আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের ভেন্যু বদল!

আইএসএলে(Indian Super League) মোহনবাগান যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেললেও, ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) খেলবে না! হ্যাঁ এমনটাই কিন্তু হঠাৎ শোনাযাচ্ছে। আইএসএলের সম্ভাব্য সূচী প্রকাশের পরই যেন ভাবনা বদল ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal)। যুবভারতী নয়, ইস্টবেঙ্গলের হঠাৎই এখন পছন্দ কিশোর ভারতী স্টেডিয়াম(Kishore Bharati Stadium)। কারণ খরচ কমানো। যুববারতীতে ম্যাচ আয়োজনে তাদের খরচ নাকি অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। তবে কিশোরভারতীতে হলে সেই পরিমাণ কমবে। কিন্তু এমনটা হওয়া কী সম্ভব। শোনাযাচ্ছে এই বিষয় নিয়েই ক্লাব কর্তার সঙ্গে বারবার আলোচনা সারছে ইমামি ম্যানেজমেন্ট। প্রথমে আইএসএলের ৯টি ম্যাচই যুবভারতীতে খেলার কথা জানিয়েছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। কিন্তু এপরই তাদের ভাবনায় বদল এসেছে। এই মরসুমে আইএসএল এমনিতেই অনেক দেরীতে শুরু হচ্ছে। সবার মতো লাল-হলুদ ব্রিগেডও কস্ট কাটিংয়ের পথেই হেঁটেছে। আর তাতেই যত গোল বেঁধেছে। প্রথমে ভাবলেও, পরে খরচ বাঁচানোর জন্য ইমামি ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ম্যানেজমেন্ট নাকি চাইছে তদের সবকটি ম্যাচই হোক কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে। আর এখানেই লাল-হলুদ কর্তার সঙ্গে মত পার্থক্য হচ্ছে তাদের। চির প্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান যখন সবকটি ম্যাচ খেলবে যুবভারতী স্টেডিয়ামে, সেই সময় ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ কিশোরভারতীতে। সেটা মেনে নেওয়া অনেকের পক্ষেই সম্ভব নয়। বিশেষ করে সমর্থকদের জন্যও এটা মেনে নেওয়াটা বেশ কঠিন। কিন্তু খরচ বাঁচাতে ইমামি ম্যানেজমেন্টও বিকল্প রাস্তাতেই হাঁটতে চাইছে। আর সেই কারণেই তো ক্লাব কর্তাদের বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে ইমামি ম্যানেজমেন্টের তরফে। চলছে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনাও। যদিও এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত বেড়িয়ে আসেনি। শোনাযাচ্ছে যদি ক্লাব কর্তারা রাজি হয়ে যায়, তারপরই নাকি রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথাবার্তা বলবে ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু প্রশ্ন হল এই প্রস্তাব কী আদৌ ক্লাব কর্তারা মানবেন। ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান চির প্রতিদ্বন্দ্বী। সেখানেই মোহনবাগান খেলবে যুবভারতীতে, আর ইস্টবেঙ্গল কিশোরভারতীতে। এটা যে তাদের ক্লাবের আভিজাত্যের প্রশ্ন। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার।
চতুর্থ টি টোয়েন্টি থেকে বাদ পড়লেন ঈশান, কারণ বললেন সূর্য

