পেরেরা দিয়াজও হাতছাড়া ইস্টবেঙ্গলের

ভারতীয় ফুটবলে পরীক্ষিত বিদেশি এখন ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) নাগালের বাইরে। তাই এবার স্পেন থেকে বিদেশি স্ট্রাইকার নিয়ে আসছেন খোদ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। কিন্তু কেন জানেন। কারণ ইস্টবেঙ্গল চাইলেও শেষপর্যন্ত পেরেরা দিয়াজকে পাওয়া যাচ্ছে না। ইস্টবেঙ্গলের দুই বিদেশি চলে যাওয়ার পর থেকেই ইস্টবেঙ্গলের প্রধান লক্ষ্য ছিল এই পেরেরা দিয়াজ(Pereira Diaz)। তাঁকে আনার চেষ্টাটাও শুরু করেছিল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মুম্বই সিটি এফসি তাঁকে না ছাড়ার সিদ্ধান্ত সাফ জানিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে আরেক বিদেশি দিয়েগো মরিসিওকেও নেওয়ার চেষ্টায় ছিল ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) থিঙ্কট্যাঙ্ক। শোনাযাচ্ছে সেখানে নাকি টাকার কারণেই পিছিয়ে আসতে হয়েছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্টকে। এমনিতেই এবার কস্ট কাটিং করছে ইস্টবেঙ্গল। সেখানেই শোনাযাচ্ছে তাদের প্রস্তাব নাকি ফিরিয়েই দিয়েছেন মরিসিও। অস্কারের হাত ধরে এবার সেই স্প্যানিশ স্ট্রাইকারই আনতে চলেছে লাল-হলুদ। হামিদ ও হিরোশি যাওয়ার পর ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) বিদেশি তো লাগবেই। তাও আবার স্ট্রাইকার। সেই চেষ্টাও শুরু হয়েছে। তবে যে দুজনকে চেষ্টা করা হয়েছিল, তারা দুজনই ভেস্তে গিয়েছে। আবার নতুন করেই বিদেশি চয়ন করছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিলেন নতুন গোলকিপার কোচ ফেলিক্স ডিসুসা। এবার থংবোই সিংটোর হাত ধরেই নতুন ভারতীয় গোলকিপার কোচ এসেছে ইস্টবেঙ্গলে।
ম্যাচ আয়োজনের জন্য সাড়ে তিনশো এআই ক্যামেরা বসানোর ভাবনা আরসিবি-র

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজনের জন্য এবার বিশেষ পদক্ষেপ নিতে চলেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু(RCB)। সেইই প্রস্তাব জানিয়েই কর্ণাটক ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কাছে আবেদনও করা হয়েছে আরসিবি-র(RCB) তরফে। শোনাযাচ্ছে প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ এআই প্রযুক্তি নির্ভর ক্যামেরা বসানোর আবেদন করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। যদিও এখনও পর্যন্ত তারা কোনওরকম অনুমোদন পেয়েছেন কিনা সেই বিষয়ে নিশ্চয়তা নেই। আরসিবি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে আয়োজিত হয়েছিল তাদের জন্য বিরাট সেলিব্রেশন উৎসব। সেখানেই দেখা দিয়েছিল চূড়ান্ত অব্যবস্থা। পদপিষ্ট হয়ে মারা গিয়েছিলেন ১১ জন সমর্থক। সেই থেকেই চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে সবরকম খেলা বন্ধ রয়েছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত টাস্ক ফোর্স কোনওরকম রিপোর্ট জমা দিচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত। সামনেই রয়েছে এবার আইপিএল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুও আইপিএলের ম্যাচ এই মাঠে খেলতে পারবে কিনা তা নিয়েও এখন জল্পনা তুঙ্গে। এমন পরিস্থিতিতেই যাতে তারা ম্যাচ এই মাঠেই আয়োজন করতে পারে সেই জন্যই বিশেষ উদ্যোগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এমনকি সেই ক্যামেরা ইনস্টলের যাবতীয় খরচ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা তারাই বহন করবে। এই এআই ক্যামেরা গুলোর সাহায্যে নাকি সমর্থকদের সমস্ত রকম গতিবিধি নজরে রাখা যাবে। সেইসঙ্গে সকলেই নাকি থাকবে ট্র্যাকারের আওতায়। একইসঙ্গে ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট করতেও সাহায্য করবে এই এআই নির্ভর ক্যামেরা।
আইএলএলের নিয়ম মিলছে না আইলিগের জন্য

