অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বিরাটের রেকর্ড ভাঙলেন সূর্যবংশী

ভারতের ১৪ বর্ষীয় বিস্ময় বালক। মাঠে নামলেই একের পর এক নতুন রেকর্ড গড়ে চলেছেন তিনি। এবার যুব ক্রিকেটে বিরাট কোহলিকেও পিছনে ফেলে দিলেন বৈভব সূর্যবংশী(Vaibhav Suryavanshi)। ভারতীয় ক্রিকেটার হিসাবে অনুর্ধ্ব-১৯ ওডিআই(U-19 World Cup) ক্রিকেটের ফর্ম্যাটে বিরাট কোহলির(Virat Kohli) রেকর্ড ভেঙে দিলেন বৈভব। সেইসঙ্গে ১০০০ রানের এলিট তালিকায় নাম তুললেন এই তরুণ ক্রিকেটার। তাঁকে নিয়েই এখন হৈচৈ। অনুর্ধ্ব-১৯ ওডিআই বিশ্বকাপের ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেমেছিল ভারত। সেখানেই ভারতের হয়ে এদিন ৭২ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। টপ অর্ডারের বাকি ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও, তাঁর ইনিংসে ভর করেই ভারত রানের গতি অব্যহত রেখেছিল। আর সেই রানের সঙ্গেই টপকে গেলেন বিরাট কোহলিকেও(Virat Kohli)। এদিন ৬৭ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন বৈভব সূর্যবংশী(Vaibhav Suryavanshi)। বিরাট কোহলির যুব ক্রিকেটে রান রয়েছে ৯৭৮। সেখানেই তিনি ২০০৬ থেকে ২০০৮ মরসুমে রান করেছিলেন ৯৭৮। ইনিংস ২৪। সেখানেই বিরাট কোহলির থেকে চারটি ইনিংস কম খেলেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন বৈভব সূর্যবংশী। এই ১৪ বর্ষীয় ক্রিকেটার এদিন যখন মাঠে নামেন সেই সময় বৈভবের যুব ক্রিকেটের ওডিআই ফর্ম্যাটে রান ছিল ৯৭৫। সেখানেই বৈভব করেন ৭২ রান। বিরাট কোহলির রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি এবার ১০০০ রানের মাইলস্টোনও ছুঁয়ে ফেলেছেন এই তরুণ সেনসেশন। শুভমন গিল, যশস্বী জয়সওয়ালদের এলিট তালিকাতে নাম তুলে ফেললেন তিনি। তাও আবার মাত্র ২০টি ইনিংস খেলে।
বেলডাঙার পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা নরেন্দ্র মোদির

নতুন বছরে রেল প্রকল্পের উদ্বোধনে রাজ্যে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)। আর সেখান থেকেই বেলডাঙার পরিস্থিতি নিয়ে এবার তৃণমূল(TMC) সরকারকে নিশানা করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে যেভাবে সাংবাদিক থেকে চিত্র সাংবাদিক নিগ্রহ হয়েছে তা নিয়েই সরব হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)। সেখান থেকেই নরেন্দ্র মোদি বলেন, “একজন মহিলা সাংবাদিককে এভাবে মারা হল! তৃণমূলের গুন্ডারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এই পরিস্থিতি বিজেপি ছাড়া আর কে বদল করবে?” ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিককে খুন, তাঁদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে দিন দুই ধরে জ্বলছে বেলডাঙা(Beldanga)। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ। রাস্তা, রেল অবরোধ। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে কার্যত গণপ্রহারের শিকার হতে হয়েছে সাংবাদিক, চিত্রসাংবাদিকদের। তাঁরা আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বেলডাঙার পরিস্থিতির সঙ্গে একইসঙ্গে এদিন অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়েও সরব হয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘‘মালদহ-মুর্শিদাবাদে অনুপ্রবেশকারীরা দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা করছে। মহিলা সাংবাদিকের উপর হামলা করা হয়েছে। তৃণমূলের এই অত্যাচার শেষ হবে একদিন, পতন ঘটবে। বাংলায় বিজেপি সরকার এলে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।’’ নির্বাচনের দিন এখনও পর্যন্ত ঘোষণা হয়নি। কিন্তু দুই শিবিরের প্রচারসভা ঘিরে এখন থেকেই উত্তেজনার পারদ যে চড়তে শুরু করেছে তা বেশ স্পষ্ট।
বিদেশি পাওয়া নিয়ে সমস্যায় ইস্টবেঙ্গল, জল্পনা প্রস্তুতি ম্যাচ নিয়েও

বিদেশি চেয়েও পাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। আইএসএলের অন্যান্য দলের যে বিদেশি তাদের পছন্দ হচ্ছে, তাদের সঙ্গে কথাবার্তা এগিয়েও শেষপর্যন্ত খালি হাতেই নাকি ফিরতে হচ্ছে লাল-হলুদ(Eastbengal) ম্যানেজমেন্টকে। কারণ একটাই। অন্যান্য ক্লাবেরা বিদেশি ছাড়তে রাজি, কিন্তু আইএসএলের(ISL) কোনও ক্লাবের জন্য নয়। বিদেশের ক্লাবের সঙ্গে কথা হলে তবেই ছাড়ছে। সে লোন হোক কী পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া। এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে প্রতিটি ক্লাবেরই ভাঁড়ারে টান রয়েছে। আর বাইরের ক্লাবে ফুটবলারদের ছাড়লে খানিকটা হলেও তারা লাভবান হবে। আর তাতেই কিন্তু বেশ সমস্যায় ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। পেরেরা দিয়াজে ইতিমধ্যেই ব্যর্থ হয়েছে তারা। অস্কার(Oscar Bruzon) নাকি চারজন ফুটবলারের নামও দিয়েছিলেন। কিন্তু পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। অর্থাৎ বিদেশি স্ট্রাইকার নিতে হলে সেই বাইরের দেশের দিকেই এখন তাকাতে হচ্ছে লাল-হলুদকে। অন্যদিকে আইএসএলের আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে চাইছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু দলই খুঁজে পাচ্ছে না। আর তার জন্য নিজেদের পলিসিও যে খানিকটা দায়ী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইস্টবেঙ্গল প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে, কিন্তু আইএসএলের কোনও দলের বিরুদ্ধে খেলবে না। সেই কারণে পঞ্জাব এফসির থেকে প্রস্তুতি ম্যাচের প্রস্তাব এলেও, তা ফিরিয়ে দিয়েছে লাল-হলুদ ম্যানেজংমেন্ট। কারণ তারা কোনও আইএসএলের দলের সঙ্গে খেলতে চায় না। আবার আগামী রবিবার তাদের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার একটি পরিকল্পনা হচ্ছিল। কিন্তু সেই ম্যাচ খেলার জন্য আবার দলও খুঁজে পাচ্ছে না। সেই কারণে রবিবারের পরিকল্পনাটাও বাতিলই করে দিতে হয়েছে ইস্টবেঙ্গলকে। শেষপর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল প্রস্তুতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ খুঁজে পায় কিনা সেটাই দেখার।
অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অধিনায়কের সঙ্গে “নো হ্যান্ডশেক” ভারতের

