ডিসেম্বরে বল পায়ে মাঠে নামছেন না ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা, ফিরে গেলেন শেষ বিদেশিও

ডিসেম্বরে আর বল পায়ে মাঠে নামছেন না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ফুটবলাররা। ভারতীয় ফুটবলের এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে শেষপর্যন্ত কী হয় সেই দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট(Eastbengal Management)। একমাত্র বিদেশি হিসাবে মিগুয়েল(Miguel Fereira) শহরে থাকলেও শেষপর্যন্ত তিনিও এবার পরিবারের সঙ্গে দেশে ফিরে গিয়েছে। আইএসএল(ISL) হওয়া নিয়ে নিশ্চয়তা পেলে তবেই নাকি কোচ থেকে ফুটবলারদের ডেকে পাঠানো হবে। আপাতত ডিসেম্বরে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের মাঠে নামার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সুপার কাপের(Super Cup) পরই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) কোচ সহ বাকি ফুটবলাররা ফিরে গিয়েছিলেন। কয়েকজন বিদেশি শহের ফিরলেও কয়েকদিনের ছুটি কাটিয়ে সেই হিরোশি(Hiroshi Ibusuki), কেভিন(Cavin), রশিদরাও(Mohammed Rashid) ফিরে গিয়েছিলেন শহরে। তবে কলকাতায় থেকে গিয়েছিলেন মিগুয়েল ফেরেরা(Miguel Feriera)। কারণ আর্জেন্তিনা যেতে খরচ অনেকটা। সেইসঙ্গে তখন নাকি ডিসেম্বরের শেষ থেকে প্রস্তুতি শুরু হওয়ারও একটা কথা ছিল ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal)। ফলে এইটুকু সময়ের জন্য তিনি ফিরে না যাওয়ারই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু আইএসএল নিয়ে জট এখনও অব্যহত। আদৌ আইএসএল(ISL) এবার হবে কিনা সেটা নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। এমন পরিস্থিতিতে নাকি কয়েকদিন আগে মিগুয়েলকে ম্যানেজমেন্টের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এই ডিসেম্বরে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) মাঠে নামার কোনওরকম সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ তিনি চাইলে ফিরে যেতেই পারেন। দুদিন আগেই নাকি পরিবারের সঙ্গে দেশেও ফিরে গিয়েছেন মিগুয়েল ফেরেরা। কবে থেকে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতি শুরু হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত আর কোনও আপডেট নেই। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে লাল-হলুদ(Eastbengal) ম্যানেজমেন্ট। আইএসএল কবে হবে সেটার ওপরই তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও নির্ভর করছে। একইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গল সূত্রে আরও একটা খবর পাওয়া যাচ্ছে। যদি এই মরসুমে আইএসএল না হয়, সেক্ষেত্রে তারা তাদের অনেক বিদেশি ফুটবলারদের ছেড়েও দিতে পারে। তেমনও একটা ভাবনা নাকি রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আইএসএল হওয়া নিয়েই আশাবাদী লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট।
৭১ শতাংশ দাম কমল ভেঙ্কটেশ আইয়ারের, চেন্নাইয়ের চমক দুই আনক্যাপড ক্রিকেটার

আবু ধাবিতে জমজমাট আইপিএলের(IPL) মিনি নিলাম। আর সেখানেই একের পর এক চমক কলকাতা নাইট রাইডার্সের(KKR)। ক্যামেরণ গ্রীনের পর এবার শ্রীলঙ্কার মাথিসা পাথিরানাকেও(Matheesa Pathirana) বিরাট অঙ্কের টাকায় দলে তুলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১৮ কোটি টাকায় নাইট শিবিরে গেলেন পাথিরানা(Matheesa Pathirana)। কোনও শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার হিসাবে তিনিই সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হলেন আইপিএলের ইতিহাসে। তবে সবচেয়ে বড় চমক এবারের আইপিএলে ভেঙ্কটেশ আইয়ার(Venkatesh Iyer)। গতবার ২৩ কোটি টাকায় নাইট শিবিরে গিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই ভেঙ্কটেশ আইয়ারেরই(Venkatesh Iyer) পে-কাট হল ৭১ শতাংশ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে(RCB) তিনি গেলেন ঠিকই, কিন্তু দাম পেলেন মাত্র ৭ কোটি টাকা। একেবারে এতটা দাম কমবে তাঁর, এমনটা হয়ত অনেকেই ভাবতে পারেননি। তবে শুধু কেকেআর-ই(KKR) নয়। আইপিএলের নিলামে অন্যতম প্রধান নজর কাড়া পারফরম্যান্স চেন্নাই সুপার কিংসের। যেখানে সকলেই নামের পিছনে ছুটছে, সেখানেই ব্যতিক্রম চেন্নাই সুপার কিংস(CSK)। সকলকে চমকে দিয়ে তারা দুই আন ক্যাপড ক্রিকেটারের খরচ করলেন ২৮ কোটি টাকা। আর তাতেই হতবাক সকলে। প্রশান্ত বীর এবং কার্তিক শর্মাকে ১৪.২ কোটি টাকা দিয়ে তুলে নিল ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। অন্যদিকে শেষবার নাইট শিবিরে থাকলেও এবার দল বদলালেন কুইন্টন ডিকক। মাত্র ১ কোটি টাকায় তাঁকে তুলে নিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ডেভিড মিলার এবং বেন ডাকেটদের মতো টি টোয়েন্টি স্পেশ্যালিস্টদের তাদের বেস প্রাইজেই তুলে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস।
রেকর্ড দামে নাইট রাইডার্সে ক্যামেরণ গ্রীন

