“অর্থ বাধা হবে না” – বার্তা মোদির, পাল্টা তৃণমূলেরও

শনিবার তাহেরপুর দিয়েই কার্যত ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিলেন নরেন্দ্র মোদী(Narendra Modi)। সেখানেই তৃণমূলকে(TMC) উদ্দেশ্যে কৌশলী বার্তা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। যদিও পাল্টা দিতে খুব একটা দেরী করেনি তৃণমূল কংগ্রেসও(TMC)। মোদির(Narendra Modi) সেই সভায় সাফ বার্তা, একবার সুযোগ দিন, বাংলার উন্নয়নে কোনওরকম বাধা থাকবে না। মোদির বৈঠকের কিছুক্ষণের মধ্যেই পাল্টা খোঁচা তৃণমূলেরও। তাদের মতে তৃণমূল নয়, বাংলাকে বঞ্চিত করছে কেন্দ্রের বিজেপি শাসিত সরকার। শনিবার তাহেরপুরে নরেন্দ্র মোদির(Narendra Modi) বৈঠক করার কথা ছিল। সেই মতো তিনি এলেও খারাপ আবহাওয়ার জন্য শেষপর্যন্ত তাঁর হেলিকপ্টার নামতে পারেননি। এরপরই দমদম বিমান বন্দরে ফিরে আসেন মোদী। সেই জায়গা থেকেই সকলকে অডিও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই নরেন্দ্র মোদি বলেন, “তৃণমূল মোদির বিরোধ করতে চাইলে, করুক। বিজেপির বিরোধ করতে চাইলে করুক। কিন্তু রাজ্যের উন্নয়ন কেন আটকাছে। একবার সুযোগ দিন, বাংলার উন্নয়নে অর্থ বাধা হবে না। দ্রুত উন্নয়ন হবে।” কিছুক্ষণের মধ্যেই এই মন্তব্যের পাল্টা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসও(TMC)। টিএমসির মুখপাত্র কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আপনি খালি হাতে এসেছেন। বাংলার টাকার আটকে রেখেছে কেন্দ্র। তৃণমূলের বিরোধিতা করুন, কিন্তু বাংলার বিরোধিতা করবেন না। বাংলার মানুষকে ভাতে মারছেন। মোদি মূল সমস্যাগুলি এড়িয়ে গিয়েছেন।” এদিন তাহেরপুরের বৈঠকে গিয়ে মতুয়াদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তাও দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)। জানিয়েছেন, সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের জোরেই মতুয়ারা এ দেশের নাগরিক। বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে মতুয়া ও নমশুদ্র সম্প্রদায়ের জন্য আরও অনেক কাজ হবে।
অপরাজিত ইস্টবেঙ্গল চ্যাম্পিয়ন সাফ ক্লাব ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ

ছেলেরা বারবার ব্যর্থ হলেও, ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) মেয়েদের সোনালী দৌড় অব্যহত। এবার সাফ ক্লাব ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপও(Saff Club Womens Championship) চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালে নেপালের এপিএফ ক্লাবকে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়িয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট মাথায় তুলল লাল-হলুদের(Eastbengal) মহিলা বাহিনী। ম্যাচের ফলাফল ৩-০। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে জোড়া গোল ফাজিলা ইকবাপুটের। আরেকটি গোল করেন সিক্লী দেবী। অপরাজিত থেকেই সাফ ক্লাব ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ চ্যাম্পিয়ন হল ইস্টবেঙ্গল। এএফসির পর এই সাফ ক্লাব ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপে নেমেছিলেন লাল-হলুদের মহিলা ব্রিগেড। নেপালের মাঠে শুরু থেকেই দাপুটে ফর্মে ছিল ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচ থেকেই তারা ছিল অপ্রতিরোধ্য। সেটা অবশ্য ফাজিলা(Fazila Ikbapute), সিক্লিদের পারফরম্যান্স গ্রাফের দিকেই তাকালে স্পষ্ট। গোটা প্রতিযোগিতায় যেমন একটিও ম্যাচে তারা হারেনি। তেমন একটিও ম্যাচে গোলও খায়নি ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) মহিলা ফুটবল দল। টানা পাঁচ ম্যাচ অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। সেইসঙ্গে প্রতিপক্ষের শিবিরের জালে বল জড়িয়েছে মোট ১৬ বার। এদিন এপিএফের বিরুদ্ধেও ইস্টবেঙ্গলের মহিলা দল ছিল আক্রমণাত্মক মেজাজে। কার্যত তদের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেন নেপালের এই ক্লাবটি। এদিন জোড়া গোল করে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে এই প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ গোলদাতার জায়গাটাও আরও মজবুত করে ফেললেন ফাজিলা। গোটা প্রতিযোগিতায় একাই ৯ গোল করছেন ফাজিলা। গ্রুপপর্ব থেকেই এবার ইস্টবেঙ্গল অপরাজিত। গ্রুপে তিনটি জয় এবং একটি ড্র। ফাইনালে প্রতিপক্ষের জালে তিনবার বল জড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল মহিলা দল। চ্যাম্পিয়ন দলের এবার শুধুই ঘরে ফেরার অপেক্ষায় সকলে।
প্রায় আড়াই বছর পর ভারতীয় দলে ডাক পেয়ে আপ্লুত ঈশান

