ইস্টবেঙ্গলে জমা পড়ল ৪০০ সিভি! সূচী পেলেই বিদেশি সই

বিদেশি নেওয়া হবে একজনকে। আর সেই জন্যেই কিনা ইস্টবেঙ্গলে(Eastbengal) সিভি জমা পড়েছে ৪০০! হ্যাঁ সংখ্যাটা এর থেকে বেশিও হতে পারে। শোনাযাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে নাকি ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি এজেন্ট যোগাযোগ করে ফেলেছে। কিন্তু লাল-হলুদ কাকে নেবে তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত ঠিক করা হয়নি। শুধু তাই নয়, সেই সিভি গুলো থেকে এখনও পর্যন্ত বাছাই পর্বও করা হয়নি। কারণ অবশ্য একটাই। যতক্ষণ না পর্যন্ত আইএসঅলের সূচি ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) হাতে আসছে, ততক্ষণ কোনওরকম বিদেশি নেওয়ার কাজও শুরু হবে না। শোনাযাচ্ছে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই সূচী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে আইএসএলের(ISL)। এখনও পর্যন্ত জানুয়ারি উইন্ডো চলছে। তার মধ্যে নতুন বিদেশিও(New Foreigner) বেছে নিতে পারে তারা। হামিদ আহদাদকে(Hamid Ahdad) ছাড়ার কয়েকদিনের মধ্যেই আরও এক বিদেশি হিরোশি ইবুসুকিকে(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। হামিদ নিজেই ছাড়তে চেয়েছিলেন সেই সময়ের পরিস্থিতির জন্য। আর হিরোশির পারফরম্যান্সে একেবারেই খুশি না হওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে হিরোশিকেও। কয়েকদিনের মধ্যে সরকারীভাবে তা জানিয়েও দেওয়া হবে। এরই মাঝে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বহু এজেন্ট যোগাযোগ করা শুরু করে দিয়েছে। তারা বিভিন্ন ফুটবলারদের প্রোফাইলও পাঠিয়ে দিয়েছে। আইএসএলের সূচি ঘোষণা হলেই, একজন বিদেশি স্ট্রাইকার নিশ্চিত করে ফেলবে ইস্টবেঙ্গল।
সম্মতি ওড়িশার, ১৪ দল নিয়েই হচ্ছে এবারের আইএসএল

অবশেষে আইএসএল( খেলার ব্যপারে সম্মতি জানিয়ে ওড়িশা এফসি(Odisha Fc)। একইসঙ্গে বাকি ক্লাব গুলোও ফেডারেশনের(AIFF) সময়সীমার মধ্যে নিজেদের সম্মতি জানিয়ে দিয়েছে। অর্থাৎ ১৪ দলকে নিয়েই আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এবারের আইএসএল(ISL)। ওড়িশার এফসির(Odisha Fc) খানিকটা সংশয় নিয়েই হঠাৎই একটা উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। সেখানেই শেষপর্যন্ত এবার ওড়িশা এএফসি নিজের সম্মতি জানাতেই কার্যত সমস্ত জটিলতা কাটিয়ে দিয়েছে। একইসঙ্গে প্রতিটা ক্লাব তাগের হোম ভেন্যুও মোটামুটি পাকা করে ফেলেছে। যদিও ইন্টার কাশি(Inter Kashi) সহ কয়েকটি ক্লাব আরও দু-একদিন সময় চেয়ে নেওয়ায় ফেডারেশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে এই সপ্তাহের মধ্যেই ফেডারেশন আইএসএলের(ISL) সূচি যে ঘোষণা করতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন শুধুই সরকারীভাবে ফেডারেশনের ঘোষণা করার অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। কলকাতাতেই যুবভারতী হতে চলেছে মোহনবাগান(Mohunbagan) ও ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) হোম গ্রাউন্ড। সেইসঙ্গে মহমেডানের হোম গ্রাউন্ড হতে চলেছে এবার কিশোরভারতী। অন্যদিকে ইন্টারকাশিও খেলতে বাংলাতেই তাদের হোমগ্রাউন্ড বাছছে। শোনাযাচ্ছে বারাসত এবং কল্যাণী স্টেডিয়ামই হতে চলেছে তাদের হোম গ্রাউন্ড। যদিও এখনও পর্যন্ত তারা চূড়ান্ত করেনি। বরং ফেডারেশনের থেকে আরও দুটো দিন সময় চেয়ে নিয়েছে। অর্থাৎ বুধবারই ফেডারেশনের কাছে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড নিশ্চিত করে দেবে ইন্টারকাশি।