পাকিস্তানের পর এবার বাংলাদেশকেও বয়কটের সিদ্ধান্ত ভারতীয় ক্রিকেটারদের(Indian Cricketers)! অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের(U-19 World Cup) মঞ্চে আবারও ফিরল সেই হ্যান্ডশেক(Handshake) বিতর্কের ছবি। বাংলাদেশের অধিনায়কের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক আয়ূশ মার্তে(Ayush Mahrte)। টস-এর পর দুই দলের অধিনায়কই একে অপরের সঙ্গে সৌজন্যমূলক হ্যান্ডশেক করেন। সেখানেই এবার বাংলাদেশের অধিনায়কের সঙ্গে সেই সৌজন্য দেখালো না ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক। এই মুহূর্তে ভারত-বাংলাদেশের যে পরিস্থিতি এ যেন তারই একটা বিরাট প্রতিবাদ। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে(U-19 World Cup) ভারত বনাম বাংলাদেশ ম্যাচ শুরু হয়েছে ১৫ মিনিট দেরিতে। সেখানেই টস করতে আসেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক আয়ূশ মার্তে(Ayush Mahrte)। টসের পর সম্প্রচারকারী সংস্থাকে নিয়ম মাফিক সাক্ষাতকারও দিয়েছে। এরপরই বাংলাদেশের অধিনায়কের সঙ্গে সৌজন্য মূলক হাত না মিলিয়েই চলে যান ভারতীয় দলের অধিনায়ক। শেষবারের এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথমবার এমনভাবে প্রতিবাদ প্রদর্শন করেছিলেন ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা। তিন ম্যাচেই হ্যান্ডশেক করেননি তারা। একই কাজ মহিলাদের বিশ্বকাপে হরমনপ্রীত কৌরও করেছিলেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এবার সেই কাজটাই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের মঞ্চে করলেন ভারতের অধিনায়ক আয়ূশ মার্তেও। এই নিয়েও যে সোশ্যাল মিড়িয়াতে বেশ কথাবার্তা শুরু হয়ে গিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
অবসরের জল্পনা উড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে নামছেন জোকার

অবসরের সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেই(Australian Open) শেষ দুই বছরের খরা কাটাতে চান নোভাক জকোভিচ(Novak Djokovic)। বেশ কয়েকদিন ধরেই তাঁর অবসরের একটা কানাভুসো চলছিল। সেই প্রসঙ্গেই এবার সাফ জবাব দিলেন এই মুহূর্তে পুরুষদের বিভাগে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্লাম জয়ী তারকা টেনিস খেলোয়াড়। এই মুহূর্তে ২৪টি গ্র্যান্ডস্লাম রয়েছে নোভাক জকোভিচের(Novak Djokovic) ঝুলিতে। আর একটি জিততে পারলেই টপকে যাবেন মার্গারেট কোর্টকে। সেইসঙ্গেই বিশ্বে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ডস্লামের মালিকও হবেন তিনিই। শেষবার ২০২৩ সালে নোভাক জকোভিচ ইউএস ওপেন(US OPen) চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। সেটাই ছিল তাঁর শেষ গ্র্যান্ডস্লাম(Grandslam) জয়। এরপর থেকে অবশ্য টেনিস কোর্টে সেভাবে সাফল্য নেই নোভাক জকোভিচের। ২০২৪ এবং ২০২৫ সালে বারবার গ্র্যান্ডস্লামের সেমিফাইনালে উঠলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি তিনি। কখনও জ্যাক সিনার, কখনও আলকারাজ, জেভরেভেদের কাছে আটকে গিয়েছিলেন জোকার। সেইসঙ্গে ছিল চোট আঘাতের যন্ত্রনা। মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন প্রতিযোগিতা থেকে এই চোট আঘাতের জন্য নাম তুলে নিতে বাধ্য হয়েছিলেন নোভাক জকোভিচ। এমন পরিস্থিতিতেই তাঁর অবসর নিয়ে একটা জল্পনা আরম্ভ হয়ে গিয়েছিল। এবার সেই নিয়েই মুখ খুললেন খোদ জকোভিচ। কোনওরকম অবসরের পরিকল্পনা নেই এই কিংবদন্তীর। মরসুমের প্রথম গ্র্যান্ডস্লামে নামার আগেই জোরালো বার্তা দিলেন জকোভিচ। সেখানেই ফের একবার গ্র্যান্ডস্লামের মুকুট তাঁর মাথায় ওঠে কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।