প্রায় আড়াই বছর পর ভারতীয় দলে ডাক পেলেন ঈশান কিষাণ(Ishan Kishan)। দীর্ঘদিন পর ফের ভারতের জার্সি পরে মাঠে নামার সযোগ পেয়ে আপ্লুত এই তারকা ক্রিকেটার। আগামী ফেব্রুয়ারীতে ঘরের মাঠে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ(T20 World Cup)। সেখানেই ফের একবার দেশের জার্সিতে দেখা যাবে ঈশান কিষাণকে। তবে এই সাফল্যের পিছনে যে নেপথ্য কারিগড় তাঁর সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির পারফরম্যান্স তা বলতেও দ্বিধা করেননি ঈশান কিষাণ(Ishan Kishan)। ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর বহু সমালোচনায় বিদ্ধ হয়েছিলেন ঈশান কিষাণ(Ishan Kishan)। সেইসঙ্গে বোর্ডের নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ঘরোয়া ক্রিকেট না খেলা। সব মিলিয়েই দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় দলের বাইরে ছিলেন ঈশান কিষাণ। আইপিএল খেললেও দেশের জার্সিতে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। অবশেষে মুস্তাক আলিতে ফের একবার জ্বলে ওঠেন এই তারকা ক্রিকেটার। মুস্তাক আলিতে সর্বোচ্চ রান এই মরসুমে করেছেন ঈশান কিষাণ। সেই পারফরম্যান্স দেখার পরই যে তাঁকে দলে তুলে নেওয়া হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়ে কিষাণ আপ্লুত। সেইসঙ্গে ঝাড়খন্ডকে মুস্তাক আলি চ্যাম্পিয়ন করতে পেরেও তিনি খুশি। ঈশান কিষাণ জানিয়েছেন, ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত খুশি। একইসঙ্গে আমি খুশি নিজের ঘরোয়া ক্রিকেটের দল ঝাড়খন্ডের পারফরম্যান্স নিয়েও। এই প্রথমবার ঝাড়খন্ড সৈয়দ মুস্তাক আলি জিতেছে। এবারের মুস্তাক আলিতে ১০ ইনিংসে ৫১৭ রান করেছেন ঈশান কিষাণ। সেইসঙ্গে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে জোড়া সেঞ্চুরি এবং দুটো অর্ধশতরান। একইসঙ্গে ঈশান কিষাণের স্ট্রাইকরেটও রয়েছে ১৯৭। এবার তিনি বিশ্বকাপে কেমন পারফরম্যান্স করেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় সকলে।
গিলের বাদ পড়ায় হতবাক সুনীল গাভাসকর

