ইস্টবেঙ্গলে জমা পড়ল ৪০০ সিভি! সূচী পেলেই বিদেশি সই

বিদেশি নেওয়া হবে একজনকে। আর সেই জন্যেই কিনা ইস্টবেঙ্গলে(Eastbengal) সিভি জমা পড়েছে ৪০০! হ্যাঁ সংখ্যাটা এর থেকে বেশিও হতে পারে। শোনাযাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে নাকি ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ জনেরও বেশি এজেন্ট যোগাযোগ করে ফেলেছে। কিন্তু লাল-হলুদ কাকে নেবে তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত ঠিক করা হয়নি। শুধু তাই নয়, সেই সিভি গুলো থেকে এখনও পর্যন্ত বাছাই পর্বও করা হয়নি। কারণ অবশ্য একটাই। যতক্ষণ না পর্যন্ত আইএসঅলের সূচি ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) হাতে আসছে, ততক্ষণ কোনওরকম বিদেশি নেওয়ার কাজও শুরু হবে না। শোনাযাচ্ছে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই সূচী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে আইএসএলের(ISL)। এখনও পর্যন্ত জানুয়ারি উইন্ডো চলছে। তার মধ্যে নতুন বিদেশিও(New Foreigner) বেছে নিতে পারে তারা। হামিদ আহদাদকে(Hamid Ahdad) ছাড়ার কয়েকদিনের মধ্যেই আরও এক বিদেশি হিরোশি ইবুসুকিকে(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্ট। হামিদ নিজেই ছাড়তে চেয়েছিলেন সেই সময়ের পরিস্থিতির জন্য। আর হিরোশির পারফরম্যান্সে একেবারেই খুশি না হওয়ার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে হিরোশিকেও। কয়েকদিনের মধ্যে সরকারীভাবে তা জানিয়েও দেওয়া হবে। এরই মাঝে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বহু এজেন্ট যোগাযোগ করা শুরু করে দিয়েছে। তারা বিভিন্ন ফুটবলারদের প্রোফাইলও পাঠিয়ে দিয়েছে। আইএসএলের সূচি ঘোষণা হলেই, একজন বিদেশি স্ট্রাইকার নিশ্চিত করে ফেলবে ইস্টবেঙ্গল।
ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি রিক্রুট নির্ভর করছে সূচী ঘোষণার ওপর

এই মরসুমে আর বিদেশি নেবে না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। যতক্ষণ না পর্যন্ত আইএসএলের(ISL) সূচী তারা জানতে পারছে না, ততক্ষণ নতুন কোনও বিদেশি সই করাবে না লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। সূচি প্রকাশ হলেই নতুন বিদেশি রিক্রুটের পদ্ধতিও লাল-হলুদ শুরু হয়ে যাবে। হামিদের(Hamid Ahdad) পর হিরোশিকেও(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সেই জায়গায় নতুন স্ট্রাইকার হিসাবে কাকে নেওয়া হবে তা অবশ্য এখনও পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। অন্যদিকে হিরোশিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর পেপার ওয়ার্কস পুরোপুরি সম্পূর্ণ হয়নি। সেই কারণে আগামী রবিবারই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতিতে নামতে পারেন তিনি। শোনাযাচ্ছে আগামী সপ্তাহের প্রথম দুই তিন দিনের মধ্যেই তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারীভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে। এদিকে ওয়ার্কলোডের কারণে শনিবার ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতিতে ছুটি দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার যেহেতু ডাবল লোড সেশন ছিল তাদের সেই কারণেই এদিন বিশ্রামের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে দুজন বিদেশিকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি, আনোয়ার আলিকে নিয়েও পুরোপুরি চিন্তা মুক্ত হতে পারছে না ইস্টবেঙ্গল। এখনও পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে পারেননি তিনি। রবিবারের প্রস্তুতিতে আনোয়ার আসেন কিনা সেটাই দেখার।
হিরোশির সঙ্গে সম্পর্ক শেষ ইস্টবেঙ্গলের

