প্রয়াত বিলিয়ার্ডে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মনোজ কোঠারি

প্রয়াত প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বিলিয়ার্ড খেলোয়াড়া মনোজ কোঠারি(Manoj Kothari)। তাঁর মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ভারতীয় ক্রীড়ামহল। সোমবার সকালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন এই প্রাক্তন তারকা বিলিয়ার্ড(Billiard) খেলোয়াড়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। বেশ কয়েকদিন ধরেই ভুগছিলেন তিনি। সোমবার সকালেই তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলিতে প্রয়াত হন তিনি। তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানিয়েছে ক্রীড়া জগতের সকলেই। বেশ কয়েকদিন ধরেই রোগ ভোগে ভুগছিলেন মনোজ কোঠারি(Manoj Kothari)। দশ দিন আগেই তাঁর সফল লিভার প্রতিস্থাপন হয়েছিল। এরপর সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগেই তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ে। সোমবারই সব শেষ। ধ্যান চাঁদ পুরস্কার পাওয়া মনোজ কোঠারি বছরের শুরুতেই প্রিয় বিলিয়ার্ড বোর্ডকে চিরতরের জন্য বিদায় জানালেন। ১৯৯০ সালে বিলিয়ার্ড বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন মনোজ কোঠারি। শুধুমাত্র তাই নয়, তাঁর দীর্ঘ কেরিয়ারে ১৬বার স্টেট চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন মনোজ কোঠারি। ২০০৫ সালে ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পুরস্কার ধ্যানচাঁদ পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। এছাড়াও বিলিয়ার্ড অ্যান্ড স্নুকার ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার তরফে ২০২৫ সালে জীবনকৃতি পুরস্কারও পেয়েছিলেন মনোজ কোঠারি। তিনি যেমন সফল হয়েছেন। তেমনই তাঁর দেখানো পথে বিলিয়ার্ডে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে এগিয়ে চলছেন তাঁরই ছেলে সৌরভ কোঠারিও। মনোজ কোঠারির প্রয়ান ভারতীয় বিলিয়ার্ডে অপূরণীয় ক্ষতি তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এসআইআর নিয়ে আদালতে যাওয়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে এসআইআর(SIR) প্রক্রিয়া। আর তাতেই নাকি বিস্তর সমস্যায় পড়ছে সাধারণ মানুষ। শুধু তাই নয়, একেবারে হেনস্থার অভিযোগ তুলে এবার আদালতে যাওয়ার হুমকি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। রবিবারই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে(Gyanesh Kumar) চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) । তিনি বলেন, ”আমরা আইনের সাহায্য নিচ্ছি। আগামীকাল কোর্ট খুলবে। আইনের পথে যাব। প্রয়োজন পড়লে আমিও সুপ্রিম কোর্টে মানুষের হয়ে প্লিড করব।” এই এসআইআরের আতঙ্কের কারণে একাধিক মানুষের মুত্যু হওয়ার অভিযোগ তুলে আগেই সোচ্চ্বার হয়েছিল শাসক দল। এমন নানান বিষয় নিয়েই এবার ফের একবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন আবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই জ্ঞানেশ কুমারকে ভ্যানিশ কুমার বলেও কটাক্ষ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “হিয়ারিংয়ের নামে মানুষের হেনস্তা করা হচ্ছে। ৫৪ লক্ষ টাকা নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের অধিকার ছিল ৭ নম্বর, ৮ নম্বর ফর্ম ফিলআপ করার।” কিন্তু আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে ব্যবহার করে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, হোয়াটস অ্যাপে নির্বাচন কমিশন চলছে বলেও তোপ দাগেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”হোয়াটস অ্যাপে কমিশন চলছে। হোয়াটস অ্যাপে কিনেছে কিনা কে জানে? মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। আর তা যদি হয় তাহলে আপনারও ভ্যানিস হয়ে যাবেন।”
ইন্দোনেশিয়ার ক্লাবে ডাক! ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন হামিদ