আইএসএল(ISL) এবং আইলিগ(I League), দুটো লিগই ফেডারেশনের (AIFF )। কিন্তু লিগ দুটো পরিচালনার ক্ষেত্রে বিস্তর ফারাক। নিয়ম থেকে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ সবকিছুতেই আইএসএলের(ISL) থেকে সম্পূর্ণই আলাদা নিয়ম করেছে ফেডারেশন। অন্তত তাদের আইলিগের(I League) জন্য প্রস্তাবিত ফ্রেমওয়ার্ক তো সেই কথাই বলছে। আইএসএলের ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে সবচেয়ে চর্চিত বিষয় হল প্রতিটা ক্ষেত্রে ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা ফেডারেশনের(AIFF) হাতে। কিন্তু আইলিগে সেখানেই অত্যন্ত শীথিল ফেডারেশন। ব্রডকাস্ট, স্পনশরশিপ থেকে কমার্শিয়াল রাইটস, ফেড়ারেশনের সঙ্গে ক্লাবেরাও যোগার করতে পারবে। সেখানেই আইএসএলে পুরো ক্ষমতাটাই ফেডারেশন নিজেদের হাতে রেখেছে। একইরকম ভাবে আবার আইলিগ পরিচালনার খরচের ক্ষেত্রে ফেডারেশনের থেকে ক্লাবেদের দিতে হবে বেশি অর্থ। অর্থাৎ ফেডারেশন দেবে ৪০ শতাংশ টাকা। ক্লাবেরা ফান্ডিং করবে ৬০ শতাংশ। আইলিগের নতুন গভর্নেন্স কমিটিতে আবার প্রতিটি ক্লাবেরই একটি করে ভোট দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। তেমনটা কিন্তু আইএসএলের জন্য তৈরি গভর্নিং কাউন্সিলে ক্লাবেদের নেই। একইরকম ভাবে রেভিনিউয়ের ক্ষেত্রে অর্থ বন্টনের আগে কতটা টাকা উঠল সেটাই দেখা হবে প্রথমে। নানান ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে বহু নিয়মই আইএসএলের পুরো উল্টো। যেমন গভর্নিং কাউন্সিল তৈরি হয়েছে ঠিকই, কিন্তু আইলিগের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রনই থাকবে ফেডারেশনের হাতে। আইএসএল কিন্তু পরিচালনা করবে নতুন গভর্নিং কাউন্সিলই। একই ফেডারেশনের লিগ হলেও, দুটোর ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন, এই নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে।
রড লেভার এরিনায় ফিরলেন ফেডেরার

