ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলনে জেরি, ফিরলেন আনোয়ারও

ছুটি কাটিয়ে অনুশীলনে ফিরল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) শিবির। বুধবার প্র্যাকটিসে যোগ দিলেন জেরি মাউইহমিংথাঙ্গা(Jerry)। প্রথম দিনেই আলাদা করে নয়, মূল দলের সঙ্গেই অনুশীলন করতে দেখা গেল তাঁকে। চার দিন বিরতির পর এ দিন খেলোয়াড়দের উপর ফিটনেসে জোর দেন কোচ অস্কার ব্রুজো(Oscar Bruzon)। শুরুতে একাধিক দফা দৌড় করানো হয় ফুটবলারদের। তার পরে দলকে দু’ভাগে ভাগ করে দুই উইং থেকে ক্রস তুলে গোল করার অনুশীলন করান ব্রুজো। এ দিন দলের সব বিদেশি ফুটবলারই উপস্থিত ছিলেন প্র্যাকটিসে। চোট কাটিয়ে মূল দলের সঙ্গে অনুশীলনে ফেরেন আনোয়ার আলীও(Anwar Ali), যা লাল-হলুদ শিবিরের জন্য স্বস্তির খবর। তবে সবুজ-মেরুনদের মতো অনুশীলন ম্যাচ খেলার পথে হাঁটছে না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)— এমনটাই ইঙ্গিত মিলছে শিবির সূত্রে। আপাতত পরিকল্পনা অনুযায়ী অনুশীলনের মধ্য দিয়েই দলকে ম্যাচ-ফিট রাখতেই মনোযোগী ব্রুজো।
শাহবাজের পাঁচ, জয়ের দিকে এগিয়ে বাংলা

ব্যাটিংয়ে সেভাবে প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে না পারলেও, বল হাতে দুর্ধর্ষ ফর্মে শাহবাজ আহমেদ(Shahbaz Ahmed)। স্পিনিং ট্র্যাক বলে দলে চার স্পিনার নেওয়া হয়েছিল। কেন তেমনটা হয়েছিল সেটাই বুঝিয়ে দিলেন শাহবাজ আহমেদ(Shahbaz Ahmed)। তিনি একাই এদিন তুলে নিলেন পাঁচ উইকেট। একইসঙ্গে পাঁচ উইকেট তুলে নিলেন আকাশদীপও। ইতিমধ্যেই বড়া রানের পথে লিড নিতে চলেছে বাংলা। তৃতীয় দিন অভিমন্যুর(Abhimanyu Easwaran) ব্যাট থেকে বড় রানের প্রত্যাশাতেই সকলে। দ্বিতীয় দিনের শেষে বাংলার রান ৩ উইকেটে ১৫৫, লিড ২৪৮ রানের। ম্যাচের দ্বিতীয় দিন ৮৬ রানে সুদীপ চট্টোপাধ্যায়(Sudip Chatterjee) সাজঘরে ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হয়ে যায় বাংলার ইনিংস। মাত্র ১৯৩ রানে থামে বঙ্গ ব্রিগেড। ঘরের মাঠে অনেকটাই সহজ লক্ষ্য পেয়েছিল হরিয়ানা। কিন্তু সেখানেই বাংলার ত্রাতা হয়ে উঠে এসেছিলেন শাহবাজ আহমেদ। শুরু থেকেই প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের ওপর দাপট দেখাতে শুরু করেন তিনি। সেইসঙ্গে যোগ্য সঙ্গত আকাশদীপেরও। বাংলার এই তারকা স্পিনার শাহবাজ ১১.১ ওভার বোলিং করে একাই তুলে নেন পাঁচ উইকেট। সেইসঙ্গে রান দেন মাত্র ৪২। আর তাতেই কার্যত ঘায়েল হরিয়ানা। মাত্র ১০০ রানেই শেষ হয়ে যায় প্রতিপক্ষ শিবির। দ্বিতীয় দিনই ব্যাট হাতে নেমে পড়ে বঙ্গ ব্রিগেড। প্রথম ইনিংসে না পারলেও এই ইনিংসে বেশ দারুন ছন্দেই রয়েছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। বাংলা সূত্রে খবর শনিবার প্রথম কয়েক ঘন্টাই নাকি বাংলার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেইসঙ্গে কুয়াশার প্রভাব যাতে না থাকে সেই কথাও ভাবছে তারা। এখনও পর্যন্ত এগিয়ে বাংলা। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
শেষ ম্যাচেও অসমের সঙ্গে ড্র সঞ্জয় সেনের দলের

