মঙ্গলবার মধ্যরাতেই শহরে সের্জিও লোবেরা

মঙ্গলবার মধ্য রাতেই শহরে পা রাখছেন মোহনবাগান সুপারজায়ান্টের(MBSG) নতুন কোচ সের্জিও লোবেরা(Sergio Lobera)। তবে বুধবার নয়, কামিন্স(Jason Cummins), ম্যাকলরেনদের(Jamie Maclaren) নিয়ে বৃহস্পতিবার থেকেই প্রস্তুতিতে নেমে পড়বেন সবুজ-মেরুনের নতুন কোচ। মোলিনার(Jose Molina) পর এবার মোহনবাগানে সের্জিও লোবেরা(Sergio Lobera) যুগ শুরু হতে চলেছে। তাঁর হাত ধরে মোহনবাগান ফের ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা সেটা তো সময়ই বলবে। লোবেরার দিকেই কিন্তু এই মুহূর্তে গোটা মোহন জনতা তাকিয়ে রয়েছে। সুপার কাপের ব্যর্থতার পরই হোসে মোলিনাকে সরিয়ে দিয়েছিল মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট(MBSG)। তাঁর পরিবর্তে ওড়িশা এফসি থেকে সের্জিও লোবেরাকে(Sergio Lobera) দলে তুলে নিয়েছেন তারা। লোবেরার সঙ্গে নতুন সহকারী কোচও আসছেন। লোবেরার তত্ত্ববধানেই এবার এক নতুন যাত্রা শুরু করবে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। সেইসঙ্গে বেশ কিছু নতুন ফুটবলারকে নতুন পজিশনের জন্য দলে নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন লেবেরা। সেই মতো নাকি প্রস্তুতিও চালাচ্ছে সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট অবশ্য এখন থেকে প্রস্তুতি শুরুও করে দিয়েছে। তবে সেটা ছিল বাস্তব রায়ের তত্ত্ববধানে। এবার সের্জিও লোবেরার তত্ত্বাবধানে নামবে টিম মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। কিন্তু শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। আইএসএল কবে থেকে হবে তা অবশ্য এখনও নিশ্চিত নয় কেউই। কিন্তু মোহনবাগান তাদের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে।
এসআইআর ইস্যুতে দলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তা মমতার

এসআইআর(SIR) নিয়ে এই মুহূর্তে রাজ্যে উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। সেই পরিস্থিতিতেই এবার কোচবিহারের মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের বিশেষ বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee)। এসআইআরের এই পরিস্থিতিতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির সঙ্গেই তুলনা করছেন মমতা। সেই পরিস্থিতিতেই সকলকে একসঙ্গে এবং দলগতভাবেই চলার নির্দেশ দিলেন মমতা(Mamata Banerjee)। একইসঙ্গে কোচবিহারের মানুষদের চিন্তা মুক্ত থাকারও বার্তা দিলেন তিনি। এসআইআর(SIR) প্রক্রিয়ায় কোনও সাধারণ মানুষ যদি সমস্যায় পড়েন তাঁর সাহায্যার্থে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার বার্তা দলীয় কর্মীদের দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। একইসঙ্গে দল যাতে এই সময় ঐক্যবদ্ধ ভাবে থাকে সেই নির্দেশও দিয়েছেন মমতা। এই পরিস্থিতিতে সরাসরি যুদ্ধের সঙ্গেই তুলনা করছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ বার্তা, “বিএলএরা যেমন কাজ করছেন করবে। দলও যেন ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে। যুদ্ধ যখন বাঁধে, সবাইকে কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে লড়াই করতে হয়।” এদিন কোচবিহারের সভা থেকেই সাধারণ মানুষকেও অভয় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে কাউকে যদি হিয়ারিংয়ের জন্য ডাকা হয় তিনি যেন সেখানে যান সেই বার্তাই দিয়েছেন মমতা। যে যে কাগজ বা নথি তাদের কাছে রয়েছে সেই সমস্ত নিয়েই যাওয়ার কথা শোনা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। একইসঙ্গে কোনও ডকুমেন্টের ক্ষেত্রে সমস্যা হলে সেখানে যাতে তাদের সরকার ও দল সাহায্য করে সেই বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী।
মোদির মুখে “বঙ্কিমদা”, নাম না করেই প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ মমতার

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়(Bankim Ch Chatterjee) ইস্যুতে এবার নাম না করেই নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee)। সংসদে অধিবেশন চলাকালীন সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রকে(Bankim Ch Chatterjee) বঙ্কিম দা বলে সম্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি(Narendra Modi)। লোকসভার ভেতরে তো বটেই, এই নিয়ে বাইরেও প্রতিবাদে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার কোচবিহারের সভা থেকে নাম না করেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কেমনভাবে এমজন মনীষিকে এভাবে সম্বোধন করতে পারেন তিনি সেই নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন খোদ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee)। এসআইআর আবহে এই মুহূর্তে তৃণমূলের(TMC) অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হল বাংলা ও বাঙালি। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দিকে বাঙালিদের ওপর অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়কে(Bankim Ch Chatterjee) নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্য যে বিজেপির অস্বস্তি খানিকটা হলেও বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কোচবিহারের মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে বললেন বঙ্কিমদা। যেন মনে হচ্ছে শ্যামদা, হরিদা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যিনি জাতীয় গান রচনা করেছিলেন, তাঁকে এইটুকু সম্মান দিলেন না! আপনাদের তো মাথা নিচু করে নাকখত দেওয়া উচিত জনগণের কাছে। তাতেও ক্ষমা হবে না”। বিজেপির এমন নানান মন্তব্য নিয়েই সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকি মঙ্গলবার সংসদের বাইরে তৃণমূলের সাংসদরা রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি হাতে নিয়ে মৌন প্রতিবাদও জানিয়েছেন।
মুস্তাক আলিতেও দুরন্ত সামি, চ্যালেঞ্জের মুখে নির্বাচকরা!

ঘরোয়া ক্রিকেটে আগুনে গতিতে এগিয়ে চলেছেন মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। তবুও ভারতীয় দল থেকে ব্রাত্য তিনি। মঙ্গলবার টি টোয়েন্টি সিরিজে যাত্রা শুরু করছে ভারতীয় দল। সেদিনই সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে(Syed Mustaq Ali Trophy) নিজের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স দিলেন মহম্মদ সামি(Mohammed Shami)। মাঠ থেকেই যেন ফের একবার নির্বাচকদের জবাব দিলেন ভারতীয় দলের এই তারকা পেসার। সামনেই রয়েছে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই পারফরম্যান্সের পরও কী বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাবেন না তিনি, এই প্রশ্নই এখন উঠতে শুরু করেছে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ফেরার পর থেকেই অজিত আগরকরের(Ajit Agarkar) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল বাংলার তারকা ক্রিকেটার মহম্মদ সামিকে(Mohammed Shami)। বিশেষ করে রঞ্জি ট্রফির একের পর এক ম্যাচের সাফল্যের পরই যেন জোরালো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তিনি। যদিও শেষপর্যন্ত ভারতীয় দলে ব্রাত্যই থেকেই সামি। ওডিআইয়ের পাশাপাশি টি টোয়েন্টি দলেও ডাক পাননি তিনি। এবার টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটেও দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখাচ্ছেন মহম্মদ সামি। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে ৭ ইনিংস খেলে ইতিমধ্যেই ১৬ উইকেট তুলে নিয়েছেন মহম্মদ সামি। সেইসঙ্গে সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে মাত্র ৩৩ রানে সামি(Mohammed Shami) তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। চলতি মরসুমে টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে এটাই এখনও পর্যন্ত সামির সেরা পারফরম্যান্স। সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে ৪ উইকেট তুলে নেওয়াটা যে সামির ভারতীয় দলের নির্বাচকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
বিশ্বকাপের আগে নতুন নিয়মের ঘোষণা ফিফার

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ(2026 Fifa World Cup) নিয়ে এখন জোর চর্চা চলছে। সেখানেই এবার নতুন নিয়ম আনতে চলেছে ফিফা(Fifa)। ম্যাচের দুই অর্ধেই এবার বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের হাইড্রেশন বিরতি(Hydration Break) দেওয়ার নতুন নিয়ম ঘোষণা করল ফিফা। এবার আমেরিকা(USA), মেক্সিকো(Mexico) এবং কানাডা(Canada) মিলিয়ে হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। তার আগেই এবার একটা বিশেষ নিয়ম ঘোষণা করল ফিফা। এতদিন হাইড্রেশন বিরতি থাকলেও, এবার সেটা ম্যাচের দুই অর্ধেই বাধ্যতামূলক করে দিল ফিফা। এবারের ক্লাব বিশ্বকাপের(Club World Cup) সময়ই আমেরিকায় ফুটবলারদের নানান সমস্যায় পড়তে দেখা গিয়েছে। বারবারই সেই নিয়ে অভিযোগও উঠেছিল। যথার্থ কুলিংয়ের সময় এবং ফুটবলারদের বহু ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেট হয়ে পড়ার মতো সমস্যা হয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার ফিফাও(Fifa) নতুন সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার পথে এগোতে চলেছে। কেমনভাবে রেফারি এই নিয়ম কার্যকর করবেন মাঠে সেই কথাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে স্পষ্ট করে। দুই অর্ধেই ম্যাচের বয়স যখন ২২ মিনিট হবে, সেই সময়ই এই তিন মিনিটের বিশেষ হাইড্রেশন বিরতি(Hydration Break) দিতে হবে। সেই সময়টা কার্যত ফুটবলারদের কুলিং টাইম হিসাবেই ধরা হবে। এতদিন এই নিয়মটা বেশি কাজ করত ছাদ ঢাকা স্টেডিয়ামে। কিন্তু ফিফার এই নিয়মে বলা হয়েছে যে স্টেডিয়াম যেমনই হোক না কেন, এই হাইড্রেশন বিরতি দিতেই হবে। একইসঙ্গে বলা হয়েছে যে যদি ২২ মিনিটের কিছুক্ষণ আগে কোনও ফুটবলারের চোট কিংবা অন্য কোনও কারণে যদি ম্যাচ বন্ধ হয়, সেক্ষেত্রে সেই তিন মিনিটটা সেই সময়ের সঙ্গে জুড়েও দিতে পারবেন রেফারিরা। এই নতুন নিয়মে যে ফুটবলারদের খানিকটা হলেও স্বস্তি হতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
আইপিএল দিয়েই মাঠে ফিরতে পারেন শ্রেয়স

একাধিকবার চোট সারিয়ে ফিরে এসেছেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। সেটা কখনও কাঁধের চোট সারিয়ে তো কখনও পায়ের চোট সারিয়ে মাঠে ফিরেছেন এবং অসাধারণ কামব্যাক করেছেন। কিন্তু এবার অ্যাবডমিনাল চোটের জন্য ফের মাঠের বাইরে রয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। কিন্তু মাঠে ফেরার কাজটা শুরু হয়ে গিয়েছে। শোনাযাচ্ছে সবকিছু ঠিকঠাক চললে আসন্ন আইপিএল দিয়েই মাঠে ফিরতে চলেছেন ভারতীয় ওডিআই দলের সহ অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজ চলাকালীনই ডাইভ দিয়ে ক্যাচ ধরাকালীন বড়সড় চোট পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের তকারকা ক্রিকেটার শ্রেয়স আইয়ার(Shreyas Iyer)। সেই সময় মামুলি চোট মনে হলেও, পরবর্তীতে সেটাই বড় আকার ধারণ করেছিল। শরীরের অ্যাবডমিনাল অংশে হঠাৎই আভ্যন্তরীন রক্তক্ষরণ হয়েছিল শ্রেয়সের। সেই থেকেই আর মাঠে ফিরতে পারেননি তিনি। ধীরে ধীরে শ্রেয়স সুস্থ হয়ে উঠলেও, এখনও পর্যন্ত চিকিৎসকের কড়া পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার। বিশেষ করে তাঁর দ্বিতীয় স্ক্যান না হওয়া পর্যন্ত কোনওরকম ভাবেই বোঝায় যাবে না যে শ্রেয়স কবে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। শোনাযাচ্ছে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই হতে পারে সেই স্ক্যান। তারপরই শ্রেয়সের রিহ্যাব শুরু হওয়ার একটা পরিকল্পনা রয়েছে। এই মুহূর্তে তাঁকে অত্যন্ত সাবধানেই চলা ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ক্রিকেট মাঠে নামার মতো কোনওরকম অনুশীলনই এখন তিনি করতে পারবেন না। অত্যন্ত হাল্কা অনুশীলনই সারতে পারবেন শ্রেয়স(Shreyas Iyer)। ফের যাতে তাঁর রক্তক্ষরণ শুরু না হয় সেদিকেই আপাতত চিকিৎসকলের প্রধান নজর। জসপ্রীত বুমরাহ থেকে ঋষভ পন্থরা যে চিকিৎসকলের পর্যবেক্ষণে ছিলেন, সেই চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই রয়েছেন ভারতীয় ওডিআই দলের সহ অধিনায়ক। তবে মনে করা হচ্ছে ডিসেম্বরের শেষের দিকেই তিনি বোর্ডের সেন্টার অব এক্সিলেন্সে যোগ দিতে পারেন। সেখানে রিহ্যাব করার পর ফের একটা পরীক্ষা হবে শ্রেয়স আইয়ারের। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আসন্ন আইপিএল দিয়েই হয়ত মাঠে ফিরতে চলেছেন পঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার।