SIR-এ গ্রাহ্য এবার মাধ্যমিকের অ্যাডমিট, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

এসআইআর(SIR) চলার মাঝেই বড়সড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court)। কয়েকদিন আগেই দেওয়া নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে কার্যত নস্যাৎ করে এবার মাধ্যমিকের অ্যাডমিটকে(Madhyamik Admit Card) গণ্য করার সিদ্ধান্ত জানাল সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court)। সেইসঙ্গে বিলএলএদেরও শুনানির সময় থাকার নির্দেশ একপ্রকার দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন(Election Comission) একটি নোটিশ জারি করেছিল। যেখানে বলা হয়েছিল যে শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড কোনওরকম নথি হিসাবে গ্রহণ হবে না। তাদের বেঁধে দেওয়া যেকটি নথির উল্লেখ রয়েছে সেটাকেই মান্যতা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। এরপর থেকেই রাজ্য জুড়ে একটা উৎকন্ঠা দেখা গিয়েছিল। বিশেষ করে শুনানির জন্য সাধারণ মানুষের নাকাল হওয়ারই একটা অভিযোগ বারবার উঠছিল। এবার সেই বিষয়েই বিশেষ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court)। এসআইআর শুনানিতে এবার মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও গ্রাহ্য করতে হবে। অন্যদিকে বিএলএদেরও এবার প্রবেশাধিকার হল হিয়ারিংয়ের সময়। কারণ সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার সময় ভোটাররা চাইলে যে কোনও একজনকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন। তিনি যদি বিএলএ হন, তাতেও আপত্তির কিছু নেই। অর্থাৎ এবার শুনানিতে থাকার অনুমতি পেলেন বিএলএরা।
চার ভেন্যুতে এবার আইএসএল!

খরচ বাঁচাতে হোম নয়, অ্যাওয়ে ম্যাচই এখন খেলতে চাইছে আইএসএলের বেশিরভাগ ক্লাব(Isl Clubs)। আর তাতেই চেয়েও যেন সময় মতো আইএসএলের(ISL Fixture) সূচী ঘোষণা করতে পারছে না ফেডারেশন। গত সপ্তাহেই তাদের সূচী ঘোষণা করার কথা ছিল। কিন্তু নতুন সপ্তাহ পড়ে গেলেও সুচী হয়নি। কারণ মোহনবাগান(MBSG), ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), পঞ্জাব, দিল্লি এবং গোয়া বাদ দিয়ে কোনও ক্লাবই সেভাবে হোম গ্রাউন্ডের ব্যবস্থা করতে পারছে না। বিশেষত হোম গ্রাউন্ড করার যে খরচ, সেটাও নাকি এই পরিস্থিতিতে বহন করার মতো জায়গায় তারা নেই। এমনিতেই সময়ের থেকে এত দেরীতে লিগ হচ্ছে। ক্লাবগুলো(ISL Clubs) কস্টকাটিংয়ের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতি হোম গ্রাউন্ডের খরচটাও যে অনেক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেটা বাঁচাতেই নর্থইস্ট, মুম্বই, কেরালা ব্লাস্টার্স সহ চেন্নাইয়িন এফসি অ্যাওয়ে ম্যাচই খেলতে চাইছে। সেই তালিকায় রয়েছে বাংলার আরেক প্রধান মহমেডানও। অন্যদিকে ইন্টারকাশি মাঠ পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু তারাও খেলতে চাইছে না সেখানে। ফেডারেশনকে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলার কথাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এই সমস্যাতেই সূচী তৈরিতে খানিকটা সমস্যায় পড়েছে ফেডারেশন। শেষপর্যন্ত কবে লিগের সূচী ঘোষণা হয় সেটাই এখন দেখার।
ভারতের ব্যর্থতার কাকে দায়ী করছেন গাভাসকর?

নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও শেষপর্যন্ত সিরিজ হার। শেষ ম্যাচে বিরাট কোহলি(Virat Kohli) না খেলতে পারলে ভারতের হার আরও লজ্জাজনক হতেই পারত। ১-২-এ সিরিজ হারের পরই ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার সুনীল গাভাসকর(Sunil Gavaskar) মুখ খুলেছেন। কোনও একজন বিশেষ ব্যক্তিকে তিনি অভিযোগ দিতে নারাজ। তবে ভারতের কয়েকজন ফিল্ডারের খারাপ পারফরম্যান্সটাই যে ভারতের হারের অন্যতম প্রধান কারণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সুনীল গাভাসকরের(Sunil Gavaskar) মতে নিউ জিল্যান্ডকে বারবার রান রোটেট করতে দেওয়াটাই ভারতের এই ব্যর্থতার পিছনে অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গাভাসকর বলেন, আমি আলাদা করে কারোর নাম নিতে চাই না। কিন্তু কেউ কেউ সিঙ্গলস রান নিতে নিউ জিল্যান্ডকে অনেক বেশি সাহায্য করেছেন। রোহিত শর্মা যেমন দ্রুত ছিলেন, তেমনই বিরাট কোহলি মাঠে কতটা ভাল একজন অ্যাথলিট তা আমরা ভালো ভাবেই জানি। সুনীল গাভাসকর আরও বলেন, তবে আমি আরও একটা জিনিস মনে করি যে ফিল্ডিংটা আরও বেশি অ্যাক্টিভ হওয়া প্রয়োজন ছিল।
৩৭ দিন পর জামিন পেলেন মেসি ট্যুরের সংগঠক শতদ্রু দত্ত

যুবভারতী কান্ডের ৩৭ দিন পর জামিনে মুক্তি পেলেন ক্রীড়া সংগঠক শতদ্রু দত্ত(Satadru Dutta)। শোনাযাচ্ছে ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে নাকি ছাড়া পেয়েছেন তিনি। তবে সেইসঙ্গে একাধিক শর্ত সাপেক্ষেই ছাড় পেলেন ভারতে লিওনেল মেসি ট্যুরের প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্ত(Satadru Dutta)। জামিনে তিনি ছাড়া পেলেও এই মুহূর্তে কলকাতার বাইরে যেকে পারবেন না তিনি। একইসঙ্গে তাঁর সমস্তরকম নথিও জমা রাখতে হবে। গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতায় মেসি(Lionel Messi) ট্যুরের সময়ই যুবভারতী স্টেডিয়ামে চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায়। লিওনেল মেসিকে মাঠে দেখতে না পেয়ে গ্যালারী থেকেই সমর্থকরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন। বহু টাকার টিকিট কেটেও, মাঠে অত্যাধিক ভিড় থাকার ফলে তারা সকলেই কার্যত মেসিকে দেখা থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতেই যুবভারতী পরিণত হয়েছিল রণক্ষেত্রে। এরপরই এই ট্যুরের প্রধান উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে(Satadru Dutta) বিমান বন্দর থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁকে ছাড়াই চলেছিল মেসির বাকি সফরটা। প্রথমে পুলিশ কাস্টডি এবং তারপর জেল হেফাজত হয়েছিল শতদ্রু দত্তের। পরপর কয়েকটি প্রচেষ্টায় ব্যর্থ হলেও, শেষপর্যন্ত সপ্তাহের শুরুতেই জামিনে মুক্ত হলেন শতদ্রু দত্ত। যদিও অনেক শর্তসাপেক্ষেই এবার মুক্তি পেয়েছেন শতদ্রু দত্ত। এই পরিস্থিতিতে অবশ্য শহর ছাড়তে পারবেন না তিনি।
বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে না খেলার বার্তা পাকিস্তানেরও!

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup) যত এগিয়ে আসছে ততই যেন নাটকের পারদ চড়ছে। বাংলাদেশের(Bangladesh) বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আইসিসির(ICC) অবস্থান যখন শক্তিশালী, সেই সময় নতুন নাটক শুরু পাকিস্তানের(Pakistan)। এবার বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে তারাও বিশ্বকাপ না খেলার দাবী করেছে। কোনওরকম চাপ নয়। বাংলাদেশের দাবীকে সম্মান জানানো উচিৎ বলেই মনে করছেন তারা। সেইসঙ্গেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড সূত্রে জানানো হয়েছে যদি বাংলাদেশ বিশ্বকাপ না খেলতে পারে, তবে পাকিস্তানও নাকি বিশ্বকাপের মঞ্চে নামবে না। সম্প্রতি মুস্তাফিজুর রহমানকে(Mustafizur Rahaman) আইপিএলে(IPL) খেলতে না দেওয়া নিয়ে ফুটছে বাংলাদেশ। ভারতের মাটিতে তাদের নিরাপত্তার কথা বলে বিশ্বকাপের ভেন্যু বদলের দাবীতে সোচ্চ্বার হয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যদিও এরপরই আইসিসির কঠিন বার্তা গিয়েছিল তাদের বিরুদ্ধে। সেখানেই জানানো হয়েছে যে বাংলাদেশ যদি না খেলে, তবে তাদের পরিবর্তে অন্য কোনও দলকে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ করে দেওয়া হবে। এরপরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড হঠাৎই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশকে যদি খেলতে না দেওয়া হয় তবে নাকি পাকিস্তানও নাম তুলে নেবে। শোনাযাচ্ছে বাংলাদেশ এই পরিস্থিতিতে নাকি পাকিস্তানের কাছে পাশে দাঁড়ানোর বার্তা পাঠিয়েছিল। সেই ডাকেই সাড়া দিয়েছে এবার পাকিস্তান। একইসঙ্গে শোনাযাচ্ছে পাকিস্তান নাকি আইসিসির কাছেও বার্তা পাঠিয়েছে। সেখানে নাকি কোনও দলের বিরুদ্ধে এমনভাবে হুমকি কিংবা কঠোর মনোভাব খেলা নিয়ে দেখানো উচিৎ নয়। অন্তত অংশগ্রনকারী দলের সিদ্ধান্তের মর্যাদা রাখা উচিৎ বলেই মনে করছে পাকিস্তান। এরপরই নাকি তারাও না খেলার কথা জানিয়ে সরব হয়েছে। যদিও আইসিসি নিজেদের অবস্থানে একেবারে দৃড়। তাদের সাফ বক্তব্য যদি বাংলাদেশ খেলতে না চায়, সেই জায়গায় অন্য দলই খেলবে।
বহু শর্ত দিয়ে মিডিয়া সত্ত্বের বিড আমন্ত্রণ ফেডারেশনের

আইএসএল(ISL) আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। ক্রীড়ামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে শেষপর্যন্ত জট কেটে ফুটবল মাঠে বল গড়াতে চলেছে। কিন্তু সম্প্রচার(Broadcast) কারা করবে। ফেডারেশন শেষপর্যন্ত সেই সংস্থা খুঁজে পায়নি। অবশেষে এই মরসুমের আইএসএলের(ISL) মিডিয়া সত্ত্বের(Media Rights) জন্য বিডের আমন্ত্রন করল ফেডারেশন(AIFF)। ১৮ জানুয়ারিই সেই আমন্ত্রণ প্রকাশিত হয়েছে। দীর্ঘ শর্তের উল্লেখ করেই এবারের আইএসএলের জন্য মিডিয়া সম্প্রচারকারী সংস্থা বাছতে চলেছে ভারতীয় ফুটবল সংস্থা। বিড জমা দেওয়ার শেষদিন নির্ধারিত হয়েছে আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। একইসঙ্গে ফেডারেশনের(AIFF) আমন্ত্রণে জানানো হয়েছে যেসমস্ত বিডাররা আবেদন করবে, তারা যদি এই প্রক্রিয়া সম্বন্ধে আরও পরিস্কার করে সবকিছু জানতে চান, তবে সেটা আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে ফেডারেশনের(AIFF) কাছে আবেদন করতে হবে। ২৮ জানুয়ারিই ফেডারেশনের তরফে তাদেরকে সমস্তকিছু লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে বিডারদের জন্য রয়েছে বহু শর্ত। যেমন যেই বিড করুক না কেন, সেই সংস্থার জাতীয় তো বটেই, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার ব্রডকাস্ট করার অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। সেইসঙ্গে শুধুমাত্র টিভি চ্যানেল নয়, তাদের ইন্টারনেট পরিসেবা অর্থাৎ অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম থাকতে হবে। একইসঙ্গে সেই বিড সংস্থার অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যথেষ্ট স্বচ্ছ্বন্দ হতে হবে, সেইসঙ্গে শেষ বছরের সমস্ত ফিনান্সিয়াল রিপোর্টও জমা দিতে হবে। যাতে বোঝা যায় যে তাদের এমন একটা লিগ করার মতো পরিস্থিতি রয়েছে। এই বিডিং পদ্ধতি সম্পূর্ণ হওয়ার পরই আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ফেডারেশন টেকনিক্যাল ও কমার্শিয়াল পার্টনারশিপের জন্যও বিড আমন্ত্রণ করবে অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ মে পর্যন্ত চলবে এই মরসুমের আইএসএল।
বিরাট মুকুটে উঠল নয়া পালক

