ফেড়ারেশনকে হঠাৎ চিঠি মোহনবাগানের

আইএসএলের(ISL) দিন তো ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সূচী প্রকাশ হবে কবে? আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ সূচীই প্রকাশ করতে পারেনি ফেডারেশন। এবার মোহনবাগানের(MBSG) তরফ থেকে সূচী জানতে চেয়ে ফেডারেশনের(AIFF) কাছে চিঠি দেওয়া হল। যত দ্রুত সম্ভব সূচী যাতে ঘোষণা করা হয় সেটাই এবার জানতে চাওয়া হয়েছে। যদিও শোনাযাচ্ছে সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী সোমবার নাকি সূচী ঘোষণা করলেও করতে পারে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। অন্যদিকে যে খসড়া সূচী ঘোষণা করা হয়েছিল সেখানে আবার মোহনবাগান বনাম কেরালা ব্লাস্টার্স ম্য়াচ দিয়েই আইএসএল শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শনিবার থেকেই ফের নাটকীয় মোড়। হঠাৎই নাকি ফেডারেশনকে কেরালার তরফে জানানো হয়েছে যে তারা নাকি ১৪ তারিখের ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত নয়। সেই কারণেই ম্যাচ ২১ ফেব্রুয়ারি পিছনোর দাবী জানানো হয়েছে। তারপর থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে নতুন গুঞ্জন। তবে কী মোহনবাগান তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ২১ ফেব্রুয়ারি! তবে সবুজ-মেরুন শিবির কিন্তু তাতে একেবারেই রাজি নয়। শোনাযাচ্ছে ইতিমধ্যেই ফেডারেশনের সঙ্গে তারা কথাবার্তা শুরুও করে দিয়েছে। মোহনবাগান নাকি জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ১৪ ফেব্রুয়ারিই ম্যাচ খেলবে। এই নিয়েই এখন জল্পনা তুঙ্গে। শেষপর্যন্ত সূচী কী হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায় সকলে।
প্রথম ম্যাচেই নেই জসপ্রীত বুমরাহ

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যাত্রা শুরু করেছে ভারত(INDvUSA)। সেখানেই ভারতের প্রথম একাদসে বিরাট চমক। প্রথম ম্যাচেই ভারতীয় দলে নেই জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। প্রস্তুতি ম্যাচেও দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল বুমরাহকে। তবে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই দলের সেরা তারকাকে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে এমনটা অনেকেই ভাবতে পারেননি। কিন্তু শেষপর্যন্ত বুমরাকে এই ম্যাচে না খেলানোর রাস্তাতেই হেঁটেছে টিম ম্যানেজমেন্ট(India Team)। শোনাযাচ্ছে ভাইরাল ফিভারে ভুগছেন ভারতের তারকা পেসার বুমরাহ(Jasprit Bumrah)। ভারতের বোলিং লাইনআপের সেরা অস্ত্র জসপ্রীত বুমরাহ। আমেরিকার বিরুদ্ধে ধারেভাবে এগিয়ে থেকেই নামছে ভারত। সেইসঙ্গে বুমরার জ্বর। তাই হয়ত তাঁকে নিয়ে আর বাড়তি ঝুঁকি নিতে চায়নি ইন্ডিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ভারতীয় দলে জায়গা করে নিলেন হর্ষিতের পরিবর্তে আসা মহম্মদ সিরাজ। একইসঙ্গে প্রত্যাশা মতোই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই বাদ পড়লেন সঞ্জু স্যামসন। খুব একটা ভালো ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন না তিনি। সেই কারণেই তাঁর পরিবর্তে এবার ভারতের ওপেনার হিসাবে এলেন ঈশা কিষাণ। একইসঙ্গে প্রথম একাদশে জায়গা করে নিয়েছেন তিলক বর্মাও। দুই স্পিনার হিসাবে অক্ষর পটেল এবং বরুণ চক্রবর্তীকে খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া।
রোমিলের গোলে ডার্বির রং লাল-হলুদ

সুযোগ নষ্টের খেলায় শেষপর্যন্ত ডার্বি জয় ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal)। আরএফডিএলের ফিরতি ডার্বিতে রোমিল গোলদারের গোলে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে হারাল লাল-হলুদ(Eastbengal) ব্রিগেড। তবে ডার্বি জিতলেও এদিন ইস্টবেঙ্গল বহু সুযোগ নষ্ট করেছে। সেটা না হলে স্কোরলাইন অন্যরকম হতেই পারত। প্রথমার্ধেই ইস্টবেঙ্গলের এগিয়ে যাওয়ার বহু সুযোগ এসেছিল, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। পাল্টা আক্রমণে মোহনবাগানও কিন্তু বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু তারাও ব্যর্থ। বিরতির পরই ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেন রোমিল গোলদার(Romil Goldar)। যদিও মোহনবাগান ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়নি এমনটা নয়। গোলের কাছে পৌঁছেও শেষপর্যন্ত তা জালে জড়াতে ব্যর্থই হয়েছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। শেষপর্যন্ত এই ডার্বিও ইস্টবেঙ্গলেরই। ফিরতি ডার্বিতেও জয়। দলের এমন পারফরম্যান্সে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) শিবির। যদিও লাল-হলুদের হয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করতে এলেন না কোচ বিনো জর্জ(Bino George)। সেই জায়গায় এলেন ইস্টবেঙ্গলের সহকারী কোচ। ডার্বি জয়ে অবশ্যই তারা খুশি। সেইসঙ্গে সুযোগ নষ্টের কথাও শোনা গেল। অন্যদিকে চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের কাছে হারে বহু সহজ সুযোগ নষ্টকেই দায়ী করলেন মোহনবাগান কোচ ডেগি কার্ডোজো। অন্যদিকে ডার্বির নায়ক হাওড়ার রোমিল গোলদার। আরএফডিএলের মঞ্চে প্রথম গোল, তাও আবার করলেন ডার্বিতেই। উচ্ছ্বসিত রোমিল। লাল-হলুদের জার্সিতে এগিয়ে যেতে চান তিনি।
অনুর্ধ্ব-১৯ মহিলাদের সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

