ফাইনাল শেষ হতেই ইস্টবেঙ্গলের অনির্দিষ্টকালের ছুটি

সুপার কাপের(Super Cup) ফাইনালে হার। তারপরই অনির্দিষ্ট কালের জন্য ফুটবলারদের ছুটি দিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এফসি গোয়ার কাছে হারের পরই সোমবার কলকাতায় ফিরেই স্পেনে ফিরে যাওয়ার বিমান ধরলেন সওল ক্রেসপো(Saul Crespo)। দেশীয় ফুটবলাররাও যার যার বাড়ি ফিরে গিয়েছেন। তবে দলের সঙ্গেই কলকাতায় ফিরে এসেছেন হিরোশি(Hiroshi Ibusuki), রশিদ(Mohammed Rashid), মিগুয়েল, কেভিন এবং হামিদ। আপরাতত কয়েকদিন শহরে থেকে তারাও ফিরে যেতে পারেন তাদের বাড়িতে। আইএসএল কবে থেকে শুরু হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। সেই কারণে আপাতত ফুটবলারদের বিশ্রাম দেওযারই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইএফএ শিল্ডের পর সুপার কাপেও সেই একই ফলাফলের পূণরাবৃত্তি। সেখানেও সেই টাই ব্রেকারেই হারতে হয়েছে লাল-হলুদ(Eastbengal) ব্রিগেডকে। এমন পরিস্থিতিতে দলের ফুটবলাররাও যে হতাশ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিশেষ করে পরপর দুটো প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছনোর পরও। এরপর তাদের সামনে রয়েছে আইএসএল। যদিও সেই প্রতিযোগিতা কবে হবে তা এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে ফাইনালের পরই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) ফুটবলারদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। কবে থেকে অবশ্য লাল-হলুদের প্রস্তুতি শুরু হবে তা এখনও পর্যন্ত ঠিক নেই। সেই কারণেই ফুটবলারদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে। দেশীয় ফুটবলাররাও আপাতত কয়েকদিনের বিরতিতে। কবে থেকে ইস্টবেঙ্গলের পরবর্তী প্রস্তুতি শুরু হয় সেটাই দেখার অপেক্ষায় এখন সকলে।
সীমান্ত এলাকায় পুলিশকে বিশেষ নির্দেশ মমতার, আক্রমণ করলেন বিজেপিকে

কোচবিহারে দুদিনের সফর। সেখানে গিয়েই এবার বর্ডার এলাকা নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। বিশেষ করে সেখানে রাজ্য পুলিশকে অনেক বেশি প্রো অ্যাক্টিভ হওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তাঁর সাফ বার্তা বর্ডার থেকে নাকি অনেক কিছু এধার উধার হচ্ছে। সেসব বন্ধ করতে আরও বেশি করে নাকা চেকিং বাড়ানো উচিৎ বলেই মনে করছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমদিন প্রশাসনিক বৈঠকে বসেছিলেন মমতা। সেখান থেকেই তিনি বলেন, “কোচবিহার জেলা বর্ডার জেলা। আইনশৃঙ্খলা ভালোভাবে দেখে রাখতে হবে। বর্ডার এলাকায় অজথা কোনও হস্তক্ষেপ মানা যাবে না। বিশেষ করে এলাকার আইন শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে হবে বলেই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”। তিনি আরও জানান, ”রাজ্যের যারা অফিসার আছেন তাঁদের বলব, ভীতু হলে চলবে না। মারপিট করতে বলছি না, খুন খারাপি করতে বলছি না! তবে প্রো অ্যাকটিভ হন”। একইসঙ্গে আরও বেশি করে নাকা চেকিংয়ের ব্যবস্থা করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, ”বর্ডার দিয়ে প্রচুর লেনদেন ইধার-উধার হচ্ছে। নাকাচেকিংটা ঠিকমতো করুন।” সেই মঞ্চ থেকে বিজেপিকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি তিনি। মমতা বলেন, “যাঁরা বেশি সমালোচনা করেন, তাঁরাই এটা খেয়ে যায়! আর দোষ হয় অন্য লোকের। সব পাখি মাছ খায়, দোষ হয় মাছরাঙার!”
বিজয় হাজারে খেলতে রোহিত-বিরাটকে জোর করবে না বোর্ড

রোহিত শর্মা(Rohit Sharma) যে এবার বিজয় হাজরে ট্রফিতে(Vijay Hazare Trophy) খেলবেন সেই কথা কয়েকদিন আগেই জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। এরপর থেকেই শোনাযাচ্ছে যে বিজয় হাজারে-তে(Vijay Hazare Trophy) খেলতে নামবেন বিরাট কোহলিও। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই একটা বড় বার্তা বোর্ডের তরফে। বিরাট(Virat Kohli) এবং রোহিতকে(Rohit Sharma) নাকি কোনওরকম জোর করেনি বিসিসিআই(BCCI)। বিজয় হাজারে ট্রফি খেলা নাকি একেবারেই এই দুই ক্রিকেটারের নিজস্ব ইচ্ছা। বোর্ডের(BCCI) এমন কথা বলার পর থেকেই বাড়তে শুরু করেছে জল্পনা। যেখানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না থাকলে বোর্ডই ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার নির্দেশ দিয়েছিল। সেখানেই এবার বোর্ড বলছে বিরাট(Virat Kohli) এবং রোহিতকে(Rohit Sharma) বিজয় হাজারে খেলার জন্য নাকি কোনওরকম বিশেষ নির্দেশই দেয়নি বিসিসিআই। হঠাৎ বিসিসিআই এমন কথা কেন বলছেন তা নিয়েই ক্রিকেট মহলে জল্পনা এখন তুঙ্গে। রোহিত শর্মাতো অবশ্য সৈয়দ মুস্তাক আলির নক আউট পর্বে খেলার কথাও নাকি তাঁর ঘনিষ্ঠমহলে বলেছিলেন। কিন্তু বিসিসিআইয়ের এমন আচরণ অনেকের মনের মধ্যেই নানান প্রশ্ন তুলছেন। বিশেষ করে যে প্রশ্ন উঠছে তা হল, নির্বাচকরা সত্যিই চাইছেন না তারা ওডিআই বিশ্বকাপ খেলুক। এই নিয়েই এখন নানান জল্পনা চলছে। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। তবে এই দুই ক্রিকেটার দেশের জার্সিতে ফিরেই নিজেদের সেরা পারফরম্যান্সটা দেখিয়ে দিয়েছেন। বিরাট কোহলি সর্বোচ্চ রান করে সিরিজের সেরা হয়েছেন। ব্যাটে বড় রান এসেছে খোদ রোহিত শর্মারও। এবার তারাই বলছেন খেলবেন বিজয় হাজারে ট্রফি। শেষপর্যন্ত কী হয় সেটাই দেখার।
হার্দিককে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সূর্যকুমার যাদব

শুধুমাত্র শুভমন গিল(Shubman Gill) নন, এই টি টোয়েন্টি সিরিজ দিয়েই ভারতীয় দলে প্রত্যাবর্তন করছেন আরেক তারকা ক্রিকেটার হার্দিক পাণ্ডিয়া(Hardik Pandya)। চোট কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে মাঠে নামবেন তিনি। তাঁকে নিয়েই এবার আত্মবিশ্বাসের সুর শোনা গেল অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের(Suryakumar Yadav) মুখে। অল রাউন্ডার হার্দিকের থাকাটা যে প্রোটিয়াদের চাপে ফেলতে পারবে সেই নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী সূর্যকুমার যাদব। এশিয়া কাপের ফাইনালের আগেই চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া(Hardik Pdnya)। সেই থেকেই আর মাঠে ফিরতে পারেননি তিনি। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি দিয়েই চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেছিলেন হার্দিক(Hardik Pandya)। এরপরই ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার মাঠে ফিরেছেন ভারতীয় দলের জার্সিতে। তাও আবার খেলবেন দক্ষিণ আফ্রিকার(South Africa) বিরুদ্ধে। রবিবার থেকে নেট সেশনও শুরু করে দিয়েছেন তিনি। এশিয়া কাপে ভারতীয় দলের হয়ে দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছিলেন হার্দিক(Hardik Pandya)। তাঁকে দিয়ে বোলিং শুরু করেছিল ভারত। প্রতি ম্যাচেই সাফল্য এনে দিয়েছিলেন তিনি। সেই ধারাই যে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও ভারতীয় দলে ফিরতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেখানেই শেষপর্যন্ত কী হয় সেটা তো সময়ই বলবে। এই প্রসঙ্গে সূর্যকুমার যাদব জানিয়েছেন, এশিয়া কাপের মঞ্চে হার্দিককে দিয়ে যখন বোলিং শুরু করানো হয়েছিল এবং নতুন বলে বোলিং করে তিনি আমাদের জন্য বহু অপশন খুলে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা আমাদের কাছে সর্বদাই অত্যন্ত মূল্যবান। বড় ম্যাচের পাশাপাশি আইসিসি এবং এসিসির ইভেন্টেও তিনি সেরা পারফর্ম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। তাঁর দলে থাকাটা সত্যিই আমাদের অত্যন্ত ভারসাম্য দেবে। মঙ্গলবার কটকে প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচে নামবে ভারতীয় দল। ওডিআই সিরিজ জয়ী হয়ে গিয়েছে ভারত। এবার টি টোয়েন্টি সিরিজটাও টিম ইন্ডিয়া নিজেদের দখলে রাখতে পারে কিনা সেটাই দেখার।
কটকে টি টোয়েন্টি সিরিজের আগে দলে যোগ দিলেন গিল

চোট কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি টোয়েন্টি সিরিজ দিয়েই ফের মাঠে ফিরছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। এখন তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। প্রথম টি টোয়েন্টি থেকেই ফের ভারতীয় দলের জার্সিতে দেখা যেতে চলেছে এই তারকা ক্রিকেটারকে। বেশ কয়েকদিন ধরেই রিহ্যাব সারছিলেন বিসিসিআইয়ের(BCCI) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে(COE)। চিকিৎসকদের মতে এখন শুভমন গিল সম্পূর্ণ সুস্থ। মাঠে নামতে তাঁর আর অন্তত কোনওররম সমস্যা নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ইতিমধ্যেই কটকে ভারতীয় দলের সঙ্গে যোগও দিয়ে দিয়েছেন শুভমন গিল(Shubman Gill)। সোমবার দলের সঙ্গে প্রস্তুতিও সারতে নেমে পড়েছিলেন তিনি। গিলের(Shubman Gill) ভারতীয় দলে ফেরাটা যে সূর্যকুমার যাদবদের(Suryakumar Yadav) আক্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখো না। এবার প্রোটিয়া বোলারদের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে ফের বড় রানের ঝলক তিন দেখাতে পারেন কিনা সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচেই ঘাঁরে চোট পেয়েছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমন গিল(Shubman Gill)। এমনকি একটা দিন তাঁকে হাসপাতালেও কাটাতে হয়েছিল। এরপর থেকেই আর মাঠে নামতে পারেননি ভারতীয় দলের এই তারকা ক্রিকেটার। গুয়াহাটিতে সেই সময় গেলেও শেষপর্যন্ত ভারতীয় দলের হয়ে আর মাঠে নামতে পারেননি। মুম্বইতেই সেই সময় ফিরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই চন্ডীগড় হয়ে শেষপর্যন্ত বিসিসিআইয়ের(BCCI) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে যোগ দিয়েছিলেন শুভমন(Shubman Gill)। সেখানেই চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে ছিলেন এই তারকা ক্রিকেটার। সেখানেই শুরু হয়েছিল ভারত অধিনায়কের রিহ্যাব সেশন। আপাতত তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ। শোনাযাচ্ছে চিকিৎসকরা নাকি জানিয়েছেন যে শুভমন গিলের ঘাঁরের কোনও সমস্যাই নাকি এখন আর নেই। শুধুমাত্র তাই নয় মাঠে নামতেও এই তারকা ক্রিকেটারের কোনওরকম সমস্যা নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন তারা। এরপরই আর সময় নষ্ট করতে চাননি শুভমন গিল। টি টোয়েন্টি সিরিজের আগে ভারচতীয় দলে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত রবিবার রাতেই ভারতীয় দলের সঙ্গে কটকেও পৌঁছে গিয়েছেন শুভমন গিল।