বিশ্বকাপের জন্য ভারতের ট টোয়েন্টি দল থেকে বাদ পড়েছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। সেই সময় অনেকেই যখন এই সিদ্ধান্তকে প্রত্যাশিত ভাবছে। সুনীল গাভাসকরের(Sunil Gavaskar) মুখে কিন্তু অন্য কথাই। বরং শুভমন গিলের(Shubman Gill) ভারতের টি টোয়েন্টি স্কোয়াডে সুযোগ না পাওয়ায় বেশ খানিকটা অবারই হয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন তারকা গাভাসকর। তাঁর মতে এই মুহূর্তে গিল খানিকটা খারাপ পারফরম্যান্সের মধ্যে দিয়ে গেলেও, তাঁকে দলে রাখা যেত বলেই মনে করছেন তিনি। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া থেকে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজে তাঁকে সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু একটিও ম্যাচে সেভাবে নিজের পারফরম্যান্স দেখাতে পারেননি। তাঁকে নিয়ে নানান কথাবার্তাও শুরু হয়েছিল। অনেকেই তাঁকে দলে রাখা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছিলেন। সেই পরিস্থিতিতেই শেষপর্যন্ত শুভমন গিলকে(Shubman Gill) ভারতীয় দলে না রাখারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতেই এবার মুখ খুলেছেন সুনীল গাভাসকর(Sunil Gavaskar)। গিলের ভালো ফর্মে না থাকার কথা যেমন তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন। তেমনই তাঁর ব্যাটিং দক্ষতারও প্রশংসা শোনা গিয়েছে এই প্রাক্তন কিংবদন্তী গাভাসকরের(Sunil Gavaskar) মুখে। সুনীল গাভাসকর(Sunil Gavaskar) সম্প্রচারকারী সংস্থার চ্যানেলে জানিয়েছেন, “হ্যাঁ সত্যি কথা বলতে কী শুভমন গিলের ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়াটা আমার কাছে সত্যিই বড়সড় সাপ্রাইজ। তিনি একজন ক্লাসিক ব্যাটার। মরসুমেও ভালো খেলেছেন। এই মরসুমে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে হয়ত তিনি ভালো ব্যাটিং করতে পারেননি। কিন্তু একটা কথা আমাদের সকলকে মনে রাখতে হবে যে দিনের শেষে দক্ষতাটাই কথা বলে।“ শুভমন গিল বাদ গিয়েছে। তবে সেই জায়গায় এসেছেন ঈশান কিষাণ। ওপেনিংয়ে শুভমন গিলের জন্যই সঞ্জু স্যামসনকে খানিকটা লোয়ার অর্ডারে খেলতে হচ্ছিল। বিশ্বকাপের সেই সমস্ত দিক বিচার করেই হয়ত এবার টি টোয়েন্টি থেকে গিলকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
টি-২০ বিশ্বকাপে নেই গিল, প্রত্যাবর্তন ঈশান কিষাণের

দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ টি টোয়েন্টিতেই আভাসটা পাওয়া গিয়েছিল। সেটাই হল। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের(T20 World Cup) দল থেকে বাদ পড়লেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। তবে চমক দিয়ে ভারতীয় দলে ফিরলেন ঈশান কিষাণ(Ishan Kishan)। দীর্ঘদিন ভারতীয় দলের বাইরে থাকলেও অবশেষে দলে ফিরলেন ঈশান কিষাণ। আর তার নেপথ্যে যে সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে ঈশানের(Ishan Kishan) পারফরম্যান্স তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শনিবার দুপুরে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই(BCCI)। বেশ কয়েকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল শুভমন গিলের(Shubman Gill) সেই দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে। কারণ সম্প্রতি যেকটি টি টোয়েন্টি ম্যাচে দেশের হয়ে তিনি খেলেছিলেন একটিও সেভাবে রান করতে পারেননি এই তারকা ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও টি টোয়েন্টি স্কোয়াডে শুভমন গিলের ওপর ভরসা রেখেছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তাঁর টি টোয়েন্টি(T20) ফর্ম্যাটে পারফরম্যান্স নিয়ে বারবারই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। বিশেষ করে ওপেনিং পজিশনে শুভমন গিলকে কেন খেলানো হচ্ছে তা নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। এরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে শেষ টি টোয়েন্টিতে ভারতীয় দলের প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েছিলেন শুভমন গিল। সেই সময়ই চিত্রটা বেশ খানিকটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে তাঁকে বাদ দিয়েই দল ঘোষণা করল ভারত। তবে দীর্ঘদিন পর ঈশান কিষাণ ফিরেছেন। সম্প্রতি সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে বারবার ঝোড়ো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তিনি। কয়েকদিন আগেও মুস্তাক আলিতে সেঞ্চুরি ইনিংস খেলেছিলেন ঈশান কিষাণ। বেশ কয়েকদিন ধরে চর্চাতেও রয়েছেন তিনি। শেষপর্যন্ত টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেই ডাক পেলেন তিনি। একইসঙ্গে উইকেটকিপার হিসাবে সঞ্জু স্যামসনও রয়েছে টি টোয়েন্টি স্কোয়াডে। অনিশ্চয়তা থাকলেও দলে জায়গা করে নিয়েছেন রিঙ্কু সিংও। দেখে নেওয়া যাক টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের স্কোয়াড সূর্যকুমার যাদব – অধিনায়ক অভিষেক শর্মা সঞ্জু স্যামসন – উইকেটকিপার তিলক বর্মা হার্দিক পাণ্ডিয়া শিবম দূবে অক্ষর পটেল রিঙ্কু সিং জসপ্রীত বুমরাহ হর্ষিত রানা অর্শদীপ সিং কুলদীপ যাদব বরুণ চক্রবর্তী ওয়াশিংটন সুন্দর ঈশান কিষাণ