প্রথম তিন ম্যাচে খেললেও চতুর্থ টি টোয়েন্টি থেকে বাদ পড়লেন ঈশান কিষাণ(Ishan Kishan)। আর তাতেই যেন বেশ খানিকটা চমকে গিয়েছেন অনেকে। না পারফরম্যান্সের জন্য কোনও সিদ্ধান্ত নয়। ঈশান কিষাণের(Ishan Kishan) নাকি হাল্কা চোট হয়েছে। আর সেই কারণেই এই তরুণ তারকাকে নিয়ে বাড়তি ঝুঁকি নিতে নারাজ ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বিশেষ করে সামনেই রয়েছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup)। সেখানে খেলবেন তিনি। ভারতীয় ব্যাটিংয়ে তিন নম্বর পজিশনে এখন খেলানো হচ্ছে ঈশান কিষাণকে(Ishan Kishan)। এই টি টোয়েন্টি সিরিজ দিয়েই দীর্ঘদিন পর ভারতীয় দলের জার্সিতে প্রত্যাবর্তন হয়েছে ঈশানের। এমনকি নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম তিন ম্যাচেও তাঁর ব্যাট থেকে দেখা গিয়েছে রানের ঝলক। বিশেষ করে দ্বিতীয় টি টোয়েন্টিতে ঝোড়ো ৭৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ঈশান কিষাণ। কিন্তু হাল্কা চোট থাকায় তাঁকে নিয়ে বাড়তি ঝুঁকি নিতে চায়নি ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। টস-এর পর সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন, “এই ম্যাচে ঈশান কিষাণের পরিবর্তে প্রথম একাদশে এসেছেন অর্শদীপ সিং। গত ম্যাচে ঈশান কিষাণ হাল্কা চোট পেয়েছিলেন। অক্ষর পটেলের ম্যাচ ফিট হতে আরও খানিকটা সময় লাগবে। সেই কারণেই এই ম্যাচে নেই। তবে পরবর্তী ম্যাচে তাঁকে পাওয়ার ব্যপারে আমরা আশাবাদী”।
বাংলার জয়ের গতি থমকালো তামিলনাড়ু

দুরন্ত গতিতে ছুটলেও তামিলনাড়ুর কাছে আটকে গেল বাংলা(Bengal Football Team)। পিছিয়ে থেকেও শেষপর্যন্ত ড্র করেই মাঠ ছাড়েন সঞ্জয় সেনের দল। চলতি সন্তোষ ট্রফিতে(Santosh Trophy) এই প্রথমবার জয়ের স্বাদ পেল না গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলা। বরং শেষ মুহূর্তে সুজিত সাঁধু(Sujit Sandhu) গোল না করলে মরসুমে প্রথম হারের স্বাক্ষী এদিনই হত বাংলা। তবে তামিলনাড়ুর মতো শক্তি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ড্র করে এক পয়েন্ট তুলে নেওয়াতে খাননিকটা হলেও সন্তুষ্ট সঞ্জয় সেন(Sanjoy Sen)। এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই খানিকটা পিছিয়ে ছিল বঙ্গ শিবির(Bengal Football Team)। প্রথমার্ধ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই গোল তুলে নেয় তামিলনাড়ু। চেষ্টা করলেও সমতায় ফিরতে পারেনি বাংলা। সুযোগ যে তারা পায়নি এমনটা নয়, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি সঞ্জয় সেনের বঙ্গ ব্রিগেড। প্রথমার্থ শেষ হয় ১-০ গোলেই। বিরতির পর থেকেই ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ছিল বাংলা। কিন্তু পাল্টা আক্রমণও ছিল তামিলনাড়ু শিবিরের তরফে। সেখানেই ম্যাচের একেবারে অন্তিমলগ্নে সুজিত সাঁধু সমতায় ফেরায় বাংলাকে। এক পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে চাকু মান্ডি, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়রা। বাংলা যদিও আগেই পরের রাউন্ডে পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু এই ম্যাচ ড্রটা খানিকটা হলেও তাদের হয়ত ভাবাচ্ছে। আগামী শুক্রবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে অসমের বিরুদ্ধে নামবে বাংলা দল।
অবিশ্বাস্য! হারের মুখে থেকেও সেমিফাইনালে জোকার

অবিশ্বাস্য ভাবে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের(Australian Open) সেমিফাইনালে পৌঁছলেন নোভাক জকোভিচ(Novak Djokovic)। পরপর দুই সেটে হার। তৃতীয় সেটেও পিছিয়ে ছিলেন। কোয়ার্টার ফাইনালেই হয়ত মরসুমের প্রথম গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের আশা শেষ হয়ে যেত জোকারের। কিন্তু সেখানেই তাঁকে বাঁচাল ভাগ্য। হঠাৎই চোট পান জকোভিচের প্রতিপক্ষে থাকা লরেঞ্জ মুসেত্তি(Lorenzo Musetti)। আর সেই চোটই শেষপর্যন্ত ওয়াকওভার দিতে বাধ্য হন ইতালির এই তরুণ খেলোয়াড়। এতেই কোনওরকমে সেমিফাইনালে জায়গা পাকা করে ফেললেন জকোভিচ(Novak Djokovic)। ম্যাচ শেষে জোকার(Novak Djokovic) নিজেও খানিকটা হতবাক। তিনি তো বলেই ফেললেন, এই ম্যাচটাই নাকি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে(Australian Open) নিজের শেষ ম্যাচ ধরেও নিয়েছিলেন। যদিও শেষপর্যন্ত ভাগ্য দেবতার সৌজন্যে পৌঁছে গেলেন মরসুমের প্রথম গ্র্যান্ডস্লামের সেমিফাইনালে। এমন ভাগ্যের জোরেই জোকার কেরিয়ারের ২৫ তম গ্র্যান্ডস্লামটাও এবার জিতে নেন কিনা সেটা তো সময়ই বলবে। এদিন শুরুর দিকে কিন্তু বেশ আক্রমণাত্মক ছিলেন জকোভিচ(Novak Djokovic)। প্রথম সেটে ২-০-এগিয়েও গিয়েছিলেন শুরুর দিকে। কিন্তু ম্যাচের বয়স ২০ মিনিট পেড়োতেই ধীরে ধীরে রাশ নিজের দখলে নিতে থাকেন লরেঞ্জ মুসেত্তি। প্রথম সেটে ৪-৬ এবং দ্বিতীয় সেটেও ৩-৬ গেমে হারেন নোভাক জকোভিচ। তৃতীয় সেটেও পিছিয়ে পড়েন পুরুষদের বিভাগে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্লামের মালিক। সেই সময়ই পায়ের চোটে হঠাৎই বিরতি নেন মুসেত্তি। শুরু সেখানেই চিকিৎসা। সময় এগোতে থাকলেও, মুসেত্তি কিন্তু কোর্টে ফিরতে পারেননি। এরপরই শেষপর্যন্ত ওয়াকওভার দিয়ে দেন তিনি। ম্যাচ শেষে জোকারও নিজেকে আর থামিয়ে রাখতে পারেন না। তিনি বলেই ফেলেন, “আমি তো ভেবেই ফেলেছিলাম আজ রাতেই এখান থেকে ব্যাগ প্যাক করে বেড়িয়ে যেতে হবে”।
হরিয়ানার বিরুদ্ধে চার স্পিনারে খেলবে বাংলা

হরিয়ানায় স্পিনিং ট্র্যাক। আর সেই কথা মাথায় রেখে চার স্পিনারেই মাঠে নামছে বাংলা দল(Bengal Cricket Team)। কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেও, হরিয়ানার বিরুদ্ধে এই ম্যাচকে একেবারেই হাল্কাভাবে নিচ্ছে না বঙ্গ শিবির। সেভাবেই দল সাজাচ্ছে বঙ্গ ক্রিকেটের কোচ লক্ষ্মীরতম শুক্লা(Laxmiratan Shukla)। হরিয়ানার বিরুদ্ধেও তাদের জয়ের ধারা অব্যহত রাখতে চায় বাংলা(Bengal Cricket Team) শিবির। সেভাবেই হল শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ঘরের মাঠে