সবকিছু ঠিকঠাক হয়েই গিয়েছিল। অবশেষে সেটাই হল। শুক্রবার অনুশীলন শেষেই হিরোশি ইবুসুকিকে(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়ে দেওয়া হল ম্যানেজমেন্টের তরফে। হামিদের পর এবার হিরোশি ইবুসুকি চ্যাপ্টারও ইস্টবেঙ্গলে(Eastbengal) অতীত। কস্ট কাটিংয়ের জন্য বিদেশি চাড়ার কতা আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। হিরোশি প্রথম থেকেই ইস্টবেঙ্গলের ছাড়ার তলিকায় শীর্ষে ছিল। যদিও সেই সময় হামিদ(Hamid Ahadad) চলে যান। তবে হিরোশিকে ছাড়ার বন্দোবস্ত সেই সময় থেকেই শুরু হয়েছিল। শেষপর্যন্ত এই শুক্রবারই হিরোশির সঙ্গে গোল্ডেন হ্যান্ডশেকটা সেরে ফেলল লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। একইসঙ্গে নতুন বিদেশি আনার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে। হিরোশিকে ঢাক ঢোল পিটিয়ে নিয়ে এলেও তাঁর খেলায় মোটেও সকলে খুশি ছিলনা। বিশেষত সুপার কাপেও চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছিলেন এই জাপানি তারকা ফুটবলার। মোহভঙ্গটা সেই সময়ই থেকেই হয়েছিল। এবার সম্পর্কটাও শেষ হল। সেইসঙ্গে কস্টকাটিংও চলছে লাল-হলুদে। অন্যদিকে চোট সারিয়ে এখনও সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। শুক্রবারই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে এলেন না আনোয়ার আলি(Anwar Ali)। একইসঙ্গে আইএসএলে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সিদ্ধন্তও নিয়ে ফেলল ইস্টবেঙ্গল। সন্তোষ জয়ী বাংলা দলের বিরুদ্ধ শনিবার প্রস্তুতি ম্যাচে নামবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। একইসঙ্গে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি খোঁজার কাজটাও শুরু হয়ে গিয়েছে জোরকদমে।
আবার বিদেশি ছাড়ছে ইস্টবেঙ্গল

আবার বিদেশি ছাড়ছে ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal)। তবে কী এবার ছাটাই হতে চলেছেন হিরোশি ইবুসুকি(Hiroshi Ibusuki)। সেক্ষেত্রে ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকারের দায়িত্বে কী থাকবেন শুধুই ডেভিড! অন্তত এখনও পর্যন্ত হিসাব তো সেটাই বলছে। আইএসএল(ISL) শুরু হওয়ার তারিখ ঘোষণা হয়ে গেলেও, বেশীরভাগ দলই এখন দল কাটছাটের রাস্তায় হাঁটছে। অন্যথা নয় ইস্টবেঙ্গলও(Eastbengal)। কস্ট কাটিংয়ের জন্যই বিদেশি ফুটবলার ছেড়ে দিচ্ছে ইস্টবেঙ্গলও। ইতিমধ্যেই হামিদ চলে গিয়েছে। এবার আরও এক বিদেশিকে ছাড়তে চলেছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। হামিদ(Hamid Ahadad) নিজেই যেতে চেয়েছিল। এবার কী হিরোশিকেই ছেড়ে দিচ্ছে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। কারণ তাঁর খেলায় যে ম্যানেজমেন্ট খুশি নয় তা বলাই বাহুল্য। ইস্টবেঙ্গলের ফুটবলার ছাড়ার যে তালিকা তৈরি হয়েছিল সেখানে সবার ওপরেই যে রয়েছে হিরোশির নাম। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন উঠছে তবে ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকার হিসাবে এখন কী শুধুই থাকবেন ডেভিড। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার থেকেই ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তুতিতে যোগ দিলেন মিগুয়েল। বেশ খোশ মেজাজেই প্রথম দিন দেখা গেল তাঁকে। অন্যদিকে পুরোপুরি ফিট না হওয়ার জন্য এদিন অনুশীলনে এলেন না আনোয়ার আলি।
ডিসেম্বরে বল পায়ে মাঠে নামছেন না ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা, ফিরে গেলেন শেষ বিদেশিও

