এএফসির স্লট পেলেই আইএসএল! অপেক্ষায় ক্লাবজোট

আইএসএল(ISL) কী হবে। হলে কবে থেকে শুরু হবে। এই নিয়েই এখনও যেন সমাধান বেড়িয়ও বেড়োচ্ছে না। জামশেদপুর এফসি(Jamshedpur Fc) বাদে এখনও পর্যন্ত কোনও ক্লাবই খেলার ব্যপারে তাদের নিজেদের মত পেশ করেনি। কারণ তাদের কাছে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এবারের এএফসিতে-তে(AFC) তারা স্লট পাবে কিনা। আর সেটাই ফেডারেশনকে তাদের জানাতে হবে। ইতিমধ্যেই ক্লাবগুলো(ISL Clubs) ফের একবার মঙ্গলবার নিজেদের মধ্য়ে বৈঠকে বসতে চলেছে। সেখানেই আবার খেলা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। কারণ এখন আইএসএল(ISL) শুরু সেখানে তারা ২৪টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে না। আর সেটাই ক্লাবগুলোকে চিন্তায় ফেলেছে। একেতো নিজেদের টাকা খরচ করতে হবে। সেইসঙ্গে যদি এএফসি স্লট না পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে পুরোটাই তাদের লোকসান হিসাবে দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই আপাতত ফেডারেশনের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। কারণ সেখানেই এএফসিকে এবারের বিষয়ের কথা বলে খানিকটা ছাড় দেওয়ারই আবেদন করা হবে। সেখানে গ্রীন সিগন্যাল পেয়ে গেলেই আইএসএল শুরু হতে কোনও সমস্যা নেই। একইসঙ্গে এবার আবার এবারের আইএসএলের কমার্শিয়াল রাইটস কারা পাবে তা নিয়েও ক্লাবগুলো জানতে চাইছে। সেইসঙ্গে নজর রয়েছে বাজেটের দিকে। মঙ্গলবার ক্লাবগুলো আবার নিজেদের মধ্যে সেইসব নিয়েই একটা বৈঠকে বসতে চলেছে। মনে করা হচ্ছে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ক্লাবগুলো নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে।
৩৬৫ দিনই রাজ্যে দুর্গা পুজো, দুর্গাঙ্গনের শিলান্যাস মুখ্যমন্ত্রীর

ঘোষণাটা বহু আগেই করেছিলেন। এবার সেই মতোই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) শিলান্যাস করলেন দুর্গাঙ্গনের। নিউটাউনে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনদের নিয়ে উদ্বোধন দুর্গাঙ্গনের(Durgangan) শিলান্যাস করলেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ বছরে আর চারদিন নয়, মা দুর্গার পুজো এবার রাজ্যবাসী প্রতিদিনই দিতে পারবেন। নির্বাচনের আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) এই কাজকে অনেকেই মাস্টারস্ট্রোক হিসাবেই দেখছেন। আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ হবে বলেও জানিয়ে দিলেন মমতা। সোমবার বিকেলে নিউটাউনে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে দুর্গা অঙ্গনের(Durgangan) শিলান্যাস করে এর বিশেষত্বের কথা সবিস্তারে বর্ণনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) । পাশাপাশি ছাব্বিশের ভোটের আগে মুখ্যমন্ত্রী ‘হিন্দুত্বে’ জোর দিচ্ছেন বলে বিরোধীরা যে রব তুলেছিলেন, তারও সপাট জবাব দিলেন তিনি। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ”আমি সব ধর্মকে শ্রদ্ধা করি। সব ধর্মের সব অনুষ্ঠানে থাকি। কারণ, আমি মনে করি ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। জানেন এই দুর্গা অঙ্গন কেন তৈরি হচ্ছে? যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের বলি। ইউনেস্কো আমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজোকে কালচারাল হেরিটেজের তকমা দিয়েছে। তাদের স্বীকৃতিকে সম্মান জানাতে এই দুর্গা অঙ্গন তৈরি করা হল। সেই সঙ্গে সারাবছর এখানে মা দুর্গার দর্শন ও নিত্যপুজো হবে।” নিউটাউনের ইকো পার্কের কাছে ১৭.২৮ একর জমির ওপর তৈরি হবে এই দুর্গাঙ্গন। দুর্গাঙ্গনের চারপাশে থাকবে ২০ ফুটের চওড়া রাস্তা। ১০৮ দেবদেবীর মূর্তি, ৬৪ সিংহ মূর্তি থাকবে। ৩৬৫ দিন খোলা থাকবে দুর্গা অঙ্গন, দেওয়া যাবে পুজো।
“কবে হবে আইএসএল”- জানতে চাইছেন অস্কার

