“শহর ছেড়ে পালিয়েছেন মাননীয়া, কিন্তু চেয়ারটা তো রয়ে গেছে।” বুধবার ঠিক এভাবেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর তারপর থেকেই কার্যত তোলপাড় শুরু হয়ে যায় বঙ্গ রাজনীতিতে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে ঠিক কাকে ইঙ্গিত করলেন তিনি? তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?
আসলে ৯ আগস্ট অভয়া কাণ্ডের এক বছর বর্ষপূর্তিতে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন অভয়ার বাবা-মা এবং তার পরিবার। ইতিমধ্যেই এই অভিযান নিয়ে অটোসাটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা করে রাখতে বলা হয়েছে রাজ্যের তরফে। যদিও বুধবারই ‘জনজীবন ব্যাহত হতে পারে’ এই দাবি জানিয়ে অরাজনৈতিক অভিযানের বিরোধিতা করে হাওড়ার এক ব্যক্তি ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছেন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সে মামলার শুনানি হতে পারে ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি সুজয় পালের এজলাসে। রাজ্যের স্বাস্থ্য এবং পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ন্যায় বিচারের দাবি জানাতে এই অভিযানের ডাক দিয়েছেন অভয়ার পরিবার। তবে সরকারি কর্মসূচিতে আপাতত ঝাড়গ্রামে আছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীর মতে ৯ আগস্টকে ভয় পেয়ে কলকাতার বাইরে চলে গিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। আর তা নিয়ে কটাক্ষ করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা নিজের সোশ্যাল মিডিয়া এক্স-হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “ডাক্তার বোনের উপর শারীরিক অত্যাচার এবং তাঁর মৃত্যুর জন্য প্রধান দায়ী, অভয়ার মা-বাবাকে এত ভয় পেয়েছেন যে, নিজে ভয়ে ঝাড়গ্রাম পালিয়েছেন, আর গোটা রাজ্যের পুলিশকে হাওড়ার নীল বাড়ি রক্ষা করতে পথে নামাচ্ছেন”
এমনকী বিরোধী দলনেতার মতে, অভয়ার বাবা-মা ও তাঁর পরিবারকে ভয় পেয়েই আগেভাগে কলকাতা ছেড়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারী তার সোশ্যাল মিডিয়ায় আরও লেখেন,
“ভয়ে আগেভাগেই ঝাড়গ্রামে প্রশাসনিক কর্মসূচির অজুহাতে একেবারে শহর ছেড়ে পালিয়েছেন মাননীয়া! কিন্তু চেয়ারটা তো রয়ে গেছে হাওড়ার নীল বাড়ির চৌদ্দ তলায়, সেটা না কেউ টলিয়ে দেয় ওনার অবর্তমানে।”







