SIR-এ গ্রাহ্য এবার মাধ্যমিকের অ্যাডমিট, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

এসআইআর(SIR) চলার মাঝেই বড়সড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের(Supreme Court)। কয়েকদিন আগেই দেওয়া নির্বাচন কমিশনের নির্দেশকে কার্যত নস্যাৎ করে এবার মাধ্যমিকের অ্যাডমিটকে(Madhyamik Admit Card) গণ্য করার সিদ্ধান্ত জানাল সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court)। সেইসঙ্গে বিলএলএদেরও শুনানির সময় থাকার নির্দেশ একপ্রকার দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন(Election Comission) একটি নোটিশ জারি করেছিল। যেখানে বলা হয়েছিল যে শুনানিতে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড কোনওরকম নথি হিসাবে গ্রহণ হবে না। তাদের বেঁধে দেওয়া যেকটি নথির উল্লেখ রয়েছে সেটাকেই মান্যতা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। এরপর থেকেই রাজ্য জুড়ে একটা উৎকন্ঠা দেখা গিয়েছিল। বিশেষ করে শুনানির জন্য সাধারণ মানুষের নাকাল হওয়ারই একটা অভিযোগ বারবার উঠছিল। এবার সেই বিষয়েই বিশেষ রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট(Supreme Court)। এসআইআর শুনানিতে এবার মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকেও গ্রাহ্য করতে হবে। অন্যদিকে বিএলএদেরও এবার প্রবেশাধিকার হল হিয়ারিংয়ের সময়। কারণ সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার সময় ভোটাররা চাইলে যে কোনও একজনকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন। তিনি যদি বিএলএ হন, তাতেও আপত্তির কিছু নেই। অর্থাৎ এবার শুনানিতে থাকার অনুমতি পেলেন বিএলএরা।
নির্বাচন কমিশনকে পাঁচ প্রশ্ন তৃণমূলের

বাংলায় এসআইআর(SIR) নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের(TMC) পাঁচ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারল না জাতীয় নির্বাচন কমিশন! দীর্ঘ বৈঠক সেরে বেড়িয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের জাবী এমনটাই। শুক্রবার দিল্লিতে তৃণমূলের(TMC) দশ সদস্যের কমিটি মুখোমুখি হয়েছিল জাতীয় নির্বাচন কমিশনের(Election Comission)। সেখানেই নাকি তাদের করা পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। এদিন প্রায় দুই ঘন্টা দীর্ঘ বৈঠক হয় নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে। তৃণমূলের(TMC) তরফ থেকে দুবার চিঠি দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের(Election Comission) তরফে তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানানো হয়েছিল। সেই মতোই চলতি সপ্তাহে সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দশজনের একটি দল গঠন করে দিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালেই নির্বাচন কমিশিনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক সারেন তারা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Abhishek Banerjee) তৈরি করা সেই কমিটিতে ছিলেন ডেরেক ও ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, দোলা সেন, মহুয়া মৈত্র, প্রকাশ চিক বরাইক, সাজদা আহমেদ, মমতাবালা ঠাকুর, প্রতিমা মণ্ডল, সাকেত গোখলে। প্রায় দু ঘন্টা ধরে চলে সেই বৈঠক। বৈঠক শেষে তৃণমূলের(TMC) তৈরি করা কমিটির তরফ থেকে জানানো হয় যে তারা যে পাঁচ প্রশ্ন নির্বাচন কমিশনের(Election Comission) ফুল বেঞ্চের সামনে তুলে ধরে ছিল তার নাতি সদুত্তর তারা পায়নি। এরপরই সংসদে তৃণমূলের উপ দলনেতা শতাব্দী রায় তাদের প্রশ্নগুলি সম্বন্ধে জানান, যে পাঁচটি প্রশ্ন করা হয়েছিল সেগুলির মধ্যে প্রথম হল, এই এসআইআর প্রক্রিয়া কি অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে? সেটাই যদি হয়, তাহলে আলাদা করে বাঙালিদের টার্গেট করা হচ্ছে কেন? দেশজুড়ে বাঙালিদের উপর আক্রমণ করা হচ্ছে কেন? মিজোরাম, ত্রিপুরার মতো রাজ্যে কেন এসআইআর হচ্ছে না? বলা হচ্ছে অবৈধ ভোটার বাছতে এসআইআর, তাহলে এই অবৈধ ভোটারদের দ্বারা নির্বাচিত মোদি সরকারের বৈধতা কী? শতাব্দীদের আরও প্রশ্ন, “এসআইআর-এর ফলে এ পর্যন্ত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই মৃত্যুর দায় কি কমিশন নেবে? তাঁদের পরিবারের জন্য কী ব্যবস্থা নিচ্ছে কমিশন? এতদিন এসআইআর নিয়ে তৃণমূল যা যা অভিযোগ করেছে, সেটার ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?” নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই যে এসআইআর নিয়ে তড়জা বাড়তে শুরু করেছে তা বেশ স্পষ্ট।
SIR-এ বলি ২৮! নির্বাচন কমিশনকে একহাত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

