বোলিং শুরু বুমরাহ, ওয়াশিংটনের

আগামী বুধবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে নামবে ভারত। তার আগেই ভারতীয় দলের হয়ে প্রস্তুতিতে নেমে পড়লেন জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে অসুস্থতার জন্য খেলতে পারেননি তিনি। যদিও সেই ম্যাচে ভারতের জিততে খুব একটা অসুবিধা হয়নি। কিন্তু বুমরাহ কবে থেকে ফিরবেন সেটা নিয়েই ছিল জোর জল্পনা। অবশেষে ভারতের ব্যাটিং কোচ সেই নিয়েই দিলেন বিরাট আপডেট প্রস্তুতির ফাঁকেই ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচ জানান, “ওয়াশিংটন দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন, তিনি বোলিংও করবেন। একইসঙ্গে শেষ দশদিন অনুশীলন না করলেও এদিন থেকে বোলিং সুরু করবেন জসপ্রীত বুমরাহ”। চোটের কারনে ওয়াশিংটনও ছিলেন না। শুধুমাত্র সুস্থতাই নয়, তাঁরা বোলিং শুরু করাটা যে ভারতীয় দলের কাছে বিরাট পাওয়া তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একইসঙ্গে জসপ্রীত বুমরার বোলিংয়ে ফেরাটাও ভারতীয় দলের কাছে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে। তবে অভিষেক শর্মা নিয়ে খানিকটা চিন্তা রয়েছে। তাঁর পেটের সমস্যা হওয়ার কারণে এদিনের প্রস্তুতিতে যোগ দেননি তিনি। অন্যদিকে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামার আগে ফিল্ডিংয়ে হাই ক্যাচ নেওয়ার ওপরই জোর দিচ্ছে ভারতীয় দল।
যুবভারতীতেই ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ, জানিয়ে দিলেন দেবব্রত সরকার

কিশোরভারতীতে(Kishore Bharati Stadium) নয়, আইএসএলে যুবভারতী স্টেডিয়ামেই(Yuvabharati Stadium) খেলতে পারবে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। দেবব্রত সরকারের(Debabrata Sarkar) আবেদনে সাড়া দিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে যুবভারতীতে বিনামূল্যে খেলার ছাড়পত্র দিয়ে দিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মোহনবাগানের পাশাপাশি এবার ইস্টবেঙ্গলকেও দেখা যাবে যুবভারতীর ময়দানে। মঙ্গলবারই সাফ সেই কথা ঘোষণা করে দিলেন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার(Debrata Sarkar)। সেইসঙ্গে কোম্পানিকেও প্রচ্ছন্ন একটা বার্তা দিয়ে রাখলেন তিনি। কোম্পানি কিশোরভারতীতেই খেলবে। ক্লাব কর্তাদের তরফে বারবার আপত্তি করা সত্ত্বেও কার্যত জোর করেই কিশোরভারতীয় স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ নিয়ে চলে গিয়েছিল কোম্পানি। এটা যে ক্লাবকর্তারা মেনে নিতে পারেননি তা বেশ কয়েকদিন আগেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবার তো কোম্পানির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর সরণাপন্ন হলেন দেবব্রত সরকার। তাঁর আবেদনে সাড়াও দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেইসঙ্গে কোম্পানি বনাম ক্লাব দ্বন্দ্বটাও যে এবার আরও প্রকাশ্যে চলে এল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কোম্পানিকে তো ইঙ্গিতে একটা চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দিলেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা। এদিন দেবব্রত সরকার জানান, সমস্ত ক্রীড়াপ্রেমী মানুষদের উদ্দেশ্যে একটা সুখবর রয়েছে। আমরা এই সঙ্কট থেকে বেড়নোর জন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছিলাম। মুখ্যমন্ত্রী আমাদের সঙ্কট থেকে মুক্ত করেছেন। যুবভারতী স্টেডিয়াম আমরা বিনা খরচে পেতে পারব এবং ম্যাচ করতে পারব। যারা অধীর অপেক্ষায় বসেছিলেন যে ম্যাচ দেখব, তাদের কাছে সত্যিই এটা একটা সুখবর। আমরা তাদের কাছে অনুরোধ করি দলে দলে এসে ক্লাবকে, দলকে সমর্থণ ও উজ্জীবিত করুন। পাশাপাশি আমরা কোম্পানিকেও এই অনুরোধ রেখেছি যাতে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর যে পদক্ষেপ, তাকে সম্মান জানিয়ে আগামীদিনে যেন যুবভারতীতেই ম্যাচ হয়। মোহনবাগানের ম্যাচ যুবভারতীতে আর ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ কিশোরভারতীতে, এটা যেকোনও ইস্টবেঙ্গল সমর্থক থেকে সদস্যদের কাছেই যে কতটা অপমানের তা বারবারই বুঝিয়ে এসেছেন ক্লাব কর্তারা। সেইসঙ্গে কোম্পানিকেও অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় ছিল কোম্পানি। শেষপর্যন্ত তাদের সিদ্ধান্ত বদল করতে কার্যত বাধ্যই করলেন ক্লাব কর্তারা।
টি-২০ বিশ্বকাপেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের নো হ্যান্ডশেক পলিসি

সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত বনাম পাকিস্তান(INDvPAK) ম্যাচ হলেও, নো হ্যান্ডশেক(No handshake) সিদ্ধান্ত বদল করছে না ভারত। পাকিস্তানের এই ম্যাচ খেলার তিনটি শর্তের মধ্যে অন্যতম একটি শর্ত ছিল দুই দলের ক্রিকেটারদের মধ্যে হ্যান্ডশেক। শোনাযাচ্ছে সেই শর্তকে নাকি সেভাবে আমলই দেয়নি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা(ICC)। পাকিস্তানের সেই শর্ত মানা হয়নি। অর্থাৎ এই বিশ্বকাপের মঞ্চেও ভারতের নো হ্যান্ডশেক সিদ্ধান্ত চলবেই। পহেলগাম ঘটনার প্রতিবাদেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নো কনট্যাক্টসের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা(Indian Cricketers)। সেই নিয়ে পাকিস্তান নানান কথাবার্তা বললেও, ভারতও নিজেদের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছিল। পাকিস্তান সৌহার্দ্যের কথা বললেও, ভারতের সাফ জবাব ছিল টসের সময় বা ম্যাচ শেষ হওয়ার পর হ্যান্ডশেকের কোনওরকম নিয়ম ক্রিকেটের রুলবুকে নেই। সেই কারণেই এটা সম্পূর্ণ নিজেদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। এবারও টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার আগে দীর্ঘ নাটক শুরু করেছিল পাকিস্তান। যদিও শেষপর্যন্ত তারা কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। কিন্তু ভারত তাদের সিদ্ধান্ত বদলাবে না। অর্থাৎ কোনওরকম হ্যান্ডশেক দুই দলের মধ্যে হবে না। সেই সিদ্ধান্ত ভারতীয় ক্রিকেটাররা থেকে বোর্ড একেবারে অটল। শুধুমাত্র ভারতের সিনিয়র দলই নয়, মহিলাদের দল থেকে সদ্য শেষ হওয়া অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নো হ্যান্ডশেকের রাস্তাতেই হেঁটেছিল ভারত। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বজায় থাকবে সেই ধারা।
ভারত-পাক দ্বৈরথের আগে সৌরভের সাবধানবানী পাকিস্তানকে

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) মঞ্চে মুখোমুখি দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী(INDvPAK)। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই পাকিস্তানকে খানিকটা সাবধানও করলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়(Sourav Ganguly)। তাঁর সাফ বক্তব্য, ভারতকে হারাতে হলে পাকিস্তানকে ভারতের থেকে অনেক বেশি ভালো খেলতে হবে। সাম্প্রতিক অতীতের উদাহরণ দিয়েও সৌরভ(Sourav Ganguly) উপমা দিয়েছেন। তাঁর মতে পাকিস্তান অতীতে একেবারেই ভারতের বিরুদ্ধে সেভাবে দাঁড়াতে পারেনি। এই বিশ্বকাপে ভারত অন্যতম শক্তিশালী দল। তাই তাদেরকে হারানোর স্বপ্ন দেখলে, সেভাবেই তৈরি হতে হবে পাকিস্তানকে। সেইসঙ্গে জটিলতা কাটিয়ে এই ম্যাচ হওয়া নিয়েও খুশি সৌরভ। বাংলাদেশকে আইসিসি(ICC) সরিয়ে দেওয়ার পর থেকেই পাকিস্তানের ভারতের বিরুদ্ধে খেলা ঘিরে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। কার্যত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। অবশেষে আইসিসির সঙ্গে বৈঠকের পরই সমস্ত জট কেটে গিয়েছে। এমনকি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এও নাকি জানানো হয়েছে যে বাংলাদেশের অনুরোধেই নাকি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল পাকিস্তান। যদিও শেষপর্যন্ত কলম্বোতে খেলতে নামবে তারা। এরপরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সতর্কবানী সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের(Sourav Ganguly)। তিনি জানান, “অতীতে কয়েক বছরে সেভাবে ভারতের বিরুদ্ধে শক্তিশালী পারফরম্যান্স দেখাতে পারেনি পাকিস্তান। আশা করছি পাকিস্তান হয়ত ভালো খেলবে। কারণ ভারতের বিরুদ্ধে ভালো খেলা ছাড়া উপায় নেই। ভারত অত্যন্ত শক্তিশালী দল”। আইসিসির সূচী অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে কলম্বোতে নামবে পাকিস্তান। বিশ্বকাপের পরিসংখ্যান এখনও পর্যন্ত ভারতের পক্ষেই রয়েছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার।
ভারত-পাক ম্যাচ হওয়ায় উচ্ছ্বসিত রাজীব শুক্লার ধন্যবাদ আইসিসিকে