ফেডারেশনের ডেডলাইন, আগামী সপ্তাহেই সূচি ঘোষণা

ক্লাবদের সময় ডেডলাইন বেঁধে দিল ফেডারেশন(AIFF)। আগামী সোমবারের মধ্যেই এই মরসুমের আইএসএলে ক্লাবগুলো(ISL Clubs) অংশগ্রহন করবে কী করবে না তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে সময়সীমা বেঁধে দিল ফেডারেশন। শনিবারই প্রতিটি ক্লাবকে সেই চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে ফেডারেশনের(AIFF) তরফে। ছটি ক্লাবের অংশগ্রহন করা নিয়েই খানিকটা সংশয় দেখা গিয়েছিল। সেই কারণেই সকলকে ফের একবার চিঠি দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জেনে নিতে চেয়েছে ফেডারেশন। সেখানে যে যে ক্লাব(ISL Clubs) অংশগ্রহন করার কথা জানিয়ে দেবে, তাদের নিয়েই আগামী সপ্তাহে আইএসএলের(ISL) সূচী ঘোষণা করে দেবে ফেডারেশন। সেইসঙ্গে এএফসিতেও আবেদন করবে তারা। কয়েকদিন আগেই অংশগ্রহন করার ব্যপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়ে নিয়েছিল ওড়িশা এফসি। সেই মতোই প্রতিটা ক্লাবকেও সোমবার সন্ধে পর্যন্তই সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কীভাবে এই মরসুমের আইএসএল হবে তা ফেডারেশনের তরফ থেকে স্পষ্ট ভাবেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবার সেটা মেনেই খেলায় অংশগ্রহন কারা কারা করবে তা সোমবারই চূড়ান্তভাবে জেনে, আগামী সূচী ঘোষণা হয়ে যাবে। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি আইএসএল শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। খোদ কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী সেই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন কোন ক্লাব খেলবে তা নিয়ে চূড়ান্ত হতে পারছে না ফেডারেশন। কারটা হল বিশেষ করে রেলিগেশন থাকবে কী থাকবে না। এছাড়াও আরও কয়েকটি শর্তও রয়েছে। যদিও ফেডারেশন আইএসএল করতে প্রস্তুত। সেই কারণেই তো শেষ একবার ক্লাবদের চিঠি দিয়ে সেই কথা জেনে নিতে চাইল ফেডারেশন। আদামী সপ্তাহেই এই মরসুমের আইএসএলের সূচী ঘোষণা।
ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি রিক্রুট নির্ভর করছে সূচী ঘোষণার ওপর

এই মরসুমে আর বিদেশি নেবে না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। যতক্ষণ না পর্যন্ত আইএসএলের(ISL) সূচী তারা জানতে পারছে না, ততক্ষণ নতুন কোনও বিদেশি সই করাবে না লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। সূচি প্রকাশ হলেই নতুন বিদেশি রিক্রুটের পদ্ধতিও লাল-হলুদ শুরু হয়ে যাবে। হামিদের(Hamid Ahdad) পর হিরোশিকেও(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সেই জায়গায় নতুন স্ট্রাইকার হিসাবে কাকে নেওয়া হবে তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে হিরোশিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর পেপার ওয়ার্কস পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়নি। সেই কারণে আগামী রবিবারই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতিতে নামতে পারেন তিনি। শোনাযাচ্ছে আগামী সপ্তাহের প্রথম দুই তিন দিনের মধ্যেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারীভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে ওয়ার্কলোডের কারণে শনিবার ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতিতে ছুটি দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার যেহেতু ডাবল লোড সেশন ছিল তাদের সেই কারণেই এদিন বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে দুজন বিদেশিকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি, আনোয়ার আলিকে নিয়েও পুরোপুরি চিন্তা মুক্ত হতে পারছে না ইস্টবেঙ্গল। এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। রবিবারের প্রস্তুতিতে আনোয়ার আসেন কিনা সেটাই দেখার।
ঘরের মাঠেই আইএসএলের ম্যাচ খেলবে কলকাতার তিন প্রধান, এএফসিতে চিঠি ফেডারেশনের

আইএসএল(ISL) কলকাতাতেই হচ্ছে। ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), মোহনবাগান(Mohunbagan) ও মহমেডানের(Mohammedan Sc) সমর্থকরা তাদের প্রিয় দলের খেলা যুবভারতীতেই দেখতে চলেছেন। সুইস মডেলে এবারের আইএসএলে হবে হোম ও অ্যাওয়ে ম্যাচ। সূত্রের খবর সেই পদ্ধতিতেও কলকাতার তিন প্রধান তাদের ঘরের ম্যাচ কলকাতাতেই খেলতে চলেছে। এটা যে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal), মোহনবাগানের কাছে বাড়তি পাওনা হতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অন্যদিকে ক্লাব গুলোর আইএসএল(ISL) খেলার ব্যপারে এবার অন্যতম শর্ত ছিল এএফসির(AFC) স্লট পাওয়া। শোনাযাচ্ছে ইতিমধ্যেই নাকি এই মরসুমের জন্য খানিকটা ছাড়া যাতে তাদের দেওয়া হয়, সেই কথা জানিয়ে এএফসির কাছে আবেদন করে দিয়েছে ফেডারেশন। সেখানেই তারা জানিয়ে দিয়েছে যে এবারের আইএসএলে প্রতিটি দল ১৩টি করে ম্যাচ খেলবে। সেইসঙ্গে সুপার কাপে আইএসএলের দল গুলো ইতিমধ্যেই তিনটি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। সুতরাং সব মিলিটে ১৬ট করে ম্যাচ খেলবে প্রতিটি দল। সেই হিসাব জানিয়েই এবারের পরিস্থিতি মতো এএফসির কাছে স্লট পাওয়ার ব্যপারে ছাড়পত্র চেয়ে আবেদন করে দিয়েছে ফেডারেশন। এদিকে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে লিগ শুরু হলেও, সূচী এখনও পর্যন্ত তৈরি হয়নি। শোনাযাচ্ছে চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে সূচী ঘোষণা হতে পার। বিশেষ করে আদালতের রায় পাওয়ার পরই সূচী ঘোষণা হবে। কারণ লিগে রেলিগেশন থাকবে কী থাকবে না, সেই সমস্ত নিয়ে আদালত রায় দেবে। সেটা জানার পরই সূচীও ঘোষিত হবে।
মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের নাম ভুল উচ্চারণ, কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীকে কটাক্ষ মোহনবাগান সহ সভাপতির

দেশের ক্রীড়ামন্ত্রী। সেই মনসুখ মাণ্ডব্যই(Mansukh Mandaviya) কিনা দেশের শতাব্দী প্রাচীন দুই ক্লাবের নাম ভুল উচ্চারণ করলেন! তাও আবার দেখে দেখে। মোহনবাগান(Mohunbagan) এবং ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) মতো ক্লাবের নাম ভুল বললেন। আর সেই ভিডিও ক্লিপ দেখেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয়েছে ট্রোলিং। শুধু তাই নয় এমন ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীকে(Union Sports Minister) কটাক্ষও করতে ছাড়েননি মোহনবাগানের সহ সভাপতি তথা তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ(Kunal Ghosh)। এই ঘটনা দুটো ক্লাব তো বটেই, বাংলাকেও অসম্মান বলে মনে করছেন তিনি। গত মঙ্গলবারই ক্লাব জোটের