টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের প্রধান অস্ত্র বেছে নিলেন কুম্বলে

হাতে আর মাত্র ১০টা দিন এরপরই টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) মঞ্চে নামবে ভারত। তার আগেই ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারকে বেছে নিলেন অনিল কুম্বলে(Anil Kumble)। না জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah) বা অন্য কোনও পেসার নন। আসন্ন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের তুরুপের তাস হতে চলেছেন বরুণ চক্রবর্তী(Varun Chakraborty)। বিশেষ করে শিশির সমস্যায় ভারতের ত্রাতার ভূমিকায় দেখা যাবে বরুণকেই, মনে করছেন অনিল কুম্বলে(Anil Kumble)। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সেই সময় যে শিশিরের একটা সমস্যা থাকবে বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ করে সেটাই বোলারদের কাছে অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে। অনিল কুম্বলে মনে করছেন অন্যান্য স্পিনাররা এতে সমস্যায় পড়লেও, বরুণ চক্রবর্তী কোনওভাবেই সমস্যায় পড়বেন না। বরং এই সময় ভারতের প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠতে পারেন তিনি। কুম্বলের মতে, “আমার মনে হয় না বরুণ চক্রবর্তীর বোলিংয়ে শিশির কোনওরকম বাধা দিতে পারবে বলে। হ্যাঁ শুকনো অবস্থায় অন্য ব্যপার। কিন্তু ভেজা বলে বরুণের সমস্যা হবে না বলেই মনে হয়। বিশেষত তাঁর বলের গ্রিপিং এবং যেভাবে গতিতে বরুণ বোলিং করেন”। সম্প্রতি ভারতীয় দলের হয়ে স্পিনার হিসাবে বেশ সাফল্য পাচ্ছেন কুলদীপ যাদব, অক্ষর পটেলরা। কিন্তু ভেজা বলে তাদের সকলকেই বেশ সমস্যায় পড়তে দেখা গিয়েছে। সেখানেই বরুণ চক্রবর্তীর অ্যাডভান্টেজ অনেকটাই বেশি বলে মনে করছেন তিনি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায় সকলে।
কেরালার তৃতীয় বিদেশি স্পেনের মাতিয়াস

৪৮ ঘন্টার মধ্যে তৃতীয় বিদেশিও সই করিয়ে ফেলল কেরালা ব্লাস্টার্স(Kerala Blasters)। গোকুলামের মাতিয়াস হার্ণান্ডেজকে(Matias Hernandez) সই করাল এবার কেরালা ব্লাস্টার্স। স্ট্রাইকার, উইঙ্গার নেওয়া হয়ে গেলেও, ডিফেন্সিভ মিড ফিল্ডের পজিশনটয় একজন বিদেশির খোঁজে ছিল তারা। সেখানেই গোকুলামের(Gukulam Fc) এই তরুণ স্প্যানিশ ফুটবলারকে দলে তুলে নিয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স(Kerala Blasters)। মঙ্গলবারই সেই কথা ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সের তরফে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে এবারের আইএসএল(ISL)। দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে এই মরসুমে আইএসএল হচ্ছে। সেখানেই স্বল্প মেয়াদের চুক্তিতেই এই স্প্যানিশ ফুটবলারকে দলে তুলে নিল কেরালা ব্লাস্টার্স। তিনি মাঠে নেমে প্রতিপক্ষকে রুখতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে সেটা তো অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মাতিয়াসকে(Matias Hernandez) নিয়ে উচ্ছ্বসিত কেরালা ব্লাস্টার্স। তাদের তরফে জানানো হয়েছে, “মাতিয়াস এমন একজন ফুটবলার যিনি এই ভারতীয় কন্ডিশনে নিজেকে খুব ভালোভাবেই মানিয়ে নিয়েছেন এবং সেইসঙ্গে বিভিন্ন পজিশনেও নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি”। স্পেনে অনুর্ধ্ব-২১ ফুটবল দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। এরপর নানান ডিভিশনের ক্লাবেই খেলেছেন মাতিয়াস হার্নান্ডেজকে। ২০২৪ সালে তিনি স্পেন ছেড়ে দেন। এমনকী ডিপিএমএম এফসির ব্রুনেই কাপ জয়েরও অন্যতম নেপথ্য কারিগড় ছিলেন মাতিয়াস। এরপরই গোকুলাম এফসিতে যোগ দিয়েছিলেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। সেখানেও বেশ সাফল্যের সঙ্গেই খেলেছেন তিনি। এখনও পর্যন্ত ভারতের মাটিতে সব মিলিয়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেছেন এই ২৮ বর্ষীয় মাতিয়াস। এবার আইলিগ থেকে সরাসরি আইএসএলে সুযোগ পেয়েছেন মাতিয়াস। সেখানেও তিনি সাফল্য পান কিনা সেটাই দেখার।
শর্ত সাপেক্ষে টি-২০ বিশ্বকাপের অ্যাক্রিডিটেশন বাংলাদেশকে

বাংলাদেশের সাংবাদিকদের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের(Accreditation Card) জন্য নতুন করে কাজ করা শুরু করেছে আইসিসি(ICC)। গত সোমবারই বিশ্বকাপ কভারের জন্য বাংলাদেশের(Bangladesh) অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের আবেদন বাতিল করে দিয়েছিল ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। এরপরই শুরু হয়ে গিয়েছিল হৈচৈ। যদিও আইসিসির(ICC) তরফে জানানো হয়েছে যে বাংলাদেশ নিয়মের থেকে অনেক বেশিই আবেদন করেছিল। সেই কারণেই বাতিল হয়েছিল। এবার নতুন করে সবকিছু দেখেই অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড দেওয়ার পদ্ধতি শুরু হবে। আইসিসির সাফ জবাব কোনও দেশেরই ৪০-এর বেশি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড নেওয়ার অধিকার নেই। এমনকি যে দেশে বিশ্বকাপ হচ্ছে তাদেরও তাই। কিন্তু বাংলাদেশ সেই নিয়ম ভেঙে প্রায় ১০০-এর ওপর আবেদন করেছিল। আর সেই কারণেই নাকি তাদের সঙ্গে এমনটা করা হয়েছে। কয়েকদিন আগেই টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে বাংলাদেশ। এরপরও অবশ্য তাদের দেশের সাংবাদিকরা বিশ্বকাপ কভার করার জন্য অ্যাক্রিডিটেশন আবেদন করেছিল। আর সেই সংখ্যাটা ১০০-এরও বেশি ছিল। সেখানেই তারা নিয়ম ভেঙেছে বলেই বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা ম্যাচ কভার করার সুযোগ পাবে না এমনটা একেবারেই নয়। তবে সেটা হবে সম্পূর্ণ নিয়ম মেনেই।
হরিয়ানার বিরুদ্ধে নামার আগে বাংলার প্রস্তুতিতে বাধা বৃষ্টি

হরিয়ানার বিরুদ্ধে নামার আগে বৃষ্টিই বাধা বাংলার(Bengal Team)! গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে হরিয়ানার বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে নামছে বঙ্গ ব্রিগেড। সেই কারমে হাতে কিছুটা সময় নিয়েই সেখানে পৌঁছে গিয়েছিল লক্ষ্মীরতম শুক্লার(Laxmiratan Shukla) দল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়া এবং বৃষ্টির জন্য সেভাবে প্রস্তুতিই সারতে পারল না বঙ্গ ব্রিগেড(Bengal Team)। হাল্কা অনুশীলন করেই মাঠ ছাড়তে হল মহম্মদ সামি(Mohammed Shami), মুকেশ কুমার(Mukesh Kumar) থেকে অভিমন্যু ঈশ্বরণ(Abhimanyu easwaran), সুদীপ চট্টোপাধ্যায়দের(Sudip Chatterjee)। ঘরের মাঠে সার্ভিসেসকে হারিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা পাকা করে ফেলেছে বঙ্গ ব্রিগেড(Bengal Team)। ধারেভারে হরিয়ানার বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেই নামছেও তারা। যদিও প্রতিপক্ষকে একেবারেই হাল্কাভাবে