আইসিসির প্রচেষ্টায় শেষপর্যন্ত জট কেটেছে। সূচী অনুযায়ী আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতেই হচ্ছে ভারত বনাম পাকিস্তান হাই ভোল্টেজ ম্যাচ। আইসিসির সাফল্যে উচ্ছ্বসিত বোর্ডের সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা(Rajeev Shukla)। একইসঙ্গে আইসিসির(ICC) চেয়ারম্যান জয় শাহকেও(Jay Shah) ধন্যবাদ জানালেন তিনি। ভারত বনাম পাকিস্তান(INDvPAK) ম্যাচ হওয়ার খবর ঘোষণা হতেই, এই পরিস্থিতিকে ফের একটা জয়ের সঙ্গেও তুলনা করতে দ্বিধা করলেন না রাদীব শুক্লা। আইসিসি, পিসিবি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের দীর্ঘ আলাপচারিতাতেই ফলাফল বেড়িয়ে এসেছিল। এরপরই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পিসিবে খেলার নির্দেশ দিতেই শুরু হয়ে গেল তোরজোড়। আইসিসির(ICC) এই সাফল্যে আপ্লুত বোর্ডের সহ সচিব রাজীব শুক্লা(Rajeev Shukla)। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অনুভূতি নিয়ে সকলেই অত্যন্ত ভাবিত ছিল। তাদেরকেও কিছু রিলিফ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় আইসিসির সিদ্ধান্তকে তারাও নাকি সাধুবাদ জানিয়েছেন। এই পরিস্থিতিটা সকলের জন্যই যেন একটা জয়ের পরিস্থিতির সমান। আমিও অত্যন্ত খুশি যে শেষপর্যন্ত খেলাটা হচ্ছে। আর যেটা প্রধান বিষয় সেটা হল খেলাটা হওয়া। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটটা হওয়া। সেটাই হচ্ছে। এই বৈঠকের আগে নানান কথাবার্তাই শোনাযাচ্ছিল। বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে পাকিস্তান নাকি ভারতের বিরুদ্ধে খেলার জন্য আইসিসির কাছে তিনটি প্রধান শর্ত রেখেছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। যদিও শেষপর্যন্ত সেইসব শর্ত কতটা মানা হয়েছে তা নিয়ে কিছু শোনা যায়নি। তবে পাকিস্তান ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে নামার জন্য প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে তা স্পষ্ট। পারদ চড়তে শুরু করে দিয়েছে বেশ কয়েকদিন ধরেই। এবার শুধুই বাইশগজে বল গড়ানোর অপেক্ষা।
ইস্টবেঙ্গলের নতুন ড্যানিশ স্ট্রাইকার অ্যানতন সোজবার্গ