দেশে ক্রিসমাসের(Christmans) উৎসব চলছে। কিন্তু চেয়েও যেন সেই সেই উৎসবে মাততে পারছেন না অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। কবে তাঁকে ডেকে পাঠানো হবে, এই আশাতেই যেন দিন গুনছেন লাল-হলুদের(Eastbengal) শীর্ষকর্তা। সেই কারণে তো প্রতিদিনই ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এই লাল-হলুদের হেডস্যার। বারবার শুধু একটাই কথা জানতে চাইছেন অস্কার(Oscar Bruzon)। কবে শুরু হবে আইএসএল(ISL)। আর সেই উত্তরটাই দিতে পারছে না লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্টের সদস্যরাও। অস্কারও এখন দিন গুনছে। কিন্তু সেই অপেক্ষা কবে শেষ হবে সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। সুপার কাপ শেষ হওয়ার পরই দেশে ফিরে গিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের তারকা কোচ অস্কার(Oscar Bruzon)। সেইসঙ্গে বিদেশি থেকে দেশিয় ফুটবলাররাও আপাতত ছুটিতে রয়েছেন। কিন্তু তারা কবে থেকে নামতে পারবেন কিছুই জানেন না এখন পর্যন্ত। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। আদৌ আইএসএল(ISL) হয় কিনা সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন কোচ থেকে ফুটবলাররা সকলেই। এবারের আইএসএল নিয়ে এখনও পর্যন্ত অনিশ্চয়তা কাটেনি। কিন্তু শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাতো সময়ই বলবে। সেদিকেই এখন ফুটবলার থেকে কোচ পর্যন্ত তাকিয়ে। ফেডারেশনের তৈরি করে দেওয়া কমিটি এবং ক্লাবজোটের সদস্যদের বৈঠক হলেও এখনও পর্যন্ত সমাধানসূত্র বেড়িয়ে আসেনি। এমনকি লাল-হলুদের কোচ বারবার জানতেও চাইছেন যে কবে থেকে তারা প্রস্তুতি শুরু করতে পারবেন। কারণ হঠাৎ করে যদি আইএসএলের দিন ঘোষণা হয়ে যায় সেখানে দলের প্রস্তুতির সময় কতটা পাওয়া যাবে সেটা নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনওরকম ভাবনা পাচ্ছে না তারা। স্পেনে বেশ চিন্তাতেই রয়েছেন অস্কার।
১০০০ গোলের মাইলস্টোন ছুঁয়েই খেলা ছাড়বেন রোনাল্ডো

মাঠের বাইরে কোলে নানান কথাবার্তা বললেও, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো(Cristiano Ronaldo) নিজের লক্ষ্যেই স্থির। ট্রফি, সাফল্য তো রয়েছেই, কিন্তু হাজার গোলের সংখ্যাটাই যে সি আর সেভেনের(Cristiano Ronaldo) কাছে পাখির চোখ তা আরও একবার বলে দিলেন এই পর্তুগীজ কিংবদন্তী। সদ্য আল নাসেরের হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পরই খেলা না ছাড়ার কথা ফের একবার বললেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। শেষপর্যন্ত তিনি সেই লক্ষ্যে পৌঁছত পারেন কিনা সেটাই দেখার। আল নাসেরের(AL Naser) হয়ে শেষ ম্যাচে দুর্ধর্ষ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছিলেন রোনাল্ডো। তাঁর নামের পাশে রয়েছে জোড়া গোল। সেইসঙ্গেই সিআরসেভেনের (Cristiano Ronaldo) গোলের সংখ্যা এখন ৯৫৬। অর্থাৎ হাজার গোলের মাইলস্টোনে পৌঁছতে রোনাল্ডোর প্রয়োজন এখন মাত্র ৪৪ টি গোল। সেই প্রসঙ্গেই এবার মুখ খুললেন খোদ রোনাল্ডোও। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে এখনই কোনওরকম খেলা ছাড়ার ভাবনা তাঁর নেই। রোনাল্ডো জানিয়েছেন, “আমার আরও ওপরের দিকে যাওয়ার লক্ষ্য। আর সেই জন্যই খেলা চালিয়ে যাব। সেটা মধ্যপ্রাচ্য এশিয়াতেও হোক কী ইউরোপে খেলি। আমি নিজের খেলাটা সবসময়ই চালিয়ে যেতে চাই। আশা করি সকলেই জানেন আমার লক্ষ্য কী। আমি যেমন ট্রফি জিততে চাই, তেমনই আবার সেই কাঙ্খিত সংখ্যা ১০০০ গোলেও পৌঁছতে চাই। যদি কোনওরকম চোট বা আঘাত না হয়, আমি অবশ্যই সেই লক্ষ্যে পৌঁছে যাব।“ ২০২২ সালের পর আল নাসেরের সঙ্গেও আরও দু বছরের চুক্তি বাড়িয়েছিলেন রোনাল্ডো। তাদের হয়ে এই মরসুমে ১৪ ম্যাচে ১৩টি গোলও করা হয়ে গিয়েছে। এছাড়াও আল নাসেরের জার্সিতে ১২৫ ম্যাচে ১১২টি গোল রয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর। এমনক এবার গ্লোব সকারে মধ্যপ্রচ্য এশিয়ায় সেরা ফুটবলারের পুরস্কারও পেয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। সেই সময় রোনল্ডো একটা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তাঁর বয়স বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে খেলা চালিয়ে নিয়ে যাওয়াটা কঠিন মেনে নিলেও, তিনি যে যথেষ্ট মোটিভেটেড, সেই কথা সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন রোনাল্ডো।
বিজয় হাজারের রাউন্ড সিক্সের ম্যাচেও রয়েছেন বিরাট

