ফেডারেশনের বৈঠকে অংশগ্রহন করলেন না সদস্যরা, ঝুলেই রইল চার্চিল নিয়ে সিদ্ধান্ত

ফেডারেশনের কমিটি বৈঠক ডাকল। আবার ফেডরেশনেরই কার্যকরী সমিতির সব সদস্য বৈঠকে অংশগ্রহন করলেন না। ২৫ মিনিট অপেক্ষার পর বৈঠক বাতিল করে দিতেই বাধ্য হল। আর সেইসঙ্গেই উঠে এল একরাশ প্রশ্ন। আর তো মাত্র কয়েকদিন পর আইএসএল শুরু। চার্চিলের দাবী মেনে সেখানে কী তাদের খেলতে দেওয়া হবে? আবার আইলিগের নাম পরিবর্তন হয়ে ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগ হবে কিনা। কোনওকিছুরই উত্তর পাওয়া গেল না ফেডারেশনের তরফ থেকে। কারণ নিজেদের ডাকা বৈঠকে নিজেদের সদস্যরাই যে অংশগ্রহন করলেন না। নিউজ নাইনের একটি খবর অনুযায়ী ২৪ ঘন্টার নোটিশে তিন সদস্যের কমিটি একটি কার্যকরী সমিতির বৈঠক ডেকেছিল। সেখানে যেমন চার্চিল ব্রাদার্স ইস্যু ছিল। তেমনই ছি্ল আইলিগের রিব্র্যান্ডিং নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বৈঠক। কিন্তু ২২ সদস্যের কমিটির মধ্যে মাত্র ১০ জন অংশগ্রহন করেছিলেন। অপেক্ষা করা হয় প্রায় ২৫ মিনিট। এরপরই বৈঠক বাতিল করে দেওয়া হয়। এদিনের বৈঠকের প্রধান বিষয় ছিল চা্র্চিল ব্রাদার্সের আইএসএল খেলার দাবী নিয়ে আলোচনা। সেইসঙ্গে আইলিগের নাম ইন্ডিয়ান ফুটবল লিগ হবে কিনা। এই বিষয় গুলো নিয়েই আলোচনার কথা ছিল। কিন্তু কিছুই হল না। এই নিয়েই কিন্তু এখন ভারতীয় ফুটবলে ফের হৈচৈ শুরু হয়ে গিয়েছে।
রাকিবের পরিবর্ত হিসাবে ব্যাকআপ প্রস্তুত রাখছে ইস্টবেঙ্গল

আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি আইএসএলে যাত্রা শুরু করছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। কিন্তু তার আগে রাকিবের(Mohammed Rakib) চোট নিয়ে চিন্তা বাড়ছে লাল-হলুদ শিবিরে। শোনাযাচ্ছে তাঁর ব্যাকআপ হিসাবে নাকি নন্দার পাশাপাশি সুমন দে-কে প্রস্তুত রাখছে লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট। রাকিবের মাথা ফেটে গিয়েছে। সেইসঙ্গে নাকি সাতটি সেলাইও পড়েছে তাঁর। আর তাতেই তো চিন্তা বাড়ছে। ইস্টবেঙ্গলের অন্দর মহলে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যাচ্ছে এখন নাকি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন রাকিব। মাথা ফাটলেও, চোট নাকি খুব একটা চিন্তার নয়। কিন্তু ১৬ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে কী তিনি খেলতে পারবেন। সেটা নাকি আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই বোঝা যাবে। আর সেই কারণেই তো নন্দা পাশাপাশি সুমন দে-কেও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। সময় রয়েছে, এই তরুণ রাইট ব্যাককে রেজিস্টারও করানো হতে পারে আইএসএলের জন্য। গত রবিবার মহমেডানের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সময়ই চোট পেয়েছিলেন রাকিব। সেখানেই মাথা ফেটে গিয়েছিল এই রাইট ব্যাকের। তার পর থেকেই চিন্তা বাড়তে শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গলের অন্দরে। প্রথমে মাঠে চোট গুরুতর মনে হল, পরবর্তীতে পরীক্ষা নীরিক্ষার পর জানা গিয়েছে চোট নাকি ততটা ভয়াবহ নয়। তবে তিনি প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা সেটা তো সময়ই বলবে। এখনও অবশ্য কয়েকটা দিন সময় রয়েছে হাতে। সেই সময়ই ইস্টবেঙ্গলের এই ফুটবলার যদি একান্তই সেরে না ওঠেন, তবে আরেক রাইট ব্যাক হিসাবে সুমন দে-কে সই রেজিস্টার করিয়ে ফেলবে লাল-হলুদ টিম ম্যানেজমেন্ট।
ক্যামেরা নিয়ে অনুশীলনে অময়, সুস্থ আলবার্তো

সোমবার থেকেই মোহনবাগানের অনুশীলনে নেমে পড়লেন অময় রানাওয়াডে(Amey Ranawade)। কিন্তু তার অনুশীলনের থেকেও এদিন যেটা সবচেয়ে বেশি নজর কাড়ল তা হল অময়ের গায়ে লাগানো গো প্রো ক্যামেরা। কৌতূহল বাড়াটাই স্বাভাবিক। হঠাৎ ক্যামেরা নিয়ে প্রস্তুতিতে কেন তিনি। না সেই কারণও অবশ্য কিছুক্ষণের মধ্যেই জানা গেল। মোহনবাগানের ডিজিটালে তাঁর অনুশীলন দেওয়া হবে। আর সেই কারণেই গো প্রো ক্যামেরা দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। প্রথম দিনের অনুশীলনের পাশাপাশি, সকলের সঙ্গে পরিচয় পর্ব সারলেন, সতীর্থদের সঙ্গে নানান কথাবার্তাও বললেন। সেই সমস্ত মুহূর্ত ধরে রাখার জন্যই নাকি এই ক্যামেরা ব্যবহার। সের্জিও লোবেরার তত্ত্ববধানে কামিন্স, ম্যাকলরেনদের সঙ্গে অনুশীলন করলেন তিনি। প্রথম দিন বেশ খোশ মেজাজেই সকলের সঙ্গে সারলেন প্রস্তুতি। তাঁর সঙ্গে ২৫-২৬ পর্যন্ত চুক্তি। এর আগে মুম্বই ও ওড়িশাতে তিনি লোবেরার তত্ত্বাবধানে খেলেছেন তিনি। এবার সেই লোবেরার হাত ধরেই এলেন মোহনবাগানেও। এখন দেখার প্রথম ম্যাচ কেরালার বিরুদ্ধে তিনি সুযোগ পান কিনা। যদি সুযোগ পান তিনি আশিস রাই কে কী ছাপিয়ে যেতে পারবেন। তা অবশ্য এখনই বলা যাবে না। তবে অনুশীলনে বেশ ছটেফটে মেজাজে দেখা গেল তাঁকে। একইসঙ্গে অসুস্থতা সারিয়ে অবশেষে মোহনবাগানের অনুশীলনে যোগ দিলেন আলবার্তো রজরিগেজ(। বেশ কয়েকদিন আগে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েছিুলেন। জ্বড় হয়েছিল তাঁর। সেই কারণে আসতে পারেননি অনুশীলনে। আর তাতেই শুরু হয়েছিল জল্পনা। তবে কী আলবার্তো রডরিগেজকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এমন নানান প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছিল। যদিও সেই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবারই অনুশীলনে নেমে পড়লেন আলবার্তো। সতীর্থদের সঙ্গে চুটিয়ে অনুশীলন করলেন। জ্বরের জন্য তিনদিন পর যোগ দিলেন। তবে এখন বেশ তিনি স্বচ্ছন্দ। ১৪ তারিখের ম্যাচে যে তিনি রয়েছেন তাও বুঝিয়ে দিলেন।
সুদীপের ২৯৯, সেমিফাইনালে বাংলা

রঞ্জি ট্রফি সেমিফাইনালে জায়গা পাকা করে পেলল বাংলা(Bengal Cricket Team)। সুদীপ ঘরামির(Sudip Gharami) ২৯৯ রানের ইনিংস। আর তাতেই শেষচারে নিজেদের জায়গা পাকা করার কাজটাও করে ফেলল বঙ্গ ব্রিগেড(Bengal Cricket Team)। প্রথম ইনিংসে বিরাট লিগের সৌজন্যে এবার সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেলেছে বঙ্গ ব্রিগেড। দীর্ঘদিনের রঞ্জি(Ranji Trophy) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অপেক্ষা মেটানোর থেকে আর মাত্র দু ধাপ দূরে রয়েছে বাংলা ব্রিগেড। তাদের প্রতিপক্ষ সেমিফাইনালে কে হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে। নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৪ রানেই থামতে হয় অন্ধ্রপ্রদেশকে। প্রথম ইনিংসে বিরাট লিডের সৌজন্যেই সেমিফাইনালে চলে গেল বাংলা। প্রথম ইনিংসে বাংলার