আইএসএল শুরু হওয়ার ঠিক চার দিন আগে ষষ্ঠ বিদেশি নিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। নানান নাম ঘোরাফেরা করলেও এবার ড্যানিশ স্ট্রাইকারকেই সই করিয়ে ফেলল লাল-হলুদ শিবির। আমেরিকার ইউসিএল চ্যাম্পিয়নশিপে খেলা অ্যানতন সোজবার্গকে(Anton Sojberg) এই মরসুমের জন্য সই করালো ইস্টবেঙ্গল। শোনাযাচ্ছে সই পর্ব ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এমনকি তাঁর ভিসারও আবেদন হয়ে গিয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে কয়েকদিনের মধ্যেই শহরে চলে আসবেন অ্যানতন সোজবার্গ। ২৫ বর্ষীয় এই তরুণ ফুটবলার সেন্টার ফরোয়ার্ডের পজিশনে খেলেন। শেষ খেলেছেন আমেরিকার মনটেরে বে এফসিতে। সেখানে ২৬ ম্যাচ খেলে পাঁচটি গোলও রয়েছে তাঁর। এছাড়া সিনিয়র কেরিয়ারে তিনি এখনও পর্যন্ত খেলেছেন ৯৬টি ম্যাচে। সেখানেই সোজবার্গের ঝুলিতে রয়েছে ১৯টি গোল। এবার এই ড্যানিশ ফুটবলারকেই নিজেদের দলে সই করিয়ে নিল ইস্টবেঙ্গল। ইউসুফের পাশে বিদেশি স্ট্রাইকার হিসাবে দেখা যাবে এই ড্যানিশ তরুণকেও। বেশ কয়েকদিন আগেই ইউসুফকে সই করিয়ে ফেলেছিল ইস্টবেঙ্গল। সেই সময় অবশ্য শোনা গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল নাকি ষষ্ঠ বিদেশি নেবে না। যদিও সেই সিদ্ধান্তে নানা মহলে নানান সমালোচনাও শুরু হয়েছিল। এরপরই যেন তড়িঘড়ি ষষ্ঠ বিদেশি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল। ইউসুফের পাশাপাশি এবার এই ড্যানিশ এই তরুণকে দেখা যাবে ইস্টবেঙ্গলের নতুন স্ট্রাইকার হিসাবে। মাঠে নেমে এই দুজন কেমন পারফরম্যান্স করেন সেটাই এখন দেখার।
অনভিজ্ঞ পেস লাইনআপ হলেও আত্মবিশ্বাসী মিচেল মার্শ

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) আগামী ১১ মার্চ আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে যাত্রা শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। এই প্রথমবার অস্ট্রেলিয়া(Australia) বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের সেরা তিন পেসারকে ছাড়া নামছে। প্যাট কামিন্স(Pat Cummins), জশ হেজেলউড(Josh Hazlewood) এবং মিচেল স্টার্ক(Mitchell Starc) নেই। স্বভাবতই অস্ট্রেলিয়ার(Australia) বোলিং লাইনআপ যে এবার অন্যবারের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল তা বলার অপেক্ষা রাথে না। যদিও দলের অধিনায়ক মিচেল মার্শ(Mitchell Marsh) কিন্তু বেশ আত্মবিশ্বাসী। তরুণ পেস অ্যাটাক নিয়েই বাজিমাত করার কথা জানাচ্ছেন মার্শ। মিচেল স্টার্ক গতবছরেই টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাট থেকে অবসর নিয়েছেন। প্যাট কামিন্স চোট সারিয়ে এখনও পর্যন্ত সেরে উঠতে পারেননি। তাঁকে ছাড়াই বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা হয়েছিল। অন্যদিকে জশ হেজেলউডও চোটের আওতায়। তিনি যদি সুস্থ হয়েও উঠতে পারেন, তবে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে অস্ট্রেলিয়া(Australia) শিবিরে যোগ দিতে পারবেন না। তবে অধিনায়ক মিচেল মার্শ কিন্তু তাদের নতুন পেস লাইনআপকে নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। ন্যাথান এলিস, বেনি ডোয়ারসুইসরা শেষ একবছর ধরে অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে খেলছেন। এই বিশ্বকাপেও তারা সাফল্য পাবেন বলেই মনে করছেন মার্শ(Mitchell Marsh)। মিচেল মার্শ জানান, “প্যাডি শেষ কয়েকবছর ধরে আমাদের হয়ে বহু ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। বিশেষ করে আমাদের এমন ঠাসা কর্মসূচির জন্য বেনি ডোয়ারসুইসও শেষ বছর থেকে বহু ম্যাচ খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে। একইরকম জেভিয়ার বার্টলেটের ক্ষেত্রেও। আমাদের এই পেস অ্যাটাকও অত্যন্ত ভালো। তাদের নিয়ে আমি যথেষ্ট আশাবাদী”। গতবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। এবারের বিশ্বকাপে তারা আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে যাত্রা শুরু করছে। সাম্প্রতিককালে এই প্রথমবার তাদের সেরা পেস ত্রয়ীকে ছাড়া মাঠে নামবে অজি ব্রিগেড। নতুন বোলিং লাইনআপ কেমন পারফরম্যান্স করে সেদিকেই এখন তাকিয়ে সকলে।