বিরাট কোহলি(Virat Kohli) এখনও কেন ভারতীয় ওডিআই দলের হার্টথ্রোব তা হয়ত ফের একবার তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের(INDvNZ) বিরুদ্ধে শেষ ওডিআই ম্যাচে। একসময় যখন ভারতের অবস্থা খুবই শোচনীয় মনে হচ্ছিল, সেই সময় একা হাতে কার্যত লড়াইটা চালাচ্ছিলেন বিরাট কোহলি। ভারত হয়ত ম্যাচের সঙ্গে সিরিজ হেরে গিয়েছে। কিন্তু বিরাট কোহলি(Virat Kohli) ফের একবার সকলের মন জিতে নিয়েছে। ফের তাঁর ঝুলিতে একটা সেঞ্চুরি। সেইসঙ্গে গড়েছেন নয়া রেকর্ডও। নিউ জিল্যান্ডের(New Zealand) বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে দুরন্ত সেঞ্চুরি করার সঙ্গেই ওডিআই(ODI) ফর্ম্যাটে এখন তিনি ৫৪টি সেঞ্চুরির মালিক। এছাড়া ভেঙে দিয়েছেন প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের(Ricky Ponting) রেকর্ডও। এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটে ওডিআই ফর্ম্যাটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক এখন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সেঞ্চুরি ইনিংস খেলার সঙ্গেই বিরাট কোহলির রান এখন ওডিআই-তে ১২,৬৫২। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুরুতেই ভারতীয় দলের টপ অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। সেই জায়গা থেকেই লড়াইটা শুরু করেছিলেন খোদ বিরাট তাঁর সঙ্গী কখনও নীতিশ রেড্ডি(Nitish Reddy), আবার কখনও হর্ষিত রানা(Harshit Rana)। কিন্তু শেষপর্যন্ত একটা লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। যদিও শেষপর্যন্ত থামতে হয়েছিল তাঁকেও। কিন্তু বিরাটের এই সেঞ্চুরি ইনিংসটা নিয়েই এখন সকলের মুখে আলোচনা। সেইসঙ্গে বিরাটের মুকুটে নয়া পালকও উঠল এই ম্যাচেই।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে সময়সীমা আইসিসির

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে(BCB) এবার সময়সীমা বেঁধে দিল আইসিসি(ICC)। ভারতেই খেলতে হবে তাদের। তারই জবাব আগামী ২১ জানুয়ারীর মধ্যে দিতে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে(BCB)। নয়তো তাদের পরিবর্তে অন্য দলকে এবারের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে(T20 World Cup) খেলানোর কথা জানিয়ে দেওযা হয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার(ICC) তরফ থেকে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষায় সকলে। শোনাযাচ্ছে বাংলাদেশ যদি না খেলে সেই জায়গায নাকি স্কটল্যান্ডকে খেলানোর একটা পরিকল্পনা করে ফেলেছে আইসিসি। বিসিসিআইয়ের(BCCI) নির্দেশে কেকেআর মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সরব হয়েছে ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ না খেলার দাবী নিয়ে। যেহেতু মুস্তাফিজুরকে(Mustafizur Rahaman) নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ের কথা বলে আইপিএল(IPL) থেকে সরানোর কথা বলা হয়েছিল। সেই নিরাপত্তার বিষয় তুলেই এবার ভারতের মাটিতে না খেলার দাবীতে সোচ্চ্বার হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট। যদিও আইসিসি এইসব দাবী মানতে একেবারেই নারাজ। সম্প্রতি বাংলাদেশে আইসিসির(ICC) ডেলিগেটস দল গিয়েছিল। সেখানেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে তারা। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তাদের ম্যাচ ভারতের বাইরে অন্য কোনও দেশে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে না। বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশের খেলার ভেন্যু ইডেন গার্ডেন্স এবং ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। কিন্তু বাংলাদেশের দাবী ছিল ভারতের বাইরে তাদের খেলা দিতে হবে। এমনকি পাকিস্তানেও তাদের খেলা দেওয়া হোক সেই দাবীও তোলা হয়েছিল। যদিও আইসিসি তাদের সাফ জবাব দিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশকে। ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।