বিরুদ্ধে ২৯৫ রানে থেমেছিল অন্ধ্রপ্রদেশ। তারই জবাবে ব্যাটিং করতে নেমে বিরাট লিড নিয়েছিল বঙ্গ ব্রিগেড। আর তার সৌজন্যে ছিল সুদীপ কুমার ঘরামির ইনিংসটাই। ওপেনিং থেকে মিডল অর্ডারের বাকি ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও একা হাতেই কার্যত দলের রান এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন সুদীপ। আফশোশ একটাই মাত্র ১ রানের জন্য ৩০০ রানটা পেলেন না সুদীপ ঘরামি। তবে বাংলার জয়ের রাস্তাটা তৈরি করে দিয়েছিলেন। তাঁর ক্রিশতরানের সৌজন্যেই তো ৬২৯ রানে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলা। লিড নিয়েছিল ৩৩৪ রানের। প্রথম ইনিংসে এত বড় লিডের সঙ্গেই শেষ চারে জায়গা পাকা হয়ে গিয়েছিল। চতুর্থ দিন হাতে আর সময় ছিল না। অন্ধ্রপ্রদেশের ৬৪ রানের মধ্যে তিন অবশ্য পড়েও গিয়েছিল অন্ধ্র্রের। সেখানেই নির্ধারিত সময়ে সেখানেই থামতে হয় তাদের। সেইসঙ্গেই সেমিফাইনালে বাংলা। লক্ষ্মীরতন শুক্লার হাত ধরে বাংলা দীর্ঘদিন পর ফের রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হতে পারে কিনা সেটাই এখন দেখার।
টিম বন্ডিংয়ে গম্ভীরের বাড়িতে ডিনার ভারতীয় ক্রিকেটারদের

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঝেই ভারতীয় ক্রিকেটারদের ডিনারে নিমন্ত্রণ কোচ গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir)। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে নামবে টিম ইন্ডিয়া(Team India)। ইতিমধ্যেই ভারতীয় দল পৌঁছেও গিয়েছে সেখানে। সেই ম্যাচের আগেই নিজের বাড়িতে সূর্যকুমার সহ বাকি সব ক্রিকেটারদের ডিনারে নিমন্ত্রন করলেন গৌতম গম্ভীর(Gautam Gambhir)। একইসঙ্গে এটা যে একটা টিম বন্ডিং সেশনও ছিল তা বেশ স্পষ্ট। বিশ্বকাপের আগে এখন টিম বন্ডিংয়েই বিশেষ জোর দিচ্ছেন গৌতম গম্ভীর। এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) শুরুটা জয় দিয়েই করেছে ভারত। প্রথম ম্যাচেই আমেরিকার বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে তারা। সেই ম্যাচে আবার ব্যাট হাতে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তবে দলের বাকি ব্যটাররা সেভাবে বড় রান করতে পারেননি। এবার তাদের সামনে রয়েছে নামিবিয়া। ধারেভারে নামিবিয়া যে বহু পিছিয়ে রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবুও গৌতম গম্ভীর(Gautam Gambhir) এখন টিম বন্ডিং সেশনের ওপরই বাড়তি জোর দিচ্ছেন। দিল্লিতে পৌঁছনোর পরই দলের সকলকে নিজের বাড়িতে সেই কারণে ডিনারের জন্য নিমন্ত্রণ করেছিলেন গৌতম গম্ভীর। সেখানে ডিনারের পাশাপাশি যে টিম বন্ডিং সেশনটাও তারা সেরে ফেললেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দিল্লিতে ম্যাচ। আর সেই সুযোগটাই কার্যত লাগিয়েছেন গৌতম গম্ভীর। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেও খুব একটা বেশি সময় নেয়নি। সেখানেই দেখা যাচ্ছে যে প্রত্যেক ক্রিকেটারকে নিজের বাড়িতে সস্ত্রীক স্বাগত জানাচ্ছেন গম্ভীর। ক্রিকেটাররাও বেশ খোশ মেজাজেই ছিলেন সেখানে। আগামী ১২ তারিখ নামিবিয়ার পরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নামার কথা ভারতের।
ভারতের বিরুদ্ধে খেলার জন্য তিন শর্ত পাকিস্তানের!

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) ভারতের বিরুদ্ধে খেলার জন্য তিন শর্ত পাকিস্তানের(Pakistan)। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কার মাটিতে ভারত বনাম পাকিস্তান(INDvPAK) ম্যাচ হওয়ার কথা। কিন্তু এই মুহূর্তে সেই ম্যাচ ঘিরে জটিলতা অব্যহত। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে নির্বাসিত করার পরই পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে ম্যাচ না খেলার হুমকি দিয়েছিল। যদিও আইসিসিও(ICC) নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড়। আর পাকিস্তান যদি সেই ম্যাচ না খেলে ভারত তো ওয়াকওভার পাবেই, সেইসঙ্গে পাকিস্তানের ওপর যে বিরাট শাস্তির খাঁড়া নেমে আসবে সেই কথাও স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়েছিল। পাকিস্তানেক পয়েন্ট কাটা ছাড়া, আগামী দিনে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ সহ অন্যান্য মঞ্চ থেকেও বাতিল করার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার তরফে। সেখানেই এবার যেন খানিকটি সুর নরম পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের। শোনাযাচ্ছে পাকিস্তান নাকি আইসিসির কাছে তিনটি শর্ত দিয়েছে। লাহোরে নাকি আইসিসির প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন পাক বোর্ডের কর্তারা। তাদের সঙ্গে নাকি আবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারাও ছিলেন। সেখানেই আইসিসি তাদের দেওয়া তিনটি শর্ত মেনে নিলে তবেই নাকি ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে পাকিস্তান। এরপর থেকেই জল্পনা তুঙ্গে। এমনকি শর্ত দিল পাকিস্তান। শোনাযাচ্ছে সেই তিন শর্তের মধ্যে প্রথম শর্ত হল আইসিসির রেভিনিউ শেয়ার তাদের জন্য বাড়ানো। দ্বিতীয় শর্ত হিসাবে ভারতের বিরুদ্ধে দ্বীপাক্ষিক সিরিজ শুরুর প্রতিশ্রুতি চেয়েছে পাকিস্তান এবং তৃতীয় ও সর্বশেষ শর্ত হিসাবে তারা বলেছে ভারত তাদের বিরুদ্ধে যে হ্যান্ডশেক বয়কটের ডাক দিয়েছে, সেটা যেন তুলে নেওয়া হয়। যদিও আইসিসি আদৌ এসব মানবে কিনা তা নিয়েও ইঙ্গিত এখন পর্যন্ত শোনা যায়নি। এখনও পর্যন্ত যা ঠিক রয়েছে, ভারত নাকি ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ খেলতে শ্রীলঙ্কা যাবে। এমনকি সূর্যকুমার যাদব(Suryakumar Yadav) মাঠেও নামবেন টস করার জন্য। পাকিস্তান অনুপস্থিত হলেই ভারতকে জয়ী ঘোষণা করা হবে।