শুনানিতে ডাক অমর্ত্য সেনকে! গর্জে উঠলেন অভিষেক

নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেনকেও(Amartya Sen) ডাক এসআইআরের(SIR) শুনানিতে। ক্ষোভ উগড়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। একজন নোবেলজয়ীকে কীভাবে এরা হেনস্থা করতে পারে সেই নিয়েই বীরভূমের সভা থেকে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক(Abhishek Banerjee)। শুধুমাত্র অমর্ত্য সেনই নন, শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে অভিনেতা দেব-কে, তেমনই আবার একই কারণের জন্য ডাকা হয়েছিল মহম্মদ সামিকেও। বীরভূমের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ”অমর্ত্য সেনকেও শুনানির নোটিস পাঠিয়েছে! ভাবুন, দেশের জন্য নোবেল পুরস্কার জিতে আসা ব্যক্তিত্বকেও এরা হেনস্তা করতে ছাড়েনি। টলিউডের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র, অভিনেতা-সাংসদ দেবকে নোটিস, দেশের মুখ উজ্জ্বল করা ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকে নোটিস দিয়েছে। এগুলো কি ষড়যন্ত্র নয়?” এনুর্মারেশন ফর্মে সামান্য ত্রুটি থাকলেই তাদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে শুনানির জন্য। কিন্তু সেখানে দেশের নোবেলজয়ীকে ডেকে হেনস্থা করাটা যেন কিছুতেই মানতে পারছেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই আবার প্রশ্নও উঠছে। তবে কী বারবার মোদী সরকারের নানান সমালোচনার জন্যই এমন।
কাটল জট, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু আইএসএল

অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরি হচ্ছে এই মরসুমের আইএসএল(ISL)। মঙ্গলবার দুপুর তিনটের সময় কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ক্লাব গুলোর সঙ্গে শেষ বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশনAIFF)। সেখানেই শেষপর্যন্ত ফেডারেশনের(AIFF) মডেল অনুযায়ী আইএসএল(ISL) খেলতে রাজী হয়ে গিয়েছে আইএসএলের ক্লাব গুলেো। এরপই কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করে দেন। অবশেষে ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ লিগে বল গড়াতে চলেছে। কয়েকদিন আগে ফেডারেশনের তৈরি করা তিন সদস্যের কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরই ফেডারেশন(AIFF) ক্লাব গুলোর(ISL Clubs) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল। সেখানেই কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ে আপত্তি তুলেছিল আইএসএলের ক্লাবগুলো। তাদের একটাই বক্তব্য ছিল যে এই মরসুমে এক কোটি টাকা পার্টিসিপেশন ফি তারা দেবে না। এমনকি ব্রডকাস্টও যে ফেডারেশনকে ঠিক করতে হবে সেই কথাও বলা হয়েছিল। এই নিয়েই একটা টালবাহানা শুরু হয়েছিল। এরপর থেকেই যেন খানিকটা কড়া মনোভাব দেখাতে শুরু করেছিল ফেডারেশন(AIFF)। বিশেষ করে মঙ্গলবার ফেডারেশনের নতুন মডেল অনুযায়ী আইএসএল আয়োজনের পরিকল্পনা কার্যকরী কমিটির বৈঠকে সবুজ-সংকেত পেতেই তারা কার্যত প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। এরপরই ক্রীড়ামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশন। সেখানেই নাকি শোনাযাচ্ছে বেশ হুঁশিয়ারের সুরেই কথা বলেছে ফেডারেশন কর্তারা। কার্যত ক্লাবগুলো আইএসএল খেলবে কী খেলবে না সেই কথাই নাকি জানতে চাওয়া হয়েছিল। শেষপর্যন্ত প্রতিটি ক্লাবই খেলার কথা জানিয়ে দিয়েছে। এরপরই আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শরু হওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী। তবে একটা প্রশ্ন এখনও রয়েই যাচ্ছে যে এএফসি স্লটটা কী হবে। কারণ আইএসএল ক্লাবগুলোর সেই স্লট নিয়েও একটা দাবী ছিল। সেটা অবশ্য ফেডারেশনের ওপরই রয়েছে দায়িত্ব। তবে ১ কোটি টাকার পার্টিসিপেশন ফি দিতে হবে কী হবে না, তা নিয়ে এখনই কোনএও সিদ্ধান্ত হয়নি। শোনাযাচ্ছে পরবর্তীতে একটা বৈঠক হবে সেখানেই নাকি এই বিষয়টাও সমাধান হয়ে যেতে পারে।
জোড়া গোল করেই হাসপাতালে ফাজিলা, চিন্তায় ইস্টবেঙ্গল