রাজ্যে এসআইআর(SIR) শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়তে শুরু করেছে। অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এবার এসআইআরের জন্য তৈরি হওয়া আতঙ্ক এবং একের পর এক আত্মহত্যার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের(Election Comission) বিরুদ্ধে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। কার্যত নির্বাচন কমিশনের অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের জন্যই নাকি এখনও পর্যন্ত ২৮ জনের প্রাণ গিয়েছেন বলেই মনে করছেন মমতা(Mamata Banerjee)। রাজ্যে এসআইআর(SIR) প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে আত্মহত্যার ঘটনা শোনা যাচ্ছে। এমনকি বিএলও-রাও নাকি অত্যন্ত বিধ্বস্ত। ইতিমধ্যেই বুধবার সকালে মালবাজারে এক মহিলা বিএলও-র(BLO) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের দাবী নাকি এই কাজের চাপের জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন সেই বিএলও। এই সমস্ত ঘটনা নিয়েই এবার সরব হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী(Mamata Banerjee)। তাঁ সাফ বার্তা, নির্বাচন কমিশনের এমন অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের জন্যই নাকি মূল্যবান প্রাণগুলো চলে যাচ্ছে। বুধবারই এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। তিনি সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছেন, “আজ আরও একজন বিএলওকে হারালাম। অঙ্গনওয়াড়িতে কাজ করতেন ওই মহিলা। এসআইআরের এত চাপ নিতে পারেননি।’ সেখানেই মমতা লেখেন, ‘অপরিকল্পিতভাবে একটা কাজ শুরু করে, কর্মীদের এত চাপ দেওয়া হচ্ছে কমিশনের তরফে যার জেরে মূল্যবান প্রাণ চলে যাচ্ছে। যে কাজ করতে আগে ৩ বছর সময় নেওয়া হয়েছে, রাজনীতির কারণে এবার তা ২ মাসে করা হচ্ছে।“ এই মাস থেকেই শুরু হয়েছে এসআইআর(SIR)। তার আগে নির্বাচন কমিশনের তরফে বলে দেওয়াই হয়েছে যে ২০০২ সালে যাদের নাম রয়েছে বা আত্মীয়দের নাম রয়েছে। তাদের কোনওরকম চিন্তা নেই। তবুও মানুষের মনেন নানান প্রশ্ন রয়েই গিয়েছে। সেইসঙ্গে চলছে নানান হিসাব নিকাশও।
এসআইআরের জন্য ওটিপি চাওয়া হচ্ছে না, সতর্ক করল নির্বাচন কমিশন

এসআইআরের(SIR) জন্য কোনওরকম ওটিপি পাঠানো হচ্ছে না। মঙ্গলবার সরকারীভাবে জানিয়ে দেওয়া হল নির্বাচনী কমিশনের(Election Comission) তরফে। এই মাসেই রাজ্যে শুরু হয়েছে এসআইআর প্রক্রিয়া। এই নিয়ে সকলের মনে নানান প্রশ্ন। এই পরিস্থিতিতেই আরও এক সমস্যা দেখা দিয়েছিল। হঠাৎ করেই এসআইআরের(SIR) জন্য কমিশনের তরফ থেকে নাকি ফোন করে ওটিপি(OTP) চাওয়ার অভিযোগ উঠতে থাকে। এসআইআরের জন্য যে কোনওরক কোনও ওটিপি নির্বাচন কমিশনের তরফে চাওয়া হচ্ছে না সেই কথা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবারই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের(Election Comission) তরফে। সেখানে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এসআইআরের(SIR) জন্য কোনওরকম ওটিপি কিছু চাওয়া হচ্ছে না। কয়েকদিন ধরেই বেশ কয়েকটি জায়গা থেকে এসআইআরের নাম করে ওটিপি চাওয়ার একটা অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এটা যে নির্বাচন কমিশনের তরফে একেবারেই হচ্ছে না তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। কোনও অসাধু সংস্থাই যে নির্বাচন কমিশন এবং এসআইআরের নাম করে জালিয়াতি করার ফাঁদ পেতেছে তাও বেশ স্পষ্ট। এদিন নির্বাচন কমিশনেক তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানানো হয়েছে, ‘‘সবার অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে, ভারতের নির্বাচন কমিশন বা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কার্যালয়ের তরফে কোনও ওটিপি চাওয়া হচ্ছে না। স্পেশ্যাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা ভোটার তালিকা সংশোধন সম্পর্কিত কোনও কাজের জন্য কোনও মোবাইল নম্বরে কোনও ওটিপি চাইবে না ৷’’ গত ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এসআইআর(SIR) প্রক্রিয়া। ফর্ম বিলি করার কাজ প্রায় শেষের দিকে। এবার জমা নেওয়ার কাজ শুরু করবেন বিএলও-আধিকারিকরা।
নভেম্বরেই রাজ্যে শুরু SIR প্রক্রিয়া!

