বড় জয় পেলেও আত্মতুষ্টির জায়গা নেই, সাফ বার্তা সঞ্জয়ের

সন্তোষ ট্রফিতে(Santosh Trophy) শুরুটা দুরন্তভাবে শুরু করল গতবারের চ্যাম্পিয়ন বাংলা(Bengal)। প্রথম ম্যাচেই নাগাল্যান্ডকে ৪-০ গোলে হারাল বাংলা। এই জয়ে দলের ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস যে বাড়তে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা যে নেই, সেটা ম্যাচ শেষেই ফুটবলারদের স্পষ্ট করে দিয়েছেন কোচ সঞ্জয় সেন(Sanjay Sen)। তাঁর সাফ বক্তব্য, ম্যাচ জয় এখন অতীত, সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে তাদের। নাগাল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই ফেভারিটের তকমা ছিল বাংলার(Bengal) গায়ে। সেভাবেই এদিন শুরু থেকে আক্রমণাত্মক মেজাজেও ছিলেন তন্ময় দাস, চাকু মান্ডিরা। দলের এই পারফরম্যান্সে সত্যিই আপ্লুত কোচ সঞ্জয় সেনও(Sanjay Sen)। ম্যাচ শেষে তিনি জানান, আমি আমার দলের খেলায় খুশি। আমি ফুটবলারদের থেকে ঠিক যেটা চেয়েছিলাম, সেটাই তারা সঠিকভাবে করেছে। তবে এটা নিয়ে থেমে থাকার সময় আমাদের নেই। এটা সবে শুরু। সামনে এখনও অনেকটা পথ এগোতে হবে আমাদের। এই ম্যাচ ভুলে এবার সামনের দিকেই তাকাতে হবে। এই ম্যাচেই প্রথমবার গোল পেয়েছেন আকিব নওয়াব এবং আকাশ হেমব্রোম। দলের স্বার্থে তাঁর গোল কাজে লাগায় আপ্লুত আকিব। এই গোল তিনি দলের উদ্দেশ্যেই উৎসর্গ করছেন। সেইসঙ্গে এই পারফরম্যান্স যাতে ধরে রাখতে পারেন সেদিকেই প্রধান নজর আকিবের।
গোল মেশিনের লাল-হলুদ জার্সিতে সাফল্যের অপেক্ষায় সকলে

হিরোশি যাওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই নতুন স্প্যানিশ কোচ ঠিক করে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। কোচ অস্কার ব্রুজোঁই খুঁজে বের করেছেন তাঁকে। কথাবার্তা পাকা। ঘোষণাটা এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু কেমন হবেন এই স্প্যানিশ স্ট্রাইকার ইউসুফ এজেজ্জারি(Yusuf Ezejjari)। তাঁর প্রোফাইলের দিকে নজর রাখলে তা কিন্তু বেশ নজরকাড়া। তিনি যেখানেই খেলেছেন গোল পেয়েছেন। তবে ইস্টবেঙ্গলে এসে তিনি সেই সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে পারবেন কিনা সেটা তো সময়ই বলবে। ইন্দোনেশিয়ার পেরসিক কেদিরির হয়ে ৩২ ম্যাচে ১৮ গোল করেছিলেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। সেইসঙ্গে লিগের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ডও হয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে যে ক্লাবেই গিয়েছেন নিজের সেরা পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। যেমন কম্বোডিয়ার ভিসাকা এফসির হয়ে ১১ ম্যাচে ১০ গোল। তেমনই সিঙ্গাপুর প্রিমিয়ার লিগে পাঁচ ম্যাচে চার গোল। আবার তানজম পাগার ইউনাইটেডের হয়ে ছয় ম্যাচে পাঁচ গোল। তাঁর প্রোফাইল দেখে সকলেই বেশ উচ্ছ্বসিত। কিন্তু যে ক্লাব থেকেই তিনি এসেছেন, সেখানে ইউসুফের পারফরম্যান্স উল্লেখযোগ্য হলেও, দলের পারফরম্যান্স কিন্তু খুবই খারাপ। যেখান থেকে তিনি এসেছেন, সেই ক্লাব তো এখন প্রায় অবনমনের আওতায়। যদিও ইস্টবেঙ্গল অবশ্য ইউসুফ এজেজ্জারিকে নিয়ে আশাবাদী।
হোম ম্যাচ দিয়েই আইএসএলে যাত্রা শুরু করতে চায় ইস্টবেঙ্গল

