ছোটদের ডার্বিও ইস্টবেঙ্গলের

ডার্বির রং যে লাল-হলুদ(Eastbengal), তা আরও একবার প্রমাণিত হল আন্ডার-১৮ ইয়ুথ লিগে। বৃহস্পতিবার ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) মাঠে মোহনবাগানকে ২-০ গোলে হারিয়ে দারুণ জয় তুলে নিল ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) জুনিয়র দল। ম্যাচের প্রথম অর্ধেই বড় ধাক্কা খায় মোহনবাগান। তাদের মিডফিল্ডার কিপগেন লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন, দশ জনে নেমে আসে সবুজ-মেরুন শিবির। যদিও সংখ্যাগত সুবিধা থাকা সত্ত্বেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি ইস্টবেঙ্গল। গোলশূন্য অবস্থাতেই শেষ হয় প্রথম হাফ। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ৫৬ মিনিটে চেসাম ইয়াহিয়ার পা থেকে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। এগিয়ে যাওয়ার পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের শেষের দিকে, ৮৮ মিনিটে প্রীতমের গোলে জয় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়। ম্যাচ শেষে ইস্টবেঙ্গল কোচ ঐশ্বর্যায়ণ ও গোল স্কোরার প্রীতম কথা বলেন । ইয়ুথ লিগের ডার্বিতে এই জয় শুধু পয়েন্ট টেবিলেই নয়, মানসিক দিক থেকেও বাড়তি অক্সিজেন জোগাল লাল-হলুদ শিবিরকে।
SIR নিয়ে এবার নয়া নোটিশ নির্বাচন কমিশনের

শুনানির নথি হিসাবে এবার মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড গ্রাহ্য নয়। বৃহস্পতিবারি কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন নোটিশ জারি করে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। আর তাতেই নতুন করে দেখা দিয়েছে সংশয়। নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য যে ১৩টি তথ্যের কথা বলা হয়েছিল, সেখানে নাকি মাধ্যমিকের অ্যাডমিটের কোনওরকম উল্লেখ নেই। তবে এখন প্রশ্ন ইতিমধ্যেই যারা শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নথি হিসাবে জমা দিয়েছেন, তাদের কী হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মাধ্যমিকের অ্যাডমিটকে নথি হিসাবে দেখার জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবারই নোটিশ জারি করে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট যে গ্রাহ্য হবে না তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর এতেই নতুন করে সাধারণ মানুষের হয়রানি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন অনেকে। ইতিমধ্যেই বহু লোক শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নথি হিসাবে জমা দিয়েছেন। কিন্তু এবার নির্বাচন কমিশনের এমন একটা নোটিশ সাধারণ মানুষের হয়রানি বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট। এমনকি যারা জমা দিয়েছে তাদের ক্ষেত্রে কী হবে তাও এখনও পর্যন্ত স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।
নীতিশ রেড্ডিকে নিয়ে খুশি নয় ম্যানেজমেন্ট!

নীতিশ রেড্ডির(Nitish Reddy) সময় কী এবার কমে আসছে। নিউ জিল্যান্ডের(New Zealand) কাছে হারের ভারতীয় দলের ব্যাটিং কোচের ইঙ্গিতটা কিন্তু তেমনই। নিউ জিল্যান্ডের কাছে হারের পর তো রায়ান টেন ডাসকাথে সাফ জানিয়েই দিলেন যে নীতিশকে(Nitish Reddy) সুযোগ দেওয়া হলেও তিনি তা একেবারেই কাজে লাগাতে পারছেন না। সময় ক্রমশই নাকি কমে আসছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। রায়ান টেন ডাসকাথে বলছেন, নীতিশ রেড্ডির ক্ষেত্রে আমরা তাঁকে নিয়ে নানান আলোচনা করেছি এবং বিশেষ করে তাঁকে গেম টাইম দেওয়ার কথাই ভেবেছি। কিন্তু সেটাকে কাজে লাগাতে না পারলে, সময় তো কমেই আসবে। নীতিশ রেড্ডিকে একটানা সুযোগ দিচ্ছে ভারতীয় দল। যদিও সেভাবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারছেন না রেড্ডি। তাঁকে নিয়েও কথাবার্তা উঠতে শুরু করেছে। একইসঙ্গে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টও যে তাঁকে নিয়ে খুব একটা খুশি রয়েছে সেই ইঙ্গিতও কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
টি-২০ বিশ্বকাপে ওয়াশিংটনের খেলা ঘিরে সংশয়

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup) শুরু হতে আর একমাসও বাকি নেই। সেই সময়ই ওয়াশিংটন সুন্দরের(Washington Sundar) খেলা ঘিরে ফের সংশয়। শোনাযাচ্ছে তাঁর সেরে ওঠার সময় যতটা ধরা হয়েছিল, তার থেকেও নাকি বেশ খানিকটা বেশিই লাগবে তাঁর সময়। আর এই খবরটা ভারতীয় দলের কাছে একটা বড়সড় চিন্তার কারণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে কী সত্যিই খেলতে পারবেন না তিনি! এই প্রশ্নই এবার ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। নিউ জিল্যান্ডের(INDvNZ) বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই পাঁজড়ে চোট পেয়ে উঠে গিয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর(Washington Sundar)। সেই সময় থেকেই শুরু হয়েছিল জল্পনাটা। যদিও সেই সময় মনে করা হয়েছিল যে তিনি এই সিরিজটা খেলতে না পারলেও, নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি(T20) সিরিজে নামতে পারবেন। কিন্তু এখন যা পরিস্থিতি সেখানে নাকি সুন্দরের নামার কোনও সম্ভাবনাই নেই। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup) শুরু হওয়ার সময়ও ক্রমশ কমে আসছে। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন যে এই মুহূর্তে নাকি তাঁর সেরে ওঠাটা বেশ কঠিন। চোটটা নাকি বেশ বড়সড়ই হয়েছে। আপাতত বেঙ্গালুরুতে রিহ্যাব সারবেন ওয়াশিংটন সুন্দর(Washington Sundar)। আর সেটাও নাকি বেশ দীর্ঘমেয়াদি হতে চলেছে। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়াশিংটনকে পাওয়া নিয়ে কিন্তু সংশয় দেখা দিতে শুরু করেছে এখন থেকেই। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে।
এএফসির ছাড়পত্র চলে এল, ক্লাবেদের জন্য বড়সড় স্বস্তি