সঙ্গে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের(Union Sports Minister) উপস্থিতিতে শেষ বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশন(AIFF)। সেখানেই শেষপর্যন্ত প্রতিটি ক্লাবের যোগদানের কথা উল্লেখ করে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। সেখানেই ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) এবং মোহনবাগানের(Mohunbagan) নাম নিতে গিয়ে ভুল করেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী। সেখানে তিনি কাগজ দেখেই বলেন মোহনবেগেন, ইস্টবেগেন। যদিও পরে অবশ্য ফের কাগজ দেখে ভুল ঠিক করেন। কিন্তু ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। এই একটা ক্লিপিং কার্যত ঝড়ের মতো সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে। এমন শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবের নাম কেমন করে তিনি দেখেও ভুল বলতে পারলেন, সেই নিয়েই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। তীব্র কটাক্ষ করেছেন খোদ মোহনবাগানের সহ সভাপতি কুণাল ঘোষও(Kunal Ghosh)। VIDEO | Delhi: Union Sports Minister Mansukh L Mandaviya says, “The ISL is set to return for the 2025–26 season from February 14.” (Full video available on PTI Videos – https://t.co/n147TvrpG7 pic.twitter.com/ozJqwzY6Pz — Press Trust of India (@PTI_News) January 6, 2026 তিনি জানান, “কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী দেখে দেখে মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গলের নাম উচ্চারণ করতে পারছেন না। শতাব্দী প্রাচীন দুই ক্লাব। জাতীয় ক্লাব মোহনবাগান, লড়াইয়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই নামগুলো তিনি জানেন না। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডান ভারতবর্ষের ফুটবলকে উজ্জ্বল করেছে। এরা বাংলার মনীষীদের অপমান করে। মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গলের নামও জানেন না। এদের দেখে রাখুন চিনে রাখুন। এরা বাংলা বাঙালীর নিজের হতে পারেন না। ক্রীড়ামন্ত্রী মনে হয় প্রথমবার নাম জানলেন মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গলের।” সোশ্যাল মিডিয়াতে এই নিয়ে ট্রোলিং শুরু হয়েছে বিস্তর। চলছে নানান টিপ্পনিও। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর সেই ভিডিওটাই এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
কাটল জট, ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু আইএসএল

অবশেষে দীর্ঘ জল্পনার অবসান। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরি হচ্ছে এই মরসুমের আইএসএল(ISL)। মঙ্গলবার দুপুর তিনটের সময় কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ক্লাব গুলোর সঙ্গে শেষ বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশনAIFF)। সেখানেই শেষপর্যন্ত ফেডারেশনের(AIFF) মডেল অনুযায়ী আইএসএল(ISL) খেলতে রাজী হয়ে গিয়েছে আইএসএলের ক্লাব গুলেো। এরপই কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শুরু হওয়ার কথা ঘোষণা করে দেন। অবশেষে ভারতীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ লিগে বল গড়াতে চলেছে। কয়েকদিন আগে ফেডারেশনের তৈরি করা তিন সদস্যের কমিটি তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার পরই ফেডারেশন(AIFF) ক্লাব