অ্যাওয়ে নয়, সবকিছু ঠিকঠাক চললে হোমম্যাচ দিয়েই এবারের আইএসএলে(ISL) যাত্রা শুরু করতে পারে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। খসরায় ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রথম ম্যাচ রয়েছে ১৬ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু নর্থইল্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচ অ্যাওয়ে ম্যাচ হিসাবেই খেলার কথা রয়েছে লাল-হলুদের। যদিও সেটাই পরিবর্তনের একটা শেষ চেষ্টা করে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও শোনাযাচ্ছে তারা নাকি বেশ আশাবাদীও যে প্রথম ম্যাচটা ঘরের মাঠেই খেলতে পারবে। অন্যদিকে একইসঙ্গে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচটাও অ্যাওয়ে হিসাবে খেলতে নারাজ লাল-হলুদ ব্রিগেড। তাদের সাফ বক্তব্য সেই ম্যাচ নিরপেক্ষ হিসাবে বিবেচিত হোক। অর্থাৎ মোহনবাগান গ্যালারির টাকা মোহনবাগানের এবং ইস্টবেঙ্গলের দিকেরটা তাদের জন্য। যেহেতু এবার সিঙ্গল লিগ হিসাবে খেলা হচ্ছে সেই কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। সেই ম্যাচ খসরা অনুযায়ী হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। সেই নিয়েই এখনও নাকি একটা আলোচনা চলছে। সূচী একপ্রকার প্রস্তুত হয়েই গিয়েছে। তবে কয়েকটা বিষয়ের জন্যই এখনও পর্যন্ত ঘোষণা হয়নি। যারমধ্যে ইস্টবেঙ্গলের এই সমস্যাটাও রয়েছে। তবে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট আশাবাদী যে তাদের এই দুটো বিষয় অবশ্যই ঠিক হয়ে যাবে। ঘরের মাঠ দিয়েই যাত্রাটা শুরু করতে চায় তারা।
নাইটদের নতুন ফিল্ডিং কোচ দিশান্ত

মরসুম শুরু হওয়ার আগেই নতুন ফিল্ডিং কোচ দলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স(KKR)। আলন্ন মরসুমের জন্য দিশান্ত ইয়াগনিককে(Dishant Yagnik) ফিল্ডিং কোচ হিসাবে দেখা যাবে অভিষেক নায়ার, শেন ওয়াটসনদের পাশে। রাজস্থানের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে একসময় উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। সেইসঙ্গে আইপিএলেও খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে দিশান্তের। সেখানেই ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আইপিএলের মঞ্চে ২৫টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আইপিএলের মঞ্চে দীর্ঘদিন ধরেই ফিল্ডিং কোচ হিসাবে নিযুক্ত রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি কলকাতা নাইট রাইডার্সের(KKR) ব্যর্থতার পর তাদের ফিল্ডিংয়ের দিকেও আঙুল তুলেছিলেন অনেকে। নতুন মরসুমের আগে কার্যত সেদিকেই বাড়তি নজর নাইট রাইডার্সের। সেভাবেই নিজেদের দলও গোছাচ্ছে তারা। এখনও পর্যন্ত আইপিএলের সূচী ঘোষণা হয়নি। কয়েকদিন পরই সূচি ঘোষণা হবে এই মরসুমের আইপিএলের। সেখানেই কেকেআর সাফল্য পায় কিনা সেটাই দেখার।
কলকাতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ইঙ্গিত ফেডারেশনের