প্রস্তুতি শুরুর দিনই ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) সমর্থকদের জন্য খারাপ খবর। লাল-হলুদ ছেড়ে দিলেন মরক্কোয় হাকিমির দলে খেলা হামিদ আহদাদ(Hamid Ahadad)। শোনাযাচ্ছে হামিদ নিজেই নাকি ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ছাড়তে চেয়েছিলেন। ইন্দোনেশিয়ার ক্লাবে নাকি ডাক পেয়েছেন তিনি। সেইসঙ্গে ভারতীয় ফুটবল শুরু হওয়া নিয়ে এখনও পর্যন্ত একটা অনিশ্চয়তা রয়েই গিয়েছে। শেষপর্যন্ত হামিদের(Hamid Ahadad) আবেদনে সায় দিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ারি পথে হাঁটল লাল-হলুদ ব্রিগেড। সোমবারই সরকারীভাবে সেই ঘোষণা করে দিল ইস্টবেঙ্গল। এবারের ইস্টবেঙ্গল শিবিরে অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিলেন হামিদ আহদাদ(Hamid Ahadad)। সুপার কাপের মঞ্চেও নজর কেড়েছিলেন তিনি। কিন্তু কী এমন হল যে সেই তারকা ফুটবলারকেই ছেড়ে দিতে হল ইস্টবেঙ্গলের। যদিও এটা পুরোপুরি ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) সিদ্ধান্ত নয়। ইন্দোনেশিয়ার ক্লাব থেকে ডাক পেয়েছেন এই মরোক্কান তারকা ফুটবলার। আর সেই কারনেই নাকি ইস্টবেঙ্গল ছাড়তে চেয়েছিলেন। ইস্টবেঙ্গলও অবশ্য তাঁর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছে। এখনও পর্যন্ত আইএসএল কবে হবে তা চূড়ান্ত কিছু হয়নি। সেইসঙ্গে লাল-হলুদের অন্দরেও কস্ট কাটিংয়ের একটা ভাবনা শুরু হয়েছিল। কারণ খেলা না হলেও ফুটবলারদের টাকা তাদের দিয়ে যেতেই হচ্ছিল। সেখানে হিরোশিকে নিয়েই অবশ্য প্রধান ভাবনা ছিল তাদের। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই ছেড়ে গেলেন হামিদ। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে ইস্টবেঙ্গল হিরোশিকে না ছেড়ে তাঁকে ছেড়ে দিতে চাইল কেন। কারণ একটাই কস্ট কাটিং। কারণ হামিদের সঙ্গে টাকার অঙ্কটা ছিল সাড়ে তিন কোটি। আর হিরোশির অঙ্কটা সেখানে ২ কোটি টাকা। সেক্ষেত্রে হামিদের চলে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক দিকের সমস্যাটা খানিকটা হলেও কমল বলাই চলে। যদিও সেই জায়গায় নতুন কোনও বিদেশি ইস্টবেঙ্গল নেবে কিনা তা এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত নয়। যদিও জানুয়ারি উইন্ডো খোলা রয়েছে। কিন্তু আইএসএলের দিনও ঘোষণা হয়নি। সেটা হলেই যে ইস্টবেঙ্গলও নতুন বিদেশি নেওয়ার জন্য ঝাপাতে পারে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিজয় হাজারে থেকে নাম তুললেন বিরাট কোহলি

প্রথমে খেলার কথা বললেও, এবার সেই সিদ্ধান্ত বদলে ফেললেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সেখানেই শেষপর্যন্ত বিজয় হাজারে ট্রফি(Vijay Hazare Trophy) তেকে নাম তুলে নিলেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বিরাট কোহলি। শোনাযাচ্ছে আগামী ভারত বনাম নিউ জিল্যান্ড ওডিআই সিরিজের প্রস্তুতির জন্যই নাকি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন খোদ বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামবে ভারতীয় দল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পরই ঘরোয়া ক্রিকেটের মঞ্চে নেমেছিলেন বিরাট(Virat Kohli)। সেই বিজয় হাজারে ট্রফিতেও দুরন্ত ফর্মে ছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। বিজয় হাজারে ট্রফিতেও এবার দিল্লির হয়ে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ রানের মালিক তিনি। দিল্লির হয়ে আগামী ৬ জানুয়ারির ম্যাচটাও তিনি খেলবেন বলেই জানিয়েছিলেন। যদিও শেষপর্যন্ত সেই সিদ্ধান্ত বদলেই ফেললেন বিরাট। কারণ একটাই সামনে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে নামবে টিম ইন্ডিয়া। সেখানে নামা আগে যাতে কোওরকম চোট আঘাত বা অন্য কোনও সমস্যা না হয় সেদিকেই এখন প্রধান নজর ভারতীয় দলের প্রাক্তন তারকা অধিনায়কের। আগামী ১১ জানুয়ারি নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথন ওডিআই ম্যাচে নামবেন তিনি।
মুম্বইয়ের অধিনায়ক হয়ে বিজয় হাজারে-তে ফিরছেন শ্রেয়স আইয়ার

