রাজ্যে এবার নিপার চোখ রাঙানি, জারি উচ্চ সতর্কতা

নতুন বছরের শুরুতেই রাজ্যে নিপা ভাইরাসের(Nipa Virus) চোখ রাঙানি। ইতিমধ্যেই এই ভয়ঙ্কর ভাইরাসে আক্রান্ত পশ্চিমবঙ্গেরই দুই নার্স। এই মুহূর্তে বারাসতের(Barasat) একটি বেসরকারী হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে ভর্তি রয়েছেন তারা। দুজনই আপাতত লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। আর এই ঘটনা জানার পরই রাজ্যে জুড়ে জারি হয়েছে উচ্চ সতর্কতা। জানা গিয়েছে, দুই নার্সের রক্তের নমুনা একাধিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের প্রাথমিক অনুমান, কর্মসূত্রে পূর্ব বর্ধমানে যাতায়াতের সময়ই তাঁরা সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন। তবে ঠিক কীভাবে এবং কোন উৎস থেকে নিপা ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই অনিশ্চয়তাই উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক রাজ্যের পাশে দাঁড়িয়েছে। একটি জাতীয় যৌথ আউটব্রেক রেসপন্স টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এই দল আক্রান্ত দুই নার্সের সংস্পর্শে আসা সকল ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে নমুনা পরীক্ষা করছে। জাতীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র -এর এক সূত্র জানায়, ‘এই মুহূর্তে সংক্রমণের সুনির্দিষ্ট উৎস চিহ্নিত করা যায়নি। আক্রান্তদের অবস্থা এখনও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।’
বাংলার ব্যর্থতায় দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন সম্বরণের

গতবারের রঞ্জি ট্রফির(Ranji Trophy) পর এবারের বিজয় হাজারে ট্রফিতেও সাফল্য অধরা বাংলা ক্রিকেট দলের(Bengal Cricket Team)। সদ্য কয়েকদিন আগে শেষ হওয়া বিজয় হাজারে ট্রফির গ্রুপ পর্ব টপকাতে পারেনি লক্ষ্মীরতন শুক্লার(Laxmiratan Shukla) বাংলা ব্রিগেড। বাংলার এই ব্যর্থতা প্রসঙ্গে দল গঠন নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়(Sambaran Banerjee)। একইসঙ্গে গতবারের রঞ্জি ব্যর্থতা নিয়েও দলের মধ্যে সমস্যার কথা শোনা গেল সম্বরণের মুখে। এবারের বিজয় হাজারে ট্রফিতে বাংলার(Bengal Cricket Team) পারফরম্যান্স নিয়ে একেবারেই সন্তুষ্ট নন প্রাক্তন ক্রিকেটার সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ বক্তব্য এবারের বাংলা দলের নির্বাচনেই অনেক সমস্যা ছিল। সেইসঙ্গে বেশ কয়েকটা পজিশন নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি। সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “এবারের বিজয় হাজারে ট্রফিতে দল নির্বাচনটা আমার মনে হয় সঠিক হয়নি। একইসঙ্গে দলের পাঁচ এবং ছয় নম্বর পজিশনে একজন ভালো ব্যাটারের প্রয়োজন। এমন একজনকে দরকার যে কম বলে বেশি রান করতে পারেননি। সেইসঙ্গে অভিষেক পোড়েলের মাঝে কয়েকটি ম্যাচ না খেলতে পারা, সেটাও কিন্তু একটা অন্যতম কারণ”। একইসঙ্গে দলের গতবারের রঞ্জি ট্রফির পারফরম্যান্স নিয়েও খুশি নন সম্বরণ। সেখানে তো আবার দলের মধ্যে কিছু সমস্যার কথা শোনা গেল তাঁর মুখে। এই প্রসঙ্গে সম্বরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি যতটা শুনেছি দলের মধ্যে ঠিকঠাক পরিস্থিতি বোধহয় নেই। একটা দল হিসাবে খেলতে হবে। সেটা বাংলার খেলায় পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের বোলিং অ্যাটাক তো প্রায় ভারতীয় দলের বোলিং আক্রমণের মতো। কিন্তু সেখানে ধারাবাহিকতার অভাব। সরফরাজ যেমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন, সেটা কিন্তু অন্য বোলারদের থেকে পাওয়া যায় না”।
প্রস্তুতি ম্যাচে তিন বিদেশিতেই বড় জয় ইস্টবেঙ্গলের

সঞ্জয় সেনের(Sanjoy Sen) বাংলার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে বড় জয় পেল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। ৪-০ গোলে বাংলার সন্তোষ ট্রফির(Santosh Trophy) দলকে হারাল অস্তার ব্রুজোঁর(Oscar Bruzon) ইস্টবেঙ্গল। সেখানেই গোল পেলেন লাল-হলুদের ডেভিড লালহানসাঙ্গা সহ পিভি বিষ্ঞু, নাওরেম মহেশরা। আইএসএলের(ISL) আগে এই প্রস্তুতি ম্যাচ যে অস্কারকে দলের শক্তি ও দুর্বলতা বুঝতে অনেকটাই সাহায্য করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে অবশেষে শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল(ISL)। যদিও তার সূচি এখনও পর্যন্ত ঘোষণা হয়নি। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল(eASTBENGAL) কোচ প্রস্তুতিতে কোনওরকম খামতি রাখতে চাইছেন না। সেই কারণেই তো দলের শক্তি, দুর্বলতা থেকে চোট আঘাতের নানান জায়গা বুঝতে সন্তোষজয়ী বাংলা দলের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে দলকে নিয়ে নেমেছিলেন অস্কার ব্রুজোঁ। সেখানে অবশ্য বড় ব্যবধানেই জিতল তারা। যদিও চোটের কারণে এদিনের ম্যাচে নামতে পারেননি আনোয়ার আলি। একইসঙ্গে হাল্কা চোট থাকায় সওল ক্রেসপোকেও নামানোর ঝুঁকি নেননি ইস্টবেঙ্গল কোচ। অর্থাৎ এদিন তিন বিদেশি নিয়েই নেমেছিলেন অস্কার। সেখানেও বাংলা দলকে ৪-০ গোলে হারাল লাল-হলুদ ব্রিগেড। এদিন প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেন জেভিড। বিরতির পর লাল-হলুদের হয়ে পরপর গোল করেন পিভি বিষ্ণু এবং নাওরেম মহেশ। শেষ মুহূর্তে ফের একটা পেনাল্টি থেকে গোল ইস্টবেঙ্গলের। এমন একটা ম্যাচ জিতে অবশ্যই ইস্টবেঙ্গলের আত্মবিশ্বাস ফিরেছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
শিখর, বিরাটদের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি শ্রেয়সের সামনে

বিরাট(Virat Kohli), শিখর ধওয়ানদের(Shikhar Dhawan) ছাপিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটার হিসাবে নতুন রেকর্ডের হাতছানি এবার শ্রেয়স আইয়ারের(Shreyas Iyer) সামনে। বুধবার নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওডিআই সিরিজে নামবে টিম ইন্ডিয়া। সেই ম্যাচে ৩৪ রান করতে পারলেই ভারতীয় ক্রিকেটার হিসাবে ওডিআই ফর্ম্যাটে দ্রুততম ৩০০০ হাজার রানের মাইলস্টোন গড়বেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। চোট সারিয়ে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এই সিরিজ দিয়েই কামব্যাক করেছেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। নিউ জিল্যান্ডের(New Zealand) বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচেই দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। যদিও সেই ম্যাচে অল্পের জন্য অর্ধশতরান হাতছাড়া হয়েছিল শ্রেয়স আইয়ারের। কিন্তু বিরাট কোহলি আউট হওয়ার পর শ্রেয়সের হাত ধরেই এগোচ্ছিল ভারতীয় দল। প্রথম ম্যাচ জয়ের লক্ষ্যে শ্রেয়স আইয়ার ছিলেন ভারতীয় দলের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই মুহূর্তে শ্রেয়স আইয়ারের রান ওডিআই ফর্ম্যাটে ২৯৬৬। তাঁর এই রানে পৌঁছতে সময় লেগেছে মাত্র ৬৮টি ইনিংস। ৩০০০ রানের মাইলস্টোনে পৌঁছতে শ্রেয়স আইয়ারের প্রয়োজন এখন মাত্র ৩৪ রান। এই তালিকায় এখন শীর্ষে রয়েছেন শিখর ধওয়ান। ৭২ ইনিংসেই তিনি ৩০০০ রানের মাইলস্টোনে পৌঁছেছিলেন ধওয়ান। এরপরই সেই তালিকায় রয়েছেন বিরাট কোহলি। তিনি ৭৫ ইনিংস খেলে পৌঁছেছিলেন সেই মাইলস্টোনে। কিন্তু শ্রেয়স আইয়ার যদি পরের ম্যাচেই ৩৪ রান করে ফেলতে পারেন, তবে তাদের থেকে অনেক কম সময়ের মধ্যেই রেকর্ড গড়ে ফেলবেন তিনি। মাত্র ৬৯ ইনিংসেই দ্রুততম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসাবে ৩০০০ রানের মাইলস্টোন গড়ে ফেলবেন তিনি।