গুলোর(ISL Clubs) সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল। সেখানেই কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ে আপত্তি তুলেছিল আইএসএলের ক্লাবগুলো। তাদের একটাই বক্তব্য ছিল যে এই মরসুমে এক কোটি টাকা পার্টিসিপেশন ফি তারা দেবে না। এমনকি ব্রডকাস্টও যে ফেডারেশনকে ঠিক করতে হবে সেই কথাও বলা হয়েছিল। এই নিয়েই একটা টালবাহানা শুরু হয়েছিল। এরপর থেকেই যেন খানিকটা কড়া মনোভাব দেখাতে শুরু করেছিল ফেডারেশন(AIFF)। বিশেষ করে মঙ্গলবার ফেডারেশনের নতুন মডেল অনুযায়ী আইএসএল আয়োজনের পরিকল্পনা কার্যকরী কমিটির বৈঠকে সবুজ-সংকেত পেতেই তারা কার্যত প্রস্তুত হয়ে গিয়েছিল। এরপরই ক্রীড়ামন্ত্রীর উপস্থিতিতে ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠকে বসেছিল ফেডারেশন। সেখানেই নাকি শোনাযাচ্ছে বেশ হুঁশিয়ারের সুরেই কথা বলেছে ফেডারেশন কর্তারা। কার্যত ক্লাবগুলো আইএসএল খেলবে কী খেলবে না সেই কথাই নাকি জানতে চাওয়া হয়েছিল। শেষপর্যন্ত প্রতিটি ক্লাবই খেলার কথা জানিয়ে দিয়েছে। এরপরই আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে আইএসএল শরু হওয়ার কথা ঘোষণা করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী। তবে একটা প্রশ্ন এখনও রয়েই যাচ্ছে যে এএফসি স্লটটা কী হবে। কারণ আইএসএল ক্লাবগুলোর সেই স্লট নিয়েও একটা দাবী ছিল। সেটা অবশ্য ফেডারেশনের ওপরই রয়েছে দায়িত্ব। তবে ১ কোটি টাকার পার্টিসিপেশন ফি দিতে হবে কী হবে না, তা নিয়ে এখনই কোনএও সিদ্ধান্ত হয়নি। শোনাযাচ্ছে পরবর্তীতে একটা বৈঠক হবে সেখানেই নাকি এই বিষয়টাও সমাধান হয়ে যেতে পারে।
আগামী সপ্তাহেই আইএসএল শুরুর তারিখ ঘোষণা

অবশেষে খুলতে চলেছে আইএসএল(ISL) নিয়ে অনিশ্চয়তা। আগামী সপ্তাহেই ঘোষণা হতে চলেছে আইএসএলের(ISL) তারিখ। তবে সূচি নিয়ে এখনই কিছু বলা হয়নি ভারতীয় ফুটবল ফে়ডারেশনের তরফে। তবে আইএসএল(ISL) যে অবশেষে এই মরসুমে হচ্ছে তার ইঙ্গিত কিন্তু স্পষ্ট। এখন শুধুই অপেক্ষা কবে থেকে শুরু হবে ভারতের সর্বোচ্চ ফুটবল লিগ। একইসঙ্গে লিগ যে ফেডারেশনই পরিচালনা করবে তাও স্পষ্ট করে নিজেদের চিঠিতে জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন(AIFF)। আইএসএল(ISL) নিয়ে ক্লাবজোটের সঙ্গে বৈঠকের জন্য ফেডারেশন তিন সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিল। একটানা ক্লাবগুলোর সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়েছে। ক্লাবেরা কী চাইছে। কেমনভাবে লিগ হোক সবটাই শুনে এবং নিজেদের মতো রিপোর্ট তৈরি করে শনিবারই ফেডারেশনকে(AIFF) সেই চিঠি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেখানেই ক্লাবেদের তরফ থেকে বেশ কিছু দাবীও ছিল। যারমধ্যে প্রধান ছিল যে লিগের ব্রডকাস্টার ঠিক করতে হবে ফেডারেশনকেই। একইসঙ্গে সেই রিপোর্টে উল্লেখ ছিল কোনও দল যদি খেলতে না চায় সেক্ষেত্রে তাঁকে লোয়ার ডিভিশনে রেলিগেট করে দেওয়া হবেষ সেই রিপোর্ট পাওয়ার পরই ফেডারেশনে আপৎকালীন একটি বৈঠক করা হয়। সেখানেই ঠিক হয় যে আগামী সপ্তাহেই এই মরসুমের আইএসএলের তারিখ ঠিক করা হবে। অর্থাৎ এখান থেকে একটা জিনিস স্পষ্ট যে আইএসএলের ব্রডকাস্টার হয়ত ফেডারেশন ঠিক করেই ফেলেছে। এখন শুধুই আগামী সপ্তাহে আইএসএলের দিন ঘোষণার অপেক্ষা।
অস্কারের কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে কেভিন

ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলেই(Eastbengal) থাকছেন কেভিন সিবিলে(Kevin Sibille)। কিন্তু কীভাবে এটা সম্ভব হল। শোনাযাচ্ছে লাল-হলুদ কোচ অস্কার ব্রুজোঁর(Oscar Bruzon) সঙ্গে কথা বলার পরই নাকি নিজের মত বদলেছেন কেভিন সিবিলে(Kevin Sibille)। আগামী ৬ জানুয়ারিই ইস্টবেঙ্গল শিবিরে যোগ দিচ্ছেন কেভিন। ইস্টবেঙ্গলের অনির্দিষ্টকালের জন্য প্রস্তুতি বন্ধের পর থেকেই যেন হতাশ হতে শুরু করেছিলেন কেভিন। বিশেষ করে যদি এই মরসুমে খেলা না হয়, সেই প্রভাব তাদের পরবর্তী মরসুমে অন্য ক্লাব পেতে হতেই পারে। আর সেইসঙ্গে স্পেন সহ বেশ কিছু জায়গার দল থেকেও তাঁর কাছে প্রস্তাব আসতে শুরু করেছিল। এমনকি তাঁর এজেন্টও নাকি কয়েকটি জায়গায় কথা বলছিলেন। এমন পরিস্থিতিতেই তাঁর ইস্টবেঙ্গল ছাড়ার ভাবনটা সকলের সামনে এসে পড়ে। এরপরই মাঠে নেমে পড়েন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। কার্যত কেভিনকে(Kevin Sibille) আটকানোর সমস্ত দায়িত্বটাই ছিল তাঁর কাঁধের ওপর। সেখানেই কেভিনের সঙ্গে বারবার আলোচনা করে সমস্তটা ভালোভাবে বুঝিয়েই শেষপর্যন্ত কেভিনকে এই মরসুমের মতো ইস্টবেঙ্গলে থাকার ব্যপারে রাজি করাতে পেরেছেন।
৫ জানুয়ারি থেকে প্রস্তুতিতে লাল-হলুদ, শহরে অস্কার

আগামী ৫ জানুয়ারি থেকেই মাঠে নেমে পড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। এখনও পর্যন্ত আইএসঅএল(ISL) কবে হবে তা নিয়ে নিশ্চয়তা নেই। তার মাঝেই অবশ্য দল নিয়ে মাঠে নেমে পড়ছেন অস্কার ব্রুজোঁ। শনিবারই শহরে চলে এসেছেন লাল-হলুদের কোচ। তবে প্রথম দিন থেকেই সব বিদেশিদের একসঙ্গে পাবেন না অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। যহেতু অত্যন্ত কম সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি শুরু হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেই জন্যই অনুশীলন শুরুর সপ্তাহের মধ্যেই একে একে সব ফুটবলাররা যোগ দেবেন। সরকারীভাবে কিছু শোনা না গেলেও, মনে করা হচ্ছে আইএসএের নিশ্চয়তা পেয়েই নাকি অনুশীলনে নেমে পড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। সুপার কাপেই শেষ ম্যাচ খেলেছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড(Eastbengal)। সেখানে এফসি গোয়ার কাছে ফাইনাল হারের পরই অনির্দিষ্টকালের জন্য ছুটিতে চলে গিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের কোচ থেকে ফুটবলররা। সেই থেকেই শুরু হয়েছিল জল্পনা। কারণ আইএসএল নিয়ে কোনওরকম নিশ্চয়তা ছিল না। এখনও নেই। এমনকি মোহনবাগান প্রস্তুতি শুরু করলেও, ইস্টবেঙ্গলও প্রস্তুতিতে না নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। অবশেষে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকেই প্রস্তুতিতে নামছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। তারা সকলই বেশ আশাবাদী যে আইএসএল নাকি হবে। কারণ সেই কথা দিয়েই তো দলের সেরা দুই বিদেশিকে ধরে রাখতে পেরেছে ইস্টবেঙ্গল। নইলে মিগুয়েল এবং কেভিন সিবিলে দুজনেই নাকি চলে যেতে চেয়েছিলেন। যদিও পরে ক্লাব কর্তা এবং কোচের মধ্যস্থতায় থেকে গিয়েছেন দুজনেই। কেভিন সিবিলে আসছেন আগামী ৬ জানুয়ারি এবং মিগুয়েল শহরে আসছেন ৭ জানুয়ারি। একইসঙ্গে আইএসএল শুরুর একটা তারিখও শোনাযাচ্ছে। সূত্রের খবর জানুয়ারির শেষেই নাকি শুরু হতে পারে আইএসএল। তবে কী সেই খবর জেনেই প্রস্তুতিতে নামছে লাল-হলুদ ব্রিগেড।