদের তালিকায় বিরাট কোহলি উঠে এলেন এবার চার নম্বর পজিশনে। এতদিন সেই জায়গায় ছিলেন শুভমন গিল। সেখানেই তাঁর পয়েন্ট ছিল ৭৩৮। রাঁচিতে সেঞ্চুরি করার পরই বিরাট কোহলির পয়েন্ট এখন ৭৫১। আর তাতই ওডিআই ব্যাটারদের তালিকায় চার নম্বরে চলে এলেন বিরাট কোহলি। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বিরাট। সেই পারফরম্যান্সের জোরেই এবার টপকে গেলেন ভারতীয় ওডিআই দলের অধিনায়ককেও। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায়। এই মুহূর্তে ওডিআই ব্যাটারদের তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছেন রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলির থেকে ৩২ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছেন রোহিত শর্মা।
দ্বিতীয় ওডিআইয়ের আগে নির্বাচকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় কোহলি

রায়পুরে দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বরুদ্ধে দ্বিতীয় ওডিআই ম্যাচে নামবে ভারতীয় দল(India Team)। সেখানেই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। কিন্তু তার আগেই একটা ছবি ঘিরে এই মুহূর্তে তুমুল আলোচনা নেটপাড়ায়। রায়পুরে দলের সকলে যখন টিম হোটেলে প্রবেশ করছেন, সেই সময় নির্বাচকের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় দেখা গেল বিরাট কোহলিকে(Virat Kohli)। তবে কী আসন্ন ২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপের মঞ্চে তারা খেলবেন কিনা সেই নিয়েই আলোচনা হচ্ছিল। তা নিয়েই ভারতীয় ক্রিকেট মহলেও জল্পনা তুঙ্গে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ওডিআই ম্যাচেই দুরন্ত ফর্মে ছিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। ভারতের জয়ের পিছনে অন্যতম প্রধান কারিগড় যে তিনিই ছিলেন তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। দেশের জার্সিতে ফিরেই ১৩৫ রানের দুরন্ত সেঞ্চুরি ইনিংস খেলেছিলেন বিরাট(Virat Kohli)। একইসঙ্গে ৫৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন রোহিত শর্মা। আর সেই পারফরম্যান্সের পর থেকেই আগামী ওডিআই বিশ্বকাপে তাদের খেলানো নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। প্রাক্তন থেকে বিশেষজ্ঞরা তাদের খেলানোর দাবী নিয়ে সরব হয়ছেন। রাঁচিতে বিরাট ও রোহিতের খেলার ওপর বিশেষ নজর রাখতেই উপস্থিত ছিলেন খোদ প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরও। এবার রায়পুরে দেখা গেল নির্বাচকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করছেন খোদ বিরাট কোহলি। না অজিত আগরকর নন। বরং নির্বাচক কমিটির অন্যতম সদস্য প্রজ্ঞান ওঝার সঙ্গেই জোর আলোচনা সারছেন বিরাট কোহলি। আর সেটা যে একেবারেই শুধু সৌজন্য সাক্ষাত আলোচনা নয়, তাও বেশ স্পষ্ট ছিল। প্রজ্ঞান ওঝার সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সিরিয়াস আলোচনাতেই দেখা গেল বিরাট কোহলিকে। তবে কী আগামী ওডিআই বিশ্বকাপ নিয়েই তাদের মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছিল। সেই নিয়েই এখন গুঞ্জন জোরদার।
বোর্ডের তলব আগরকর, গম্ভীরকে

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওডিআই ম্যাচে নামার আগে হঠাৎই প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর(Gautam Gambhir) এবং প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরকে(Ajit Agarkar) ডেকে পাঠালো বিসিসিআই(BCCI)। শোনাযাচ্ছে আগামী ওডিআই বিশ্বকাপ এবং সেখানে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির(Virat Kohli) ভবিষ্যৎ নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের কী পরিকল্পনা রয়েছে তা নিয়েই নাকি আলোচনা হবে। বিশেষ করে রোহিত এবং কোহলির পারফরম্যান্স দেখার পর থেকেই এমন আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে প্রথম ওডিআই ম্যাচেই বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন ভারতীয় দলের তারকা বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। ওডিআই কেরিয়ারের ৫২ তম সেঞ্চুরিটা পেয়েছেন রাঁচিতেই। একইসঙ্গে ৫১ বলে ৫৭ রানের দুরন্ত অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেছেন রোহিত শর্মাও(Rohit Sharma)। এরপর থেকেই তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রাক্তন থেকে বিশেষজ্ঞরা। এরপরই যেন খানিকটা নড়ে চড়ে বসেছে বিসিসিআই। বেশ কয়েকদিন ধরেই বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার আসন্ন ওডিআই বিশ্বকাপ খেলা ঘিরে একটা জল্পনা চলছে। বিশেষ করে তাদের টেস্ট থেকে অবসরের পর আদৌ গৌতম গম্ভীরের পরিকল্পনায় তারা রয়ছেন কিনা। এরই মাঝে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে নেমেছে ভারত। সেখানেই ওডিআই সিরিজে খেলছে তারা। শোনাযাচ্ছিল এই সিরিজের ওপর নাকি রোহিত এবং বিরাটের ওডিআই বিশ্বকাপ খেলার ভবিষ্যৎও অনেকটা নির্ভর করছে। সেখানে প্রথম ম্যাচে নেমেই সেঞ্চুরি ইনিংস বিরাটের। অর্ধশতরানের ইনিংস রোহিত শর্মার। এরপরই বোর্ডের তলব বোর্ডের নির্বাচক থেকে ভারতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্বীরকে। যদিও সেখানে আরও অনেক বিষয় নিয়েই হবে আলোচনা। তবে মনে করা হচ্ছে যে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলিই সেখানে প্রধান আলোচনার বিষয়। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।