বিজয় হাজারে ট্রফি(Vijay Hazare Trophy) দিয়েই মাঠে ফিরছেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। আগামী ৬ জানুয়ারি হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে বিজয় হাজারের ম্যাচে নামছে মুম্বই। সেখানেই শ্রেয়স শুধু ফিরছেনই নয়, শার্দূল ঠাকুরের পরিবর্তে এবার শ্রেয়স আইয়ারের কাঁধেই থাকছে মুম্বইয়ের অধিনায়কের দায়িত্বও। চোট সারিয়ে ফেরার পর এবার শ্রেয়সের(Shreyas Iyer) ব্যাট থেকে কেমন পারফরম্যান্স আসে সেটাই দেখার অপেক্ষায় এই মুহূর্তে সকলে রয়েছেন। দশ দিন বোর্ডের(BCCI) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে রিহ্যাব সারার পরই কয়েকদিন আগে প্রতিযোগিতা মূলক ক্রিকেটে ফেরার সবুজ সঙ্কেত পেয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার9Shreyas Iyer)। যদিও নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে সুযোগ হয়নি তাঁর। একেবারে বিজয় হাজারে ট্রফিতেই খেলবেন শ্রেয়স আইয়ার। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পাঁজড়ে বড়সড় চোট পাওয়ার পর থেকেই আর মাঠে নামতে পারেননি শ্রেয়স(Shreyas Iyer)। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজ চলাকালীনই কঠিন ক্যাচ নিতে গিয়ে বড়সড় চোট পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। সেইসময়ই হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল এই তারকা ক্রিকেটারকে। সেই চোটই হাসপাতালে ভর্তির পর বড় আকার ধারণ করেছিল। তাঁর ইন্টারনাল ইঞ্জুরি হয়ে গিয়েছিল। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে কাটাতে হয়েছিল শ্রেয়স আইয়ারকে। দেশের ফেরার পর থেকেই শুরু হয়েছিল রিহ্যাব। বিশেষ করে শেষ দশটা দিন ছিল তাঁর ফিটনেসের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। ম্যাচ সিমুলেশন টেস্ট পাশ করার পরই খেলার মাঠে ফেরার ছাড়পত্র পেয়ে যান ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। এবার বিজয় হাজারে ট্রফিতে নামবেন তিনি। চোট পেয়ে চিটকে গিয়েছেন আবার শার্দূল ঠাকুর। বিজয় হাজারেতে একেবারে অধিনায়কের দায়িত্ব নিয়েই মুম্বই শিবিরে ফিরছেন শ্রেয়স আইয়ার। মুম্বই ক্রিকেট বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, “শার্দূল ঠাকুরের পরিবর্তে দলের অধিনায়ক হিসাবে মাঠে নামবেন শ্রেয়স আইয়ার। চোট পেয়ে ছিটকে গিয়েছেল শার্দূল। এই মরসুমে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে”। ভারতীয় দলের মিডল অর্ডারের অন্যতম প্রধান ভরসা শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। যদিও সামনের টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং সামনের নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজেও জায়গা পাননি তিনি। এবার বিজয় হাজারে-তে তিনি নিজেকে প্রমাণ করতে পারেন কিনা সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
বাংলাদেশে দেখা যাবে না আইপিএল

বোর্ডের(BCCI) নির্দেশে মুস্তাফিজুর রহমানকে(Mustafizur Rahaman) দলে নিয়েও ছেড়ে দিতে হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের(KKR)। আর এই সিদ্ধান্ত নিয়েই এখন বিতর্কের ঝড় বইছে বাংলাদেশে(Bangladesh)। মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার পরই আইপিএল(IPL) নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারের। আইপিএল(IPL) সংক্রান্ত কোনওরকম সম্প্রচার সহ বিজ্ঞাপন থেকে প্রচার কোনওকিছুই এবার হবে না বাংলাদেশে। আর তাতেই এখন ক্রিকেট মহল জুড়ে হৈচৈ শুরু হয়েছে। এবারের আইপিএলের(IPL) আগে নিলাম থেকে ৯ কোটি টাক দিয়ে মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু এরপরই ভারতীয় সমর্থকরা সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু করেছিল বিতর্কের ঝড়। কার্যত কেকেআরকে বয়কটের ডাক দিয়েছিল সকলে। বিশেষ করে সম্প্রতি বাংলাদেশে যে অবস্থা এবং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক যেখানে গিয়েছে, সেই কথা উল্লেখ করেই মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার দাবী তুলেছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। এরপরই কেকেআরকে বোর্ডের নির্দেশিকা। সেখানেই মুস্তাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছিল বোর্ডের তরফে। এরপরই মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে বাদ দেওয়া হয়। সেখানে নিরাপত্তার কথাই বলা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তই মেনে নিতে পারেনি বাংলাদেশ সরকার তথা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এরপর থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে কার্যত তেলে বেগুনে জ্বলছে বংলাদেশ ক্রিকেট সমর্থকরা। ইতিমধ্যেই ভারতের মাটিতে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দিয়েছে। এবার সেইসঙ্গে বাংলাদেশে আইপিএলের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করল বাংলাদেশ সরকার। আইপিএল সংক্রান্ত কোনওরকম সম্প্রচারই সেখানে দেখা যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের তরফে। তাও আবার অনির্দিষ্টকালের জন্য। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই এখন দেখার।