নিতে নারাজ বাংলা শিবির। কারণ জয়ের ধারা অব্যহত রাখাই যে তাদের কাছে এখন পাখির চোখ। সেই কারণেই তো মঙ্গলবারের প্রস্তুতিটা বাংলার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত দুদিন প্রবল বৃষ্টি হওয়ায় প্রস্তুতির মাঠ ভিজে রয়েছে। আর সেই কারণেই পরিকল্পনা থাকলেও সেভাবে প্রস্তুতি সারতে পারেনি লক্ষ্মীরতন শুক্লার দল। হাল্কা অনুশীলন সেরেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। তবে বুধবার মাঠের পরিস্থিতি ভালো হয়ে যাবে বলেই আশাবাদী সকলে। সেদিনই হরিয়ানা বধের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সারবে বঙ্গ ব্রিগেড। সেইসঙ্গে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন মহম্মদ সামি, শাহবাজ আহমেদ থেকে সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। শেষ ম্যাচে দ্বিশতরান করেছিলেন সুদীপ চট্টোপাধ্যায়। হরিয়ানার বিরুদ্ধেও যে বাংলার অন্যতম প্রধান ভরসা হবেন তিনি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিশ্বকাপের আগে গম্ভীরকে নিয়ে বিস্ফোরক মনোজ তিওয়ারি

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ব্যর্থ হলেই গৌতম গম্ভীরকে(Gautam Gambhir) কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিৎ। বিশ্বকাপ শুরুর দু সপ্তাহ আগে হঠাৎই বিস্ফোরক মনোজ তিওয়ারি(Manoj Tiwary)। এই মুহূর্তে ভারতীয় দল ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ(INDvNZ) খেলছে। সেই সিরিজ ইতিমধ্যেই ভারতীয় দল জিতে গিয়েছে। এবার তাদের সামনে রয়েছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup)। তার আগে গম্ভীরকে নিয়ে ক্রিকেট মহলে নানান আলোচনাই বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে। সেখানেই এবার বেশ খানিকটা বিস্ফোরক প্রাক্তন ক্রিকেটার মনোজ তিওয়ারি(Manoj Tiwary)। গৌতম গম্ভীরের(Gautam Gambhir) হাত ধরে এই মুহূর্তে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে কার্যত অপরাজেয় হয়ে উঠেছে ভারত। কিন্তু বাকি ফর্ম্যাটে সেভাবে একেবারেই ভালো পারফরম্যান্স করতে পারছে না ভারতীয় দল। যেমন ইতিমধ্যেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের আশা শেষ হয়ে গিয়েছে ভারতের। ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের কাছে ৪০৮ রানের বিরাট ব্যবধানে হেরেছিল ভারত। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও টেস্টে চূড়ান্ত নাকাল হয়েছিল গম্ভীরের ভারত। ইংল্যান্ডে ড্র করতে পারলেও, গম্ভীরের(Gautam Gambhir) কোচিং নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। ওডিআই ফর্ম্যাটেও সেভাবে পারফর্ম দেখাতে পারছে না ভারত। সদ্যই ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের কাছে হারতে হয়েছে মেন ইন ব্লুজ ব্রিগেডকে। তারপর গম্ভীরের স্ট্র্যাটেজি নিয়ে বহু প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছিল। এবার গম্ভীরকে সরাসরি অপসারণের দাবীই তুললেন মনোজ তিওয়ারি। তিনি জানিয়েছেন, “গৌতম গম্ভীর যদি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিতে না পারে, সেক্ষেত্রে তাঁকে নিয়ে চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিসিসিআই। বোর্ডের সচিব যদিও বলেছেন যে গম্ভীরকে নাকি একেবারে চুক্তি শেষ পর্যন্ত রাখা হবে। কিন্তু ২০২৬ সালের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যদি ভারত জিততে না পারে, তবে তাঁকে সরিয়ে দেওয়াই হবে”।
