নিঃশব্দে ব্যাডমিন্টনকে বিদায় সাইনার

হাঁটুর চোটের কাছে শেষপর্যন্ত হার মেনেই নিলেন সাইনা নেহওয়াল(Saina Nehwal)। ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানিয়ে অবসর ঘোষণা ভারতের প্রথম অলিম্পিক মেডালিস্ট ব্যাডমিন্টন তারকার। তাঁর হাঁটুর যে পরিস্থিতি হয়েছে, আর ব্যাডমিন্টন র্য্যাকেট হাতে লড়াই করা সম্ভব নয়। শেষ দুবছর কোর্টেও নামেননি তিনি। অবশেষে নিজের লম্বা কেরিয়ারে ইতি টানলেন হায়দরাবাদী তারকা শাটলার(Saina Nehwal)। মঙ্গলবারই অবসরের ঘোষণা করে দিলেন তিনি। ২০২৩ সালে শেষবার সিঙ্গাপুর ওপেনে দেখা গিয়েছিল সাইনাকে(Saina Nehwal)। এরপর থেকে আর ব্যাডমিন্টন কোর্টে দেখা যায়নি ভারতের প্রথম পদকজয়ী তারকা শাটলারকে। একের পর এক চোট আঘাতেই কার্যত তিনি জেরবার। সাইনার(Saina Nehwal) হাত ধরেই প্রথমবার ব্যাডমিন্টনে অলিম্পিকে পদক জিতেছিল ভারত। ২০১২ সালে লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন তিনি। এর ঠিক তিন বঠর পরই প্রথমবার হাঁটুতে সমস্যার দেখা দেয়। চোট পান তিনি। যদিও সেই সমস্যা কাটিয়ে ২০১৭ সালে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জেতেন। ২০১৮ কমনওয়েলথে জেতেন সোনা। কিন্তু এরপর থেকেই হাঁটুর সমস্যাটা ক্রমশই বাড়তে থাকে। বারবারই সেই সমস্যার জন্য নানান প্রতিযোগিতা থেকে নাম তুলে নিতে বাধ্য হচ্ছিলেন সাইনা নেহওয়াল। এরপরও ২০২৩ সালে শেষবার তাঁকে কোর্টে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সাফল্য পাননি। এরপরই তাঁর চিকিৎসার সময় তিনি জানতে পারেন যে কার্টিলেজের অবস্থা খুবই খারাপ। সেইসঙ্গে তাঁর আর্থারাইটিজও রয়েছে। এরপরই সিদ্ধান্তটা নিয়ে ফেলেছিলেন। সকলের সঙ্গে আলোচনার পর ঘোষণাটাও করে দিলেন সাইনা নেহওয়াল। তিনি জানিয়েছেন, “শেষ দুই বছরেই আমি ব্যাডমিন্টন খেলাটা বন্ধ করে দিয়েছি। আমি একটা জিনিস জানতাম খেলাটা যেমন নিজের শর্তে শুরু করেছি, তেমন শেষও করব নিজের শর্তে। তাই আলাদা করে ঘোষণার কোনও প্রয়োজন ছিল না। যদি খেলার মতো আর পরিস্থিতিতে না থাকো, তবে সেখানেই থেমে যাও”।
মোদির পরই সিঙ্গুরে মমতা

সিঙ্গুর থেকেই কী এবার নির্বাচনের ডাক দিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)? কয়েকদিন আগেই সিঙ্গুরে সভা করে গিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)। কয়েকদিনের মধ্যেই সিঙ্গুরে সভা এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee)। শোনাযাচ্ছে সেখান থেকেই নাকি বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কিস্তি প্রদানও শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী। শিল্পের কোনও বার্তা দেন কিনা, সেই দিকেই নজর রয়েছে সবার। কোনও বড় ঘোষণা হতে পারে বলেও জল্পনা। রবিবার সিঙ্গুরে সভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)। সেই সভার আগে স্থানীয় বিজেপি নেতারা প্রচার করেছিলেন শিল্প নিয়ে বড় বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী। আদতে সিঙ্গুরের মাটিতে শিল্প নিয়ে একটি কথাও শোনা যায়নি মোদির মুখে। কেন প্রধানমন্ত্রী শিল্প নিয়ে কোনও কথা বললেন না, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব বঙ্গ বিজেপির অন্দরে। এবার মোদির সভার পরই সেই সিঙ্গুরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী(Mamata Banerjee)। সেখানে শিল্পের কোনও বার্তা দেন কি না, সেই দিকেই নজর সবার। এদিকে ইতিমধ্যেই সিঙ্গুরে ৫০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের সিলমোহর দিয়েছে রাজ্যমন্ত্রী সভা। ১১.৩৫ একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে। কাজ শুরু হয়েছে বলেও খবর। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর সভা থেকে বাংলার আবাস যোজনার কিস্তির টাকাও প্রদান করা হবে।
৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ফেডারেশনের সূচী ঘোষণা

সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ঘোষণা হতে চলেছে আইএসএলের(ISL) সূচী। সেই ব্যপারেই আশার সুর শোনাচ্ছেন এবার ফেডারেশন(AIFF) কর্তারাও। মঙ্গলবার রাতের মধ্যেই ফেডারেশনের(AIFF) কাছে প্রস্তাবিত সূচী জমা দেবে আইএসএল ক্লাব কমিটি। সেই খসরা দেখার পরই শেষপর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। সেইসঙ্গেই আইএসএল(ISL) যে কলকাতা ডার্বি(Kolkata Derby) দিয়ে শুরু হবে না তাও একপ্রকার স্পষ্ট। গত সোমবার রাত থেকেই একটা সূচীর খসরা দেখা যাচ্ছিল বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে। সেখানেই দেখা যাচ্ছিল যে লিগ(ISL) নাকি শুরু হচ্ছে এবার কলকাতা ডার্বি দিয়ে। আবার সেই সূচী নিয়েও নাকি খানিকটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল বিভিন্ন ক্লাবেদের মধ্যে। এরপরই ফেডারেশন(AIFF) সূত্রে জানানো হয় যে সূচীর খসরা ঘুরে বেড়াচ্ছে তা নাকি সম্পূর্ণই ভুল। এমন কোনওকিছুই এখনও পর্যন্ত ফেডারেশনের হাতে আসেনি। ফেডারেশন এবং ক্লাবগুলো মিলেই এবার সূচী প্রস্তুত করছে। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী বৃহস্পতিবারই আইএসএলের সূচী ঘোষণা হয়ে যেতে চলেছে। শোনাযাচ্ছে কলকাতা ডার্বি দিয়ে লিগ শুরু না হলেও, লিগের প্রথম ম্যাচ নাকি কলকাতাতেই হতে চলেছে। তাও আবার দুই প্রধানের মধ্যে কোনও এক প্রধানের ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে এবারের আইএসএল। মঙ্গলবার রাতের মধ্যেই চূড়ান্ত খসরা ক্লাবেরা পাঠিয়ে দেবে ফেডারেশনের কাছে। এরপরই আইএসএলের সূচী ঘোষণা করে দিতে চলেছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন।
তিন ফুটবলার সই ইন্টারকাশির

এই মরসুমেই আইএসএলে অভিষেক করতে চলেছে ইন্টারকাশি(Interkashi)। প্রথম মরসুমেই নিজেদের পারফরম্যান্সে কোনওরকম খামতি রাখতে নারাজ। তারই প্রস্তুতিতে এবার তিনজন দেশীয় তারকা ফুটবলারদের দলে তুলে নিল ইন্টারকাশি(InterKashi)। সেখানেই নিশু কুমার(Nishu Kumar), জয়েশ রানে(Jayesh Rane) এবং সেইমেনলেন ডঙ্গেলকে একসঙ্গে সই করিয়ে নিল ইস্টারকাশি। এখনও আইএসএলের সূচী ঘোষণা হয়নি। তার আগেই অবশ্য দল গোছাতে নেমে পড়েছে এই নতুন দলটি। জয়েশ রানা থেকে নিশু কুমারদের আইএসএলে অভিজ্ঞতা প্রচুর। বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে আইএসএল(ISL) চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন তিনি। সেইসঙ্গে খেলেছেন ইস্টবেঙ্গল, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো তারকা দলের হয়ে। এবার সেই নিশু কুমারকেই দলে তুলে নিয়েছে ইন্টারকাশি। একইসঙ্গে তাদের দলে এসেছেন জয়েশ রানেও। মুম্বই সিটি এফসি সহ এটিকে এবং চেন্নাইয়িন এফসির হয়ে আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে জয়েশ রানের। সেটাই এবার কাজে লাগাতে চাইছে ইন্টারকাশি। ইতিমধ্যেই এই তিন ফুটবলারকে তুলে নিয়ে সকলকে চমকে দিয়েছে তারা। একইসঙ্গে নতুন বিদেশি ফুটবলার বাছাইয়ের পর্বও চলছে তাদের। কয়েকদিনের মধ্যে নুন বিদেশিদের নামও ঘোষণা করে দিতে পারে ইন্টারকাশি।
শুনানিতে হাজিরা দিলেন মহম্মদ সামি, আবারও ডাক পড়লে আসার বার্তাও

