আইএসএলের সম্ভাব্য সূচী প্রকাশ্যে, কলকাতা ডার্বি ৩ মে

অবশেষে আইএসএলের(ISL) সম্ভাব্য সূচী প্রকাশ করল ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। সেখানেই ১৪ ফেব্রুয়ারি কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে আইএসএলে(ISL) যাত্রা শুরু করছে মোহনবাগান। আইএসএলের উদ্বোধনী ম্যাচই হবে কলকাতায়। একইসঙ্গে যে ম্যাচ নিয়ে সবচেয়ে বেশি কৌতূহল। সেই কলকাতা ডার্বি হবে ৩ মে। সব মিলিয়ে মোট ৯১টি ম্যাচ হবে এই মরসুমের আইএসএলে(ISL)। যদিও এটা সম্ভাব্য সূচী হিসাবেই জানানো হয়েছে ফেডারেশনের তরফে। যারা সম্প্রচারকারী সত্ত্ব নেওয়ার জন্য বিড করবেন তাদের কথা মাথায় রেখেই এই সূচী প্রকাশ করা হয়েছে। পরবর্তীতে এই সূচী পরিবর্তন হলেও হতে পারে। তবে একটা খসড়া যে তৈরি হয়ে গিয়েছে তা এদিন ঘোষণা করে দিল খোদ ফেডারেশনই। এখনই শুধুই চূড়ান্ত সূচী ঘোষণা হওয়ার অপেক্ষায় সকলে। প্রতিবারের মতোই এবারও শুধুমাত্র সপ্তাহের শেষ দুটো দিনই হবে ডাবল হেডার ম্যাচ। এছাড়া এদিন ভেন্যুও প্রকাশ্যে এসেছে। নিজেদের ১৩টা ম্যাচই যুবভারতী স্টেডিয়ামে খেলবে মোহনবাগান। ইস্টবেঙ্গলও তেমনটাই খেলবে। একইসঙ্গে মহমেডান তাদের চারটি ম্যাচ খেলবে জামশেদপুরে। আবার সেই মাঠই হোমগ্রাউন্ড জামশেদপুরের। অন্যদিকে দিল্লি এবং পঞ্জাব জওহরলাল স্টেডিয়ামে খেলবে। সেখানে দিল্লি খেলবে ছটি ম্যাচ এবং পঞ্জাব খেলবে সাতটি ম্যাচ। ওড়িশার পাশাপাশি ইন্টারকাশিও তাদের ছটি হোম ম্যাচ খেলবে কলিঙ্গ স্টেডিয়ামেই।
বাংলাদেশকে ভুল পথে চালিত করেছে পাকিস্তান, স্পষ্ট বার্তা রাজীব শুক্লার

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup) খেলবে না বাংলাদেশ। আর তার জন্য বেশিরভাগ দায় যে পাকিস্তানের, তা বলতে এবার দ্বিধা করলেন বোর্ডের সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা(Rajeev Shukla)। তাঁক সাফ জবাব বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কটের পথে সবচেয়ে বেশী উতসাহ যুগিয়েছিল পাকিস্তান। তাদের ভুল পথে চালানোর জন্যই যে বাংলাদেশের এখন এই অবস্থা তাও বলতে দ্বিধা করলেন না তিনি। সম্প্রতি ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে নিরাপত্তার কথা তুলেছিল বাংলাদেশ। এমনকি তাদের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে দেওয়ার দাবীও জানিয়েছিল বাংলাদেশ। কার্যত মুস্তাফিজুরকে আইপিএল খেলতে না দেওয়ার জন্যই এমন দাবী তারা জানিয়েছিল। যদিও তাদের কথায় একেবারেই আমল দেয়নি আইসিসি। বাংলাদেশকে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হলেও শেষপর্যন্ত নিজেদের সিদ্ধান্তে তারা অনড় থাকলে, বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকেই এবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) ডাকা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই এবার মুখ খুলেছেন রাজীব শুক্লা(Rajeev Shukla)। বাংলাদেশের না খেলার সিদ্ধান্তকে সমর্থণ করেছিল পাকিস্তান। এমনকি তারা এও বলেছিল যে বাংলাদেশ না খেললে নাকি পাকিস্তানও খেলবে না। তাতেও আরও বেশি সোচ্চ্বার হয়েছিল