বিশ্বকাপের হাতছানি, কেমনভাবে ইতিহাস গড়বে ভারত

ভারতীয় ফুটবলে নতুন এক ইতিহাস তৈরির হাতছানি। দেশের মেয়েদের(India Womens Football Team) হাত ধরেই ভারতীয় ইতিহাসে তৈরি হতে পারে নতুন অধ্যায়ের। আর সেই মঞ্চ থেকে মাত্র কয়েক ধাপ দূরেই এখন রয়েছে ভারতীয় মহিলা ফুটবল দল(India Womens Football Team)। এশিয়া কাপ ২০২৬ সালে নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করতে পারলেই প্রথমবার ভারত ফিফা বিশ্বকাপ খেলবে। অর্থাৎ প্রথম ছয়ের মধ্যে থাকতে পারলেই বিশ্বকাপে ভারত। আর সেই স্বপ্নেই এখন বিভোর গোটা ভারত। ভালভার্দের(Amelia Valvarde) মহিলা ভারতীয় দল নিয়ে এখন থেকেই যেন বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছে সকলে। আগামী মার্চ মাসে এএফসি এশিয়া কাপে(AFC Asia Cup) নামবে ভারতীয় দল। ১২ দলের এই প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনালে পৌঁছতে পারলেই ইতিহাস তৈরি করবে ভারত(India Womens Football)। প্রথমবার ফিফা বিশ্বকাপের দড়জা খুলে যাবে তাদের জন্য। রাস্তাটা যদিও খুব একটা সহজ নয়। কিন্তু একেবারে যে অসম্ভব নয়, তা বলাই যায়। বিশেষ করে চলতি মরসুমে ভারতীয় মহিলারা যেভাবে নিজেদের পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে তাতে সেই অসম্ভব সম্ভব হলে অবাক হওয়ার মতো কিছুই থাকবে না। ছেলেদের দল যখন এশিয়া কাপে যেতে ব্যর্থ, সেই সময়ই নিজেদের দুরন্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে এশিয়া কাপের মঞ্চে নিজেদের জায়গা পাকা করে ফেলেছে ভারতীয় মহিলা দল। তাদের গ্রুপে কঠিন দল রয়েছে ঠিকই, কিন্তু ভারতও যে কঠিন লড়াই দিতে প্রস্তুত তাও বেশ স্পষ্ট। এশিয়া কাপের মঞ্চে কোন জায়গায় পৌঁছলে বিশ্বকাপের দড়জা খুলবে ভারত। সেই নিয়েই চলছে নানান হিসাব নিকাশ। ভারতীয় মহিলা দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার হিসাব-নিকাশঃ- ১. মহিলাদের এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে যদি ভারতীয় দল পৌঁছে যায়, তবে বিশ্বকাপের ছাড়পত্র সরাসরি পেয়ে যাবে তারা। ২. আবার ভারতীয় দল যদি সেমিফাইনালে না পৌঁছতে পারল না। সেইসঙ্গে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেও সেখানে হেরে গেল। তবেও কিন্তু বিশ্বকাপে পৌঁছনোর ছাড়পত্র রয়েছে তাদের কাছে। বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের জন্য আরও একটি বিশেষ স্পট রয়ছে। সেখানেই প্লে-ইন ম্যাচ খেলতে হবে। সেখান থেকেও যোগ্যতা নির্ণয় করতে পারবে ভারতীয় মহিলা ফুটবল দল। ৩. প্লে-ইনেও যদি ব্যর্থ হয়, তবুও ভারতেও সামনে থাকছে বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের সুযোগ। ইন্টার কনফেডারেশন প্লেঅফে সুযোগ পাবে তারা। সেখানে জিততে পারলেও বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা করে ফেলবে টিম ইন্ডিয়া। এশিয়া থেকে ছটি দল যাবে। আর বিশ্বকাপের প্রধান যোগ্যতা অর্জনের পর্বই এখন এশিয়া কাপ। সেখানে পৌঁছে গিয়েছে ভারতীয় দল। তবে তাদের লড়াইটাও বেশ কঠিন। কারণ ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছ জাপান, ভিয়েতনাম ও চাইনিজ তাইপেই। জাপানের সঙ্গে ভারতীয় মহিলাদের দলের পরিসংখ্যান