এজরা স্ট্রিটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন দমকল মন্ত্রী

শনিবারের সকালেই হৈচৈ পড়ে গিয়েছিল কলকাতার ব্যবসার একেবারে প্রাণ কেন্দ্রে। ভয়াবহ আগুন লেগেছিল এজড়া স্ট্রিটে(Ezra Street)। সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় হল সেখান থেকেই গোটা বাংলার বেশিরভাগ জায়গায় ওষুধ সরবরাহ হয়। শনিবার সেই এজড়া স্ট্রিটেই ভয়াবহ আগুন লাগে ভোর পাঁচটা। সময় যতই এগোয় ততই ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল সেই আগুন। সেইসঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে দমকলের সংখ্যাও। শেষপর্যন্ত আগুন আয়ত্তে আনা গেলেও, বেআইনি নির্মানের অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানে যান দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস(Sujit Bose)। এদিন এজরা স্ট্রিটের দ্বিতীয় তলে একটি ইলেকট্রিকের গোডাউনে আগুন লেগেছিল। সেখান থেকেই ক্রমে ছড়িয়ে পড়ছিল আগুন। শেষপর্যন্ত আগুন নেভাতে ২৪টি ইঞ্জিন নামাতে হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে সঙ্গেসঙ্গেই প্রায় সেই জয়গায় উপস্থিত হয়েছিলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস(Sujit Bose)। সেখানেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন দমকল মন্ত্রী। সেখানে যে ব্যবসায়ীদের সব রমকমের সাহায্য করা হবে সেই কথাও দিয়েছেন সুজিত বোস। সেখানে উপস্থিত হয়ে সুজিত বোস জানান, “ফরেন্সিক না হওয়া পর্যন্ত কিছুই জানা যাবে না। কীভাবে আগুন লাগল, কী থেকে এমনটা হয়ছে সবকিছুই জানার একটা চেষ্টা চলছে। তবে ব্যাবসায়ীদের সবরকম সাহায্য করা হবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে”। এজরা স্ট্রিট অত্যন্ত ঘিঞ্জি এলাকা। সেইসঙ্গে তারের জট। এছাড়াও বহু দোকানে যথাযথ অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা না থাকারও অভিযোগ উঠছে। যদিও পরিস্থিতিতে ভালো করে পর্যবেক্ষণ করেছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বোস। কোনোরকম বেআইনি কিছু রয়েছে কিনা সেটাও দেখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এমন বারবার অগ্নি কাণ্ডের ঘটনা কিন্তু বেশ চিন্তার কারণই হয়ে দাঁড়াচ্ছে রাজ্যের শাসক দলের কাছে। সেইসঙ্গে ফায়ার সেফটি নিয়েও কিন্তু প্রশ্ন উঠছে।
টাকি রোডের উপর লরিতে আগুন

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে খোলাপোতায় টাকি রোডের উপর লরিতে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন, এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় গোটা এলাকায়। বসিরহাটের খোলাপোতা এলাকায় টাকি রোডের পাশে এক গ্যারেজে লরি মেরামতির সময় হঠাৎই আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্যারেজে লরির ঝালাইয়ের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই স্পার্ক থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লরিতে। মুহূর্তের মধ্যেই কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আতঙ্কে দৌড়োদৌড়ি করে লোকজন। সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায় যানচলাচল। প্রথমে স্থানীয়রা জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি। পরে দেওয়া হয় দমকলে। আগুন লাগার খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে, প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও আগুন লাগার ফলে লরিটি সম্পূর্ণ ভাবে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। এই ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। হঠাৎ করে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় স্বাভাবিক ভাবেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আবারও মেট্রো বিভ্রাট, নাকাল নিত্যযাত্রীরা

আবারও মেট্রো বিভ্রাট। নাকাল নিত্যযাত্রীরা। এমনিতেই কবি সুভাষ প্লাটফর্মের পিলার ও দেয়ালে ফাটল ধরা পড়ায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্টেশন। তারই মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে মেট্রোয় আগুনের ফুলকি দেখায় সাময়িক ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় পরিষেবা। সকাল আটটা নাগাদ সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে দমদমগামী একটি ট্রেনের নীচ থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। সাথে সাথে খালি করে দেওয়া হয় কামরা। পরে সেটিকে কারশেডে পাঠানো হয়। এর জন্য প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ ছিল মেট্রো পরিষেবা। সকাল বেলায় এ ধরনের ঘটনা ঘটায় স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ অফিসযাত্রীরা। এই ঘটনায় যাত্রী সুরক্ষা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তারা। এভাবে দিন দিন মেট্রো পরিষেবার যে ক্রমাগত অবনতি ঘটছে এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষ তার পরেও কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করছেন অনেক যাত্রী। যদিও এ বিষয়ে মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে এখনও কিছু জানানো হয়নি।