এসআইআর-এ(SIR) ডাকা হয়েছে মহম্মদ সামিকে(Mohammed Shami)। সেই নিয়েই হৈচৈ পড়ে গিয়েছিল। রঞ্জি ট্রফির(Ranji Trophy) শিবির যোগ দেওয়ার আগেই এসআইআরের শুনানিতে ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। সেখানেই শুনানিতে জমা দিলেন প্রয়োজনীয় তথ্যও। একইসঙ্গে শুনানি শেষে এসআইআরের পক্ষেই যেন খানিকটা কথা বললেন ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। গোটা রাজ্য জুড়ে চলছে এখন এসআইআরের(SIR) শুনানি প্রক্রিয়া। সেখানেই ডাক পড়েছিল মহম্মদ সামিরও(Mohammed Shami)। যদিও সেই সময় তিনি বাইরে ছিলেন। আর সেই কারণের কথা জানিয়েই কয়েকদিন তাঁর শুনানিটা পিছিয়ে দিতে বলা হয়েছিল। মঙ্গলবারই স্বর্ণময়ী বিদ্যালয়ে শুনানিতে হাজিরা দিলেন মহম্মদ সামি। সেখানেই সামি জানান, “আমার মনে হয় না এসআইআর কারোর ক্ষতি করবে বলে। ভোটার লিস্টে নিজের নাম তুলতে সবকিছু সংশোধনের দায়িত্ব তো আমাদের নিজেদেরই। তারা আমাকে ফোন করেছিলেন, আমারও এখানে আসতে কোনওরকম সমস্যা ছিল না। সবকিছু ঠিকঠাক ভাবেই হয়েছিল। এখানে আমি প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে রয়েছি। আমাকে যদি আবার ডাকে আবার আসব”। ভারতীয় দলে সুযোগ না পেলেও এই মুহূর্তে বাংলার হয়ে খেলছেন মহম্মদ সামি। তাদের হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্সও প্রদর্শন করছেন সামি। বিজয় হাজারে শেষ হওয়ার পর এবার রঞ্জি ট্রফিতে নামবেন তিনি। সোমবারই কল্যাণীতে বাংলা শিবিরেও যোগ দিলেন তিনি।
ছুটি নয়, সিরিজ শেষ হতেই রঞ্জি ট্রফিতে শুভমন গিল

কোনওরকম কুলিং অফ নয়। ভারতীয় দলের ওডিআই সিরিজ শেষ হওয়ার পরই রঞ্জি ট্রফি(Ranji Trophy) খেলতে পঞ্জাব শিবিরে যোগ দিলেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। নিউ জিল্যান্ডের(New Zealand) কাছে শেষ ম্যাচে হারের পরই ইন্দোর থেকে সরাসরি রাজকোটে পৌঁছে যান তিনি। পঞ্জাবের(Punjab) রঞ্জি ট্রফি(Ranji Trophy) প্রস্তুতিতে যোগ দিয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। বিশ্রাম ভুলে নিজের ফর্ম ফিরে পেতেই এখন মরিয়া এই তরুণ ক্রিকেটার। রঞ্জিতে শুভমন(Shubman Gill) কেমন পারফরম্যান্স করেন সেদিকেই এখন তাকিয়ে সকলে। গত রবিবারই শেষ হয়েছে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ। সেখানে ব্যাট হাতে একেবারেই সফল নন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। এমনকি শেষ ম্যাচেও মাত্র ২৩ রানেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছিল তাঁকে। শুভমন গিলের(Shubman Gill) পারফরম্যান্স নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই নানান সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও তাঁর খারাপ ফর্ম অব্যহত থাকার পর। এই পরিস্থিতিতেই এবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতের টেস্ট ও ওডিআই দলের অধিনায়ক। সামনেই রয়েছে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ এবং টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দুটো দলেই সুযোগ হয়নি শুভমন গিলের। সেই সময়টা একেবারেই কুলিং অফে কাটাতে নারাজ ভারতীয় দলের এই তরুণ অধিনায়ক। শোনাযাচ্ছে তিনি নাকি সরসারি ইন্দোর থেকে পৌঁছে গিয়েছেন রাজকোটে। সেখানেই রঞ্জি ট্রফিতে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে পঞ্জাব দল। নিজের ফর্ম ফিরে পেতে আবারও সেই রঞ্জি ট্রফির মঞ্চকেই বেছে নিয়েছেন শুভমন গিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত তিনি সাফল্যের সঙ্গে ফের ফিরতে পারেন কিনা সেটাই এখন দেখার।
বিশ্বকাপে শ্রেয়সের সম্ভাবনা উড়িয়ে ফিরছেন তিলক বর্মাই

নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজে ভারতীয় দলে সুযোগ পেলেও, বিশ্বকাপের(T20 World Cup) জন্য দড়জা খুলছে না শ্রেয়স আইয়ারের(Shreyas Iyer)। শোনাযাচ্ছে চোট সারিয়ে এখন অনেকটাই সুস্থতার পথে তিলক বর্মা(Tilak Verma)। তিনি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেলে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতীয় স্কোয়াডে যে তিনিই থাকবেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শ্রেয়স আইয়ারকে(Shreyas Iyer) কার্যত স্টপগ্যাপ হিসাবেই রাখছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। বিজয় হাজারে ট্রফি(Vijay Hazare Trophy) চলাকালীনই চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছিলেন তিলক বর্মা(Tilak Verma)। সেই জায়গাতেই সুস্থ হয়ে ফেরার পর ভারতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। ওডিআই দলের পর নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি দলেও তাঁর ডাক পড়েছে। তিলক বর্মার অনুপস্থিতিতেই তাঁকে ভারতের টি টোয়েন্টি দলেও নেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই শুরু হয়েছিল নতুন জল্পনা। বিশেষ করে শ্রেয়স আইয়ারের ভারতের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়ার কথাবার্তা শুরু হয়েছিল। তবে এখন শোনাযাচ্ছে সেই সম্ভাবনা নাকি খুবই কম। কারণ নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ শেষ হওয়ার আগেই নাকি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে উঠতে চলেছেন তিলক বর্মা। আর তিনি যে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে ভারতীয় দলের তিন নম্বর পজিশনে অন্যতম প্রধান ভরসা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অর্থাৎ ভারতীয় দলে ফিরলেও, বিশ্বকাপে এখনই শিঁকে ছিঁড়ছে না শ্রেয়স আইয়ারের।
এ প্লাস ক্যাটগরি থেকে সরতে চলেছেন বিরাট ও রোহিত

বোর্ডের(BCCI) বার্ষিক চুক্তিতে এবার পদ হারাতে চলেছেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli) ও রোহিত শর্মা(Rohit Sharma)! সবকিছু ঠিকঠাক চললে তেমনটাই নাকি হতে চলেছে। শোনাযাচ্ছে অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন ভারতীয় নির্বাচক কমিটি নাকি এ প্লাস ক্যাটাগরি সরানোর প্রস্তাবই এবার দিয়েছে। যদিও এখনই কোনওরকম সিদ্ধান্ত হয়নি। বোর্ডের(BCCI) আগামী অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকেই নাকি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে এই বিষয় নিয়ে। এতদিন পর্যন্ত বোর্ডের চুক্তিতে চারটি ক্যাটাগরি ছিল। সেখানেই এ প্লাস ক্যাটাগরিতে ছিলেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli), রোহিত শর্মা(Rohit Sharma), জসপ্রী বুমরাহ এবং রবীন্দ্র জাদেজা। কিন্তু এই মুহূর্তে টেস্ট এবং টি টোয়েন্টি থেকে সরে গিয়েছেন রোহিত ও বিরাট। তাদের যে ক্যাটাগরি থেকেও সরিয়ে দেওয়া হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তারা যেহেতু শুধুমাত্র ওডিআই ফর্ম্যাটে রয়েছেন সেই কারণে তাদের এ প্লাস ক্যাটাগরি থেকে বি ক্যাটাগরিতেই এবার নামিয়ে দেওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে। শোনাযাচ্ছে তাদের সরিয়ে দেওয়াই নয়, এই ক্যাটাগরিটাই নাকি বন্ধ করে দিতে চলেছে বিসিসিআই। এতদিন পর্যন্ত এ প্লাস ক্যাটাগরিতে যাকরা থাকতেন তারা বার্ষিত পেতেন ৭ কোটি টাকা। এরপর ছিল A,B,C- এই তিন ক্যাটগরি।