অস্ট্রেলিয়া ওপেনের আগেই কোর্টে ফিরলেন রজার ফেডেরার(Roger Federer)! না অবসর ভেঙে ফের কোর্টে ফিরছেন না। অস্ট্রেলিয়ান ওপেন(Australian Open) শুরু হওয়ার আগে একটি প্র্যাকটিস সেশনেই ফিরলেন বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বর টেনিস তারকা। আর তাঁকে দেখতেই রড লেভার এরিনাতে(Rod Laver Arena) এদিন উপচে পড়েছিল। ২০২২ সালের পর এই প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের(Australian Open) কোর্টে নামলেন রজার ফেডেরার(Roger Federer)। ফের একবার দেখা গেল তাঁর বাঁহাতের ঝলক। আগামী শনিবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরু হওয়ার আগে একটি প্রদর্শনী ম্যাচে নামার কথা রয়েছে রজার ফেডেরারের(Roger Federer)। সেখানেই তাঁর সঙ্গে খেলবেন আন্দ্রে আগাসীদের(Andre মতো প্রাক্তন টেনিস তারকারা। সেই ম্যাচ দেখার জন্য নাকি ইতিমধ্যে সব টিকিটও বিক্রি হয়ে গিয়েছে। কার্যত ফেডেরার ফের একবার কোর্টে নামার কথা সামনে আসতেই নাকি উত্তাপের পারদ চড়তে শুরু করেছে। নোভাক জকোভিচের আগে টেনিস কোর্টের সবচেয়ে বেশী গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের রেকর্ড ছিল ফেডেরারের দখলেই। শুধুমাত্র তাই নয় ফেড-এক্সকেই তো গ্রাস কোর্টের সম্রাটের আখ্যাও দেওয়া হয়েছে। সেই ফেডারারই অস্ট্রেলিয়ান ওপেন শুরু হওয়ার আগেই মাতিয়ে দিলেন সেই গ্র্যান্ডস্লাম। তিনবারের গ্র্যান্ডস্লাম ফাইনালিস্ট ক্যাসপার রুডের বিরুদ্ধে একটি টাইব্রেকার ম্যাচে নেমেছিলেন রডার ফেডেরার। সেখানেই ফের একবার দেখা গেল ফেড-এক্সের সেই স্পিন থেকে ব্যাকহ্যান্ডের ঝলক। যতবারই তিনি ব্যাক হ্যান্ডে শট নিলেন উপচে পড়ল স্টেডিয়াম। ফেডেরার ফেডেরার চিৎকার উঠে এল বারবার গ্যালারী থেকে। ২০২২ সালে টেনিসকে বিদায় জানিয়েছিলেন গ্রাস কোর্টের সম্রাট। তারপর এই প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোর্টে নামলেন তিনি। এখনও যে ফেডেরারের জনপ্রিয়তা এতটুকু কমেনি সেটা যেন ফের একবার প্রমাণ করে দিলেন তিনি।
অর্শদীপের সুযোগ পাওয়া নিয়ে সরব অশ্বিন

অর্শদীপ সিংয়ের(Arshdeep Singh) জন্য এবার মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ভারতীয় বোলার রবিচন্দ্রন অশ্বিন(Ravichandran Ashwin)। বিশেষ করে অর্শদীপকে(Arshdeep Singh) কেন একটানা সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না সেটা নিয়েই এবার প্রশ্ন তুলেছেন অশ্বিন। সকলকেই যখন পরপর ম্যাচে সুযোগ দিয়ে দেখা হচ্ছে, সেই সময় অর্শদীপকে বেশীরভাগ সময়ই মাঠের বাইরে দেখা যাচ্ছে। আর এটাই অর্শদীপের ওপর একটা মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে বলেই মনে করছেন অশ্বিন। এই মুহূর্তে নিউ জিল্যান্ডের(INDvNZ) বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজে নেমেছে ভারত। সেখানে প্রথম ম্যাচ জিততে পারলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে কিউইদের কাছে সাত উইকেটে হেরেছিল টিম ইন্ডিয়া। শোনাযাচ্ছে তৃতীয় ম্যাচে নাকি অর্শদীপ সিংকে সুযোগ দেওয়ার একটা কথাবার্তা চলছে। আর সেই পরিস্থিতিতেই এবার প্রশ্ন তুললেন খোদ রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর মতে অর্শদীপ সিংকে কেন প্রথম দুই ওডিআই ম্যাচে খেলানো হল না। কেনই বা তাঁকে পরপর ম্য়াচে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এটা যে একজন বোলারের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে তা বলতে কোনও দ্বিধা নেই অশ্বিনের। রবিচন্দ্রন অশ্বিন মনে করেন, যখনই তাঁর হাতে বল তুলে দেওয়া হয়েছে প্রতিবারই দলের হয়ে সেরা পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন অর্শদীপ সিং। তিনি যে জায়গায়টা প্রত্যাশা করে সেই জায়গা তাঁকে অবশ্যই দেওয়া উচিৎ। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও হর্ষিত রানার সঙ্গে প্রসিধ কৃষ্ণার ওপরই ভরসা রেখেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। যদিও শেষ ম্যাচে বল হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছেন তারা দুজনই। প্রসিধ কৃষ্ণাও সেভাবে পারফরম্যান্স দেখাতে পারছেন না। অর্শদীপের সুযোগ নিয়েই এবার সরব হয়েছেন অশ্বিন।