বৃহস্পতিবারও হল না আইএসএলের সূচি ঘোষণা

এখনও পুরোপুরি সূচি তৈরি করা হয়ে ওঠেনি, আর তাতেই বৃহস্পতিবার প্রকাশ হচ্ছে আইএসএলের(ISL) সূচী। প্রথমে শোনা গিয়েছিল যে এই বৃহস্পতিবারই নাকি ঘোষণা হয়ে যেতে চলেছে আইএসএলের(ISL) সূচি। কিন্তু ফেডারেশন(AIFF) সূত্রে খবর এখনই তা হচ্ছে না। কারণ এখনও নাকি তাদের বেশ কিছু রাজ বাকি রয়েছে। একদিকে যেমন ক্লাবগুলোর(ISL Clubs) ভেন্যু এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত হয়নি, তেমনই ফেডারেশন সম্ভবত ব্রডকাস্টিংয়ের ব্যপারটাও এরমাঝে সেরে ফেলতে চাইছে। সেই কারণেই তো বৃহস্পতিবারই নতুন করে সম্প্রচারকারী সংস্থার সত্ত্বের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারতীয় ফুটবল সংস্থা। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে আইএসএল(ISL)। কিন্তু তার সূচী কবে আসে তারই অপেক্ষায় এখন সকলে। ফেডারেশনের(AIFF) তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল যে চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারই হয়ত আইএসএলের সূচির ঘোষণা হয়ে যেতে চলেছে। কিন্তু তেমনটা সম্ভব হচ্ছে না। ফেডারেশন সূত্রে জানা যাচ্ছে যে এখনও পুরোপুরি সূচী তারা তৈরি করে উঠতে পারেনি। বিশেষ করে কয়েকটি ক্লাবের ভেন্যু নিয়ে এখনও পর্যন্ত নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। তা নিয়ে কথাবার্তা চলছে। একইসঙ্গে প্রথমবার না পাওয়া গেলেও, এবার আইএসএলের জন্য ফের সম্প্রচারকারী সংস্থার সত্ত্বের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারতীয় ফুটবল সংস্থা। মনে করা হচ্ছে একেবারে সেই পদ্ধতিটা সেরেই হয়ত সূচি ঘোষণার কাজটা করতে চাইছে এআইএফএফ। শেষপর্যন্ত কবে সূচী ঘোষণা হয় সেটাই দেখার।
বিশ্বকাপের আগে ইডেনের প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণে আইসিসি ও বোর্ডের দল

বৃহস্পতিবার সিএবি(CAB) পরিদর্শনে আইসিসির(ICC) পর্যবেক্ষক দল। বিশেষত সম্প্রতি বাংলাদেশ নিরাপত্তার কথা বলে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার কথা বলেছিল। সেই নিয়ে তরজা এখনও চলছে। এরইমাঝে আইসিসি(ICC) ও বিসিসিআইয়ের(BCCI) বিশেষ পর্যবেক্ষক দল ইডেন গার্ডেন্সে হাজির হয়েছিল। প্রস্তুতি কেমন হয়েছে সেটাই দেখার জন্য নাকি দুই দল এসেছিল। বিশেষ কিছুক্ষণ ধরেই চলছিল নানান জায়গা নিয়ে বিশেষ পর্যবেক্ষণ। বিশেষত সবকিছুই ভালো করে দেখেছে সেই প্রতিনিধি দল। বিশ্বকাপ(T20 World Cup) শুরু হতে খুব একটা দেরী নেই। ইডেনেও(Eden Gardens) চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সেই দেখতেই নাকি এদিন ইডেন গার্ডেন্সে এসেছিল বিসিসিআই ও আইসিসির(ICC) দল। দক্ষিণ আফ্রিকার লিগে থাকার ফলে এই মুহূর্তে কলকাতায় নেই সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সচিব এবং যুগ্ম সচিবের সঙ্গেই মাঠ সহ বিভিন্ন জায়গা দেখে দুই পর্যবেক্ষক দল। এদিন সিএবির সচিব বাবলু কোলের সঙ্গেও দীর্ঘক্ষণ বৈঠক সারেন বোর্ডের সদস্যরা। সকালে বোর্ডের(BCCI) পর্যবেক্ষক দলে এলেও, এদিন দুপুরে আসে আইসিসির(ICC) একটি দল। বিশেষত মার্কেটিং, ব্র্যান্ডিং এবং ব্রডকাস্টিংয়ের দলই আসে। সূত্রের খবর তারা নাকি ইডেনের(Eden Gardens) প্রস্তুতি দেখে যথেষ্ট খুশি। কোনওরকম বদলের কথাবার্তাও নাকি বলা হয়নি আইসিসির তরফে। এমনকি সিএবি যে প্রস্তুত সেই কথাও নাকি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আইসিসির এই দলকে। শেষ মুহূর্তের জোরকদমে চলছে ইডেন গার্ডেন্সে প্রস্তুতি। বিশ্বকাপে একটি সেমিফাইনাল নিয়ে মোট সাতটি ম্যাচ রয়েছে এবার কলকাতার এই ঐতিহ্যশালী মাঠে। তার নিরাপত্তার দিক নিয়েও কোনওরকম খামতি রাখতে নারাজ সিএবি। বৃহস্পতিবার সচিব এবং কোষাধ্যক্ষ লালবাজারে পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানেই নিরাপত্তা নিয়ে নানান আলোচনা হয়েছিল। এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ বনাম ওয়েন্ট ইন্ডিজ ম্যাচ দিয়েই ইডেনে বল গড়ানোর কথা। যদিও বাংলাদেশ খেলতে আসবে না বলেই জানিয়ে দিয়েছে। সেই জায়গায় স্কটল্যান্ডের খেলার কথাই শোনাযাচ্ছে। এখন শুধুই ইডেনের বাইশগজে বল গড়ানোর অপেক্ষা।
ইস্টবেঙ্গলের ষষ্ঠ বিদেশি নিয়ে চলছে তরজা

মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট(MBSG) শিবিরে যখন ছজন বিদেশিই রয়েছেন, সেই সময় ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) বিদেশি পাঁচজন। এই নিয়েই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) অন্দরে চলছে জোর আলোচনা। আইএসএল শুরু হওয়ার আগে ক্লাব কর্তারা চাইছেন তাদের দল ছয় বিদেশি নিয়েই নামুক। কিন্তু সেই বিদেশি নেওয়ার ক্ষেত্রে যেন একটু গড়রাজি ম্যানেজমেন্ট। আর এই নিয়েই যেন ইস্টবেঙ্গলের ভিতরে খানিকটা চাপা অসন্তোষ চলছেই। ক্লাব কর্তারা ছয নম্বর বিদেশি নিয়ে বারবার চাপ দিয়েই চলেছে। সেখানে ম্যানেজমেন্ট এখনও পর্যন্ত সবুজ সংকেত দিতে পারছে না। সম্প্রতি কস্ট কাটিংয়ের জন্য দুজন বিদেশিকেই ছেড়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। সেই জায়গায় অবশ্য একজনকে নিয়েওছে তারা। কিন্তু হামিদের জায়গায় কাকে নেওয়া হবে তা নিয়ে কোনও আপডেট এখনও পর্যন্ত নেই। কিন্তু শোনাযাচ্ছে থংবই সিংটো এবং অস্কার নাকি একজন উইঙ্গারের সঙ্গে কথাবার্তা বলেই রেখেছে। ম্যানেজমেন্ট এখনও পর্যন্ত সেভাবে রাজি না থাকলেও, যদি তাদের বাজেটের মধ্যে আসে তবে কিন্তু ইস্টবেঙ্গলে ষষ্ঠ বিদেশি হয়ে যেতেই পারে। ইতিমধ্যেই হিরোশির বদলে ইউসেফকে দলে নিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। একেবারে স্ট্রইকার হিসাবেই নেওয়া হয়েছে এই বিদেশি ফুটবলারকে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
মোহনবাগানের অভিযোগের তালিকায় এবার ফেডারেশনও

আনোয়ার(Anwar Ali) ইস্যুতে ইতিমধ্যেই কোর্ট অব অ্যার্বিট্রেশন অব স্পোর্টসের স্মরণাপন্ন হয়েছে মোহনবাগান। এবার সেখানেই মোহনবাগানের অভিযোগের তালিকায় ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনেরও নাম। ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), দিল্লি এফসির পাশাপাশি এআইএফএফ-কেও(AIFF) এই মামলায় অন্যতম অভিযোগকারী হিসাবে ক্যাসের(CAS) কাছে আবেদন করেছে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। মোহনবাগান থেকে আনোয়ারের(Anwar Ali) ইস্টবেঙ্গলে যাওয়া নিয়ে ট্র্যান্সফারের নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ বহু আগেই তুলেছিল সবুজ-মেরুন শিবির। সেই সময়ই তারা ফিফার(FIFA) দ্বারস্থ হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে ফেডারেশনকে সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ফেডারেশনকে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ফেডারেশন কিছুই সুরাহা করতে পারেনি। সেই কারণে ইস্টবেঙ্গল, আনোয়ার, দিল্লি এফসির পাশাপাশি ফেডারেশনকেও দায়ী করে ক্যাসের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মোহনবাগান। আগামী ১০ দিনের মধ্যে অভিযুক্তরা নিজেদের সালিসকার নিয়োগের সুযোগ পেয়েছে। গত মরসুমেই আনোয়ার আলির মোহনবাগান থেকে ইস্টবেঙ্গলে যাওয়া নিয়ে বিস্তর জল ঘোলা হয়েছিল। মোহনবাগান এরপরই ফেডারেশনের দ্বারস্থ হয়েছিল। তারপরই ফিফাতেও গিয়েছিল সবুজ-মেরুন ম্যানেজমেন্ট। সেখান থেকেই ফেডারেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল দ্রুত এই সমস্যার নিস্পত্তির জন্য। এমনকি ফেড়ারেশন আপিল কমিটির হাতেও গিয়েছিল ব্যপারটা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি। এরইমাঝে আবার ফেডারেশনের নতুন কমিটিএও তৈরি হয়ে গিয়েছে। ফেডারেশনের ওপর থেকে ক্রমেই আস্থা হারাচ্ছে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। শেষপর্যন্ত তারা দ্বারস্থ হয়েছে এবার ক্যাসের।
অভিষেকে মুগ্ধ গাভাসকর

দেশের জার্সিতে নেমেই ফের বিস্ফোরক অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। প্রথম ম্যাচেই নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছিলেন অভিষেক শর্মা(Abhishek Sharma)। সেইসঙ্গে ভারতীয় হিসাবে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে দ্রুততম অর্ধশতরানের মালিকও তিনি। সেই অভিষেককেই সামনে পেয়ে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন প্রাক্তন কিংবদন্তী সুনীল গাভাসকর(Sunil Gavaskar)। তিনি বলেই ফেললেন, অভিষেক অর্ধশতরান করতে যে সময় নিয়েছে, ততগুলো বল নাকি গাভাসকরের রানের খাতা খুলতেই লেগে যেত। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ম্যাচ ৪৮ রানে জিতেছে ভারত। সেখানেই দুরন্ত ফর্মে ছিলেন অভিষেক শর্মা। কার্যত ভারতের এই জয়ের পিছনে যে অভিষেক শর্মার অবদান অনস্বীকার্য তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাঁর ৩৫ বলে ৮৪ রানের ইনিংস জুড়ে শুধুই চার ও ছয়ের বন্যা। সেই অভিষেকের প্রশংসাতেই এখন গাভাসকর। অভিষেক শর্মার সামনেই তিনি বলেন, “আমি রানের খাতা খুলতে যতগুলো বল সময় নিতাম, অভিষেক শর্মা এদিন অর্ধশতরান করলেন সেই বল খেলে। পার্থক্যটা সত্যিই অনেক”। এদিন অভিষেক শর্মাও নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে বেশ খুশি। তাঁরও সাফ জবাব, সিরিজ শুরুর আগে থেকেই নাকি মানসিক ভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে রেখেছিলেন তিনি। শুরু থেকেই যে আক্রমণাত্মক ক্রিকেটটা খেলতে হবে সেটাও নাকি আগে থেকেই একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। হলও শেষপর্যন্ত সেটাই।