এগিয়ে থেকেও শেষরক্ষা করতে পারল না বাংলা(Bengal Football Team)। সন্তোষ ট্রফির(Santosh Trophy) গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে অসমের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করল বাংলা। সঞ্জয় সেনের(Sanjoy Sen) দল প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকলেও, সেই লিড ধরে রাখতে ব্যর্থই হল তারা। আকাশ হেমব্রম(Akash Hembrom) এগিয়ে দিলেও, দ্বিতীয়ার্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে ডিফেন্ডারের ভুলেই পেনাল্টি। আর সেখানেই বাংলার জালে বল জড়াতে এতটুকু ভুল করেনি অসম। তামিলনাড়ুর পর, অসমের সঙ্গেও ড্র করেই মাঠ ছাড়তে হল সঞ্জয় সেনের(Sanjoy Sen) দলকে। যদিও শেষ আটে আগেই পৌঁছে গিয়েছিল বাংলা(Bengal Football Team)। কিন্তু পরপর দুই ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট, বাংলার কোচের চিন্তা বাড়াতেই পারে। গত ম্যাচে তামিলনাড়ুর বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকে শেষপর্যন্ত ড্র করেছিল বাংলা। কিন্তু সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এই ম্যাচেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না বঙ্গ ব্রিগেড। যদিও অসমের বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই এগিয়ে গিয়ছিল বাংলা। ম্যাচের বয়স যখন ৩২ মিনিট, সেই সময় বাংলার হয়ে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন আকাশ হেমব্রম। বিরতির পরও সেই লিড দীর্ঘক্ষণ ধরে রেখেছিল বাংলা। তবে ঘরের মাঠে ম্যাচে ফিরতে তখন মরিয়া ছিল অসমও। ক্রমশই আক্রমণ চালাচ্ছিল তারা। পাল্টা আক্রমণ অবশ্য দিয়েছিল বাংলাও। কিন্তু শেষ মুহূর্তে একটা ভুল। সেখানেই পেনাল্টি উপহার অসমকে। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে গোল দিয়ে ম্যাচ ড্র করে দেয় অসম। কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলা পৌঁছে গেলেও, পরবর্তী পর্বে তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার।
৩ ফেব্রুয়ারিই ভারতীয় শিবিরে ফিরতে চলেছেন তিলক বর্মা

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup) শুরু হওয়ার আগেই স্বস্তির খবর। সবকিছু ঠিকঠাক চলে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই ভারতীয় শিবিরে যোগ দিচ্ছেন তিলক বর্মা(Tilak Verma)। চোট সারিয়ে এখন নাকি প্রায় সুস্থ তিলক বর্মা। শুধুই সেন্টার অব এক্সিলেন্স থেকে তাঁর ছাড়পত্র পাওয়াটা সময়ের অপেক্ষা। একইসঙ্গে ময়াঙ্ক যাদবকেও সেন্টার অব এক্সিলেন্স(Centre Of Excelence) থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে চলেছে। তিলক বর্মার ফেরাটা যে ভারতীয় দলের কাছে সবচেয়ে বড় স্বস্তি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিজয় হাজারে ট্রফি চলাকালীনই তলপেটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল তিলক বর্মাকে(Tilak Verma)। এরপর তাঁর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল। তারপর থেকই তিলক বর্মার(Tilak Verma) ভারতীয় দলের হয়ে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা ঘিরে দেখা দিয়েছিল অনিশ্চয়তা। যদিও ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁর খেলা নিয়ে আশাবাদীই ছিল। এরপরই আবার শোনা গিয়েছিল যে তিলক নাকি সময়ের সঙ্গে সেরে উঠতে পারছেন না। সেটা নিয়েও সিঁদূরে মেঘ দেখতে শুরু করেছিল গম্ভীরের দল। সেই সময়ই সেন্টার অব এক্সিলেন্সের তরফে ভারতীয় দলের জন্য সুখবর। চোট সারিয়ে এখন অনেকটাই সুস্থ ভারতীয় দলের এই তরুণ ক্রিকেটার তিলক বর্মা। শোনাযাচ্ছে দুই-একদিনের মধ্যেই তাঁকে ছাড়পত্র দিতে চলেছে সেন্টার অব এক্সিলেন্স। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই ভারতীয় শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন তিলক বর্মা। এমনকি ভারতের হয়ে নাকি ম্যাচ সিমুলেশন প্রস্তুতিতেও খেলবেন তিলক বর্মা। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায় সকলে।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নতুন ইতিহসের মালকিন ভারতের জেনসি

সিনিয়র পর্বে যখন কোনও ভারতীয়ের ঝুলিতে সাফল্যের দেখা নেই। সেই সময়ই ভারতীয় কিশোরী হিসাবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মঞ্চে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করলেন জেনসি ক্যানাবার(Jensi Kanabar)। প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসাবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন এলিট-১৪ বিভাগ(Australian Open Elite 14) চ্যাম্পিয়ন হলেন জেনসি ক্যানবার। আর তাতেই উচ্ছ্বসিত সকলে। পিছিয়ে থেকেও অস্ট্রেলিয়ান প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধেই বিরাট জয় তুলে নিলেন ভারতের এই কিশোরি। তাঁকে নিয়েই এখন টেনিস সার্কিটে আলোচনা। এদিন অস্ট্রেলিয়ার টেনিস খেলোয়াড় মুসেম্মা ক্লিকের বিরুদ্ধে নেমেছিলেন জেনসি ক্যানাবার(Jensi Kanabar)। প্রথম সেটেই হার। দ্বিতীয় সেটেও প্রথমে ০-২ গেমে পিছিয়ে পড়েছিলেন জেনসি। সেই জায়গা থেকেই তাঁর ফেরে আসার লড়াইটা শুরু হয়েছিল। সেই জায়গা থেকেই আর অস্ট্রেলিয়ান প্রতিপক্ষকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেননি। শেষপর্যন্ত তিন সেটের লড়াইয়ে ৩-৬, ৬-৪ এবং ৬-১ সেটে ম্যাচ জিতে নেন জেনসি। আর সেই জয়ের সঙ্গেই ভারতীয় টেনিসের জগতে নতুন ইতিহাস তৈরি করলেন জেনসি। এবারের প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই দুরন্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। বিশেষ করে কোয়ার্টার ফাইনাল থেক। জাপানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলাটা এখনও তাঁর নিজের কাছেও নাকি সেরা। সেই ধারা অব্যহত রেখেই এবার চ্যাম্পিয়নের মুকুট জেনসির মাথায়। এরপর সিনিয়র বিভাগেও এই ধারা তিনি ধরে রাখতে পারেন কিনা সেটাতো সময়ই বলবে।