গতবারের চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে মহিলাদের অনুর্ধ্ব-১৯ সাফ কাপ চ্যাম্পিয়নশিপ চ্যাম্পিয়ন(U-19 Womens Saff Championship) ভারত। ফাইনালে বাংলাদেশকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিল পামেলা কন্তের(জোসাতো মদলূা) দল। এবারের সাফ কাপের শুরু থেকেই দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ভারতের মহিলা ব্রিগেড(India Womens Team)। এর আগে নেপালকে ১ গোলে এবং ভূটানকে ৮ গোলে ম্যাচ হারিয়েছে ভারত। ফাইনালে বাংলাদেশকেও মাথা তুলে দাঁড়ানোর সুযোগ দিল না ভারতীয় অনুর্ধ্ব-১৯ মহিলা দল(U-19 Womens Team)। এই ম্যাচে গোল করে প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলের মালিকও হয়েছেন পার্ল ফার্ণান্ডেজ। এশিয়া কাপের ড্রি রিহার্সালটা যে ভারত এখানেই সেরে নিল তাও বলার অপেক্ষা রাখে না। এদিনের ম্যাচে প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় দল। প্রথমেই ভারতীয় দলকে সেই লিড এনে দেন জুলন নংমইথেম। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফের এগিয়ে যায় ভারতীয় মহিলা-১৯ ভারতীয় দল। এবার ভারতের হয়ে গোলদাতার নাম এলিজাবেদ লাকরা। ভারতের জয় প্রথমার্ধেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও ভারতের দাপটের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেনি তারা। বরং বিরতির পরও আরও দুটো গোল করে ভারতের মহিলা ব্রিগেড। পামেলা কন্তের কোচিংয়ে অনুর্ধ্ব-১৯-এর মঞ্চে নিজেদের অনুর্ধ্ব-১৭ দলই নামিয়েছিল ভারত। পামেলা কন্তের হাত ধরে সাফল্যও পেল তারা। এরপরই রয়েছে এশিয়া কাপ। তার আগে ড্রেস রিহার্সালটা যে ভারতের ভালই হল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
টি-২০ বিশ্বকাপে শুরুটা একেবারেই ভালো হল না পাকিস্তানের

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুতেই কার্যত হোঁচট পাকিস্তানের। ধারেভারে বহুগুনে পিছিয়ে থাকা নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে কোনওরকমে জিতল পাক বাহিনী। আর সেই সঙ্গেই তাদের দলের শক্তি থেকে দুর্বলতা নিয়ে বহু প্রশ্নও কিন্তু তুলে দিল পাকিস্তান। একইসঙ্গে অনেকেই এখন বলতেও শুরু করে দিয়েছেন যে পাকিস্তান গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারবে তো। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে একেবারে শেষ ওভারে গিয়ে কোনওরকমে ম্যাচ জিতেছে পাক বাহিনী। এদিন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিল নেদারল্যান্ডস। পাকিস্তানের বোলাররা শুরু থেকে বেশ ছন্দেই ছিল। নেদারল্যান্ডসের কোনও ব্যাটারই সেভাবে ক্রিজে থাকতে পারেননি। শেষপর্যন্ত ১৪৭ রানেই শেষ হয়ে গিয়েছিল ডাচ বাহিনী। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই যে জয়ের বড় সুযোগ চলে এসেছিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু সেখানেই যত অঘটন। ব্যাট হাতে নামার পর থেকেই একের পর এক তারকা ব্যাটাররা সাজঘরে ফিরতে থাকে পাকিস্তানের। ম্যাচ শেষে পাকিস্তানের ক্রিকেটাররাও বাড়তি চাপে পড়ে যাওয়ার কথাও স্বীকার করে নিয়েছেন। আলি আঘা তো বলেই ফেললেন, “দশ ওভারের পর থেকেই আমাদের ওপর চাপটা ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছিল। বিশেষ করে ব্যাটারদেরই সেদিকটা দেখার কথা ছিল। যখন কোনও ব্যাটার ক্রিজে সেট হয়ে যাচ্ছেন, তারই উচিৎ ম্যাচ ফিনিশ করে আসা। কিন্তু সেটা হয়নি এদিনের ম্যাচে”। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে শুরুটা একেবারেই ভালোভাবে করতে পারেনি পাকিস্তান। আগামীতে এমনটা চললে পাকিস্তান গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারে কিনা সেটাই দেখার।