আগামী সপ্তাহেই আইএসএল শুরুর তারিখ ঘোষণা

অবশেষে খুলতে চলেছে আইএসএল(ISL) নিয়ে অনিশ্চয়তা। আগামী সপ্তাহেই ঘোষণা হতে চলেছে আইএসএলের(ISL) তারিখ। তবে সূচি নিয়ে এখনই কিছু বলা হয়নি ভারতীয় ফুটবল ফে়ডারেশনের তরফে। তবে আইএসএল(ISL) যে অবশেষে এই মরসুমে হচ্ছে তার ইঙ্গিত কিন্তু স্পষ্ট। এখন শুধুই অপেক্ষা কবে থেকে শুরু হবে ভারতের সর্বোচ্চ ফুটবল লিগ। একইসঙ্গে লিগ যে ফেডারেশনই পরিচালনা করবে তাও স্পষ্ট করে নিজেদের চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন(AIFF)। আইএসএল(ISL) নিয়ে ক্লাবজোটের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ফেডারেশন তিন সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিল। একটানা ক্লাবগুলোর সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। ক্লাবেরা কী চাইছে। কেমনভাবে লিগ হোক সবটাই শুনে এবং নিজেদের মতো রিপোর্ট তৈরি করে শনিবারই ফেডারেশনকে(AIFF) সেই চিঠি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই ক্লাবেদের তরফ থেকে বেশ কিছু দাবীও ছিল। যারমধ্যে প্রধান ছিল যে লিগের ব্রডকাস্টার ঠিক করতে হবে ফেডারেশনকেই। একইসঙ্গে সেই রিপোর্টে উল্লেখ ছিল কোনও দল যদি খেলতে না চায় সেক্ষেত্রে তাঁকে লোয়ার ডিভিশনে রেলিগেট করে দেওয়া হবেষ সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই ফেডারেশনে আপৎকালীন একটি বৈঠক করা হয়। সেখানেই ঠিক হয় যে আগামী সপ্তাহেই এই মরসুমের আইএসএলের তারিখ ঠিক করা হবে। অর্থাৎ এখান থেকে একটা জিনিস স্পষ্ট যে আইএসএলের ব্রডকাস্টার হয়ত ফেডারেশন ঠিক করেই ফেলেছে। এখন শুধুই আগামী সপ্তাহে আইএসএলের দিন ঘোষণার অপেক্ষা।
আলিপুরদুয়ারে চা শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে বড় বার্তা অভিষেকের

নতুন বছর পড়তেই নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। আবার জিতবে বাংলা কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সভা করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়(Abhishek Banerjee)। শনিবার আলিপুরদুয়ারে সভা করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। সেখান থেকেই চা শর্মিকদের বিরাট ঘোষণা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। চতুর্থবারের জন্য তারা ক্ষমতায় এলেই চা শ্রমিক দৈনিক মজুরি বাড়ানোর আশ্বাস দিলেম অভিষেক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ”আমি কথা দিচ্ছি, চতুর্থবার দিদির সরকার হলে আমার প্রথম দৃষ্টি থাকবে আলিপুরদুয়ার। কমপক্ষে চা বাগানে ৩০০ টাকা দৈনিক মজুরি করার চেষ্টা করব।” একইসঙ্গে এই ইস্যু নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “চা বাগান অধিগ্রহণের কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিজ্ঞপ্তি দিয়েও পরে বাতিল করেন। আমরা মিথ্যে বলি না। কথা দিলে কথা রাখি। বিজেপির মতো মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় না কেন্দ্র। মনোজ টিগ্গাকে কখনও আন্দোলন করতে দেখেছেন? একটাও চিঠি লিখেছিলেন? সংসদে প্রশ্ন করতে দেখেছেন? বিজেপি সাংসদ ও কালসাপ দু’টোই এক।”
অস্কারের কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে কেভিন

ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলেই(Eastbengal) থাকছেন কেভিন সিবিলে(Kevin Sibille)। কিন্তু কীভাবে এটা সম্ভব হল। শোনাযাচ্ছে লাল-হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজোঁর(Oscar Bruzon) সঙ্গে কথা বলার পরই নাকি নিজের মত বদলেছেন কেভিন সিবিলে(Kevin Sibille)। আগামী ৬ জানুয়ারিই ইস্টবেঙ্গল শিবিরে যোগ দিচ্ছেন কেভিন। ইস্টবেঙ্গলের অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রস্তুতি বন্ধের পর থেকেই যেন হতাশ হতে শুরু করেছিলেন কেভিন। বিশেষ করে যদি এই মরসুমে খেলা না হয়, সেই প্রভাব তাদের পরবর্তী মরসুমে অন্য ক্লাব পেতে হতেই পারে। আর সেইসঙ্গে স্পেন সহ বেশ কিছু জায়গার দল থেকেও তাঁর কাছে প্রস্তাব আসতে শুরু করেছিল। এমনকি তাঁর এজেন্টও নাকি কয়েকটি জায়গায় কথা বলছিলেন। এমন পরিস্থিতিতেই তাঁর ইস্টবেঙ্গল ছাড়ার ভাবনটা সকলের সামনে এসে পড়ে। এরপরই মাঠে নেমে পড়েন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। কার্যত কেভিনকে(Kevin Sibille) আটকানোর সমস্ত দায়িত্বটাই ছিল তাঁর কাঁধের ওপর। সেখানেই কেভিনের সঙ্গে বারবার আলোচনা করে সমস্তটা ভালোভাবে বুঝিয়েই শেষপর্যন্ত কেভিনকে এই মরসুমের মতো ইস্টবেঙ্গলে থাকার ব্যপারে রাজি করাতে পেরেছেন।
৫ জানুয়ারি থেকে প্রস্তুতিতে লাল-হলুদ, শহরে অস্কার