আইপিএলের(IPL) মিনি নিলামে ফের চমক কলকাতা নাইট রাইডার্সের(KKR)। আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে দামী বিদেশি ক্রিকেটারের তকমা এবার অজি তারকা ক্যামেরণ গ্রীনের(Cameron Green) গায়ে। ২৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকায় নিলাম থেকে ক্যামেরণ গ্রীণকে(Cameron Green) দলে তুলে নিল নাইট শিবির। আসন্ন আইপিএলের আগে জোরকদমে দল গোছাতে চায় কেকেআর(KKR)। সেখানে অস্ট্রেলিয়ার এই তারকা অল রাউন্ডার যে নাইট শিবিরের শক্তি অনেকটাই বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একইরকমভাবে ইডেন গার্ডেন্সে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছে খোদ গ্রীণও। বিগব্যাশ থেকে দেশের জার্সিতে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে সবসময়ই ক্যামেরণ গ্রীণ(Cameron Green) বিধ্বংসী মেজাজে থাকেন। এবার মিনি নিলামের আগেই দলের সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার ভেঙ্কটেশ আইয়ারকে ছেড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নাইট শিবির। সেই থেকেই একজন ভালো অল রাউন্ডারের খোঁজে ছিল নাইট শিবির। মঙ্গলবার মিনি নিলামে ক্যামেরণ গ্রীণের নাম ওঠার সঙ্গেই লড়াইয়ে ঝাপিয়ে পড়ে শাহরুখ খানের নাইট শিবির। তবে লড়াইটা কিন্তু একেবারেই সহজ ছিল না। কারণ ক্যামেরণ গ্রীনকে নেওয়ার দৌড়ে ছিল আরও দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি রাজস্থান রয়্যালস এবং চেন্নাই সুপার কিংস। নিলামটা দীর্ঘক্ষণ চললেও শেষপর্যন্ত বাজিমাত করল ককেআর-ই। রেকর্ড অঙ্কে ক্যামেরণ গ্রীণকে এবার দলে তুলে নিল নাইট রাইডার্স। কলকাতা নাইট রাইডার্সে এসে উচ্ছ্বসিত ক্যামেরণ গ্রীণও। নাইটরাইডার্সে যোগ দিয়েই তিনি জানালেন, “কেকেআর-এ এসে আমি আপ্লুত। নাইট রাইডার্সের জার্সি পরে এখন শুধুই আমি ইজেন গার্ডেন্সে নামার অপেক্ষায় রয়েছি”।
গাইঘাটায় সিপিআইএমের ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’, SIR নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ সুজন-সেলিমের