জোড়া গোল করলেন। কিন্তু এরপরই হাসপাতালে ইস্টবেঙ্গল মহিলা দলের সেরা ফুটবলার ফাজিলা(Fazila Ikbapute)। মাঠে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। কনকাশনের নিয়ম অনুযায়ী এরপরই মাঠে আসেন দলের ফিজিও থেকে চিকিৎসকরা। আর সেখানেই খানিকটা সমস্যা লক্ষ্য করা যায় ফাজিলার(Fazila)। কনকাশনের পর থেকেই তিনি চোখে খানিকটা ঝাপসা দেখতে শুরু করেছিলেন। এরপরই তাঁকে নিয়ে আর ঝুঁকি নেননি লাল-হলুদের ম্যানেজমেন্ট। সঙ্গে সঙ্গেই স্টেডিয়ামের কাছে একটি সরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ফাজিলাকে। বড়সড় কিছু না হলেও, সেখানে ফাজিলার স্ক্যান করানো হয়েছে। তবে রিপোর্ট এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। যদিও টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে খবর তেমন বড়সড় কিছু হয়নি। তবে ফাজিলা পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে একটা জল্পনা কিন্তু এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন ফাজিলা। ইন্ডিয়ান ওমেন্স লিগের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করার পাশাপাশি দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তিনি। এমনকি এদিন কিকস্টার্ট এফসির বিরুদ্ধেও ফাজিলার পা থেকে এসেছে জোড়া গোল। সেখানেই প্রতিপক্ষকে ইস্টবেঙ্গল হারিয়েছে ৫-০ গোলে। ফাজিলা ছাড়াও এদিন ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোল করেছেন রেস্টি নাজির, সুলঞ্জনা রাউল এবং অষ্টম ওরাও। এদিনও শুরু থেকেই ম্যাচের দখল ছিল ইস্টবেঙ্গলেরই। শুরু থেকেই অ্যান্থনি অ্যান্ড্রুজের দল আক্রমণের ঝড় তুলেছিল। সেখানেই শেষপর্যন্ত ৫-০ গোলে জয়ও তুলে নেয় তারা।
SIR-এর হিয়ারিংয়ে ডাকা হল মহম্মদ সামিকে

রাজ্য জুড়ে চলছে এখন এসআইআর(SIR)। সেখানেই হিয়ারিং নিয়ে কার্যত রাজ্য রাজনীতি উত্তাল। সেখানেই এবার হিয়ারিংয়ে ডাক পড়ল ভারতীয় দলের তারকা পেসার তথা বাংলার ক্রিকেটার মহম্মদ সামির(Mohammed Shami)। গত সোমবার তাঁর হিয়ারিংয়ে যাওয়ার তারিখ ছিল। যদিও মহম্মদ সামি যেতে পারেননি। এই মুহূর্তে বিজয় হাজারে ট্রফির জন্য রাজকোটে রয়েছেন, আর সেই কারণেই নাকি হাজিরা দিতে পারেননি মহম্মদ সামি। এই মুহূর্তে বাংলার হয়ে বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে গিয়েছেন মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। সেখানে বাংলার হয়ে ছন্দেও রয়েছেন তিনি। কিন্তু তাঁকে হঠাৎ করে এসআইআরে কেন ডাকা হল। এই নিয়ে প্রশ্ন তো উঠছেই। না তেমন কিছু নয়। তিনি বহুদিন আগেই উত্তরপ্রদেশ থেকে চলে এসেছেন। এখন কলকাতার যাদবপুরের ভোটার সামি। সম্প্রতি এই এসআইআর শুরু হওয়ার ফলেল নানান মানুষকেই ডেকে পাঠানো হচ্ছে হিয়ারিংয়ে। সেই রকমই হয়ত সামিকেও ডেকে পাঠানো হয়েছে। তিনি যেহেতু খেলা থাকার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি, সেই কারণে পরবর্তী আরেকটা দিন তাঁর জন্য ঠিক করা হবে।
চোট সারিয়ে ফিরেই বিধ্বংসী মেজাজে শ্রেয়স

চোট সারিয়ে ফিরে শুরুটা বেশ ভালোভাবেই করলেন ভরতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। বিজয় হাজারে ট্রফিতেই কামব্যাক করলে প্রায় তিন বছর পর। সেখানেই ৫২ বলে ৮৩ রানের ইনিংস খেললেন শ্রেয়স আইয়ার। তাঁকে নিয়েই এখন ভারতীয় ক্রিকেটে শুরু হয়েছে হৈচৈ। শেষপর্যন্ত অই পারফরম্যান্স তিনি ধরে রাখতে পারেন কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে। বেশ কয়েকদিন আগেই বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্স থেকে গ্রীন সংকেত পেয়ে গিয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার। অপেক্ষা ছিল শুধু তাঁর মাঠে নামার। মঙ্গলবারই মুম্বইয়ের হয়ে মাঠে নেমে পড়লেন তিনি। সেখানে বড় পারফরম্যান্সও করলেন এই তারকা ভারতীয় ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফিল্ডিং করার সময় পাঁজড়ে বড়সড় চোট পেয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার। সেই থেকেই প্রায় তিন মাস মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর ইন্টারনাল ইঞ্জুরিও হয়ে গিয়েছিল। সেই থেকেই অবশ্য এখন পুরোপুরি সুস্থ শ্রেয়স আইয়ার। এরপরই তাঁকে খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল বোর্ডের তরফে। সেখানে ফিরেই একটা ঝোড়ো ইনিংস খেললেন শ্রেয়স। সেখানেই শ্রেয়স আইয়ারের ইনিংসটা সাজানো ১০টি চার ও তিনটি ছয় দিয়ে।