আইএসএল ক্লাবদের(ISL Clubs) জন্য বড়সড় স্বস্তি। তাদের দাবী অনুযায়ী ফেডারেশনের(AIFF) আবেদনে সাড়া দিল এএফসি। ফেডারেশনের আবেদনে সাড়া দিয়ে এই মরসুমের জন্য নিয়ম শিথীল করল এএফসি। অর্থাৎ এএফসি(AFC) খেলার জন্য যে ২৪ ম্যাচ খেলা বাধ্যতামূলক, তা এবারের আইএসএল খেলা দলেদের এএফসিতে খেলার জন্য প্রয়োজন হবে না। তবে এটা শুধুমাত্র এই একটা মরসুমের জন্যই কার্যকারী। অর্থাৎ এবারের সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন এফসি গোয়া এবং যে দল আইএসএল(ISL) জিতবে তারা এসিএল-টু তে খেলার সুযোগ পাবে। বৃহস্পতিবারই সেই কথা ফেডারেশনকে(AIFF) জানিয়ে দিয়েছে এএফসি। ফেডারেশনের মডেল অনুযায়ী আইএসএল খেলার ক্ষেত্রে এটা ছিল ক্লাবেদের অন্যতম শর্ত। সেটাও এবার পূরণ হয়ে গেল। আইএসএল(ISL) যেহেতু এবার সিঙ্গল লেগে হবে তারফলে ম্যাচের সংখ্যাও কম। আর সেই কারণেই ক্লাবেদের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল এএফসিতে খেলার ছাড়পত্র। আর সেই মতোই আইএসএলের দিন ঘোষণার পরই এএফসির কাছে পরিস্থিতির কথা জানিয়ে চিঠি দিয়ে দিয়েছিল ফেডারেশন। দুই সপ্তাহের মধ্যেই ফেডারেশনের সেই আর্জি মেনে নিয়েছে এএফসি। অর্থাৎ আইএসএল চ্যাম্পিয়নদের এই মরসুমে এসিএল-২ খেলার জন্য কোনওরকম সমস্যা আর রইল না। এবারই আইএসএলের সূচীও প্রকাশ হয়ত করে দিতে পারবে ফেডারেশন। যদিও সেখানে আরেকটা বিষয়ও রয়েছে। ফেডারেশনের শর্ত গুলোর মধ্যে আরও একটা পয়েন্ট নিয়ে আপাতত ক্লাবজোট বেঁকে বসেছে। সেটা নিয়েও অবশ্য ফেডারেশন আলোচনা শুরু করেছে। সেখানে ফেডারেশনে হাতে কেন গভর্নিং কাউন্সিলের ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। সেই বিষয়টা মিটলেই সূচীও প্রকাশ হয়ে যাবে।
হারের পর খারাপ ফিল্ডিংয়ের কথাই গিলের মুখে

কেএল রাহুলের(KL Rahul) দুরন্ত সেঞ্চুরিতেও শেষরক্ষা হয়নি। বরং পাল্টা ড্যারিল মিচেলের(Daryl Mitchell) সেঞ্চুরি ইনিংসে জয় তুলে নিয়েছে নিউ জিল্যান্ড। তিন ম্যাচের সিরিজের ফলাফল এই মুহূর্তে ১-১। আর নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারের পরই দলের ফিল্ডিং নিয়ে মুখ খুললেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। কার্যত বেশ কিছু সুযোগ নষ্টের জন্যই নাকি তাদের দলকে দ্বিতীয় ম্যাচে হারতে হয়েছে। ক্যাচ ফস্কানো থেকে রান আউটের সুযোগ নষ্ট। সবকিছুকেই কার্যত কাঠগড়ায় তুলছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। নিউ জিল্যান্ডের(INDvNZ) বিরুদ্ধে তিনশো রানের গন্ডী চারা টপকাতে পারেনি ঠিকই। কিন্তু কেএল রাহুলের(KL Rahul) সেঞ্চুরিতে ভর করে লড়াই করার জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারত। কিন্তু ফিল্ডিংয়েই যেন দুর্বলতাটা বারবার ধরা পড়ছিল ভারতীয় দলের। রবীন্দ্র জাদেজার ড্যারিল মিচেলের রান আউটের সুযোগ নষ্ট। সেই সময় মিচেল ছিলেন ৭৫ রানে। তার পরের বলেই লং অনে মিচেলের সহজ ক্যাচ ফস্কেছিলেন প্রসিধ কৃষ্ণা। আর ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার জন্য এগুলোই যে অন্যতম কারণ হিসাবে গিল(Shubman Gill) দেখছেন তা বেশ স্পষ্ট। কিউইদের কাছে হারের পরই শুভমন গিল(Shubman Gill) বলেন, “এমনকি শেষ ম্যাচেও আমরা বেশ কিছু সুযোগ নষ্ট করেছিলাম। মাঠে সবসময়ই নিজেদের সেরাটা হওয়ার চেষ্টা করে থাকি। তবে হ্যাঁ একটা কথা একদমই সঠিক সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে সমস্যাতো হবেই।“