ডিসেম্বরে আর বল পায়ে মাঠে নামছেন না ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) ফুটবলাররা। ভারতীয় ফুটবলের এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে শেষপর্যন্ত কী হয় সেই দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট(Eastbengal Management)। একমাত্র বিদেশি হিসাবে মিগুয়েল(Miguel Fereira) শহরে থাকলেও শেষপর্যন্ত তিনিও এবার পরিবারের সঙ্গে দেশে ফিরে গিয়েছে। আইএসএল(ISL) হওয়া নিয়ে নিশ্চয়তা পেলে তবেই নাকি কোচ থেকে ফুটবলারদের ডেকে পাঠানো হবে। আপাতত ডিসেম্বরে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের মাঠে নামার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। সুপার কাপের(Super Cup) পরই ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) কোচ সহ বাকি ফুটবলাররা ফিরে গিয়েছিলেন। কয়েকজন বিদেশি শহের ফিরলেও কয়েকদিনের ছুটি কাটিয়ে সেই হিরোশি(Hiroshi Ibusuki), কেভিন(Cavin), রশিদরাও(Mohammed Rashid) ফিরে গিয়েছিলেন শহরে। তবে কলকাতায় থেকে গিয়েছিলেন মিগুয়েল ফেরেরা(Miguel Feriera)। কারণ আর্জেন্তিনা যেতে খরচ অনেকটা। সেইসঙ্গে তখন নাকি ডিসেম্বরের শেষ থেকে প্রস্তুতি শুরু হওয়ারও একটা কথা ছিল ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal)। ফলে এইটুকু সময়ের জন্য তিনি ফিরে না যাওয়ারই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু আইএসএল নিয়ে জট এখনও অব্যহত। আদৌ আইএসএল(ISL) এবার হবে কিনা সেটা নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। এমন পরিস্থিতিতে নাকি কয়েকদিন আগে মিগুয়েলকে ম্যানেজমেন্টের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এই ডিসেম্বরে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) মাঠে নামার কোনওরকম সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ তিনি চাইলে ফিরে যেতেই পারেন। দুদিন আগেই নাকি পরিবারের সঙ্গে দেশেও ফিরে গিয়েছেন মিগুয়েল ফেরেরা। কবে থেকে ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) প্রস্তুতি শুরু হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত আর কোনও আপডেট নেই। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে লাল-হলুদ(Eastbengal) ম্যানেজমেন্ট। আইএসএল কবে হবে সেটার ওপরই তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও নির্ভর করছে। একইসঙ্গে ইস্টবেঙ্গল সূত্রে আরও একটা খবর পাওয়া যাচ্ছে। যদি এই মরসুমে আইএসএল না হয়, সেক্ষেত্রে তারা তাদের অনেক বিদেশি ফুটবলারদের ছেড়েও দিতে পারে। তেমনও একটা ভাবনা নাকি রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আইএসএল হওয়া নিয়েই আশাবাদী লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট।
ক্রিসমাসের ছুটি কাটাতে দেশে ফিরলেন হিরোশি সহ বাকিরা

ক্রিসমাসের(Christmas) ছুটি কাটাতে দেশে ফিরে গেলেন হিরোশি ইবুসুকি(Hiroshi Ibusuki)। পরিবার নিয়ে ইতিমধ্যে জাপান পৌঁছেও গিয়েছেন তিনি। তবে শুধু হিরোশি(Hiroshi Ibusuki) নন, ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) অন্যান্য বিদেশিরাও ক্রিসমাস কাটাতে ফিরে গিয়েছেন তাদের দেশে। শুধুমাত্র রয়ে গিয়েছেন একজনই। লাল-হলুদের তারকা ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল(Miguel Fereira) অবশ্য রয়ে গিয়েছেন শহরে। তিনি ফেরেননি। কারণ একটাই। ব্রাজিলে ফিরতে এই সময় অনেক খরচ। একইসঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যরাও রয়েছে এখানেই। তাদের নিয়ে কলকাতাতেই এবার ক্রিসমাসটা কাটাতে চান মিগুয়েল ফেরেরা(Miguel Feriera)। সুপার শেষের পরই দেশে ফিরে গিয়েছিলেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzo)। আপাতত আইএসএল হওয়া নিয়ে কোনওরকম নিশ্চয়তা নেই। সেইজন্য লাল-হলুদেও(Eastbengal) আপাতত লম্বা বিরতি। অনির্দিষ্ট কালের জন্য ইস্টবেঙ্গলেও বাতিল হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতি। সেই সময়টা নিজের দেশেই ক্রিসমাস কাটাতে চলে গিয়েছেন অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। একইসঙ্গে ফিরে গিয়েছিলেন আরেক তারকা স্প্যানিশ ফুটবলার সওল ক্রেসপোও(Saul Crespo)। যদিও রসিদ, হামিদ, হিরোশি এবং মিগুয়েলরা অবশ্য দলের সঙ্গে শহরেই ফিরে এসেছিলেন। তবে মিগুয়েল(Miguel Feriera) বাদে এবার বাকিরাও ফিরে গেলেন যে যার দেশে। আপাতত পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সেখানেই নিজেদের মতো ক্রিসমাসের সেলিব্রেশনে মাততে চান লাল-হলুদের বিদেশি ফুটবলাররা। আইএসএল কবে হবে তা নিয়ে এখনও পর্যন্ত ধোঁয়াশায় খোদ ইস্টবেঙ্গলও(Eastbengal)। বুধবারের বৈঠকে তারা যোগ দিলেও, সেখানে মত প্রকাশ নয়, বরং কে কী বলছেন সেদিকেই বিশেষ মনোযাগী ছিলেন তারা। আপাতত আইএসএলের নতুন যে মডেল নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে, তা নিয়ে খানিকটা ধীরে চলো নীতিই নিয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। শেষপর্যন্ত কী হয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে সকলে।
কবে ফিরবেন অস্কার? হিরোশিকে নিয়েও ভাবনা

হিরোশিকে(Hiroshi Ibusuki) ছেড়ে দেওয়া হোক। ইস্টবেঙ্গল(Eastbengal) সমর্থকদের এখন এই একটাই দাবী। তবে সমর্থকরা চাইলেও, হিরোশিকে ছাড়া কার্যত অসম্ভব ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) কাছে। কারণ তাঁকে ছাড়তে হলে দিতে হবে বিরাট অঙ্কের টাকা। আর এই পরিস্থিতিতে সেই পরিমীন টাকা খরচ করতে একেবারেই নারাজ লাল-হলুদ ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু হিরোশিকে(Hiroshi Ibusuki) ছাড়তে হলে কতটা পরিমান টাকা দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে! জানেন কত টাকা দিতে হবে। সব মিলিয়ে হিরোশিকে ছাড়তে ইস্টবেঙ্গলকে দিতে হবে ২ কোটি টাকা। এমন পরিস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে সেই টাকা খরচ করাটা নাকি একেবারেই সম্ভব নয়। সেই কারণেই ম্যানেজমেন্ট নিজেদের মতো সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছে। হিরোশিকে(Hiroshi Ibusuki) এক বছরের চুক্তিতে দলে নেওয়া হয়েছে। এই মুহূর্তে আইএসএল(ISL) হবে কিনা তা নিয়েও কোনও নিশ্চয়তা নেই। এই পরিস্থিতিতে কোনও ফুটবলার নেওয়া তো দূরস্ত, কাউকে ছাড়াও যে হবে না সেই সিদ্ধান্তও চূড়ান্ত করে ফেলেছে লাল-হলুদ(Eastbengal) ম্যানেজমেন্ট। সেটা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ হিরোশির খেলা নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ থাকলেও, তাঁকে বয়ে নিয়েই যেতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। সে আইএসএল হোক বা অন্য কোনও লিগ হোক, হিরোশি এবার লাল-হলুদ জার্সিতেই থাকছেন। সুপার কাপে হারের পরই স্পেনে ফিরে গিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের(Eastbengal) কোচ অস্কার ব্রুজোঁ(Oscar Bruzon)। তাঁর ফেরা নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা। তিনি কী আদৌ ফিরবেন। না অস্কারকে ছাড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। দায়িত্ব এই স্প্যানিশ কোচের হাতেই থাকছে। যদিও অস্কার কবে ফিরবেন সেই উত্তর অবশ্য ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের কাছেও নেই। কারণ সবটাই যে আইএসএল হওয়ার উপর নির্ভর করছে। শেষপর্যন্ত কবে আইএসএল হয় সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।