বাংলাদেশ। যদিও পরবর্তীতে পাকিস্তান বিশ্বকাপ খেলতে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশের আর বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতেই রাজীব শুক্লা(Rajeev Shukla) জানান পাকিস্তানের তাদের ভুল পথে চালিত করার জন্যই নাকি বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি। এমনকি বিসিসিআই সবসময়ই চেয়েছিল বাংলাদেশ আসুক। তাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থাও জোরদার হবে জানানো হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশ আসেনি। শুক্লা বলেন, “আমরা চেয়েছিলাম তারা খেলতে আসুক। এমনকি তাদের নিরাপত্তার যে কোনওরকম সমস্যা হবে তাও বলা হয়েছিল। যদিও তারপরও বাংলাদেশ না আসার সিদ্ধান্তেই অনড় ছিল। এই বিষয়ে পাকিস্তানের প্রবেশের কোনও কারণই নেই। তবুও তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশকে মিথ্যা আশ্বাস দেখিয়ে তাদের ভুল পথে চালিত করেছে। তাদেরকে আরও বেশি করে প্রভোক করেছে পাকিস্তান।“
শেষ দুটো টি টোয়েন্টিতেও নেই তিলক বর্মা, বাড়ছে জল্পনা

কথা থাকলেও শেষপর্যন্ত নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজে নামতে পারছেন না তিলক বর্মা। অর্থাত্ নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও শেষ দুটো টি টোয়েন্টি ম্যাচে খেলার সুযোগ পেলেন শ্রেয়স আইয়ার। আর তিলক বর্মার না খেলার কথাটাই কিন্তু ফের একটা নতুন জল্পনাও তৈরি করে দিল। তিনি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে রয়েছেন। সেখানে তিলক বর্মাকে দেখা যাবে তো। বিজয় হাজারে ট্রফি খেলার সময়ই চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন তিলক বর্মা। সেই সময় থেকেই তাঁকে নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। এরপর অবশ্য সফলভাবেই তিলক বর্মার অস্ত্রোপচার হয়েছিল। শোনা গিয়েছিল প্রথম দিকের কয়েকটা ম্যাচ খেলতে না পারলেও, নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজে পরের দিকে খেলতে পারেন তিলক বর্মা। যদিও শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। এই মুহূর্তে রিহ্যাব সারছেন বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে তিলক বর্মা। সেখানে তাঁর ফিজিক্যাল ট্রেনিংও শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু ব্যাট হাতে মাঠে নামেননি। শোনাযাচ্ছে ঝুঁকি এড়াতেই নাকি তাঁকে এই সিরিজে খেলানো হচ্ছে। একেবারে ৩ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় শিবিরে যোগ দেবেন তিলক বর্মা। এরপর প্রস্তুতি ম্যাচে নাকি খেলবেন তিনি। কিন্তু শেষ দুটো টি টোয়েন্টি থেকে ছিটকে যাওয়া নিয়ে অনেকেই কিন্তু প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। বিশেষ করে তিনি বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন তো? এই জল্পনাই এখন তুঙ্গে পৌঁছেছে। যদিও টিম ম্যানেজমেন্ট অবশ্য তিলক বর্মাকে নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী।
পিএসজির ফুটবলার এবার কেরালা ব্লাস্টার্সে

আইএসএল(ISL) শুরু হতে আর বেশিদিন বাকি নেই। সবকটি ফ্র্যাঞ্চাইজিই এবার জোরকদমে দল গোছানোর কাজ শুরু করে দিয়েছে। এবার প্যারি সাঁজায়(PSG) খেলা বিদেশিকে দলে নিল কেরালা ব্লাস্টার্স(Kerala Blasters)। পিএসজি-বি দলের হয়ে খেলা ফরাসি ফুটবলার কেভিন ইয়োকে-কে(Kevin Yoke) দলে নিল কেরালা ব্লাস্টার্স। ইউরোপের মাটিতে ইতিমধ্যে ৮৪টি ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে ২৯ বর্ষীয় এই ফুটবলারের। এবার তাঁকেই দলে নিল কেরালা ব্লাস্টার্স। লেফট উইঙ্গার হিসাবে তিনি খেললেও, দুই উইংয়েই নাকি বেশ স্বচ্ছন্দ এই ফরাসি ফুটবলার। গ্রিসের ক্লাবের পাশাপা্শি খেলেছেন ফ্রান্সের অন্যতম সেরা ক্লাব প্যারি সাঁজা-বি দলের হয়ে। সেই দলের হয়ে আক্রমণ তৈরি করার পাশাপাশি চারটি গোলও এসেছে তাঁর ঝুলিতে। প্যারি সাঁজা-বি দলের হয়ে ২২টি ম্যাচ খেলেছেন কেভিন ইয়োকে(Kevin Yoke)। প্যারি সাঁজা থেকে লে মান্স এফসিতে গিয়েছিলেন তিনি। যদিও সেখানে খুব একটা বেশিদিন খেলেননি। এরপরই ফের গ্রীসের ক্লাবে ফিরে গিয়েছিলেন কেভিন। এই এক মরসুমের জন্যই আপাতত তাঁর সঙ্গে চুক্তি করেছে কেরালা ব্লাস্টার্স।
ইস্টবেঙ্গলের পথে জেরি, অনুশীলনে ফিরছেন আনোয়ার

ইউসুফের পাশাপাশি অন্য কোনও বিদেশি নেওয়া হবে কিনা তা নিশ্চিত না হলেও, ভারতীয় উইঙ্গার কার্যত পাকা করেই ফেলল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। ওড়িশা এফসির জেরিকেই(Jerry) এবার দেখা যেতে চলেছে লাল-হলুদ জার্সিতে। কয়েকদিন আগেই তিনজন উইঙ্গারকে বেছে নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হেড অব ফুটবল থংবোই সিংটো(Thangboi Sinto)। কথাবার্তাও শুরু হয়ে গিয়েছিল। উইঙ্গার হিসাবে ওড়িশার জেরিকেই সই করাতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। বিদেশি স্ট্রাইকারের পাশাপাশি দলের উইং সমস্যাটাও মেটাতে চাইছিল তারা। ওড়িশার জার্সিতে জেরির(Jerry) পারফরম্যান্সও ছিল নজর কাড়া। সেই জেরিই এবার লাল-হলুদ জার্সিতে মাঠে নামতে চলেছেন। সরকারী ঘোষণা হওয়াটা এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। ওড়িশার হয়ে প্রথম মরসুম থেকেই দুরন্ত ছন্দে ছিলেন জেরি। গোল করানোর দক্ষতা যেমন রয়েছে, তেমনই নিজেরও গোল করার দক্ষতা রয়েছে এই ভারতীয় তারকার। একসময় সেরা যুব উইঙ্গারও হয়েছিলেন তিনি। লাল-হলুদের উইং আক্রমণে জেরি যে শক্তি অনেকটাই বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে ৩১ জানুয়ারি থেকেই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে ফিরছেন আনোয়ার আলি। সেদিন থেকেই দলের সঙ্গে জোরকদমে প্রস্তুতিতেও নেমে পড়তে চলেছেন তিনি। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুশীলনে ছুটি ইস্টবেঙ্গলের। একটানা প্রস্তুতির পর দলের ফুটবলারদের কয়েকদিন বিশ্রাম দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ।
বিশ্বকাপের আগে সঞ্জুকে বিশেষ পরামর্শ রাহানের

টানা ব্যর্থ। চতুর্থ টি টোয়েন্টির আগে ভারতীয় দলের ওপেনার সঞ্জু স্যামসনকে(Sanju Samson) বিশেষ পরামর্শ প্রাক্তন ক্রিকেটার অজিঙ্ক রাহানের(Ajinkya Rahane)। সম্প্রতি একেবারেই ভালো ফর্মের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন না সঞ্জু স্যামসন। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও(T20 World Cup) ভারতীয় দলের ওপেনারের দায়িত্বে রয়েছেন সঞ্জু। সেই কথা মাথায় রেখেই তাঁকে বিশেষ পরামর্শ দিচ্ছেন রাহানে। তাঁর মতে অভিষেককে নকল নয়। নিজের খেলাটাই যেন সঞ্জু খেলেন(Sanju Samson), সেই কথাই বলছেন রাহানে। বিশেষ করে ঈশান কিষাণ ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করছেন। সেটাই সঞ্জুর মাথায় রাখা উচিত্ বলে মনে করছেন রাহানে। এই মুহূর্তে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজে খেলছেন সঞ্জু স্যামসন। সিরিজ ভারত জিতে গেলেও, সেখানে সঞ্জু স্যামসনের পারফরম্যান্স নিয়ে কিন্তু একটা প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে। বিশেষ করে তাঁর রান না পাওয়া। তৃতীয় ম্যাচেও সঞ্জু স্যামসন মাত্র ০ রানেই সাজঘরে ফিরেছিলেন। আর এমন পারফরম্যান্স প্রদর্শনেই যেন সিঁদূরে মেঘ দেখছেন প্রাক্তন তারকা অজিঙ্ক রাহানে। তাঁর মতে, আমাপ মনে হয় এই ক্ষেত্রে অধিনায়কের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। তাদের স্যামসনকে বলা উচিত্ যে তুমি সব ম্যাচই খেলবে। এমনকি বিশ্বকাপেও। কখনও কখনও অভিষেকের মতো ক্রিকেটার উল্টো দিকে থাকলে চাপ হয়েই যায়। আর সেই চাপ থেকেই অভিষেকের সঙ্গে নিজের পারফরম্যান্স মেলাতে চাইছেন সঞ্জু। আম বলব সঞ্জুর কারোর খেলা অনুকরণ নয়, নিজের খেলার দিকেই মনোযোগ দেওয়া উচিত্। এই সিরিজেই দুরন্ত পারফরম্যান্স করছেন আবার ঈশান কিষাণ। সেই কারণে বিশ্বকাপের আগে সঞ্জু যদি নিজের ফর্ম ফিরে না পান, তবে ঈশান যে তাঁর জায়গার দাবীদার হয়ে উঠবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সম্প্রতি শেষ ৯টি টি টোয়েন্টি ইনিংসে সঞ্জু স্যামসন করেছেন মাত্র ১০৪ রান। এমনকি শেষবার তাঁর ব্যাটে অর্ধশতরান এসেছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। যদিও তাঁকে রেখেই টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ভারত। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
বিশ্বকাপে অনিশ্চিত ওয়াশিংটন, ব্যাকআপ পরিকল্পনায় রিয়ান পরাগ

এখনও চোট সারিয়ে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি ওয়াশিংটন সুন্দর(Washington Sundar)। তাঁরই পরিবর্ত হিসাবে হিসাবে এবার রিয়ান পরাগকে(Riyan Parag) তৈরি রাখার বার্তা দেওয়া হল বিসিসিআইয়ের তরফে। এই মুহূর্তে বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে(COE) রয়েছেন রিয়ান পরাগ। তাঁকেই ব্যাকআপ হিসাবে প্রস্তুত রাখতে চাইছে বিসিসিআই(BCCI)। সেই কারণেই সেন্টার অব এক্সিলেন্সে তাঁর আপডেট জানতে চাইল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। একান্তই যদি সুন্দর(Washington Sundar) খেলতে না পারেন, সেই জায়গায় ব্যাকআপ হিসাবে এই তরুণ ক্রিকেটারকেই হয়ত দেখা যাবে। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওডিআই চলাকালীনই চোট পেয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর(Washington Sundar)। সেই থেকেই মাঠের বাইরে রয়েছেন এই তারকা অল রাউন্ডার। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল যে তিনু হয়ত শেষ তিনটি টি টোয়েন্টি সিরিজের আগেই সুস্থ হয়ে উঠবেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সময়ের থেকে বেশ খানিকটা দেরীতেই সুস্থ হচ্ছেন ওয়াশিংটন সুন্দর। হাতে সময়ই ক্রমশ কমে আসছে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে ভারতীয় দল। তার আগে ওয়াশিংটন সুন্দর সেরে উঠতে পারবে না বলেই মনে করছেন সকলে। এমন পরিস্থিতিতেই শেষপর্যন্ত অসমের রিয়ান পরাগকে তৈরি রাখতে চাইছে বোর্ড। ব্যাকআপ হিসাবেই তাঁকে রাখতে চাইছে। যদিও এই মুহূর্তের কাঁধের চোটের জন্য বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে রয়েছেন রিয়ান পরাগ। তবে শোনাযাচ্ছে চোট সারিয়ে নাকি ইতিমধ্যে নেটে ব্যাটিং এবং বোলিংও শুরু করে দিয়েছেন পরাগ। এমনকি তাঁর কাঁধের যন্ত্রনাও এখন আর নেই। রঞ্জি ট্রফির প্রথম পর্ব চলার সময়ই চোট পেয়েছিলেন রিয়ান পরাগ। প্রথমে মনে করা হয়েছিল তাঁর অস্ত্রোপচার হতে পারে। যদিও এখন সেই সম্ভাবনা নেই। সেই কারণে সবদিক বিচার করে রিয়ান পরাগকেই ওয়াশিংটন সুন্দরের ব্যাকআপ হিসাবে প্রস্তুত রাখতে চাইছে বিসিসিআই।
বিধ্বংসী ভারত, পাকিস্তানকে হুঙ্কার শ্রীকান্থের

নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্সের পরই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হুঙ্কার প্রাক্তন ভারতীয় বিশ্বকাপ জয়ী তারকা শ্রীকান্থ(Krishnamachariya Srikanth)। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কটের দাবী সমর্থণ করে পাকিস্তানও এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিয়েছিল। সেই কথা তুলেই পাকিস্তানকে খোঁচা দিলেন কৃষ্ণামাচারিয়া শ্রীকান্থ। তাঁর সাফ জবাব ভারত পাকিস্তানকে দুর্মুশ করে দেবে, সেই জন্যই তাদের বিশ্বকাপে খেলতে না আসাই উচিত্। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম তিন ম্যাচেই ভারতের দাপুটে পারফরম্যান্স। শেষ ম্যাচে তো কিউইদের বোলিং লাইনআপ নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা করল ভারতীয় দলের ব্যাটাররা। নিউ জিল্যান্ডের ১৫৪ রান মাত্র ১০ ওভারেই তুলে দিয়েছিল ভারতীয় দলয। সেই দেখার পর থেকেই উচ্ছ্বসিত সকলে। প্রাক্তন ভারতীয় তারকার মতে এমনভাবেই এবার ভারত পাকিস্তানকেও বিধ্বস্ত করবে। শ্রীকান্থ জানিয়েছেন, পাকিস্তান তোমরা সত্যিই এবার এসো না। তোমাদের মহসিন নাকভি তো অবশ্য না আসার কথাই বলছে বারবার। তোমাদের একেবারে বিধ্বস্ত করে দেব আমরা। একটা ছয় কলম্বোয় হাঁকানো হবে, সেটা পড়বে এসে মাদ্রাজে। সেই কারণেই তোমাদের কাছে সেরা অপশন এই খেলা থেকে এবার দূরে থাকা। শেষ ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ১৪ বলে অর্ধশতরান করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন অভিষেক শর্মা। সেইসঙ্গে অর্ধশতরানের ইনিংস খেলেছিলেন খোদ সূর্যকুমার যাদব। সামনের বিশ্বকাপে ভারত এমন ফর্ম ধরে রাখলে যে প্রতিপক্ষ সমস্যায় পড়তেই পারে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।