রোহিত শর্মা(Rohit Sharma) না খেললেও, বিজয় হাজারে ট্রফির রাউন্ড অব সিক্সে খেলবেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli) ও যশস্বী জয়সওয়াল(Yashasvi Jaiswal)। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আগামী ১১ জানুয়ারি প্রথম ওডিআই ম্যাচে নামবে ভারত। তার জন্য রোহিত বিজয় হাজারে-তে দুটো ম্যাচ খেললেও, বিরাট কোহলি(Virat Kohli) আগামী ৬ জানুয়ারির ম্যাচেও নামবেন। কারণ একটাই এই সিরিজে নামার আগে নিজেকে যতটা সম্ভব বেশি গেম টাইম দেওয়া। সেই একই কারণে খেলবেন যশস্বীও। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন বিরাট কোহলি(Virat Kohli)। সিরিজের সেরা ক্রিকেটারও হয়েছিলেন তিনি। এরপর থেকেই শুরু হয়েছিল নতুন জল্পনা। রোহিতের পথেই কি এবার বিরাট কোহলিও হাঁটতে শুরু করবেন। না তেমনটা কিন্তু হচ্ছে না। বরং ৬ জানুয়ারি রেলওয়েজের বিরুদ্ধে নামবেন বিরাট কোহলি। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজের পর বিজয় হাজারে ট্রফিতেও শুরুটা কিন্তু বেশ ভালোভাবেই করছেন বিরাট কোহলি। প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি এবং পরের ম্যাচে বিরাট কোহলির রান ৬১ বলে ৭৭। বিরাট কোহলির এই পারফরম্যান্স দেখার পর থেকেই তাঁকে নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটে আলোচনাটা আরও বেড়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে বিজয় হাজারে ট্রফি খেলা নিয়ে বিরাট কোহলিরও নিজস্ব একটা লক্ষ্য রয়েছে। এই মুহূর্তে ওডিআই ছাড়া কোনও ফর্ম্যাটেই খেলছেন না তিনি। ওডিআই বিশ্বকাপও সেই ২০২৭ সালে। তার আগে ভারতের খুব একটা বেশি ওডিআই সিরিজ নেই। সেই কারণেই তো ১৫ বছর পর ফের একবার বিজয় হাজারে ট্রফিতে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিরাট কোহলি। সেভাবেই নিজেকে তৈরিও করছেন তিনি। ৬ জানুয়ারির ম্যাচ খেলার পরই একেবারে ১১ তারিখ দেশের জার্সিতে মাঠে নেমে পড়বেন বিরাট কোহলি।
নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বুমরাহ ও হার্দিককে বিশ্রামের ভাবনা

নতুন বছরে ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামছে ভারত(INDvNZ)। সেখানেই ভারতের সেরা দুই তারকাকে বিশ্রাম দেওয়ার ভাবনা বোর্ডের(BCCI)। শোনাযাচ্ছে জসপ্রীত বুমরাহ(Jasprit Bumrah) এবং হার্দিক পাণ্ডিয়াকে(Hardik Pandya) নাকি বিশ্রাম দিতে চলেছেন নির্বাচকরা। সামনেই রয়েছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup)। সেই কথা মাথায় রেখেই ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের ভাবনা ভারতীয় দলের নির্বাচকদের। একইসঙ্গে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারতীয় দলের আরেক তারকা ঋষভ পন্থকেও(Rishabh Pant)। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেই টি টোয়েন্টি সিরিজে নেমেছিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া(Hardik Pandya)। সেখানে ব্যাটিং থেকে বোলিংয়ের পারফরম্যান্সে হার্দিককে প্রসংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন সকলে। এই তারকা অল রাউন্ডার যে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও ভারতীয় দলের প্রধান অস্ত্র হতে চলেছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেই সমস্ত কথা মাথায় রেখেই হয়ত তাঁকেও না খেলানোর পথেই হাঁটতে চলেছেন নির্বাচকরা। এছাড়া বুমরার(Jasprit Bumrah) ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের দিকে তো বোর্ডের মরসুমের শুরু থেকেই নজর রয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থেকে ঘরের মাঠে সিরিজ, সব জায়গাতেই বুমরাহকে বিশ্রাম দিতে দেখা গিয়েছে। এবার ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও সেই একই পথে হাঁটতে চলেছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। একেবারে টি টোয়েন্টি সিরিজ থেকেই হয়ত ভারতীয় দলে ফিরবেন বুমরাহ ও হার্দিক পাণ্ডিয়া। সম্প্রতি ঋষভ পন্থকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজেও না খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। আগামী ১১ জানুয়ারি থেকে ঘরের মাঠে নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ দিয়ে শুরু করবে ভারত। এরপরই রয়েছে পাঁচ ম্যাচের টি টোয়েন্টি সিরিজ। যদিও বোর্ডের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকেই নানান কথাবার্তা বলতে শুরু করেছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকল।