তৃণমূলকে শূন্য করার ডাক দিয়ে দল ঘোষণা হুমায়ুনের

নতুন দলের নাম ঘোষণা করেই ১০ প্রার্থীর নামও জানিয়ে দিলেন হুমায়ুন কবীর(Humayun Kabir)। সেইসঙ্গে সবা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিলেন তিনি। কয়েকদিন আগেই তাঁর নতুন দল আসা নিয়ে বার্তাটা দিয়েই রেখেছিলেন হুমায়ুন। অপেক্ষা ছিল সেই দলের নাম ঘোষণা। সোমবারই জনতা উন্নয়ন পার্টির(JUP) নাম ঘোষণা করে দিলেন খোদ হুমায়ুন। সেইসঙ্গেই ১০ জন প্রার্থীর নামও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। তবে হুমায়ুনের(Humayun Kabir) দল গোটা রাজ্যে প্রার্থী দেবে কিনা তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত পরিস্কারভাবে কিছু জানাননি তিনি। তবে দলের নাম ঘোষণার মঞ্চ থেকেই তৃণমূলকে একহাত নিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। নতুন দলের নাম ঘোষণা করেই মূর্শিদাবাদে তৃণমূলকে শূন্যে নামিয়ে আনার হুঙ্কার হুমায়ুন কবীরের। একইসঙ্গে তাঁকে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড করার জন্যও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন হুমায়ুন। যে দশটি কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম তিনি ঘোষণা করেছেন, তার মধ্যে দুটিতে হুমায়ুন কবীর নিজেই দাঁড়াবেন। একটি ভরতপুর এবং একটি রেজিনগর। একইসঙ্গে মূর্শিদাবাদ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হবেন মনীষা পাণ্ডে। রানিনগর থেকে লড়বেন আর এক হুমায়ুন কবীর। তিনি ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কংগ্রেসের কাছে হেরে যান।
সাসপেন্ড হুমায়ুন, বহরমপুরের সভা থেকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে(Humayun Kabir) সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল(TMC)। তার কয়েক ঘন্টা পরই বহরমপুরের সভায় তৃণমূল নেত্রী তথা মুক্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। সেখান থেকেই নাম না করেই হুমায়ুন কবীরকে(Humayun Kabir) বিঁধলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার(Mamata Banerjee) সাফ বক্তব্য একটা ধান পচে গেলে বাকিদের বাঁচাতে সেই ধানকে সরিয়ে দেওয়াই নাকি উচিৎ। তৃণমূলের এই পদক্ষেপের পরই বঙ্গ রাজনীতি মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে নানান কানাভুসো। বেশ কয়েক মাস ধরেই দল বিরোধি মন্তব্য করে তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) অস্বস্তি বারবার বাড়াচ্ছিলেন হুমায়ুন কবীর। সম্প্রতি বহরমপুরে বাবরি মসজিদ তৈরি নিয়েও একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শুরু করেছিলেন এই তৃণমূল বিধায়ক। অবশেষে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ারই সিদ্ধান্ত নিল তৃণমূল কংগ্রেস। এরপরই বহরমপুরের সভা থেকে নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Mamata Banerjee) বার্তা। তিনি জানিয়েছেন, একটা ধান পচে গেলে সরিয়ে দিতে হয়। নইলে বাকি গুলোও পচে যায়। বৃহস্পতিবার সকালেই সাংবাদিক সম্মেলন করেছিলেন ফিরহাজ হাকিম। সেখান থেকেই তিনি হুমায়ুন কবীরকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেন। সেখানেই ফিরহাদ জানিয়েছিলেন, “দল হুমায়ুনের সঙ্গে কোনওরকম সম্পর্ক রাখবে না।”
দলের নেতাদেরই ঢোরা সাপ বলে কটাক্ষ হুমায়ুন কবিরের, অস্বস্তি বাড়ছে দলে!

হুমায়ুন কবিরকে(Humayun Kabir) নিয়ে ফের অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস(TMC)। বিস্ফোরক কথা বলার জন্য বারবারই খবরের শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। কখনও সেটা বিরোধি দলের উদ্দেশ্যে হোক কিংবা নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই বলুন। এবার তৃণমূলেরই(TMC) নেতাদের বিরুদ্ধে ফের একবার বেফাঁস মন্তব্য করলেন বিধায়ক হুমায়ুন কবির(Humayun Kabir)। রেজিনগর, বেলডাঙা সহ নয়দার বিধায়কদের ঢোরা সাঁপ বলে কটাক্ষ করলেন হুমায়ুন কবির। নির্বাচনের আগে তাঁর এই বক্তব্য যে ফের একবার রাজ্যের শাসক দলকে খানিকটা অস্বস্তিতে ফেলল তা বলাই যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রেজিনগর(Razinagar) বিধানসভার(Assembly) বিকলনগরে ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে বিজয়া সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন ভারতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবির(Humayun Kabir)। সেই সম্মেলন শেষেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন হুমায়ুন কবির। সেখানেই তাঁর সামনে রেজিলগরের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় একদিকে যখন যেখানে ব্লক সভাপতি বিজয় সম্মেলনি করছেন, সেই সময়ই আবার পাল্টা বিজয়া সম্মিলনী করছেন রেজি নগরেরই বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরী। আর তার উত্তর দিতে গিয়েই ফের বেফাঁস মন্তব্য হুমায়ুনের। দলের এই সব নেতাদের ঢোরা সাঁপ বলেই কটাক্ষ করেছেন তিনি। হুমায়ুন কবির বলেন, “এরা আসলে ঢোরা সাপ। এদের যে কোনওরকম ভূমিকা নেই তা দলকে জানানো হয়ে গিয়েছে”। হুমায়ুনের এমন মন্তব্যের পরই কিন্তু রাজ্য রাজনীতি ফের সরগরম। বারবারই বেলাগাম কথা বলে শাসক দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন হুমায়ুন কবির। এবার দলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব নিয়ে ফের একবার প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন হুমায়ুন। শুধু রেজিনগরই নয়, বেলডাঙা এবং নওয়দার বিধায়কদেরও নাম না করে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের এই বিধায়ক। দিন দুয়েক আগেও এমন মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সেই একই ঘটনার পূণরাবৃত্তি ফের ঘটালেন হুমায়ুন কবির। শাসক দলের অস্বস্তি যে বাড়ল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
অভিষেকের সঙ্গে বৈঠকের পর ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা হুমায়ুন কবীরের

সম্প্রতি তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক হুমায়ুন কবীর দলের অন্দরের গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে একাধিক বার প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। নিজের বিধানসভা এলাকার ব্লক সভাপতি যে তাঁর এবং দলের নির্দেশ মানছেন না, এও খোলসা করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। পাশাপাশি এ বিষয়ে দলের উচ্চ নেতৃত্ব পদক্ষেপ না নিলে নতুন দল গড়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তৃণমূলের এই বিদ্রোহী নেতা। আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়ে তিনি স্পষ্টতই জানিয়েছিলেন যে, এর মধ্যে তৃণমূলের উচ্চ নেতৃত্ব তাঁর সমস্যা নিয়ে কথা না বললে তিনি নতুন দল গঠনের ঘোষণা করবেন। সেই দল যে শুধুমাত্র বহরমপুর কেন্দ্রীক নয়, তাও জানিয়েছিলেন হুমায়ুন। মালদা, মুর্শিদাবাদ, দুই দিনাজপুর, নদিয়ায় ৫০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনাও ছোকে রেখেছিলেন তৃণমূলের এই বিক্ষুব্ধ বিধায়ক। শেষ পর্যন্ত ১৫ আগস্টের আগেই গত সোমবার ক্যামাক স্ট্রিটে বহরমপুর এবং মুর্শিদাবাদ জেলার সাংগঠনিক নেতাদের নিয়ে বৈঠকে হুমায়ুন সহ ১০ জন বিধায়ককে ডেকে পাঠিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, সেই বৈঠকে নাকি অভিষেকের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় হুমায়ুন কবীরকে। দলের অন্দরের বিষয় বার বার প্রকাশ্যে আনায় হজম করতে হয়েছে বকুনিও। বৈঠকে নাকি হুমায়ুনকে অভিষেক বলেন, “আপনি সবকিছু নিয়ে কথা বলেন। দলকে বিড়ম্বনায় ফেলেন।” এদিনের বৈঠকে হুমায়ুন কবীরও তাঁর