কিন্তু একেবারেই ভালো নয়। ২০২৩ সালেই প্রথমবার জাপানের সঙ্গে সাক্ষাত হয়েছিল ভারতের। সেখানেই তারা জাপানের কাছে ৭-০ গোলে হেরে গিয়েছিল। একইরকম ভাবে ভিয়েতনামের সঙ্গেও কিন্তু পরিসংখ্যানে পিছিয়েই রয়েছে ভারতীয় মহিলা ফুটবল দল। কারণ ভিয়েতনামের বিরুদ্ধে একবারের সাক্ষাতে ভারত হেরেছিল ৩-১ গোলে। তবে এই ম্যাচে একটি গোল অবশ্য দিতে পেরেছিল ভারতীয় মহিলা দল। এই দুই দেশের তুলনায় চাইনিজ তাইপেইয়ের সঙ্গে ভারতের পরিসংখ্যান খানিকটা ভালো। তিনবারের সাক্ষাতে তাদের কাছে দুটি ম্যাচ হারলেও, একটি ম্যাচে জিতেছে ভারত। দুজনের ম্যাচে সব মিলিয়ে গোল হয়েছে সাতটি। সেখানে চাইনিজ তাইপেই যদি চারটি গোল করে, তবে ভারতেরও গোলের সংখ্যা ৩। সম্প্রতি এশিয়া কাপের যোগ্যতা অর্জনের পর্বে ভারত দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিল। এমনকি এশিয়া কাপের প্রস্তুতিতেও তুরস্কে সুইৎজারল্যান্ডের এফসি শিলেরেন ওমেন দলের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে জিতেছিল ভারত। ম্যাচের ফলাফল ২-১। সেই ম্যাচে ভারতের হয়ে গোল করেছিলেন অঞ্জু তামাঙ এবং গ্রেস দাংমেই। সেইসঙ্গে ভারতীয় মহিলা দলের নতুন কোচ হয়ে এসেছেন অ্যামিলিয়া ভালভার্দে। তাঁর হাত ধরেই তো ভেনেজুয়েলার মতো দল মহিলাদের বিশ্বকাপে পৌঁছে গিয়েছিল। এবার সেই ভালভার্দে ভারতেরও প্রধান কোচ। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার।
অভিষেকের কাছে ব্যর্থতার কারণ দর্শালেন কিউই কোচ

দেশের হয়ে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে নামার পর থেকেই দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ভারতীয় দলের তরুণ ক্রিকেটার অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। কার্যত তাঁর সামনে দিশাহারা হয়ে পড়ছেন নিউ জিল্যান্ডের(New Zealand) তারকা খচিত বোলিং লাইনআপ। কেন এমন হচ্ছে সেই নিয়েই এবার মুখ খুললেন নিউ জিল্যা্ন্ডের বোলিং কোচ জেকব ওরাম(Jacob Oram)। অভিষেক শর্মার(Abhishek Sharma) অতি আগ্রাসী ক্রিকেটই নাকি তাদের বোলারদের সাফল্যের পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তৃতীয় টি টোয়েন্টিতেও নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। শেষ ম্যাচে মাত্র ১৪ বলে অর্ধশতরান করে নয়া রেকর্ড গড়েছেন তিনি। সেখানেই মাত্র ২০ বলে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেছিলেন অভিষেক শর্মা। সেখানেও শেষপর্যন্ত ক্রিজে টিকে ছিলেন এবং তাঁর ব্যাট থেকে দেখা গিয়েছে একের পর এক বড় শটের ঝলক। অভিষেক শর্মার এই পারফরম্যান্সটাই এবার মুগ্ধ করছেন খোদ জেকব ওরামকে। অভিষেকের বিরুদ্ধে তাদের ব্যর্থতার কথা বলতে গিয়ে ওরাম জানান, “উত্তরটা খুবই সহজ। বিশেষ করে তাঁর স্ট্রাইকরেটের দিকে তাকালেই তো বোঝা যায়। তিনি যেমন আগ্রাসী ক্রিকেট খেলেন, সেখানেই কাজটা সত্যিই অত্যন্ত কঠিন। সেই পরিস্থিতিতে অভিষেকের দুর্বলতা খুঁজে বের করাটা আরও কঠিন একটা কাজ।“ নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এখনও দুটো ম্যাচ রয়েছে। সেখানেও যে অভিষেক নিজের এই ধারাই বজায় রাখবে তাও বেশ স্পষ্ট। একইসঙ্গে বিশ্বকাপেও ভারতীয় দলের ওপেনিংয়ের দায়িত্বে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। সেখানেও অভিষেকের ব্যাট থেকে এমনই বড় রানের ঝলক দেখার অপেক্ষায় সকলে।