তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের পর আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার এক তৃণমূলের নেতা

হরিহরপাড়া থানার সোলুয়া আকুন্দো বেড়িয়া এলাকায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার কয়েক দিন পর অবশেষে আগ্নেয়াস্ত্র সহ গ্রেফতার করা হলো তৃণমূল নেতা কাইয়ুম আলী শেখকে। জানা গেছে, গত ২২ জুলাই কাইয়ুম শেখের বাড়িতে হঠাৎ বিকট শব্দে বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের জেরে তার বাথরুম ঘরের একাংশ ভেঙে পড়ে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিলেন ওই তৃণমূল নেতা। পুলিশ তদন্তে নেমে খুঁজছিল তার হদিস। অবশেষে বুধবার বিকেলে হরিহরপাড়া থানার ডলটনপুর আইটিআই কলেজ সংলগ্ন এলাকায় সন্দেহজনকভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় কাইয়ুম শেখকে। তার হাতে ছিল একটি লাইলনের ব্যাগ। তৎক্ষণাৎ পুলিশ তাকে আটক করে তল্লাশি চালায়। ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি। পুলিশ সূত্রে খবর, আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগে কাইয়ুম আলী শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে বহরমপুর জেলা আদালতে পেশ করে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়েছে।
তৃণমূল বুথ সভাপতি খুনে গ্রেফতার ৩

রেজিনগরে তৃণমূলের বুথ সভাপতি খুনের ঘটনায় অবশেষে গ্রেপ্তার তিন তৃণমূল কর্মী। এক সপ্তাহ পর আজ বুধবার ভোরবেলায় নদীয়ার নাকাশিপাড়া থানার যুগপুর থেকে তিন জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে রেজিনগর থানার পুলিশ।অভিযুক্তদের নাম আমিত সরকার (২৬) বিজন সরকার (৩৯) ও পাপু সরকার (২২)। ধৃতদের মধ্যে বিজন আর পাপু দুই ভাই। সকলের বাড়ি রেজিনগর থানার আন্দুলবেড়িয়া উত্তর কলোনী এলাকায়। এই তিন জনকে বুধবার ১০ দিন পুলিশ হেফাজতের আবেদন চেয়ে বহরমপুরে জজ আদালতে পাঠায় পুলিশ। বাকি তিনজন এখনও অধরা। গত ২১ জুলাই রাতে রেজিনগর থানার আন্দুলবেড়িয়া উত্তর কলোনীর তৃণমূলের বুথ সভাপতি পতিত পালকে একদল দুষ্কৃতি ধারালো অস্ত্র দিয়ে বেধরক মারধর করে, তারপর মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪ দিন পরে মৃত্যু হয়। তার পরিপেক্ষিতে ৬ জনের নামে রেজিনগর থানায় এফআইআর হয়।