সার্ভিসেসের(Services) বিরুদ্ধে দলের পেসারদের ওপরই ভরসা করেছিল বাংলা। কিন্তু এখানে পিচ সম্পূর্ণ আলাদা। পিচে যথেষ্ট টার্নিং রয়েছে। সেই কারণে দলের ব্যাটিংয়ে কোনও পরিবর্তন না আনলেও, বোলিং বিভাগে কিন্তু বেশ পরিবর্তন আনছে বাংলা শিবির। গত ম্যাচে চার পেসারে খেললেও, এই ম্যাচে দুজন পেসারেই যেতে চলেছে বাংলা। অর্থাৎ চার স্পিনার এবং দুই পেসারে খেলবে বঙ্গ শিবির। সেক্ষেত্রে মহম্মদ সামি এবং আকাশদীপ থাকলেও, হয়ত বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে মুকেশ কুমারকে। বাংলার স্পিন ব্রিগেডও বেশ শক্তিশালী। শাহবাজ আহমেদ রয়েছে। সেইসঙ্গে হরিয়ানার বিরুদ্ধে এই ম্যাচে রোহিতকে খেলাতে চলেছে বাংলা টিম ম্যানেজমেন্ট। এছাড়া শাহবাজ তো ভালো ছন্দেই রয়েছেন। কোয়ার্টার ফাইনালে নামার আগে দলের মোমেন্টাম বজায় রাখাই এখন বাংলা শিবিরের কাছে প্রধান লক্ষ্য। একইসঙ্গে দলের কিছু বদল এনে ক্রিকেটারদের ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখেও নিতে চাইছেন। তবে গত ম্যাচে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখেছিলেন সুদীপ, অভিমন্যু ঈশ্বরণ থেকে সুদীপ ঘরামিরা। সেই জায়গায় কোনওরকম বদল আনছে না বঙ্গ ব্রিগেড।
বড় রানের ধারা বজায় রাখতে প্রস্তুত সুদীপ, ছয় পয়েন্টের লক্ষ্যেই বাংলা

গত ম্যাচে বাংলার সেরা ক্রিকেটার হয়েছিলেন তিনি। সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের(Sudip Chatterjee) ব্যাট থেকেই সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে এসেছিল ২০৯ রানের দুর্ধর্ষ একটা ইনিংস। সেই ইনিংসটা যে হরিয়ানার বিরুদ্ধে(Hariyana VS Bengal) নামার আগে সুদীপ চট্টোপাধ্যায়কে(Sudip Chatterjee) বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও হরিয়ানার বিরুদ্ধে নামার আগে সার্ভিসেসের(Services) সেই পারফরম্যান্সটা একেবারেই মনে রাখতে চাইছেন না সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর সাফ কথা হরিয়ানার বিরুদ্ধেও তিনি শূন্য থেকেই শুরু করছেন। গত ম্যাচে ঘরের মাঠে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে বোনাস পয়েন্ট পেয়ে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে আগেই পৌঁছে গিয়েছে বাংলা(Bengal Team)। যদিও এই ম্যাচকে একেবারেই হাল্কাভাবে নিচ্ছেন সুদীপ(Sudip Chatterjee)। হরিয়ানার ঘরের মাঠেও নিজের পারফরম্যান্সের ছাপ রাখতে চান তিনি। সেভাবেই তো নিজেকে প্রস্তুতও করছেন তিনি। প্রথম দিন মাঠ ভেজা থাকায় সেভাবে অনুশীলন করতে পারেনি বাংলা দল। কিন্তু নিজেকে তৈরি করে চলেছেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। তবে গত ম্যাচের দ্বিশতরানটা যে তাঁকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে তাও বলতে দ্বিধা করলেন না সুদীপ। ম্যাচের আগে সুদীপ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “দেখো একজন ব্যাটসম্যানের কাছে বড় রান করাটা যে সবসময়ই ভালো অনুভূতি দেয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে এখন সেটা আমার কাছে অতীত। নতুন ম্যাচ, সবকিছু নতুন করে শুরু করা। গত ম্যাচে আমার যো ফোকাস ছিল, এই ম্যাচেও হরিয়ানার বিরুদ্ধে সেই একই লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামব”। একইসঙ্গে তাদের এবারের রঞ্জি ট্রফিতে(Ranji Trophy) সাফল্যের পিছনে অন্যতম প্রধান কারণ হিসাবে পূর্ণশক্তির দল নিয়ে মাঠে নামাটা যেমন মনে করছেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। তেমনই এই মুহূর্তে দল যে উইনিং রিদিমে রয়েছে সেটাও ধরে রাখাটা তাঁর কাছে প্রধান চ্যালেঞ্জ। সুদীপ জানান, “আমরা প্রতি ম্যাচে যে মানসিকতা নিয়ে নামছি, হরিয়ানার বিরুদ্ধেও সেই মানসিকতাই বজায় রাখতে হবে। বিশেষ করে আমরা একটা জয়ের রিদিমের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। সেটাই হরিয়ানার বিরুদ্ধেও ধরে রাখতে হবে। তবেই আমাদের সাফল্য আসবে”।
অজিৎ পাওয়ারের অকাল প্রয়ানে শোকপ্রকাশ সচিনের

বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী অজিৎ পাওয়ার(Ajit Pawar)। তাঁর হঠাৎ মৃত্যুতে রাজনীতি মহলে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনই ভারতীয় ক্রিকেট মহলেও শোকের ছায়া। সোশ্যাল মিডিয়াতেই অজিত পাওয়ারের উদ্দেশ্যে শেষ শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করলেন সচিন তেন্ডুলকর(Sachin Tendulkar)। মহারাষ্ট্রের এই নেতার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবেও ভালো সম্পর্ক ছিল সচিন তেন্ডুলকরের(Sachin Tendulkar)। তাঁরই মৃত্যুতে শোকাহত মাস্টার ব্লাস্টার। মঙ্গলবারই বারামতিতে একটি বৈঠক করার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার সময়ই তাঁর ব্যক্তিগত বিমানে হঠাৎ করেই গলযোগ দেখা দেয়। বারামতি বমান বন্দরে আপৎকালীন অবতরনের ব্যবস্থা করা হলেও শেষরক্ষা হয়নি। তাঁর আগেই ক্র্যাশ করে অজিত পাওয়ারের বিমান। আর তাতেই বিমানে অজিত পাওয়ার সহ যারা ছিলেন সকলেই প্রাণ হারান। এমন ঘটনায় শোকস্তব্ধ সচিন তেন্ডুলকর(Sachin Tendulkar)। টুইটারেই শেষশ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতে সচিন তেন্ডুলকর জানিয়েছেন, “শ্রী অজিৎ পাওয়ারের অসময়ে চলে যাওয়াটা সত্যিই মেনে নিতে পারছি না। মানুষের জন্য কাজ করতেন এমন একজন নেতাকে আজ মহারাষ্ট্র হারাল। আমার তরফ থেকে তাঁর প্রতি শেষশ্রদ্ধা”। এদিন অজিত পাওয়ারের সঙ্গে সেই বিমানে ছিলেন দুজন পাইলট সহ দুজন নিরাপত্তারক্ষীও। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির হয়ে রাজনীতির ময়দানে নেমেছিলেন অজিত পাওয়ার। এই বারামতি থেকেই সাতবার এমএলএ হয়েছেন অজিত পাওয়ার। সম্প্রতি বিজেপির সঙ্গে জোট সরকারের উপ মুখ্যমন্ত্রী পদেও ছিলেন তিনি। আসন্ন জেলা পরিষদের নির্বাচনের জন্যই প্রচারে যাচ্ছিলেন অজিৎ পাওয়ার(Ajit Pawar)। কিন্তু সেখানেই ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। আর তাতেই শেষ সবকিছু।