আগামী ৫ জানুয়ারি থেকেই মাঠে নেমে পড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এখনও পর্যন্ত আইএসঅএল(ISL) কবে হবে তা নিয়ে নিশ্চয়তা নেই। তার মাঝেই অবশ্য দল নিয়ে মাঠে নেমে পড়ছেন অস্কার ব্রুজোঁ। শনিবারই শহরে চলে এসেছেন লাল-হলুদের কোচ। তবে প্রথম দিন থেকেই সব বিদেশিদের একসঙ্গে পাবেন না অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। যহেতু অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেই জন্যই অনুশীলন শুরুর সপ্তাহের মধ্যেই একে একে সব ফুটবলাররা যোগ দেবেন। সরকারীভাবে কিছু শোনা না গেলেও, মনে করা হচ্ছে আইএসএের নিশ্চয়তা পেয়েই নাকি অনুশীলনে নেমে পড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। সুপার কাপেই শেষ ম্যাচ খেলেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড(Eastbengal)। সেখানে এফসি গোয়ার কাছে ফাইনাল হারের পরই অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে চলে গিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ থেকে ফুটবলররা। সেই থেকেই শুরু হয়েছিল জল্পনা। কারণ আইএসএল নিয়ে কোনওরকম নিশ্চয়তা ছিল না। এখনও নেই। এমনকি মোহনবাগান প্রস্তুতি শুরু করলেও, ইস্টবেঙ্গলও প্রস্তুতিতে না নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অবশেষে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকেই প্রস্তুতিতে নামছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তারা সকলই বেশ আশাবাদী যে আইএসএল নাকি হবে। কারণ সেই কথা দিয়েই তো দলের সেরা দুই বিদেশিকে ধরে রাখতে পেরেছে ইস্টবেঙ্গল। নইলে মিগুয়েল এবং কেভিন সিবিলে দুজনেই নাকি চলে যেতে চেয়েছিলেন। যদিও পরে ক্লাব কর্তা এবং কোচের মধ্যস্থতায় থেকে গিয়েছেন দুজনেই। কেভিন সিবিলে আসছেন আগামী ৬ জানুয়ারি এবং মিগুয়েল শহরে আসছেন ৭ জানুয়ারি। একইসঙ্গে আইএসএল শুরুর একটা তারিখও শোনাযাচ্ছে। সূত্রের খবর জানুয়ারির শেষেই নাকি শুরু হতে পারে আইএসএল। তবে কী সেই খবর জেনেই প্রস্তুতিতে নামছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।
বোর্ডের নির্দেশিকায় মুস্তাফিজুরকে ছাড়ল কেকেআর

কলকাতা নাইট রাইডার্স(KKR) মুস্তাফিজুর রহমানকেMustafizur Rahaman) নেওয়ার পর থেকেই ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের রোষের মুখে পড়তে শুরু করেছিল নাইট রাইডার্স। এমনকি তাদের খেলা বয়কটেরও ডাক দিয়েছিলেন সমর্থকরা। এবার শেষপর্যন্ত বিসিসিআইয়ের(BCCI) নির্দেষে মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হল কলকাতা নাইট রাইডার্স(KKR)। শনিবারই সরকারীভাবে সেই কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেকেআর-এর(KKR) তরফ থেকে। তবে সেই জায়গায় পরিবর্ত ক্রিকেটার হিসাবে কাকে নেওয়া হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু হয়নি। বাংলাদেশ জুড়ে অচলাবস্থা। কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশি কট্টরপন্থীদের হাতে এক হিন্দুস ধর্মাবলম্বী দীপু দাসের নৃশংশভাবে হত্যা হওয়ার ঘটনা সকলকে স্তম্ভিত করেছিল। সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কও একেবারে তলানীতে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের লিগে কেন বাংলাদেশী ক্রিকেটারকে নেওয়া হয়েছে। তাও আবার ৯ কোটি টাকার বিনিময়ে। সেই নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছেল জোর সমালোচনা। এমনকি আইপিএল(IPL) হওয়ার সময় কলকাতা নাইট রাইডার্সের(KKR) বিরুদ্ধে বয়কটের ডাকও দিয়েছিলেন অনেক সমর্থক। এমন পরিস্থিতিতেই বিষয়টি নজরে আসে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের। অবশেষে নানান আলোচনার পর মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশই দেওয়া হয় কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। আর এতে যে সমর্থকরা খানিকটা হলেও শান্ত হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। মুস্তাফিজুরকে(Mustafizur Rahaman) নেওয়ার পর থেকেই নানান প্রশ্নও উঠছিল। কারণ বাংলাদশিদের এই মুহূর্তে ভিসা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। ফলে বাংলাদেশের ক্রিকেটার নেওয়া হলেও, তাঁর এই দেশে আসা ঘিরে থাকবে বহু অনিশ্চয়তা। সেইসঙ্গে তাঁকে আবার ৯ কোটি টাকা দিয়ে দলে নেওয়া হয়েছিল। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে কেউই খুব একটা ভালো ভাবে নেয়নি বিষয়টা। শনিবারই কলকাতা নাইট রাইডার্সের তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশিকা মেনেই কথাবার্তার মাধ্যমে মুস্তাফিজুর রহিমকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও সেই জায়গায় নিয়ম অনুযায়ী অন্য ক্রিকেটারকে তারা নিতে পারবেন। কয়েকদিনের মধ্যে সেই ক্রিকেটারের নামও ঠিক করে ফেলবে কলকাতা নাইট রাইডার্স।
ফিফার কাছে দেশের ফুটবলকে বাঁচানোর আবেদন ভারতীয় ফুটবলারদের

ফুটবল নিয়ে আলোচনা রয়েছে। একের পর এক বৈঠক রয়েছে। বিভিন্ন মহলে নানান কথাবার্তা রয়েছে। শুধু ফুটবলটাই মাঠে নেই। আর যাদের পায়ে বলটা থাকার কথা তারাই বসে রয়েছে ঘরে। কী করবে এই মরসুমের আইএসএলটাই তো এখন অনিশ্চিত। ফেডারেশন(AIFF), এফএসডিএলের(FSDL) সমস্যায় ভারতের সর্বোচ্চ লিগটাই অন্ধকারের রাস্তায়। এবার শেষ চেষ্টায় নামলেন ফুটবলাররাও(Indian Footballers)। ক্রমশই যেন আশা হারাচ্ছে তারা। তাই তো এবার ফিফার(FIFA) কাছে তাদেরকে বাঁচানোর আবেদন। নতুন বছর পড়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত আইএসএল(ISL) নিয়ে কোনও নিশ্চয়তা নেই। বহু বৈঠক হলেও, কবে মাঠে বল গড়াবে কেউ বলতে পারছে না। শেষ ক্লাবজোটের উত্তরও কেমন ইতিবাচক নয়। অন্তত সেই উত্তর থেকে আইএসএল হওয়ার কোনওরকম আশার আলো এখনও পর্যন্ত কেউ দেখতে পাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ফিফাই(FIFA) এখন ফুটবলারদের(Indian Footballers) বাঁচার আশা। সুনীল ছেত্রী(Sunil Chetri) থেকে গুরপ্রীত সিং সান্ধু, প্রীতম কোটালরা ফিফার কাছেই করছেন কাতর আবেদন। তাদের ফুটবলটা তারা ফেরত চাইছেন। সোশ্যাল ভারতের তারকা ফুটবলাররা মিলে একটি আবেদনের ভিডিও বানিয়েছেন। সেখানেই তারা বলছেন, “জানুয়ারি হয়ে গেল, এই সময়টা তো আমাদের মঞ্চে আমাদের থাকার কথা ছিল। কিন্তু সেই জায়গায় আমরা নিয়ে চলেছি এক অন্য আতঙ্ক। সেই জন্যই তো আমরা এদিন এক কাতর আবেদন নিয়ে এসেছি। ভারতীয় ফুটবল সর্বময় সংস্থা তার দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ।” . @FIFAcom @FIFPRO @FIFPROAsiaOce @FPAI pic.twitter.com/urNqYfmVcH — Gurpreet Singh Sandhu (@GurpreetGK) January 2, 2026 “আমরা যেন একটা পাকাপাকি পঙ্গুতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। সবকিছু বাঁচাতে আমাদের সাধ্যমতো এই একটাই চেষ্টা এবার আমরা করছি। এই ঘটনায় এবার ফিফা সরাসরি অংশগ্রহন করুক এবং ভারতীয় ফুটবলকে বাঁচাতে যা করা উচিত্ তারা যেন সেটাই করে। আমরা আশা করছি জুরিখ শহরে হয়ত এই আবেদনের বার্তাটা পৌঁছবে।” শেষ চিঠিতে ক্লাবজোট খেলতে রাজি হওয়ার ক্ষেত্রে কমার্শিয়াল পার্টনারের কথাই বলেছে। সেই পার্টনার যতক্ষণ না পর্যন্ত ঠিক হবে তারাও যে খেলবে তা এক প্রকার স্পষ্ট। কিন্তু এতকিছুর মধ্যে ভারতীয় ফুটবলারদের পা থেকে বলটাই হারিয়ে যেতে বসেছে। ফুটবলারদের আবেদনে ফিফা সাড়া দেয় কিনা সেটাই দেখার।