সক্রিয় হয়েই স্বমেজাজে দিলীপ ঘোষ

অমিত শাহের বার্তা। তারপরই বঙ্গ বিজেপিতে(BJP) সক্রিয় দিলীপ ঘোষ(Dilip Ghosh)। আর আসরে নেমেই ফের পুরনো মেজাজে বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ(Dilip Ghosh)। তাঁর সাফ বক্তব্য গোটা মাঠ জুড়ে এবার খেলব। দিলীপের(Dilip Ghosh) সক্রিয় হওয়া যে বঙ্গ বিজেপিকে বিধানসভার আগে অনেকটাই চাঙ্গা করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর সাংবাদিক বৈঠকে বসেই যেন পুরনো দাবাং মেজাজে বিজেপির দাবাং নেতা। সাংবাদিক সম্মেলনে দিলীপ ঘোষ বলেন, “অমিত শাহ মাঠে নামতে বলেছিলেন, আমি নেমে পড়েছি।” প্রায় আট মাস পর বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকে বিজেপির কার্যালয়ে যান দিলীপ। দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে। এরপরই কার্যালয় থেকে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। দলের মধ্যেই কোণঠাসা থেকে ফের সক্রিয়তা, সব প্রশ্নের জবাবে রীতিমতো ছক্কা হাঁকান দিলীপ। দিলীপ ঘোষ জানান, “আমি সব সময় আছি। মাঠ জুড়ে খেলব। আমি ৬ বছর রাজ্য সভাপতি ছিলাম। পরে অন্য দায়িত্ব সামলেছি। আজ শমীকদার সঙ্গে কথা হয়েছে। দলের যেভাবে আমাকে প্রয়োজন আমি আছি, লড়ব।”
রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে লড়াইয়ের বার্তা মমতার

নির্বাচনের দিন এখনও পর্যন্ত ঘোষণা হয়নি। কিন্ত উত্তেজনার পারদ এখন থেকেই চড়তে শুরু করেছে। পয়লা জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস। সেদিনই সোশ্যাল মিডিয়াতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের((Mamata Banerjee) বিরাট বার্তা। কোনওরকম চাপের কাছে মাথা নোয়ানো নয়। বরং লড়াই চালিয়ে যাওয়ারই বার্তা দিয়েছেন মমতা(Mamata Banerjee)। তাঁর সাফ বার্তা সমস্তরকম রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই এগিয়ে যেতে হবে তাদের। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “মা-মাটি-মানুষের সেবার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের আজকের দিনে তৃণমূল কংগ্রেসের পথচলা শুরু হয়েছিল। এই ঐতিহাসিক যাত্রাপথের মূল দিশারী দেশমাতৃকার সম্মান, বাংলার উন্নয়ন এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা। আজও আমাদের দলের প্রতিটি কর্মী-সমর্থক এই লক্ষ্যে অবিচল এবং অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁদের নিরলস প্রচেষ্টা ও আত্মত্যাগকে আমি বিনম্র চিত্তে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাই।” লড়াই আর মমতা যে এই বাংলায় একটা সমার্থক নাম হয়ে গিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই লড়াইের বার্তাই দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা।
বিরাট ও রোহিতের জন্য বোর্ডের কাছে বিশেষ আবেদন ইরফান পাঠানের

বিরাট কোহলি(Virat Kohli) ও রোহিত শর্মার(Rohit Sharma) গেম টাইম নিয়ে এবার জোরালো সওয়াল করলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার ইরফান পাঠান। তিন নয়, বিরাট, রোহিতদের কথা চিন্তা করে এবং তাদের গেম টাইম দেওয়ার জন্য অন্তত পাঁচ ম্যাচের ওডিআই সিরিজের কতা বোর্ডের ভাবা উচিত্ বলেই মনে করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। সেইসঙ্গে দ্বীপাক্ষিক সিরিজ ও ত্রিদেশিয় সিরিজের ওডিআই ম্যাচের সংখ্যাও বাড়ানোর বার্তা দিচ্ছেন ইরফান পাঠান(Irfan Pathan)। টি টোয়েন্টি এবং টেস্ট থেকে অবসরের পর আপাতত শুধুমাত্র ওডিআই ফর্ম্যাটেই খেলছেন ভারতীয় দলের দুই তারকা ক্রিকেটার রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকার পর এবার নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামবে টিম ইন্ডিয়া। সেখানেই দেখা যাবে এই দুই তারকা ক্রিকেটারকে। কিন্তু এরপর আর সেভাবে ভারতের ওডিআই সিরিজ নেই। অন্যদিকে সামনেই রয়েছে ওডিআই বিশ্বকাপ। সেখানে খেলবেন রোহিত(Rohit Sharma) এবং বিরাট(Virat Kohli) দুজনই। তাদের কথা চিন্তা করেই আরও গেম টাইম দেওয়া উচিত্ বলেই মনে করছেন পাঠান। তিনি জানান, “এই কারণেই তো আমি বলে চলেছি যে কেন আমরা তিনের বদলে পাঁচ ম্যাচের ওডিআই সিরিজ খেলছি না। বিশেষ করে ত্রিদেশীয় সিরিজ তো আমরা খেলতেই পারি। এই দুজন তারকা এখন শুধুমাত্র এই একটাই ফর্ম্যাটে খেলছে, তাহলে কেন আমরা তাদের জন্য অন্তত এমন সিরিজ আয়োজন করতে পারি না।“
নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজেও নেই ঋষভ পন্থ!

টি টোয়েন্টির পর ওডিআই থেকেও কী ঋষভ পন্থের নাম সরতে চলেছে। সেই বার্তাই কী নতুন বছর পড়তেই সোশ্যাল মিডিয়াতে দিলেন ভারতী.য় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। বর্ষবরণের দিন ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে কিছু কথা লিখেছেন ঋষভ পন্থ। আর সেটা দেখার পর থেকেই তাঁকে নিয়ে এখন হৈচৈ তুঙ্গে। আসন্ন নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ থেকেও কী তবে বাদ পড়তে চলেছেন পন্থ! এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। চোট সারিয়ে ফেরার পর থেকেই ভারতীয় দলের নিয়মিত সদস্য নেই ঋষভ পন্থ। এমনকি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ভারতীয় দলে সুযোগ হয়নি এই তারকা ক্রিকেটারের। সেখানেই এবার ঘরের মাঠে কিউইদের বিরুদ্ধে নামবে টিম ইন্ডিয়া। সেখানেও কী ঋষভ পন্থ সুযোগ পাবেন। এই নিয়েই যখন জল্পনা তুঙ্গে। সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে ঋষভ পন্থের কিছু পোস্ট। সেই পোস্টে বর্তমান থেকে ভবিষ্যত্ নিয়ে নানান কথাবার্তা লিখেছেন তিনি। সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও পন্থের লেখায় রয়েছে ধোঁয়াশা। আর সেটা দেখার পর থেকেই অনেকে তাঁর ওডিআই দল থেকে বাদ পড়ার কথা বার্তাও বলতে শুরু করেছে।