মঙ্গলবার বাংলায় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)-এর তরফে এসআইআর (SIR)-এর খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ বিধানসভার অন্তর্গত গাইঘাটায় সবচেয়ে বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই অঞ্চল যেহেতু মতুয়া (Matua) অধ্যুষিত, তাই এসআইআর (SIR) নিয়ে যথারীতি আতঙ্কে রয়েছে মতুয়া (Matua) সম্প্রদায়ের মানুষ। এবার এসআইআর (SIR) ইস্যুতে মতুয়াদের (Matua) পাশে দাঁড়াল সিপিআইএম (CPIM)। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের আগে মতুয়া ভোট নিজেদের কাছে টানতে যখন সব দল ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তখন মতুয়া ভোটারদের মন পেতে এবার আসরে নামল সিপিআইএম (CPIM)। মঙ্গলবার সিপিএমের ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’ বনগাঁর গাইঘাটাতে এসে পৌঁছায়। গাইঘাটা থানার সামনে মতুয়া সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও দীপ্সিতা ধর প্রমুখ। মতুয়া সমাবেশে বক্তব্য রেখে ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে গিয়ে হরিচাঁদ মন্দিরে হরিচাঁদ ঠাকুর ও শান্তিমাতা, গুরুচাঁদ ঠাকুরের গলায় মালা পরিয়ে দেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী ও মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। সিপিএমের ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’ ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে চাঁদপাড়া হয়ে বনগাঁতে কৃষক সমাবেশ করবে। এবার মতুয়াদের কাছে টানতেই এই মতুয়া সমাবেশ কিনা, সে প্রশ্নের উত্তরে মহম্মদ সেলিম বলেন, “মতুয়ারা আগেও সিপিএমের সঙ্গে ছিল, এখনও আছে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি তাদের কাছে টানবার চেষ্টা করেছে।” গাইঘাটাতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসআইআর (SIR) নিয়ে সরব হয়েছেন মহম্মদ সেলিম ও মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। মহম্মদ সেলিম এদিন কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, “যদি কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে তাহলে নির্বাচন কমিশনের জিনা হারাম করে দেব।” অন্যদিকে মীনাক্ষী ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, “যদি একটাও বৈধ ভোটারের নাম বাদ যায় একটা বিডিও বাড়ি যেতে পারবে না, ঘেরাও হয়ে থাকবে।” পালাপাশি সিপিআইএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর কথাতেও উঠে আসে মতুয়া ও দরিদ্র অসহায় ভোটারের কথা। তিনি বলেন, “২০২৪ সালে যাদের ভোটে জিতে ক্ষমতায় বসেছে, তাদের নাম যদি ভোটার তালিকা থেকে বাদ যায় তাহলে কোর্টে যাব।” এসআইআর নিয়ে বাংলা জুড়ে কার্যত বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারির কথা এদিন শোনা গেল সিপিএমের নেতাদের গলায়। এখন দেখার এসআইআর (SIR) নিয়ে বাস্তবে বঙ্গ রাজনীতির পারদ কতটা চড়ে। কেননা বিধানসভা নির্বাচনের যে আর খুব বেশি বাকি নেই। এই আবহে বাংলার রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়বে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
ক্রীড়ামন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন অরূপ বিশ্বাস

মেসিকে(Lionel Messi) ঘিরে যুবভারতীতে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। শেষপর্যন্ত ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অব্যহতি নিলেন অরূর বিশ্বাস(Aroop Biswas)। মঙ্গলবারই মুখ্যমন্ত্রীকে(Mamata Banerjee) নিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন অরূপ বিশ্বাস(Aroop Biswas)। কিছুক্ষণ পরই সেই চিঠি গ্রহন করে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নিরপেক্ষ তদন্ত চলার জন্যই নাকি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। আপাতত তদন্ত চলাকালীন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর দফতরও সামলাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। গত ১৩ ডিসেম্বর গো.ট ট্যুর ইন্ডিয়াতে পরথম ভেন্যু ছিল কলকাতা। সেখানেই নেমেছিলেন খোদ লিওনেল মেসি(Lionel Messi)। মেসিকে ঘিরে প্রথম দিন থেকেই কলকাতায় ছিল সাজো সাজো রব। যুবভারতী স্টেডিয়াম সেদিন মেসিকে দেখার জন্য ভরে গিয়েছিল কানায় কানায়। মেসিকে ঘিরে গোটা মাঠে ছিল মৌমাছির চাকের মতো ভিড়। সেখানেই মেসির সঙ্গে ছিলেন সদ্য ইস্তফা দেওয়া ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও। মেসিকে দেখতে চেয়েছিলেন তাঁর ভক্তরা। কিন্তু মাঠ দখল করে মেসিকে ঘিরে থাকলেন শুধু নেতা, মন্ত্রী, হেভিওয়েট থেকে সেলিব্রিটিরা। মেসিকে বারবার দেখতে চাইলেও ভক্তরা কিছুই পাননি। এরপরই পরিস্থিতি খারাপ দেখে এবং বিরক্ত হয়ে মেসিকে নিয়ে বেড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরই ম্যানেজার। লিওনেল মেসি বেড়িয়ে যেতেই মাঠে শুরু ধুন্ধুমার। বোতল ছোড়া থেকে স্টেডিয়াম কার্যত ভাঙচুর হয়েছিল। এরপরই সকলের নিশানায় ছিলেন রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন হওয়া ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস(Aroop Biswas)। তাদের সকলেরই অভিযোগ মেসিকে ঘিরে সবসময়ই ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের কিছু সদস্যরা। প্রতিটি ছবিতেই দেখাও যাচ্ছে ক্রীড়ামন্ত্রীকে। আর সেটা নিয়েই কার্যত ক্ষোভে ফুঁসছিল অগুন্তী সমর্থকরা। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিভিন্ন মাধ্যমেই অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন সকলে। তাঁর ইস্তাফার দাবীতেও সরব হয়েছিলেন সকলে। শেষপর্যন্ত নিজে থেকেই সেই দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন অরূপ বিশ্বাস। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েই সেই সিদ্ধান্ত জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই অবশ্য তা গ্রহনও করে নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।