জট খুলছে ভারতীয় ফুটবলের। আইএসএলের(ISL) সূচী প্রকাশ হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা। সেই সময়ই দিল্লিতে বসে প্যারালাল স্পোর্টসকে খোলামেলা সাক্ষাতকার দিলেন কেএস সত্যনারায়ন(KS Satyanarayan)। সেখানে আইএসএল(ISL), আইলিগ তো বটেই, ভারতীয় মহিলাদের বিশ্বকাপে হাতছানি নিয়েও উঠে এল নানান কথা। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে আইএসএল। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, ডার্বি(Kolkata Derby) না হলেও উদ্বোধন যে কলকাতাতেই হচ্ছে তা একপ্রকার নিশ্চিত। সূচী ঘোষণার সময়ও এল সামনে। ফেডারেশনের ডেপুটি সচিব জানান, “বুধবার বিকেল কিংবা বৃহস্পতিবারের মধ্যেই হয়ত সূচী প্রকাশিত হয়ে যাবে। এখানে সকলে একসঙ্গেই কাজ করছে। ডার্বি দিয়েই শুরু হবে কিনা সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে কলকাতায় মাঠ সবসময়ই প্রস্তুত। সেক্ষেত্রে সেখানে উদ্বোধনের একটা ম্যাচ হতেই পারে। সেইসঙ্গে প্রতিটি ক্লাবের এখন মাঠ নিয়েও নানান আলোচনা চলছে।“ একইসঙ্গে আইএসএলের(ISL) পাশাপাশি আইলিগ নিয়েও চলছে কাজ। ফেব্রুয়ারির শেষে আইলিগ নিয়েও আসতে চলেছে বড় আপডেট। ফেডারেশনের ডেপুটি সচিব সত্যনারায়ন জানান, “দেখুন আইএসএল আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে। সেই নিয়ে এই মুহূর্তে সকলে বেশ ব্যস্ত রয়েছে। একইসঙ্গে অবশ্য আইলিগ নিয়েও আমাদের কাজ চলছে। বিশেষ করে নতুন তৈরি হওয়া কমিটিরা সাজ শুরু করে দিয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষেই হয়ত আইলিগও শুরু হয়ে যেতে পারে।“ সম্প্রতি ভারতীয় পুরুষদের দলের পারফরম্যান্স নিয়ে নানান সমালোচনা চললেও, দুরন্ত গতিতে এগিয়ে চলছে মহিলাদের ফুটবল। বিশেষ করে ভারতীয় মহিলা ফুটবল দল এশিয়া কাপে নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পারলেই প্রথমবার বিশ্বকাপের দড়জা খুলে ফেলতে পারবে। ইতিহাসের অপেক্ষায় সকলেই। পুরুষদের দল ব্যর্থ হলেও, জুনিয়র দলগুলো এবং মহিলা দলগুলো দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন। বিশেষ করে তাদের সামনে রয়েছে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জনের হাতছানি। উচ্ছ্বাসের সুর শোনা গেল কেএস সত্যনায়ায়নের মুখেও।
বিশ্বকাপের আগে চূড়ান্ত পরীক্ষায় সূর্যকুমার

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) আগে চূড়ান্ত ড্রেস রিহার্সালে নামছে ভারত(India Team)। সামনে এবার নিউ জিল্যান্ড। ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। তার আগে ঘরের মাঠেই শেষ প্রস্তুতি সেরে নিতে চাইছে টিম ইন্ডিয়া। আর এটা যে একইসঙ্গে সূর্যকুমার যাদবের কাছেও বড়সড় একটা পরীক্ষা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দলের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি সূর্যকুমার যাদবের(Suryakumar Yadav) পারফরম্যান্সের দিকেও যে এখন সকলের নজর রয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সম্প্রতি প্রতিটি টি টোয়েন্টি সিরিজেই দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছে ভারত। সূর্যকুমার যাদবের(Suryakumar Yadav) নেতৃত্বে ভারত শেষ আটটি দ্বিপাক্ষিক টি টোয়েন্টি সিরিজই জিতেছে। কিন্তু শেষ কয়েকটি সিরিজে সূর্যকুমার যাদবের(Suryakumar Yadav) পারফরম্যান্স একেবারেই নজর কাড়তে পারেনি সকলের। সেটা নিয়ে কিন্তু কথাবার্তাও শুরু হয়েছে বিস্তর। এমন পরিস্থিতিতেই এই সিরিজ যে সূর্যেরও ফর্মে ফেরার মঞ্চ তা বলাই বাহুল্য। সেইসঙ্গে এই সিরিজ দিয়েই ফের ভারতীয় দলে ফিরেছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া এবং জসপ্রীত বুমরাহ। তাদেরকে দলে ওয়েলকাম জানাচ্ছেন খোদ গৌতম গম্ভীরও। ভারতের মিশন টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যে এই সিরিজ থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। সদ্যই শেষ হয়েছে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ। সেখানে আবার ২-১ ব্যবধানে হেরেছে টিম ইন্ডিয়া। যদিও টি টোয়েন্টিতে ভারতীয় দলে বেশ কিছু জায়গায় বহু পরিবর্তন এসেছে। যেমন ওপেনিংয়ে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। এছাড়া বোলিংয়ে শক্তি বাড়াবেন খোদ বুমরাহ। তবে সূর্যের ব্যাটিংয়ের দিকেই যে এখন বাড়তে ফোকাস তা বলার অপেক্ষা রাখে না।