নির্বাচনের(Assembly Election) আগে এই রাজ্যেও যে এসআইআর(SIR) হবে তা আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন(State Election Commision)। অবশেষে রাজ্যে এসআইআর শুরুর দিন ঠিক করে ফেলল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১ নভেম্বর থেকেই শুরু হচ্ছে এসআইআর(SIR)। কয়েকদিনের মধ্যেই ডাকা হতে পারে সর্ব দলীয় বৈঠক। গত দুদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ সহ ছয় রাজ্যের সিইওদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। আভাসটা তখনই পাওয়া গিয়েছিল। আগামী ১ নভেম্বর থেকেই শুরু এসআইআর প্রক্রিয়া। শোনাযাচ্ছে তিন মাসে এই প্রক্রিয়া শেষ করা হতে পারে। সেই মতোই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শুধুমাত্র বাংলাতেই(West Bengal) নয়, নির্বাচন মুখী অন্যান্য রাজ্য সহ আরও কয়েকটি জায়গাতে এসআইআর(SIR) প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর আগামী সপ্তাহেই নাকি জারি হয়ে যেতে পারে নোটিশ। ইতিমধ্যেই এসআইআর(SIR) প্রক্রিয়া শুরুর আগে সমস্তরকম ব্যবস্থাপনা সেরে রাখার নির্দেশ জেলা শাসকদের দেওয়া হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে। শুক্রবার থেকেই নাকি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে। শোনাযাচ্ছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের স্তরে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকা হতে চলেছে। একইরকম ভাবে বিভিন্ন জেলায় জেলা শাসকরাও সর্বদলীয় বৈঠক ডাকবেন। এবারের রাজ্য নির্বাচনে এসআইআর যে প্রধান বিষয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই নিয়ে দুই শিবিরের মধ্যেই চাপান উতোর বাড়ছিল। এবার দিন ঘোষণা হয়ে গিল। রাজ্য রাজনীতি কোন দিকে মোড় নেয় সেটাই দেখার।
পশ্চিমবঙ্গ সহ ৬ রাজ্যের সিইওদের সঙ্গে SIR নিয়ে বিশেষ বৈঠক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনার

ভোট(Election) যত এগিয়ে আসছে এসআইআর(SIR) নিয়ে ততই উত্তেজনবার পারদ চড়তে শুরু করেছে। এবার শোনাযাচ্ছে যে রাজ্যগুলোতে নির্বাচন রয়েছে সেখানেই নাকি আগে হয়ে যেতে পারে এসআইআর(SIR)। গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ সহ ছয় রাজ্যের নির্বাচন কমিশনারদের(CEO) সঙ্গে বিশেষ বৈঠক সেরেছেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার(National Election Comissioner)। সেখানেই নাকি এসআইআর(SIR) নিয়ে বিশেষ আলোচনা হয়েছে বলেই শোনা যাচ্ছে। দুদিন ধরেই হয়েছে বৈঠক। নির্বাচন মুখী রাজ্যে যে এসআইআর নিয়ে চাপোন উতোর আরও বাড়তে চলেছে তা বেশ স্পষ্ট। বুধবার এবং বৃবস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গ সহ ছয় রাজ্যের সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনার। বৈঠক শেষে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে অসম, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, পন্ডিচেরি, তামিলনাড়ু ও কেরালার সিইওদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক সেরেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনমুখী এই রাজ্য গুলোতে আগে এসআইআর হয়ে যাওয়ার একচটা সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গ সহ ছয় রাজ্যে নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণেই সেখানকার সিইওদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক সারে নির্বাচন কমিশনার। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং দুই নির্বাচন কমিশনার এসএস সান্ধু ও বিবেক যোশী।