অভাব-অভিযোগের কথা অভিষেককে জানান। পাশাপাশি সে বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণেরও আবেদন জানান। এদিনের বৈঠকে হুমায়ুনের প্রধান অভিযোগ ছিল তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ জেলা নেতৃত্ব শুধুমাত্র হুমায়ুনের নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেকের নির্দেশও মানছেন না। সোমবারের বৈঠকে হুমায়ুন কবীরের করা সব অভিযোগ ডাইরিতে নোট করেন অভিষেক। এ বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নেবেন, সে কথাও জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে সোমবারের বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকের সামনে বেশ ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। মুখের কোণে এক চিলতে হাসি ফুটিয়ে বেশ রহস্যময় উক্তি হুমায়ুনের, ‘বৃক্ষ তোমার নাম কী? ফলে পরিচয়’। এদিন সাংবাদিকদের সামনে খুব বেশি কিছুই বলতে চাননি হুমায়ুন। তিনি বলেন— “আজকের বৈঠকে আমি সন্তুষ্ট। দল যা নির্দেশ দিল তা প্রকাশ্যে বলা যাবে না, সেটা দলের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার।” তবে তাঁর করা, ‘বৃক্ষ তোমার নাম কী? ফলে পরিচয়’— এই হেঁয়ালি নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। তবে কি নতুন দল গড়ছেন হুমায়ুন? যদিও ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তার পাশাপাশি তিনি এও দাবি করেন, আগামী নির্বাচনেও জয়ী হবে তৃণমূল কংগ্রেসই। তার ফলে মনে করা হচ্ছে, হুমায়ুন তৃণমূলেই থাকছেন।
তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ডেকে পাঠাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

চলতি মাসের শুরুতেই দলের মধ্যে থেকেই কার্যত বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন ডেবরার তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছিলেন দলে গুরুত্ব না পেলে নতুন দল খুলবেন তিনি। তিনি যে শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রীক দল খুলতে চান না—সেখানে উত্তর দিনাজপুর, মালদা এবং নদীয়ারও যে একটা বড় অংশ থাকবে তাও স্পষ্ট করেছিলেন হুমায়ুন। এমনকী দলের হাইকম্যান্ডকে তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য ১৫ আগস্টের ডেটলাইনও বেঁধে দিয়েছিলেন। এবার তৃণমূলের সেই বিক্ষুব্ধ বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে ডেকে পাঠাল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহ থেকেই তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড তাঁর ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে প্রতিটি জেলা ধরে ধরে তার নেতৃত্বের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করছেন। সেই বৈঠকে যেমন দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তেমনই ২৬শে বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশলও তৈরি করে দিচ্ছেন অভিষেক। সেই মতো গত সপ্তাহে উত্তরের চার জেলা যেমন আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং মালদহ জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে দু-দফায় বৈঠক সারেন তিনি। আজ, অর্থাৎ সোমবার তিনি বৈঠকে বসবেন উত্তর দিনাজপুর, বহরমপুর এবং মুর্শিদাবাদের জেলার সাংগঠনিক নেতৃত্বদের নিয়ে। এই বৈঠকে ডাকা হয়েছে হুমায়ুন-সহ তিন জেলার দশ বিধায়ককে। সেক্ষেত্রে হুমায়ুন কবীরের বেঁধে দেওয়া ১৫ আগস্টের আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাক পেলেন ডেবরার বিধায়ক। এই বৈঠক প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবীর বলেছেন, “সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক দশদিন আগেই এই বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন। সুতরাং, আমি যাব না এমনটা হতে পারে না। আমি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি।” যদিও এই বৈঠকের আগে নতুন দল গঠন নিয়ে মুখ খুলতে চাননি হুমায়ুন। তিনি মনে করেন তাঁর সম্মানের কথা মাথায় রেখেই দল যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবে। সেক্ষেত্রে দলের সিদ্ধান্তের পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন তিনি। অতএব সব মিলিয়ে সোমবারের বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। এই বৈঠকে ডেবরার বিদ্রোহী বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়াতে যাবে তৃণমূল হাইকমান্ড, নাকি হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে অন্য কোনও পরিকল্পনা আছে দলের, তাও স্পষ্ট হয়ে যাবে এদিনের বৈঠকে। তাছাড়া একদা অধীর গড় বলে পরিচিত বহরমপুর নিয়ে সাংগঠনিক নেতৃত্বদের কী বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাও দেখার। সব মিলিয়ে ক্যামাক স্ট্রিটে সোমবারের হাইভোল্টজ বৈঠক ঘিরে ক্রমশই উত্তেজনার পারদ চড়ছে।
বাংলায় বাড়ির কুকুর-ছাগলদেরও আধার কার্ড হয় : দিলীপ ঘোষ

এসআইআরের ফলে বিহারে বাদ পড়েছেন রাজ্যের ৫৭ লক্ষ ভোটার। নির্বাচন কমিশন সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে বলেছে আধার নাগরিকত্বের কোনও প্রমাণ নয়। এ নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ।বৃহস্পতিবার দিলীপ ঘোষ আধার নিয়ে বলেন, “নির্বাচন কমিশনের কাজ সুস্থ নির্বাচন করানো। এসব আধার কার্ড এখন পয়সা দিলেই পাওয়া যায়। বাড়ির কুকুরেরও আধার কার্ড করা সম্ভব। এসব পরিচয়পত্র হিসেবে ধরা হচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গে রাস্তায় বস্তা বস্তা ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড পাওয়া গিয়েছে।” রাজ্যে রাজ্যে বিশেষ করে বিজেপি পরিচালিত রাজ্যগুলিতে বাঙালিদের বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন তা নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। বলেন, “মুর্শিদাবাদের নাম করে যারা যাচ্ছে তারা বেশিরভাগ বাংলাদেশি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশি আর বাঙালি বা বাংলাভাষী গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমরা ডিমান্ড করব বিহারে যেভাবে ভোটার লিস্ট সংশোধন হচ্ছে, বাংলাতেও নির্বাচনের আগে সেটাই করা উচিত। না হলে পশ্চিমবঙ্গে ফেয়ার ইলেকশন হবে না।” বর্তমান ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর নতুন রাজনৈতিক দল খুলে ২০২৬-এর বিধানসভায় ৫০ আসনে প্রার্থী দেবে বলে ঘোষণা করেছেন, এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ওনাকে কেউ কোনোদিন ধরে রাখতে পারেনি। পশ্চিমবঙ্গে যত দল সব করা হয়ে গিয়েছে। তাই নতুন দল করার দরকার। এটা শুধু উনার ইচ্ছা নয়, তৃণমূলও চাইত। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি যা হচ্ছে, ২৬-এর নির্বাচনে যদি কোনও মুসলিম উপমুখ্যমন্ত্রী হয় তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। নতুন কোনও দলের যে কথা উঠছে ১০০টা মুসলিম সিট জেতার মতো পরিস্থিতি আছে। নতুন দল হবে মুসলিমদের। তারা দাবি করবে উপমুখ্যমন্ত্রী চাই তাদের। পরের বার বলবে যে মুখ্যমন্ত্রী করবে মুসলিমকে, তাকে আমরা সাপোর্ট করব। মুখ্যমন্ত্রী সব জানেন।”
“গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে মুর্শিদাবাদ যেন ভাঙর সাঁইথিয়ার মত যেন মুর্শিদাবাদে না হয় ” আগাম সর্তকতা হুমায়ুন কবীরের

প্যারালাল নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাই এর প্রস্তুতি সবার শেষে ভরতপুরে তৃণমূল বিধায়ক মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জেলার সভাপতিদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন, লোকসভা ভোটে তার ওয়ার্ড এ তিন নম্বর হয়েছে তিনি পুরস্কৃত হয়েছেন, বিভিন্ন জায়গায় গোষ্ঠীর দণ্ড করছেন তিনি সব জায়গায় গিয়ে ঢুকছেন, হুমায়ুন কবির বলেন গোষ্ঠীদ্বন্দেই ব্যাস্ত আছে, মানুষের কি হল তা নিয়ে মাথা ব্যাথা নেই, নিজেদের পোস্ট কিভাবে ধরে রাখবো কতটা তেল মেরে ধরে রাখবো , কতটা ভুল তথ্য দিয়ে নিজেদের ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকবো এটাই মূল উদ্দেশ্য। তৃণমূলের মধ্যে দ্বন্দ্ব অনেক আছে সবাই জানে, সেই দ্বন্দ্ব যখন অতিক্রম করবে সেটাই তার ফল কি হতে পারে , যেটা ভাঙ্গড় হয়েছে যেটা সাইথিয়া হয়েছে সেটা জানো মুর্শিদাবাদের না হয় তার আগাম সতর্ক করছি। তিনি বাবার জমিদারী মনে করেন ভরতপুরে যাবে বড়ঞা যাবে রেজিনগরে যাবে নাম না করে জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকারকে কটাক্ষ হুমায়ুনের। নিজের ওয়ার্ডে লোকসভা ভোটের সময় তিন নম্বর হয়েছে। এইসব মূল্যায়ন না হয়ে আবার তারা পুরস্কৃত হয়েছে।